পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষা জনগনের অন্যতম একটি মৌলিক অধিকার। শিক্ষার এই অপরিসীম গুরুত্ব বিবেচনা করে পৃথিবীর প্রতেকটি দেশেই সরকারী পর্যায়ে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারভিত্তিক একটি খাত হিসাবে বিবেচনা করা হয়। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে বাংলাদেশে শিক্ষার গুরুত্ব আরো বেশী। তাই স্বাধীনতা পরবর্তীকাল থেকে বাংলাদেশের সরকারগুলো শিক্ষার প্রসারে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমানে আমাদের নিরক্ষরতার হার লক্ষনীয় হারে কমে আসার পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষাক্ষেত্রেও অত্যন্ত মানসম্পন্ন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসা, প্রকৌশল ও কৃষি গবেষনা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবছর একঝাক মেধাবী তরুন নেতৃত্ব জাতিকে উপহার দিচ্ছে যারা অবশ্যই একদিন বর্তমান বাংলাদেশের চিত্র পুরোপুরি পাল্টে দিতে সক্ষম হবে। এখানে বাংলাদেশের কিছু স্বনামধন্য সরকারী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো:

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১৯২১ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম। কালের পরিক্রমায় বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে; যার ফলশ্রুতিতে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচের অক্সফোর্ড নামে অভিহিত করা হয়।

 

অবস্থান:

ঢাকা শহরের রমনা এলাকার অত্যন্ত মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রায় ৬০০ একর জুড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান।

 

যোগাযোগ:

রেজিষ্ট্রার বিল্ডিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ৮৬১৪১৫০, ৯৬৬১৯২০ এক্স-৪০২০

ই-মেইল- [email protected], [email protected]

ওয়েবসাইট: www.univdhaka.edu

বর্তমান উপাচার্য: প্রফেসর আ আ ম স আরেফিন সিদ্দীক

অনুষদের সংখ্যা: ১৩টি

বিভাগ: ৬৬টি

ইনষ্টিটিউট: ৮টি

গবেষনা কেন্দ্র: ৩৫টি

ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা: প্রায় ৩৪০০০ জন

শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা: প্রায় ১৮০৫ জন

আবাসিক হল: ১৭টি

হোস্টেল: ৩টি

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া:

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু সকল আবেদনকারীকে নিন্মোক্ত ৪টি ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়:

  • ইউনিট বাছাই
  • আবেদন ফি জমা দেয়ার রসিদ সংগ্রহ
  • ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া
  • ছবি আপলোড করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ

এই চারটি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিবরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

  • পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে ও নির্ধারিত সময়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে হয়। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর প্রথমে মেধাতালিকা ও অত:পর অপেক্ষামান তালিকা থেকে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়।

 

শিক্ষা কার্য্যক্রম:

  • বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কলা, মানবিক, বিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি এখানে চারুকলা, সঙ্গীত, নাট্যকলা, ভাষাতত্ব ইত্যাদি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ রয়েছে।

 

বিদেশী শিক্ষার্থী:

  • দেশী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করতে আসেন।

বিস্তারিত...

 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET) কারিগরী ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ৬০ বৎসরেরও বেশী সময় ধরে প্রকৌশল শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

 

অবস্থান:

রাজধানীর রমনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকাতেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান।

 

যোগাযোগ:

রেজিষ্ট্রার বিল্ডিং

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা-১০০০

ফোন: ৯৬৬৫৬৫০-৮০, ৮৬১৬৮৩৩-৩৮

ই-মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.buet.ac.bd

বর্তমান উপাচার্য: প্রফেসর ড. এস.এম নজরুল ইসলাম

অনুষদের সংখ্যা: ৫টি

বিভাগ: ১৬টি

ইনষ্টিটিউট: ৩টি

প্রতিবছর ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা: স্নাতক পর্যায়ে ৯০০ জন, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১০০০ জন।

আবাসিক হল: ৮টি; ৬টি ছাত্র হল, ১টি ছাত্রী হল এবং ১টি তরুন শিক্ষক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত হল।

 

ভর্তির যোগ্যতা:

বুয়েটে ভর্তি হওয়া অত্যন্ত প্রতিদ্বন্বিতাপূর্ণ ব্যাপার। উচ্চ মাধ্যমিকে গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ইংরেজীতে একটি নির্দিষ্ট জি.পি.এ প্রাপ্তরাই কেবলমাত্র ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করে প্রতি বছর এই নির্দিষ্ট জিপিএ পরিবর্তিত হতে পারে। ভর্তি পরীক্ষা হবার পর, সবচেয়ে ভালো ফলাফল অর্জন করা ১০০০ ছাত্রছাত্রী এই সম্মানজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ লাভ করে।

 

শিক্ষা কার্যক্রম:

বর্তমানে বুয়েটে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে প্রকৌশল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

 

বিদেশী ছাত্র/ছাত্রী:

দেশী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই প্রতিষ্ঠানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্র ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে আসেন।

বিস্তারিত...

 

বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সারা বাংলাদেশের ১৬০০ এর বেশী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদানকারী কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানকারী কর্তৃপক্ষ। এসব কলেজ স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত ছিল; ১৯৯২ সালে জাতীয় সংসদে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এর আওতায় নিয়ে আসা হয়।

 

অবস্থান:

ঢাকার অদূরে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস অবস্থিত।

 

যোগাযোগ:

প্রশাসনিক ভবন

বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বোর্ডবাজার, গাজীপুর-১৭০৫

ফোন: ৯১৩৫১৮৭ (উপাচার্য), ৯১১২৬৬২ (উপ উপাচার্য)

ই-মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.nu.edu.bd

বর্তমান উপাচার্য : প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ

কার্যনির্বাহী বিভাগ: ১৩টি

বিশ্ববিদ্যালয়ে আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: ১৬০০ এর অধিক

বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা: প্রায় ১০ লক্ষ

প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম:

সমগ্র বাংলাদেশের স্নাতক কলেজসমূহের জন্য স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সিলেবাস প্রনয়ন, পরীক্ষা গ্রহন, ফলাফল প্রকাশ, কলেজসমূহের কার্যক্রম পর্যবেক্ষন ইত্যাদি।

বিস্তারিত...

 

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)

দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদান এবং সকলের জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে জাতীয় সংসদে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক দুই ধরনের শিক্ষা প্রদান করে থাকে। মূলত অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কারনে প্রচলিত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত আগ্রহী শিক্ষার্থীদের তাদের অবস্থান অনুযায়ী শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দেয়াই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য।

 

অবস্থান:

ঢাকার অদূরে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে ৩৫ একর জমির উপর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অবস্থিত।

 

যোগাযোগ

প্রশাসনিক ভবন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

বোর্ড বাজার, গাজীপুর- ১৭০৫

ফোন- ৯২৯১১১২

ই-মেইল- [email protected]

ওয়েবসাইট- www.bou.edu.bd

বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ডঃ আর আই এম আমিনুর রশিদ।

 

শিক্ষা কার্যক্রম:

বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ২ ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যথা:

১। আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম

২। অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম

আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এর সংখ্যা ২১ এবং অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম ১৯।

 

আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম

বাউবি ২১ ধরনের আনুষ্ঠানিক অধ্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এই কার্যক্রমের আওতায় বাউবি তাদের রিজিওনাল রিসোর্স সেন্টার (আর আর সি), কো অর্ডিনেটিং অফিস (সিও) এবং টিউটোরিয়াল সেন্টার (টিসি) সমূহের মাধ্যমে সার্টফিকেট, ডিপ্লোমা, ডিগ্রী ও মাস্টার্স পর্যায়ে পাঠদান করে থাকে। এই কার্যক্রমে শিক্ষার্থীকে সরাসরি কোন ক্লাসে অংশ গ্রহন করতে হয় না। বরং বাউবি তাদের আঞ্চলিক সেন্টারগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষভাবে রচিত বইপত্র এবং অডিও ভিজ্যুয়াল সামগ্রী সরবরাহ করে থাকে। এছাড়া সপ্তাহে ৫ দিন সরকারী বেতার এবং টেলিভিশনে বাউবি তাদের শিক্ষাসংক্রান্ত অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে।

 

অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম

বাউবি’র অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা বিশাল জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মৌলিক বিজ্ঞান, কৃষি, খাদ্য ও পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ করে দিয়ে তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা। বাউবি সর্বমোট ১৯ ধরনের অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

 

বাউবি স্কুলসমূহ:

বাউবি নিম্নোক্ত ৬ টি স্কুলের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

  • স্কুল অব এডুকেশন
  • স্কুল অব সোস্যাল সায়েন্স, হিউম্যানিটিজ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ
  • ওপেন স্কুল
  • স্কুল অব বিজনেস
  • স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট
  • স্কুল অব সায়েন্সএন্ড টেকনোলজি

 

আঞ্চলিক অফিস:

দেশব্যাপী বাউবির কার্যক্রম ৯ টি বিভাগে বিভক্ত। এই ৯ টি বিভাগের আওতায় রয়েছে।

  • আর আর সি- ১২ টি
  • সিও – ৮০ টি
  • স্টাডি সেন্টার- ১১০৬ টি

 

ভর্তি প্রক্রিয়া:

ভর্তিচ্ছু যে কেউ স্থানীয় স্টাডি সেন্টারে যোগাযোগ করে বাউবিতে ভর্তি হতে পারে।

বিস্তারিত...

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম পরিপূর্ন আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ১৯৭০ সনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের একটি মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করছে।

 

অবস্থান

ঢাকা থেকে প্রায় ৩০ কিঃ মিঃ দূরে সাভারের জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় এক অনন্য সাধারণ প্রাকৃতিক পরবেশে প্রায় ৭২০ একর জায়গা জুড়ে জাঃ বিঃ ক্যাম্পাস অবস্থিত।

 

যোগাযোগ

রেজিস্ট্রার বিল্ডিং

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সাভার, ঢাকা- ১৩৪২

ফোন- ৭৭৯১০৪৫-৫১

ই-মেইল- [email protected]

ওয়েবসাইট- www.juniv.edu

বর্তমান উপাচার্য: প্রফেসর ডঃ শরীফ এনামুল কবীর।

অনুষদের সংখ্যা: ৫ টি

বিভাগের সংখ্যা: ২৭ টি

ইন্সটিটিউট: ৪ টি

ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা প্রায়: ১০০০০ জন

শিক্ষক-শিক্ষিকা সংখ্যা: ৫০০ জন

আবাসিক হল: ১২ টি, ছাত্র হল ৭ টি, ছাত্রী হল- ৫ টি

 

ভর্তি প্রক্রিয়া

প্রতি বছর জুন-আগস্ট সময়সীমার মধ্যে সাধারণত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। যথাযথভাবে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে জমা দেয়ার পর নির্ধারিত তারিখে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথমে মেধা তালিকা এবং তারপর অপেক্ষমান তালিকা থেকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।

 

শিক্ষা কার্যক্রম:

বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে পাঠদান করা হয়।

 

বিদেশী ছাত্র-ছাত্রী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল থেকে বেশ কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে আসেন।

বিস্তারিত...

 

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অভ প্রফেশনালস (বি ইউ পি)

সশস্ত্র বাহিনীর অন্তর্ভূক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষন প্রদানকারী ইনষ্টিটিউটগুলোর সমন্বয়ের জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীতা উপলব্ধি করে ২০০৮ সালের ৫ জুন তারিখে বাংলাদেশের ৩০ তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অভ প্রফেশনালস (বিইউপি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

অবস্থান:

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অভ প্রফেশনালস

মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২০৬

ফোন: ৮০৩৫৯০৩, ৯০১১৩১১

ই-মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.bup.edu.bd

বর্তমান উপাচার্য: মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ হুমায়ন কবির, এন ডি ইউ, পি,এস,সি

 

অধিভূক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ:

  • ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি)
  • ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি)
  • মিলিটারী ইন্সটিটিউট অভ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)
  • আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (এএফএমসি)
  • আর্মড ফোর্সেস ইন্সটিটিউট অভ প্যাথলজি (এএফআইপি)
  • আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইন্সটিটিউট (এএফএমআই)
  • বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী (বিএমএ)
  • বাংলাদেশ ন্যাভাল একাডেমী (বিএনএ)
  • বাংলাদেশ এয়ারফোর্স একাডেমী (বিএএফএ)
  • আর্টিলারী সেন্টার এন্ড স্কুল (এসি এন্ড এস)

 

শিক্ষা কার্যক্রম:

বিইউপি এর অধিভূক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহে বিবিএ, এম.বি.এ, ইভনিং এম,বি,এ, মাষ্টার্স, এমফিল, ও পিএইচডি পর্যায়ে পাঠদান করা হয়।

বিস্তারিত...

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নের জন্য দেশের প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৬৫ সালে ইন্সটিটিউট অভ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মেডিকেল রাসার্চ (আইপিজিএমআর) নামে এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান নামকরন করা হয় এবং এটি একটি পূর্নাঙ্গ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে গবেষনা ও উচ্চ শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি ৭৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল নিয়ে এটি দেশের একটি অন্যতম প্রধান চিকিৎসা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবেও ভূমিকা পালন করছে।

 

অবস্থান:

বিএসএমএমইউ, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ৯৬৬১০৫১-৬৫, ৮৬১৪৫৪৫

ই-মেইল: [email protected]   

ওয়েবসাইট: www.bsmmu.org

বর্তমান উপাচার্য: অধ্যাপক প্রানগোপাল দত্ত

অনুষদের সংখ্যা: ৪টি

বিভাগ: ৩৩টি

শিক্ষক: ১৬৭ জন

শিক্ষা কার্যক্রম: বি এস এম এম ইউতে বর্তমান স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এমডি, এমফিল, পিএইচডি এমডিএস, এফসিপিএস এবং ডিপ্লোমা কোর্স চালু আছে।

বিস্তারিত...

 


২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি