পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

শচীন টেন্ডুলকার

শচীন টেন্ডুলকার কে? পুরো দুনিয়া জানে। শচীন টেন্ডুলকারের বিদায় এত বড় ঘটনা কেন? পুরো দুনিয়া জানে। নতুন করে তাকে আর পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে সবচেয়ে আক্ষেপের বিষয় হলো শচীন রমেশ টেন্ডুলকার নামটি আর ক্রিকেট ধারাভাষ্যকারদের মুখে শোনা যাবে না। শচীন টেন্ডুলকারের বিদায় উপলক্ষ্যে আমরা এই পেজটিতে তার জীবনের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় তুলে ধরেছি।

*

* *

* *

* *

* *

*

* *

 

শচীন টেন্ডুলকারের বিদায়ী টেস্টের কিছু মুহুর্ত:

 

বিদায়ী টেস্টে টেন্ডুলকারের আবেগময় ভাষণ:

 

শচীন টেন্ডুলকারের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংস ব্যাটিং এর হাইলাইটস:

Go To Top

 

শচীনের ছেলেবেলা:

শচীনের বাবা রমেশ টেন্ডুলকার। পেশায় ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক। মা রাজোনি, যিনি কাজ করতেন একটি জীবন বীমা কোম্পানিতে।  বাবা শখ করে ছেলের নাম একজন বিখ্যাত সংগীতশিল্পীর নামানুসারে রাখলেও ছোটবেলায় সংগীতের প্রতি তার কোনো টান ছিল না। যে ক্রিকেটেশ্বর হবে তার ক্রিকেটের প্রতিও কোনো টান ছিল না। শচীন টান অনুভব করতেন টেনিসের প্রতি। টানটা যেনতেন নয়। ব্যাপক টান।  কিন্তু বড় ভাই অজিত তার দুরন্তপনায় অতিষ্ঠ হয়ে শচীনকে ক্রিকেটের প্রতি টানতে থাকেন। তার ধারণা ছিল ক্রিকেট খেলায় শচীন মজা পেলে হয়তো দুরন্তপনা কিছুটা হলেও কমবে। তাই ছোট ভাইকে ক্রিকেটে হাতেখড়ি দেন অজিত। কিন্তু অজিতের কথা ঠিকমতো শুনতে চাইত না শচীন। তাই বাধ্য হয়ে অজিত দ্বারস্থ হন তত্কালীন সময়ের খ্যাতনামা কোচ রামকান্ত আখেরকারের কাছে। রামকান্ত প্রথম দর্শনে দুরন্ত শচীনকে পছন্দ না করলেও পরে শচীনের প্রতিভা দেখে বিস্মিত হয়ে যান। তিনি অজিতকে পরামর্শ দেন শচীনকে সারাদাশরাম বিদ্যামন্দির স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিতে। কারণ তখন এই স্কুল থেকে বেশ কয়েকজন নামকরা ক্রিকেটার উঠে এসেছিল। এ ছাড়া স্কুলটিতে ভালো একটি ক্রিকেট দলও ছিল। স্কুলের রুটিনের চাপে পরে দুরন্তপনা কমতে থাকে শচীনের। আস্তে আস্তে ক্রিকেটের মজা পেয়ে যেতে থাকে। তবে শচীনের ক্রিকেটের হাতেখড়ি কেবল বিদ্যামন্দিরেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি এটার পাশাপাশি শিবাজি পার্কের কোচ রামকান্তের তত্ত্বাবধানেও ক্রিকেট দীক্ষা নিতেন। কোচের কাছে নিয়মিত নেটে অনুশীলন করতেন। সেটা শেষ হয়ে গেলে নেটের বাইরেও প্রতিদিন এক ঘণ্টা বেশি অনুশীলন করতেন।  ছোটবেলায় দুরন্তপনার শীর্ষে ছিল বিস্ময় বালক। পাড়ার এমন কোনো ছেলে ছিল না যে শচীনের হাতের দু-একবার মার খায়নি। কম করে হলেও একটা কানমলা খেয়েছে।

Go To Top

 

শচিন ও অঞ্জলির পরিচয় এবং বিয়ে:

১৯৯০ সালে ইংল্যান্ড সফর থেকে ফেরার সময় মুম্বাই এয়ারপোর্টে প্রথম অঞ্জলিকে দেখে টেন্ডুলকার। মুহূর্তের ভালো লাগা থেকে পরিচয়, এরপর মন দেওয়া-নেওয়া। পাঁচ বছরের প্রেম পরিণয়ে রূপ নেয়। বয়সে ছয় বছরের বড় অঞ্জলিকে ১৯৯৫ সালে বিয়ে করেন টেন্ডুলকার। বিয়ের পর অঞ্জলি মেহতা হয়ে যান অঞ্জলি টেন্ডুলকার।


গুজরাটের শিল্পপতি আনন্দ মেহতা ও ব্রিটিশ সমাজকর্মী অ্যানাবেল মেহতার মেয়ে অঞ্জলি ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন চিকিত্সক। এমবিবিএস পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীও পেয়েছিলেন। হয়তো চিকিত্সা পেশায়ও ভালো করতেন। কিন্তু বেশি দিন সেটা চালিয়ে যাননি অঞ্জলি। টেন্ডুলকারের জন্য উত্সর্গ করেন নিজের সব স্বপ্ন, ক্যারিয়ার। বিয়ের দুই পছর পরই (১৯৯৭ সালে) টেন্ডুলকার-অঞ্জলির ঘর আলোকিত করে আসে মেয়ে সারা। ১৯৯৯ সালে জন্ম হয় ছেলে অর্জুনের।

Go To Top

 

শচীনের ব্যাটিং যে কারণে মাঠে বসে দেখেন না তার স্ত্রী অঞ্জলি:

মেলবোর্নে ১০ বছর আগে এক বারই শচীনের ব্যাটিং দেখতে সাহস করে ঢুকেছিলেন। তবে গ্যালারিতে নয়, বক্সে। কয়েক মিনিটের মধ্যে হেঁটে বেরিয়ে যান স্বামীকে এক বলে আউট হয়ে যেতে দেখে। তারপর থেকে শচীন ক্রিজে থাকলে অঞ্জলির রুটিন হলো, বাড়িতে নির্দিষ্ট একটা জায়গায় বসে থাকা। কোনো ফোন না নেয়া। কারো সঙ্গে কথা না বলা। এক পা-ও নড়াচড়া না করা। এমনকি ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতেও তিনি যাননি। তবে শেষ বারের মত মাঠে বসে স্বামীর খেলা দেখার সুযোগ অঞ্জলি হাতছাড়া করেননি। কাউকে না জানিয়ে হঠাত্ কলকাতা ইডেন গার্ডেনে উপস্থিত হন। টেন্ডুলকারকে ‘সারপ্রাইজ’ দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল না। তাঁর জন্য যেন বিশেষ কোনো আয়োজন না করা হয়, সে জন্যই হঠাত্ উপস্থিত হন অঞ্জলি।

 

Go To Top

 

অবশেষে শচিনের মা মাঠে এলেন:

লিটল মাস্টারকে সবচেয়ে বড় উপহারটা দিয়েছেন তাঁর মা রজনী টেন্ডুলকার। এই প্রথম মাঠে বসে ছেলের খেলা দেখছেন তিনি! এত দিন মাঠে যাননি এই কুসংস্কার ধারণ করে যে ছেলের খেলা খারাপ হবে। কিন্তু ছেলের বিদায়ী টেস্ট নিয়ে যখন গোটা বিশ্ব উদ্বেলিত, তখন ঘরে বসে থাকতে পারেননি মা রজনী। নিজে হুইলচেয়ারে বসে পরিবারের সব সদস্যকে নিয়ে টেন্ডুলকারের খেলা দেখছেন।

 

 

 

Go To Top

 

বাংলাদেশের ক্রিকেট শচীন

শচীন ও বাংলাদেশের ক্রিকেট বেশ ওতপ্রোতভাবেই মিশে আছে, ইতিহাসে অমর হয়েই থাকবে। ব্যাটিং মাস্টার শচীন ক্যারিয়ারের শততম শতক হাঁকিয়েছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাটিতে। ২০১২ সালে ১৬ মার্চ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১১৪ রান করেন শচীন। এরপর ক্যারিয়ারের শেষ ওয়ানডে ম্যাচও খেলেছেন বাংলাদেশের মাটিতে।


পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১২ সালে ১৮ মার্চ শেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে। টেস্ট ক্রিকেটেরও সর্বোচ্চ রান করেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২০০৪ সালে ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সফরে এসে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ২৪৮ রান করেন তিনি।   

Go To Top

 

শচীন টেন্ডুলকারের অজানা কিছু তথ্য:

  1. বিখ্যাত সুরকার শচিন দেব বর্মনের নামানুসারে শচিন টেন্ডুলকার নাম রাখা হয়। কারণ লিটল জিনিয়াসের বাবার প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন শচিন দেব বর্মন।
  2. ১৯৮৮-১৯৮৯ মৌসুমে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে মুম্বাইয়ের হয়ে অভিষেকেই গুজরাটের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকান টেন্ডুলকার (১০০*)। এই কীর্তি টেন্ডুলকার গড়েছিলেন মাত্র ১৫ বছর ২৩২ দিন বয়সে, যা ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে সবচেয়ে কম বয়সে অভিষেকে সেঞ্চুরির রেকর্ড, বিশ্বরেকর্ড হিসেবে এটি দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকে সেঞ্চুরির রেকর্ড।
  3. শচিন ১৯৯৭ সালে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সাহারা কাপ জেতেন। বিষয়টিকে স্মরণীয় করে রাখতে মেয়ের নাম ‘সারা’ টেন্ডুলকার রাখেন।
  4. প্রথমে ফাস্ট বোলার হওয়ার টার্গেট ছিল শচিনের। কিন্তু এমআরএফ পেস ফাউন্ডেশনে অস্ট্রেলিয়ান পেস কিংবদন্তি ডেনিস লিলি তাকে প্রত্যাখান করেন।
  5. ১৯৯২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে থার্ড আম্পায়ারের মাধ্যমে আউট হন শচিন। যখন কার্ল লিবেনবার্গের শিকার হন ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’।
  6. প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরির দেখা পেতে ৭৯ ম্যাচ অপেক্ষা করতে হয়েছে শচিনকে। এরপর রঙিন পোশাকে আরো ৪৮টি সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি।
  7. টেন্ডুলকারের টেস্ট অভিষেকের দিনে ভারতের আরেক কিংবদন্তি কপিল দেব ক্যারিয়ারের ১০০তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে মাঠে নেমেছিলেন।
  8. ২০০৩ সালে ‘স্টামপেড’ নামক বলিউডের একটি সিনেমায় অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শচিন।
  9. ১৪ বছর বয়সী শচিনকে কপিল দেব নিজের ব্যবহৃত একটি প্যাড দিয়েছিলেন। কিন্তু বয়সভিত্তিক ক্যাম্পে গিয়ে ওই প্যাডটি হারিয়ে ফেলেন লিটল জিনিয়াস।
  10. রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে ২০টির বেশি শত রানের পার্টনারশিপ আছেন শচিনের।
  11. শচিনের নামে টুথপেস্টের একটি ব্রান্ডও আছে। ২০১০ সালে বাজারে আসা ওই টুথপেস্টের ব্রান্ডের নাম ‘শাচ’।
  12. টেন্ডুলকারের শ্বশুর ভারতে সাতবার ব্রিজ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব দেখান।
  13. রামেশ পারধে ছিলেন টেন্ডুলকারের বাল্যবন্ধু। পারধে রাবার বল পানিতে চুবিয়ে টেন্ডুলকারের দিকে সজোরে মারার কাজটি করতেন। বলটি মারার পর ব্যাটে ছাপ পড়ে যেত, টেন্ডুলকার বুঝতে পেতেন বল তাঁর ব্যাটের মাঝখানেই লাগছে কি না! সেই বাল্যবন্ধু পারধে এখন টেন্ডুলকারের ব্যক্তিগত সহকারী।
  14. ১৯৮৭ বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে যখন ভারত-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ চলছিল, টেন্ডুলকার স্টেডিয়ামে ছিলেন ‘বলবয়’ হিসেবে।
  15. ১৯৯০ সালে ইংল্যান্ড সফর শেষে ভারতে ফেরার সময় বিমানবন্দরে প্রথম পরিচয় অঞ্জলির সঙ্গে। বয়সে ছয় বছরের বড় অঞ্জলিকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
  16. ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাসে টেন্ডুলকার সব সময় সামনের সারির বাম দিকের জানালার পাশের আসনটিতে বসতে পছন্দ করেন।
  17. ১৯৮৭ সালে মুম্বাইয়ে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ, সেই ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তান দলের হয়ে বদলি ক্রিকেটার হিসেবে ফিল্ডিং করেছিলেন টেন্ডুলকার! অবশ্য সেটি ছিল প্রীতি ম্যাচ।
  18. ১৯৮৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর ওয়ানডে অভিষেকেই শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন টেন্ডুলকার। তাঁর দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচটিতেও শূন্যতেই আউট হয়েছেন! টানা দুটো শূন্য দিয়ে শুরু ওয়ানডে ক্যারিয়ার। দুবারই ইনিংসের দ্বিতীয় বলে।
  19. ১৯৯০ সালে ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টে টেন্ডুলকার প্রথম ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছিলেন ম্যাগনাম কোম্পানির একটি আস্ত শ্যাম্পেন বোতল। ১৮ পূর্ণ না হওয়ায় শ্যাম্পেনের বোতলটি খোলেননি। শুধু তা-ই নয়, সেই শ্যাম্পেনের বোতল তিনি খোলেন আট বছর পর, মেয়ে সারার প্রথম জন্মদিনে।
  20. ১৯৯৯ সালে চেন্নাই টেস্টে টেন্ডুলকারের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরেও পাকিস্তানের কাছে হেরে যেতে হয় ভারতকে। ওই টেস্টের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হওয়া সত্ত্বেও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না টেন্ডুকারকে। ড্রেসিংরুমে কাঁদছিলেন!
  21. ভারতীয় দলে ড্রেসিংরুমে টেন্ডুলকার সবার আগে বসার জায়গা ঠিক করেন, তারপর বাকিরা তাদের বসার জায়গা নেন। টেন্ডুলকার সব সময় ড্রেসিংরুমের কোনাকুনি জায়গাতে বসতে পছন্দ করেন।
  22. টেন্ডুলকার ডান হাতে ব্যাটিং করেন, ডান হাতে বোলিং করেন, কিন্তু লেখেন বাম হাতে! তিনি সব্যসাচী।
  23. ক্রিকেট ইতিহাসে ৫০+ রানের সবচেয়ে বেশি ইনিংস খেলার কীর্তিও তাঁর। ৫১টি সেঞ্চুরি এবং ৬৮টি হাফ সেঞ্চুরি। পঞ্চাশ কিংবা তার বেশি রানের মোট ১১৯টি ইনিংস খেলেছেন টেন্ডুলকার।
  24. টেস্টে ভারতের হয়ে একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা এবং হেরে যাওয়া ক্রিকেটারও তিনি। ৭০টি টেস্ট জয়ের পাশাপাশি রয়েছে ৫৬টি পরাজয়।
  25. পুরো টেস্ট ক্যারিয়ারে টেন্ডুলকার একবারই স্টাম্পড হয়েছিলেন। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বেঙ্গালুরু টেস্টে। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১০ রান দূরে থাকতে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন।
  26. মোট ১১ জন বিরল সৌভাগ্যবান বোলার আছেন, যাঁদের ক্যারিয়ারের প্রথম শিকারের নামটি ছিল ‘টেন্ডুলকার’। হানসি ক্রনিয়ে, উজেশ রানছোড় (জিম্বাবুয়ে), রুয়ান কালপেগে (শ্রীলঙ্কা), মার্ক ইলহাম (ইংল্যান্ড), নিল জনসন (জিম্বাবুয়ে),  জ্যাকব ওরাম (নিউজিল্যান্ড), মন্টি পানেসার (ইংল্যান্ড), ক্যামেরন হোয়াইট (অস্ট্রেলিয়া), পিটার সিডল (অস্ট্রেলিয়া), পিটার জর্জ (অস্ট্রেলিয়া), অ্যান্ডি ম্যাকায় (নিউজিল্যান্ড)।
  27. শচীন তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তিন তিনবার ৯৯ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন। সবগুলোই ২০০৭ সালে!
  28. শচীনের কৈশোর যে বাসায় কেটেছে সেটির নাম ছিল ‘সাহিত্য সাহস কোঅপারেটিভ সোসাইটি’!
  29. তরুণ বয়সে নেট অনুশীলনে আউট না হয়ে পুরো সেশন ব্যাট করতে পারলে তার তৎকালীন কোচ রমাকান্ত আচরেকারের কাছ থেকে টেন্ডুলকার একটি করে কয়েন পেতেন। এমন ১৩টি কয়েন পেয়েছিলেন টেন্ডুলকার।
  30. ওয়ার্ল্ডটেলের সঙ্গে ৩১ দশমিক পাঁচ কোটি রুপিতে পাঁচ বছরের চুক্তি করে ১৯৯৫ সালের অক্টোবরে সবচেয়ে ধনী ক্রিকেটার হন টেন্ডুলকার।
  31. তার প্রথম ব্যক্তিগত গাড়ি ছিল ৮০০ সিসির মারুতি।
  32. ১৯৯৫ সালে ছদ্মবেশে ‘রোজা’ নামক সিনেমা দেখতে হলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর চোখের সান গ্লাস খুললে তাকে সবাই চিনে ফেলে ।
  33. নিজের ফেরারি গাড়ি ব্যবহারে শচিন এতটাই দুর্বল যে, স্ত্রী অঞ্জলি তাকে কখনো এটা চালাতে দেন না।
  34. শচীন সব সময় ভারী (৩.২পাউন্ড) ব্যাট ব্যবহার করেন। তার চেয়ে বেশি ভারি ব্যাট ব্যবহার করতেন একমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকার ল্যান্স ক্লুজনার।
  35. কিশোর বয়সে ক্রিকেট ব্যাগ মাথার নিচে দিয়ে ঘুমাতেন টেন্ডুলকার।

Go To Top

 

এক নজড়ে শচীন টেন্ডুলকার:

শচীন রমেশ টেন্ডুলকার, ক্রিকেট ইতিহাসের অনেক উঁচুমানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। ক্রিকেট বিশ্বে তিনি ‘লিটেল মাস্টার’ নামে পরিচিত। যিনি টেস্ট ক্রিকেট ও আন্তর্জাতিক একদিনের খেলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক শতকের মালিকসহ বেশ কিছু বিশ্বরেকর্ড ধারণ করে আছেন। তিনি প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একদিনের খেলা ও টেস্ট ম্যাচ মিলিয়ে শততম শতক করেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১২ সালের এশিয়া কাপ চারদেশীয় ক্রিকেট ম্যাচে তিনি এই রেকর্ড করেন। আন্তর্জাতিক একদিনের খেলার ইতিহাসে প্রথম ডবল সেঞ্চুরির মালিক তিনি । ২০০২ সালের উইসডেন এর একটি নিবন্ধে তাকে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা টেস্ট ক্রিকেটার বলে অভিহিত করা হয়েছে। তিনি ১৯৯৭ - ১৯৯৮ সালের জন্য ভারতের খেলাধুলার সর্বোচ্চ পুরস্কার রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার এবং ১৯৯৯ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার অর্জন করেন। টেন্ডুলকার ১৯৯৭ সালে উইসডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটার ছিলেন। ১৯৭৩ সালের ২৪ এপ্রিল তারিখে এই লিটেল মাস্টার জন্মগ্রহণ করেন।

Go To Top

 

শচীন টেন্ডুলকারের শতরানের ইনিংসগুলো

ক্র. নং

রান

ম্যাচের ধরন

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

তারিখ

১.

১১৯*

টেস্ট

ইংল্যান্ড

ওল্ড ট্রাফোর্ড

৯ আগস্ট, ১৯৯০

২.

১৪৮*

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

সিডনি

২ জানুয়ারি, ১৯৯২

৩.

১১৪

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

পার্থ

১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২

৪.

১১১

টেস্ট

দ. আফ্রিকা

জোহানেসবার্গ

২৬ নভেম্বর, ১৯৯২

৫.

১৬৫

টেস্ট

ইংল্যান্ড

চেন্নাই

১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩

৬.

১০৪*

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

২৭ জুলাই, ১৯৯৩

৭.

১৪২

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

লক্ষনৌ

১৮ জানুয়ারি, ১৯৯৪

৮.

১১০

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

কলম্বো

৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪

৯.

১১৫

ওয়ানডে

নিউজিল্যান্ড

বরোদা

২৮ অক্টোবর, ১৯৯৪

১০.

১০৫

ওয়ানডে

ও. ইন্ডিজ

জয়পুর

১১ নভেম্বর, ১৯৯৪

১১.

১৭৯

টেস্ট

ও. ইন্ডিজ

নাগপুর

১ ডিসেম্বর, ১৯৯৪

১২.

১১২*

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

শারজা

৯ এপ্রিল, ১৯৯৫

১৩.

১২৭*

ওয়ানডে

কেনিয়া

কটক

১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬

১৪.

১৩৭

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

দিল্লি

২ মার্চ, ১৯৯৬

১৫.

১০০

ওয়ানডে

পাকিস্তান

সিঙ্গাপুর

৫ এপ্রিল, ১৯৯৬

১৬.

১১৮

ওয়ানডে

পাকিস্তান

শারজা

১৫ এপ্রিল, ১৯৯৬

১৭.

১২২

টেস্ট

ইংল্যান্ড

এজবাস্টন

৬ জুন, ১৯৯৬

১৮

১৭৭

টেস্ট

ইংল্যান্ড

ট্রেন্টব্রিজ

৪ জুলাই, ১৯৯৬

১৯.

১১০

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

২৮ আগস্ট, ১৯৯৬

২০.

১১৪

ওয়ানডে

দ. আফ্রিকা

মুম্বাই

১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৬

২১.

১৬৯

টেস্ট

দ. আফ্রিকা

কেপটাউন

২ জানুয়ারি, ১৯৯৭

২২.

১০৪

ওয়ানডে

জিম্বাবুয়ে

বেনোনি

৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৭

২৩.

১১৭

ওয়ানডে

নিউজিল্যান্ড

বেঙ্গালুরু

১৪ মে, ১৯৯৭

২৪.

১৪৩

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

২ আগস্ট, ১৯৯৭

২৫.

১৩৯

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

৯ আগস্ট, ১৯৯৭

২৬.

১৪৮

টেস্ট

   শ্রীলঙ্কা

মুম্বাই

৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭

২৭.

১৫৫*

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

চেন্নাই

৬ মার্চ, ১৯৯৮

২৮.

১৭৭

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

বেঙ্গালুরু

২৫ মার্চ, ১৯৯৮

২৯

১০০

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

কানপুর

৭ এপ্রিল, ১৯৯৮

৩০

১৪৩

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

শারজা

২২ এপ্রিল, ১৯৯৮

৩১

১৩৪

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

শারজা

     ২৪ এপ্রিল, ১৯৯৮

৩২

১০০*

ওয়ানডে

কেনিয়া

কলকাতা

৩১ মে, ১৯৯৮

৩৩

১২৮

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

৭ জুলাই, ১৯৯৮

৩৪

১২৭*

ওয়ানডে

জিম্বাবুয়ে

বুলাওয়ে

২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮

৩৫

১৪১

ওয়ানডে

 অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা

২৮ অক্টোবর, ১৯৯৮

৩৬

১১৮*

ওয়ানডে

জিম্বাবুয়ে

শারজা

৮ নভেম্বর, ১৯৯৮

৩৭

১২৪*

ওয়ানডে

জিম্বাবুয়ে

শারজা

১৩ নভেম্বর, ১৯৯৮

৩৮

১১৩

টেস্ট

   নিউজিল্যান্ড

ওয়েলিংটন

২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৮

৩৯

১৩৬

টেস্ট

পাকিস্তান

চেন্নাই

২৮ জানুয়ারি, ১৯৯৯

৪০

১২৪*

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯

৪১

১৪০*

ওয়ানডে

কেনিয়া

ব্রিস্টল

২৩ মে, ১৯৯৯

৪২

১২০

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

২৯ আগস্ট, ১৯৯৯

৪৩

১২৬*

টেস্ট

নিউজিল্যান্ড

মোহালি

১০ অক্টোবর, ১৯৯৯

৪৪

২১৭

টেস্ট

নিউজিল্যান্ড

আহমেদাবাদ

২৯ অক্টোবর, ১৯৯৯

৪৫

১৮৬*

ওয়ানডে

নিউজিল্যান্ড

হায়দরাবাদ

৮ নভেম্বর, ১৯৯৯

৪৬

১১৬

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

মেলবোর্ন

২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৯

৪৭

১২২

ওয়ানডে

দ. আফ্রিকা

বরোদা

১৭ মার্চ, ২০০০

৪৮

১০১

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

শারজা

২০ অক্টোবর, ২০০০

৪৯

১২২

টেস্ট

জিম্বাবুয়ে

দিল্লি

১৮ নভেম্বর, ২০০০

৫০

২০১*

টেস্ট

জিম্বাবুয়ে

নাগপুর

২৫ নভেম্বর, ২০০০

৫১

১৪৬

ওয়ানডে

জিম্বাবুয়ে

যোধপুর

৮ ডিসেম্বর, ২০০০

৫২

১২৬

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

চেন্নাই

১৮ মার্চ, ২০০১

৫৩

১৩৯

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

ইন্দোর

৩১ মার্চ, ২০০১

৫৪

১২২*

ওয়ানডে

ও. ইন্ডিজ

হারারে

৪ জুলাই, ২০০১

৫৫

১০১

ওয়ানডে

দ. আফ্রিকা

জোহানেসবার্গ

৫ অক্টোবর, ২০০১

৫৬

১৪৬

ওয়ানডে

কেনিয়া

পার্ল

২৪ অক্টোবর, ২০০১

৫৭

১৫৫

টেস্ট

দ. আফ্রিকা

ব্লুমফন্টেইন

৩ নভেম্বর, ২০০১

৫৮

১০৩

টেস্ট

ইংল্যান্ড

আহমেদাবাদ

১১ ডিসেম্বর, ২০০১

৫৯

১৭৬

টেস্ট

জিম্বাবুয়ে

নাগপুর

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০০২

৬০

১১৭

টেস্ট

ও. ইন্ডিজ

পোর্ট অব স্পেন

১৯ এপ্রিল, ২০০২

৬১

১০৫*

ওয়ানডে

ইংল্যান্ড

চেস্টার-লি-স্ট্রিট

৪ জুলাই, ২০০২

৬২

১১৩

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

ব্রিস্টল

১১ জুলাই, ২০০২

৬৩

১৯৩

টেস্ট

ইংল্যান্ড

হেডিংলি

২২ আগস্ট, ২০০২

৬৪

১৭৬

টেস্ট

ও. ইন্ডিজ

কলকাতা

৩০ অক্টোবর, ২০০২

৬৫

১৫২

ওয়ানডে

নামিবিয়া

পিটারমারিজবার্গ

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩

৬৬

১০০

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

গোয়ালিয়র

২৬ অক্টোবর, ২০০৩

৬৭

১০২

ওয়ানডে

নিউজিল্যান্ড

হায়দরাবাদ

১৫ নভেম্বর, ২০০৩

৬৮

২৪১*

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

সিডনি

২ জানুয়ারি, ২০০৪

৬৯

১৪১

ওয়ানডে

পাকিস্তান

রাওয়ালপিন্ডি

১৬ মার্চ, ২০০৪

৭০

১৯৪*

টেস্ট

পাকিস্তান

মুলতান

২৮ মার্চ, ২০০৪

৭১

২৪৮*

টেস্ট

বাংলাদেশ

ঢাকা

১০ ডিসেম্বর, ২০০৪

৭২

১২৩

ওয়ানডে

পাকিস্তান

আহমেদাবাদ

১২ এপ্রিল, ২০০৫

৭৩

১০৯

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

দিল্লি

১০ ডিসেম্বর, ২০০৫

৭৪

১০০

ওয়ানডে

পাকিস্তান

পেশোয়ার

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬

৭৫

১৪১*

ওয়ানডে

ও. ইন্ডিজ

কুয়ালালামপুর

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৬

৭৬

১০০*

ওয়ানডে

ও. ইন্ডিজ

বরোদা

৩১ জানুয়ারি, ২০০৭

৭৭

১০১

টেস্ট

বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম

১৮ মে, ২০০৭

৭৮

১২২*

টেস্ট

বাংলাদেশ

মিরপুর

২৫ মে, ২০০৭

৭৯

১৫৪*

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

সিডনি

২ জানুয়ারি, ২০০৮

৮০

১৫৩

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

অ্যাডিলেড

২৪ জানুয়ারি, ২০০৮

৮১

১১৭*

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

সিডনি

২ মার্চ, ২০০৮

৮২

১০৯

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

নাগপুর

৬ নভেম্বর, ২০০৮

৮৩

১০৩*

টেস্ট

ইংল্যান্ড

চেন্নাই

১১ ডিসেম্বর, ২০০৮

৮৪

১৬৩*

ওয়ানডে

নিউজিল্যান্ড

ক্রাইস্টচার্চ

৮ মার্চ, ২০০৯

৮৫

১৬০

টেস্ট

নিউজিল্যান্ড

হ্যামিল্টন

১৮ মার্চ, ২০০৯

৮৬

১৩৮

ওয়ানডে

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৯

৮৭

১৭৫

ওয়ানডে

অস্ট্রেলিয়া

হায়দরাবাদ

৫ নভেম্বর, ২০০৯

৮৮

১০০*

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

আহমেদাবাদ

১৬ নভেম্বর, ২০০৯

৮৯

১০৫*

টেস্ট

বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম

১৭ জানুয়ারি, ২০১০

৯০

১৪৩

টেস্ট

বাংলাদেশ

মিরপুর

২৪ জানুয়ারি, ২০১০

৯১

১০০

টেস্ট

দ. আফ্রিকা

নাগপুর

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১০

৯২

১০৬

টেস্ট

দ. আফিক্রা

কোলকাতা

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১০

৯৩

২০০*

ওয়ানডে

দ. আফ্রিকা

গোয়ালিওর

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১০

৯৪

২০৩

টেস্ট

শ্রীলঙ্কা

কলম্বো

২৬ জুলাই, ২০১০

৯৫

২১৪

টেস্ট

অস্ট্রেলিয়া

ব্যাঙ্গালোর

৯ অক্টোবর, ২০১০

৯৬

১১১*

টেস্ট

দ. আফিকা

সেঞ্চুরিয়ান

১৬ ডিসেম্বর, ২০১০

৯৭

১৪৬

টেস্ট

দ. আফিকা

কেপটাউন

২ জানুয়ারি, ২০১১

৯৮

১২০

ওয়ানডে

ইংল্যান্ড

ব্যাঙ্গালোর

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

৯৯

১১১

ওয়ানডে

দ. আফ্রিকা

নাগপুর

১২ মার্চ, ২০১১

১০০

১১৪

ওয়ানডে

বাংলাদেশ

মিরপুর

১৬ মার্চ, ২০১২

Go To Top

 

টেন্ডুলকারের ব্যাটিং গড়ঃ

 

ম্যাচ

ইনিংস

নট আউট

মোট রান

সর্বোচ্চ রান

রানের গড়

স্ট্রাইক রেট

১০০র সংখ্যা

৫০-র সংখ্যা

আন্তর্জাতিক টেস্ট

২০০

১২৭

৩৩

১৫৯২১

২৪৮*

৫৩.৭৮

...

৫১

৬৮

আন্তর্জাতিক এক দিনের খেলা

৪৬৩

৪৫২

৪১

১৮৪২৬

২০০*

৪৪.৮৩

৮৬.২৩

৪৯

৯৬

আন্তর্জাতিক টি২০ খেলা

১০

১০

১০.০

৮৩.৩৩

প্রথম শ্রেণীর খেলা

৩০৭

৪৮৬

৫০

২৫২২৮

২৪৮*

৫৭.৮৬

...

৮১

১১৪

জাতীয় দলে খেলা

৫৫১

৫৩৮

৫৫

২১৯৯৯

২০০*

৪৫.৫৪

...

৬০

১১৪

টি২০ খেলা

৭৭

৭৭

১০

২৪৪০

১০০*

৩৬.৪১

১২১.৫১

১৫

* নট আউট

Go To Top

 

টেন্ডুলকারের বলিং গড়ঃ

 

ম্যাচ

ইনিংস

বল

রান

উইকেট

গড়

ইকোনোমি

স্ট্রাইক রেট

সেরা বলিং

উই/রান

আন্তর্জাতিক টেস্ট

২০০

১৪৫

৪২৪০

২৪৯২

৪৬

৫৪.১৭

৩.৫২

৯৩.১

৩/১০

আন্তর্জাতিক এক দিনের খেলা

৪৬৩

২৭০

৮০৫৪

৬৮৫০

১৫৪

৪৪.৪৮

৫.১০

৫২.২

৫/৩২

আন্তর্জাতিক টি২০ খেলা

১৫

১২

১২.০

৪.৮০

১৫.০

১/১২

প্রথম শ্রেণীর খেলা

৩০৭

...

৭৫৬৩

৪৩৫৩

৭০

৬২.১৮

৩.৪৫

১০৮.০

৩/১০

জাতীয় দলে খেলা

৫৫১

...

১০২৩০

৮৪৭৮

২০১

৪২.১৭

৪.৯৭

৫০.৮

৫/৩২

টি২০ খেলা

৭৭

৯৩

১২৩

৬১.৫০

৭.৯৩

৪৬.৫

১/১২

Go To Top

 

টেন্ডুলকারের প্রাথমিক ক্যারিয়ারঃ

 

বিপক্ষ দল

ভেন্যু

তারিখ

প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট

পাকিস্তান

করাচি

১৫ থেকে ২০ নভেম্বর, ১৯৮৯

প্রথম আন্তর্জাতিক এক দিনের খেলা

পাকিস্তান

গুজরানওয়ালা

১৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৯

প্রথম আন্তর্জাতিক টি২০ খেলা

দঃ আফ্রিকা

জোহানেসবার্গ

১ ডিসেম্বর, ২০০৬

প্রথম প্রথম-শ্রেণীর খেলা

...

...

১৯৮৮/৮৯

প্রথম জাতীয় দলে খেলা

...

...

১৯৮৯/৯০

প্রথম টি২০ খেলা

দঃ আফ্রিকা

জোহানেসবার্গ

১ ডিসেম্বর, ২০০৬

Go To Top

 

অবসর ভাবনা:

শচীন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নিকট অবসর গ্রহণ সংক্রান্ত একটি চিঠি লেখেন। যার সারমর্ম হলো - ‘সারা জীবন ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন আমি দেখেছি। গত ২৪টি বছরের প্রত্যেকটি দিন আমি এই স্বপ্ন দেখে কাটিয়েছি। ১১ বছর বয়স থেকে আমি ক্রিকেটের সঙ্গেই আছি। ক্রিকেট ছাড়া আছি এটা কল্পনা করাও আমার জন্য ভীষণ কঠিন। নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব হয়ে সারা বিশ্বে খেলা আমার জন্য বিশাল সম্মানের। ঘরের মাঠে আমি দুশতম টেস্ট খেলতে মুখিয়ে আছি। এরপরই আমি অবসর নেব।’‘এই দীর্ঘ সময়ে যা কিছু ঘটেছে তার জন্য বিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানাই। সহ্যশক্তি ও বোঝাপড়ার জন্য আমার পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞ। ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সবচেয়ে বেশি ধন্যবাদ জানাই। তাদের প্রার্থনা ও শুভ কামনা আমাকে সেরা পারফর্ম করার শক্তি দিয়েছে।’ ১৯৮৯ সালে করাচিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬ বছর বয়সে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে শচীনের। শুরু হয় ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম গৌরবজ্জ্বল এক অধ্যায়ের। ইতোমধ্যে ২০০ টেস্টে ৫১ শতক ও ৬৮ অর্ধশতক নিয়ে ৫৩.৮৬ গড়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক শচীন । পাঁচদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ইনিংস হার না মানা ২৪৮ রান। গত ডিসেম্বরে ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর আগে খেলে ফেলেন ৪৬৩ ম্যাচ। ৪৯ শতক, ৯৬ অর্ধশতকে ৪৪.৮৩ গড়ে একদিনের ক্রিকেটেও সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৪২৬ রান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন একটিই।

Go To Top


ডানহাতি এই ব্যাটিং তারকার যত বিশ্বরেকর্ড-    

  • টেস্টে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরি।
  • ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরি।
  • শতকের সেঞ্চুরি হাঁকানো একমাত্র ব্যাটসম্যান।
  • বিশ্বকাপেও সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান এই তারকার।
  • টেস্টের সঙ্গে ওয়ানডেতেও সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড তার।
  • এক বর্ষপঞ্জিকায় টেস্টে এক হাজার বা তার বেশি রান করেছেন ছয়বার- ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০১, ২০০২, ২০০৮ ও ২০১০।
  • এক বর্ষপঞ্জিকায় ওয়ানডেতে এক হাজার বা তার বেশি রান করেছেন সাতবার- ১৯৯৪, ১৯৯৬, ১৯৯৭, ১৯৯৮, ২০০০, ২০০৩ ও ২০০৭ সাল।

Go To Top

 

শচীনের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো-
১১ ডিসেম্বর, ১৯৮৮: ১৫ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক। সেঞ্চুরিও হাঁকিয়েছিলেন ওই ম্যাচে।
১৫ নভেম্বর, ১৯৮৯: করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক।
১৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৯: গুজরানওয়ালায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক।
১৪ আগস্ট, ১৯৯০: মাত্র ১৭ বছর বয়সে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি।
১০ ডিসেম্বর, ২০০৫: সতীর্থ সুনীল গাভাস্কারের ৩৪টি টেস্ট শতকের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙেছিলেন।
১৭ অক্টোবর, ২০০৮: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটিং গ্রেট ব্রায়ান লারাকে টপকে টেস্টে রান সংগ্রহের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল।
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১০: ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটসম্যান হয়ে দ্বিশতক হাঁকালেন।
এপ্রিল, ২০১১: ভারতের হয়ে অধরা ওয়ানডে বিশ্বকাপও জিতলেন।
১৬ মার্চ, ২০১২: একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি অর্জন করলেন।

১০ অক্টোবর ২০১৩: দুশতম টেস্ট খেলে টেস্ট ক্রিকেটকেও বিদায় জানানোর আগাম ঘোষণা দিলেন শচীন।

Go To Top

 

ব্যবসায়ি টেন্ডুলকারঃ

টেন্ডুলকারের অসম্ভব জনপ্রিয়তার দরুণ অতীতের যে-কোন চুক্তিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ক্রিকেটে তার অবদানকে পুঁজি করে ১৯৯৫ সালে ওয়ার্ল্ডটেলের সাথে ৩০ কোটি রূপিতে চুক্তিবদ্ধ হন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে আবারো ৫ বছরের জন্য নবায়ণ করেন ৮০ কোটি রূপির বিনিময়ে।

২০০৬ সালে সাচি এণ্ড সাচি’র সাথে ১৮০ কোটি রূপিতে তিন বছর মেয়াদী চুক্তি করেন। টেন্ডুলকার তাঁর জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করে দু’টি রেস্টুরেন্ট হিসেবে - টেন্ডুলকার’স (কোলাবা, মুম্বাই) এবং শচীন’স (মুলুন্দ, মুম্বাই) চালু করেন। মার্স রেস্টুরেন্টের মালিক সঞ্জয় নারাং এর সাথে উক্ত রেস্টুরেন্টগুলো যৌথভাবে পরিচালিত করছেন। এছাড়াও, তিনি ব্যাঙ্গালোরে শচীন’স নামে নতুন একটি রেঁস্তোরা চালু করবেন।

২০০৭ সালে টেন্ডুলকার ফিউচার গ্রুপ এবং মানিপাল গ্রুপের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন যা স্বাস্থ্যসেবা এবং খেলাধূলায় শারীরিক সক্ষমতার লক্ষ্যে পণ্য উৎপাদনে আসার ঘোষণা দেন। পণ্যটির নাম হবে ‘এস ড্রাইভ এণ্ড সাচ’। ভার্জিন কমিকের পরিবেশনায় শচীনকে মহাবীর প্রদর্শন করে কমিক বই প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে।

Go To Top

 

বিজ্ঞাপনে টেন্ডুলকারঃ

জীবন্ত কিংবদন্তি ও বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটস্‌ম্যান হিসেবে শচীন টেন্ডুলকার নিম্নলিখিত পণ্য ও সংস্থার বিজ্ঞাপন চিত্রে অংশগ্রহণ করেনঃ-

ক্রমিক নং

পণ্যের নাম

মেয়াদকাল

(১)

পেপসি

১৯৯২ থেকে বর্তমান

(২)

ক্যানন

২০০৬ থেকে ২০০৯

(৩)

এয়ারটেল

২০০৪-২০০৬

(৪)

নাজারা টেকনোলোজিস

২০০৫-২০০৮

(৫)

ব্রিটানিয়া

২০০১-২০০৭

(৬)

হোমট্রেড

২০০১-২০০৭

(৭)

সানফিস্ট

২০০৭-২০১৩

(৮)

জাতীয় ডিম সমন্বয় কমিটি

২০০৩-২০০৫

(৯)

বুস্ট

১৯৯০ থেকে বর্তমান

(১০)

একশন শ্যুজ

১৯৯৫-২০০০

(১১)

এডিডাস

২০০০-২০১০

(১২)

ফিয়েট পালিও

২০০১-২০০৩

(১৩)

রেনল্ডস

২০০৭ থেকে বর্তমান

(১৪)

টিভিএস

২০০২-২০০৫

(১৫)

ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস

২০০২ থেকে বর্তমান

(১৬)

জি-হ্যাঞ্জ

২০০৫-২০০৭

(১৭)

স্যানিও বিপিএল

২০০৭ থেকে বর্তমান

(১৮)

এইডস্‌ সচেতনতা প্রদর্শনী

২০০৫

(১৯)

কোলগেট-পালমোলাইভ

...

(২০)

ফিলিপস্‌

...

(২১)

এমআরএফ

...

(২২)

ভিসা

...

(২৩)

আভিভা

...

(২৪)

রয়্যাল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড গ্রুপ

...

(২৫)

তোসিবা

...

Go To Top

 

টেন্ডুলকারের জীবনীঃ

বিভিন্ন বইয়ে শচীন টেন্ডুলকারের প্রসঙ্গে আলোচিত হয়েছে। এছাড়াও, নিম্নের বইগুলোতে টেন্ডুলকারের ক্রিকেট জীবনকে উপজীব্য করে রচিত হয়েছেঃ-

ক্রমিক নং

বইয়ের নাম

লেখক

প্রকাশক

(১)

Sachin: The Story of the World's Greatest Batsman

গুলু এজিকাইয়েল

পেঙ্গুইন গ্লোবাল

(২)

The A to Z of Sachin Tendulkar

গুলু এজিকাইয়েল

পেঙ্গুইন গ্লোবাল

(৩)

Sachin Tendulkar-a definitive biography

ভাইভব পুরানদারে

রলি বুকস্‌

(৪)

Sachin Tendulkar – Masterfu

পিটার মুরে ও আশীষ শুক্লা

রূপা

(৫)

If Cricket is a Religion, Sachin is God

বিজয় সান্থানম ও শ্যাম বালাসুব্রামানিয়ান

হার্পারকলিন্স, ভারত

Go To Top

 

ব্যক্তিগত সম্মাননা ও পুরস্কার

টেন্ডুলকার বিভিন্নভাবে দলীয়, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। উল্লেখযোগ্য সম্মাননা ও পুরস্কারগুলো নিম্নে ছক আকারে দেয়া হলোঃ-

ক্রমিক নং

বিবরণ

(১)

আইসিসি পুরস্কার - স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি, ২০১০-এর সেরা ক্রিকেটার

(২)

পদ্মবিভূষণ, ভারতের ২য় সর্বোচ্চ পুরস্কার, ২০০৮

(৩)

আইসিসি বিশ্ব একদিনের আন্তর্জাতিক একাদশে খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভূক্তি: ২০০৪ ও ২০০৭

(৪)

রাজীব গান্ধী পুরস্কার (খেলা): ২০০৫

(৫)

ক্রিকেট বিশ্বকাপ, ২০০৩-এ টুর্ণামেন্টের সেরা খেলোয়াড়

(৬)

মহারাষ্ট্র সরকার কর্তৃক সর্বোচ্চ নাগরিকের পুরস্কার লাভ: ২০০১

(৭)

পদ্মশ্রী, ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিকের পুরস্কার, ১৯৯৯

(৮)

খেলাধূলায় ভারতে সর্বোচ্চ সম্মাননা হিসেবে রাজীব গান্ধী খেল রত্ন লাভ: ১৯৯৭-৯৮

(৯)

উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটার: ১৯৯৭

(১০)

ক্রিকেটে অভূতপূর্ব ফলাফল করায় ভারত সরকার কর্তৃক অর্জুন পুরস্কার লাভ

(১১)

অক্টোবর, ২০১০-এ লন্ডন স্পোর্ট এণ্ড দ্য পিপিল্‌স চয়েজ এওয়ার্ড হিসেবে দি এশিয়ান এওয়ার্ড লাভ

Go To Top

 

ভিডিও গ্যালারি

শচীন টেন্ডুলকারের সেরা ১০টি ক্রিকেটীয় মুহূর্ত:

 

শচীন টেন্ডুলকারের অসাধারণ ৪টি বাউন্ডারি:

 

টেস্ট ম্যাচে শচীন টেন্ডুলকারের ১ম রান:

 

শচীন টেন্ডুলকারের ১ম টেস্ট সেঞ্চুরি:

 

১ম আন্তর্জাতিক ম্যাচে শচীন টেন্ডুলকার:

 

শচীন টেন্ডুলকার ও অঞ্জলির বিয়ের কিছু দৃশ্য:

 

শচীন টেন্ডুলকারের পরিবারের একটি ভিডিও:

 

Go To Top

 

আপডেটের তারিখঃ ১৬ নভেম্বর, ২০১৩

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
শচীন টেন্ডুলকারক্রিকেট ইতিহাসের অনেক উঁচুমানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত
জুনায়েদ সিদ্দিকীজুনায়েদ সিদ্দিকী একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী ক্রিকেটার
মুশফিকুর রহিমমুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার
রবিউল ইসলামউদীয়মান ক্রিকেট খেলোয়াড়
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদবাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সহকারি অধিনায়ক
নাসির হোসেনবর্তমানে বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার
তামিম-আয়েশার ভালোবাসার গল্পপরিচয় পর্ব থেকে বিয়ে পর্যন্ত সকল ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে
কাকা ও সেলিকোর দুর্দান্ত প্রেমকাহিনীতাদের প্রেম-ভালোবাসা এবং বিয়ে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
কাজী সালাউদ্দিন৭০ এর দশকের মাঠ দাবড়ানো ফুটবলার
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোজীবনের নানা অজানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
আরও ২১ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি