ব্রোকারেজ হাউজ

“টাকায় টাকা আনে” শেয়ার ব্যবসার ক্ষেত্রে এই কথাটি শতভাগ সার্থক। দেশে দুটি শেয়ার বাজার রয়েছে। এর একটি ঢাকা ও অপরটি চট্রগ্রামে অবস্থিত। বাজার দুটি ডিএসই (ঢাকা) এবং সিএসই (চট্রগ্রাম) নামে পরিচিত। এই বাজার দুটিতে ব্যবসা করতে যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় তা হলো ব্রোকারেজ হাউজ। বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত প্রায় ৩০০ এর উপর ব্রোকারেজ হাউজ রয়েছে। মতিঝিলে প্রধান কার্যালয় হলেও ঢাকা মহানগরীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, মিরপুর, মো:পুর, কারওয়ান এবং উত্তরাতে হাউজগুলোর একাধিক শাখা রয়েছে। ডিএসই ও সিএসই শেয়ার বাজারের ব্যবসা ব্র্যাক ইপিএল সিকিউরিটিজ, রেপিড সিকিউরিটিজ, শহিদুল্লাহ সিকিউরিটিজ, আকিজ সিকিউরিটিজ, লংকা বাংলা সিকিউরিটিজ, গ্লোবাল সিকিউরিটিজ, এ্যাসেন্জ ব্রোকারেজ হাউজ এবং ব্যাংকগুলোর ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে করা যায়। ১: ০.৫ অনুপাতে হাউজগুলো গ্রাহকদের জন্য মার্জিন লোনের ব্যবস্থা করে থাকে।   

 

হাউজগুলোর অভ্যন্তরীন সজ্জা

সাধারণত হাউজগুলোতে শেয়ার লেনদেনের জন্য প্রত্যেক হাউজে কমপক্ষে ২ থেকে সর্বোচ্চ ৪ টি কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়া লেনদেনের তাৎক্ষনিক অবস্থা উপস্থিত সকলের সামনে প্রদর্শনের জন্য ১ থেকে ২ টি প্রজেক্টর থাকে। শেয়ার ব্যবসায়ীদের বসার জন্য উন্নতমানের প্লাষ্টিকের চেয়ার, পানের জন্য ফিল্টার পানির ব্যবস্থা এবং কোথাও কোথাও আপ্যায়নের জন্য চা বিস্কিটের ব্যবস্থাও রয়েছে। হাউজের অফিসগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এছাড়া এখানে লোডশেডিং এর সময় জেনারেটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।

 

বিও একাউন্ট

প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারী মূলত এই দুই ধরনের শেয়ারই বাজারে রয়েছে। যে কোন ধরণের শেয়ার ব্যবসার জন্য প্রয়োজন বিও একাউন্ট। ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে এই বিও একাউন্ট করতে বাৎসরিক ফি দিতে হয় ১০০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা প্রদান করতে হয়। এই ফি’র মধ্যে ৫০০ টাকা সরকারী চার্জ এবং বাকী টাকা হাউজের চার্জ। নিম্নের তালিকাতে বিও একাউন্ট খুলতে করণীয় বিষয় সমূহ-

  • বয়স ১৮ বছর।
  • নির্দিষ্ট ফরম পূরুণ করা।
  • জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
  • নিজের ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং নমিনির এককপি ছবি।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
  • জয়েন্ট একাউন্টের ক্ষেত্রেও উপরোক্ত কাগজ ও ছবি জমা দিতে হয়।

 

লেনদেন

শুক্রবার, শনিবার এবং সকল সরকারী ছুটির দিন ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন সকাল ১১ টা থেকে বেলা ৩ টা পর্যন্ত লেনদেন হয়ে থাকে। হাউজগুলোতে সরাসরি এবং ফোনের মাধ্যমে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। হাউজভেদে শেয়ার বিক্রির ৩ থেকে ৭ দিন এর মধ্যে সাধারণত একাউন্ট পে চেক প্রদান করা হয়।

একাউন্টের টাকার মেয়াদ পাওয়ার জন্য কমপক্ষে ৩ দিন পূর্বে চেক রিকুইজিশন দিতে হয়। আইপিও শেয়ার বিক্রির জন্য প্রদত্ত আইপিও এর ওয়ারেন্ট পত্র এখানে জমা দিতে হয়। প্রত্যেকবার শেয়ার ক্রয় বিক্রয়ের মোট টাকার উপর হাউজভেদে গ্রাহকের নিকট থেকে ৪% থেকে ৬% হারে কমিশন নিয়ে থাকে।

 

বিবিধ

বিও একাউন্টে কোন ভূল থাকলে কোন প্রকার চার্জ ছাড়াই তা সংশোধন করে দিয়ে থাকে হাউজগুলো। এছাড়া পোর্টফোলিও ষ্টেটমেন্টের জন্যও কোন প্রকার চার্জ প্রদান করতে হয় না।

 


২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি