জাদুঘর

অতীত ঐতিহ্য জানার উপযুক্ত জায়গা জাদুঘর। ঢাকা শহরে ইতিহাস ৪০০ বছরের। ক্রমবর্ধমান ঢাকা থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে গর্বের অনেক কিছু। এসব হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পরবর্তীকালে ঠাঁই পাচ্ছে জাদুঘরে। ঢাকা শহরে জাতীয় জাদুঘর সহ মোট ১৫ টি জাদুঘর রয়েছে। 

 

ঢাকা শহরের জাদুঘরগুলো হল

  • জাতীয় জাদুঘর।
  • লালবাগ কেল্লা জাদুঘর।
  • আহসান মঞ্জিল জাদুঘর।
  • মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
  • বঙ্গবন্ধু জাদুঘর।
  • সোহরাওয়ার্দী পাতাল জাদুঘর।
  • পোষ্টাল জাদুঘর।
  • নগর জাদুঘর।
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর।
  • শিশু একাডেমী জাদুঘর।
  • সামরিক জাদুঘর।
  • চিড়িয়াখানা জাদুঘর।

                                   

জাতীয় জাদুঘর

  • বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ঢাকার ৪০০ বছরের ইতিহাসের প্রাক মোঘল আলম, মোঘল আমল, সুলতানী আমল, ব্রিটিশ আমল, স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং আবহমান বাংলার অনেক ঐতিহ্য এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন ঠাঁই পেয়েছে।
  • এছাড়া বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম, পল্লীকবি জসিমউদ্দিন এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন গ্যালারী।
  • এই জাদুঘরে প্রাকৃতিক ইতিহাস, জাতিসত্তা ও শিল্প, ইতিহাস ও ধ্রুপদী এবং সমকালীন শিল্পকর্ম ও বিশ্ব সভ্যতা এই চারটি বিভাগে বিভক্ত সংগ্রহশালার গ্যালারী রয়েছে।
  • এছাড়া প্রধানত মুক্তিযুদ্ধের বইয়ের সংগ্রহ নিয়ে একটি লাইব্রেরী আছে। আর একটি অডিটোরিয়াম রয়েছে এখানে।

 

ঠিকানা

শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।

ফোন নম্বর- ৮৬১৯৩৯৬-৯৯, ৮৬১৯৪০০,

ফ্যাক্স- ৮৮ ০২ ৮৬১৫৫৮৫,

জিপিও বক্স নম্বর- ৩৫৫।

ই-মেইল- [email protected]

ওয়েবসাইট- http://www.bangladeshmuseum.gob.bd

 

সময়সূচী

  • গ্রীষ্মকালীন (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) শনিবার-বুধ (সকাল ১০.৩০ টা থেকে বিকাল ৫.৩০ টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।
  • শীতকালীন (অক্টোবর থেকে মার্চ) শনিবার-বুধ (সকাল ৯.৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।)
  • রমজান মাসে: শনিবার-বুধবার (সকাল ৯.৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।)
  • বৃহস্পতিবার এই জাদুঘরের সাপ্তাহিক বন্ধ।

 

টিকেট

  • বিদেশী দর্শনার্থীদের জন্য টিকেট ৭৫ টাকা।
  • আর দেশী দর্শনার্থীদের জন্য এটি ১০ টাকা।
  • ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীদের জন্য টিকেটের মূল্য ৫ টাকা।
  • পহেলা বৈশাখ, ২৬ শে মার্চ ও ২১ শে ফেব্রুয়ারীতে শিশু ও ছাত্র-ছাত্রীরা বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পায় এখানে।

 

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

  • বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধকে নুতন প্রজন্মের সামনে উপাস্থাপনের উদ্দেশ্যে নিয়ে আট জন ট্রাস্টি ১৯৯৬ সালে এই মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর চালু করেন।
  • জাদুঘর ভবনটি ৩ তলা। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় প্রদর্শনী চলে।
  • স্মারক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন প্রদর্শনীর জন্য নিচতলায় ২ টি গ্যালারী ও ৪ টি কক্ষ এবং দ্বিতীয় তলায় ৪ টি কক্ষ রয়েছে।
  • এই জাদুঘরের নিদর্শন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুযকে দেখানোর সুযোগ করে দিতে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বড় আকারের বাসে ভ্রাম্যমান জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করে।
  • এই ভ্রাম্যমান জাদুঘর বাসটির মাধ্যমে দেশের সকল জেলায় প্রদর্শনীর আয়োজন করে চলেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

 

ঠিকানা

৫, সেগুন বাগিচা, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।

টেলিফোন- ৯৫৫৯০৯১,

ফ্যাক্স- +৮৮০-২-৯৫৫৯০৯২,

ই-মেইল [email protected],

ওয়েব সাইট- www.liberationwarmuseum.org

 

টিকেট ও টিকেট কাউন্টার

  • জাদুঘরে প্রবেশের জন্য কাউন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়।
  • প্রধান গেইটের বাম পাশে জাদুঘরের কাউন্টারটি অবস্থিত।
  • টিকেট মূল্য ৫ (পাঁচ) টাকা।
  • পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা বিনামূল্যে জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবে।
  • জাদুঘরে প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও অন্যান্য জিনিসপত্র কাউন্টারে জমা রাখতে হয়।

 

সময়সূচী

  • গ্রীষ্মকালীন: সোমাবার থেকে শনিবার সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • শীতকালীন: সোমাবার থেকে শনিবার সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • শুক্রবার ও শনিবার জাদুঘরে দর্শনার্থীদের ভিড় বেশী থাকে।
  • এছাড়া ১লা বৈশাখ, ২৬ শে মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর, ১৭ই মার্চ, ১৫ই আগষ্ট এসব দিনগুলোতে বেশী ভিড় হয়।
  • রবিবার জাদুঘর বন্ধ থাকে।

 

বঙ্গবন্ধু জাদুঘর

  • এই ভূখন্ডের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠা ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
  • ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত যে বাড়িতে বসে তিনি স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন সে বাড়ীটিই মর্মান্তিক ঘটনার পর এখন জাদুঘরে পরিনত হয়েছে।
  • এই জাদুঘরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সকলের জীবনযাপন সম্পর্কে জানতে পারার সুযোগ রয়েছে।
  • ১৫ আগস্টের সেই রাতে ঘাতকদের তান্ডবের আলামতও সযত্নে সংরক্ষিত আছে সেখানে।
  • বঙ্গবন্ধু ব্যবহৃত পাইপ, চশমাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তো রয়েছেই।
  • এখানকার প্রত্যেক ঘরই একটি করে প্রদর্শনী কক্ষ।
  • এই জাদুঘরে গাইডের ব্যবস্থা আছে।
  • ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করেন।  বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বাড়িটিকে জাদুঘরে রুপান্তরিত করে এবং নাম দেয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর। বর্তমানে যা বঙ্গবন্ধু জাদুঘর নামে সর্বাধিক পরিচিত।

 

ঠিকানা

বঙ্গবন্ধু ভবন, বাড়ি# ১০, রোড# ৩২ (পুরাতন), ১১ (নতুন)।

ফোন- ৮৮-০২-৮১১০০৪৬

ফ্যাক্স- ৮৮-০২-৮৩১৩৮৬৬

 

টিকেট

  • টিকেটের মূল্য ৫ টাকা।
  • ৩ বছরের কম বয়সীদের কোন টিকেট লাগে না। .
  • শুক্রবার ১২ বছরের কমবয়সীদের কোন টিকেট লাগে না।
  • টিকেট কাউন্টার প্রথম দরজার পশ্চিম পাশে অবস্থিত।

সময়সূচী

  • সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত জাদুঘরটি খোলা থাকে।
  • জাদুঘরটির সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার।
  • শুক্রবার ও শনিবার ভিড় বেশি হয়।

 

সোহরাওয়ার্দী জাদুঘর

  • ১৯৭১ এ পাকসেনাদের আত্মসমর্পণের স্মৃতি বিজড়িত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধাকে স্মরণ করার লক্ষ্যে যখন একটি বড় প্রকল্প হাতে নেয়া হয়।
  • তখন সংশ্লিষ্ট স্থপতি উদ্যানটির ক্ষতি কমানোর জন্য অধিকাংশ স্থাপনা মাটির নিচে ঢুকিয়ে দেবার পরিকল্পনা করেন। এর ফলশ্রুতিতেই বর্তমান পাতাল জাদুঘর।
  • ভবন প্রাঙ্গনের শুরুতেই রয়েছে প্রবেশপথ এবং শিখা চিরন্তন। এরপর সিড়ি ভেঙ্গে নিচে মূল প্রাঙ্গনে প্রবেশ করতে হয়।
  • ভবনের বায়ে দেয়ালের গায়ের পোড়া মাটির ম্যুরালে অংকন করা দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস চোখে পড়বে।
  • পাতাল জাদুঘরে প্রবেশের প্রথমই হাতের  ডানে রয়েছে অডিও ভিজুয়্যাল রুম, তারপরের প্রথমে বড় খোলা গ্যালারীতে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির ছবি ও লিখিত দলিল এবং এখানেই হাতের বামে রয়েছে চমৎকার ওয়াটার ফল।
  • তারপরের গ্যালারীতে যাওয়ার পথের দুপাশের দেয়ালে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া নির্যাতনের নর্মম চিত্র।
  • পরের খোলা গ্যালারীতে রয়েছে ডঃ হেনরি কিসিঞ্জারের কাছে পাঠানো স্যামুয়েল এম হসকিনসন এর গোপন দলিল।
  • এখানে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৩.৩১ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে যে টেবিলের উপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্ঝলের কমান্ডার লেঃ জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খনা নিয়াজী আত্নসমর্পনের দলিলে স্বাক্ষর করেন তার একটি অনুকৃতি টেবিল।
  • আরো রয়েছে গোপন বেতার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার দালিলিক প্রমান এবং সেই ঐতিহাসিক আত্মসমর্পনের মুহুর্তের বড় একটি ছবি।

 

সময়সূচী

  • প্রতিদিন বিকাল ৫ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই পাতাল জাদুঘর।
  • শুক্রবার ও শনিবার এবং সকল সরকারী ছুটির দিনে জাদুঘরটি বন্ধ থাকে।

 

প্রবেশ

  • শাহবাগের শিশু পার্কের পেছনের রাস্তা থেকেই এই জাদুঘর কমপ্লেক্সের মূল প্রাঙ্গন শুরু।
  • বর্তমানে জাদুঘরে বিনা টিকেটে প্রবেশের ব্যবস্থা রয়েছে।
  • একক এবং দলভিক্তিক প্রবেশের সুযোগ রয়েছে।
  • জাদুঘরে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জন্য আলাদা পথ ব্যবহার করতে হয়।

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর

  • ১৯৬৫ সালের ২৬ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর
  • ৪ তলা বিশিষ্ট ভবনের ১ম ও ২য় তলাতে গ্যালারী রয়েছে।
  • গ্যালারীগুলো হলো সাইন্স গ্যালারী, ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি গ্যালারী, বাইয়োলজি গ্যালারী, ইনফরমেশন টেকনোলজি গালারী, ফান সাইন্স গ্যালারী এবং ইয়ং সাইন্টিস্ট প্রোজেক্ট গ্যালারী।
  • মূল ভবন প্রাঙ্গনের সামনে একটি ডাইনোসরের মূর্তি এবং একটি ছোট যুদ্ধ বিমান রয়েছে।
  • আকাশ মেঘমুক্ত থাকা সাপেক্ষে প্রতি শনিবার ও রবিবার সন্ধ্যার পরে টেলিস্কোপের সাহায্যে আকাশ পর্যবেক্ষনের আয়োজন করে থাকে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।
  • এই জাদুঘরের রেজিষ্ট্রিকৃত ১১৮টি বিজ্ঞান ক্লাব রয়েছে।
  • প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জন্য দুটি আলাদা পথ
  • জাদুঘরটি ঘুরে দেখানোর জন্য এখানে গাইড রয়েছে।

 

অবস্থান

জাদুঘরটি আগারগাঁতে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বাংলদেশ অফিসের বিপরীত পাশের রাস্তা দিয়ে বাংলাদেশ বেতার অফিস পার হয়ে উত্তর দিকে জাদুঘরটি অবস্থিত।

 

সময়সূচী

  • শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত সকলের জন্য খোলা থাকে।  
  • সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শুক্রবার এবং সকল সরকারী ছুইটির দিনগুলোতে জাদুঘর বন্ধ থাকে।

 

টিকেট ও কাউন্টার

  • মূল ফটকের দক্ষিণ পাশে টিকেট কাউন্টার।
  • এখানে জনপ্রতি টিকেট মূল্য ৫ টাকা।
  • ৫ বছরের নীচের বাচ্চাদের টিকেট লাগে না।   
  • এখানে বিনা পয়সায় পরিদর্শনের কোন সুযোগ নেই।
  • সূর্য ও চন্দ্র গ্রহনের দিন এই জাদুঘরে দর্শনার্থীর ভিড় বেশী হয়।

 

আহসান মঞ্জিল জাদুঘর

  • ঢাকার নবাব পরিবারের স্মৃতি বিজড়িত এই প্রাসাদটি বর্তমানে জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
  • বর্তমানে আহসান মঞ্জিলের মূল প্রাসাদটিতে ২৩টি গ্যালারী রয়েছে।  
  • ১৯০৪ সালে তোলা ফ্রিৎজকাপের আলোকচিত্র অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষ ও গ্যালারীগুলো সাজানো হয়েছে।
  • এখানে নবাবদের ব্যবহৃত উনিশ শতকের সৈনিকের বর্ম, ভবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, সংস্কারপূর্ব ও পরবর্তী আলোকচিত্র ও পেইন্টিং, আহসান মঞ্জিল নিলামে বিক্রির জন্য এবং নতুন ভবন তৈরীর নির্দেশ নামা, আলমারী, তৈজসপত্র, ফানুস ও ঝাড়বাতি,  প্রাসাদ ডাইনিং রুম, নবাবদের আনুষ্ঠানিক ভোজন কক্ষ, বক্ষস্ত্রান ও শীরস্ত্রান, হাতির মাথার কংকাল (গজদন্তসহ), অলংকৃত দরমা বেড়া/কাঠ ছিদ্র অলংকরন সম্বলিত, দরজার অলংকৃত পাল্লা, ঢাল-তরবারী, বল্লম, বর্শাফলক, স্যার আহসানুল্লাহ জুবিলী মেমোরিয়াল হাসপাতালে ব্যবহৃত অত্যাধুনিক কিছু সরঞ্জামাদি ও খাতাপত্র, মুসলিম লীগ কক্ষ, সর্ব ভারতীয় মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দর একটি বড় তৈলচিত্র, নবাবদের অবদান ঢাকায় পানীয় জলের ব্যবস্থা, পানির ড্রাম, আইসক্রীম, বালতি, কফি তৈরীর মেশিন, কফির কাপ, কুলফি গ্লাস, পানির ট্যাপ, অলংকৃত বালতি, স্টেট বেডরুম-রাজকীয় অতিথীদের থাকা ও বিশ্রামের জন্য এই বেডরুম, শোবার খাট, আলমারী, ঘড়ি, ড্রেসিং টেবিল, আয়না, তাক, টেবিল-চেয়ার, নওয়াবদের অবদান ঢাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। ঢাকায় বিদ্যুৎ, কেরোসিন বাতি, হারিকেন চুল্লি, হারিকেন সার্চ বাতি, দেশে বিদেশে জনকল্যাণ কাজে ঢাকার নওয়াবদের অর্থদানের বিবরণ, সিগন্যাল বাতি, বিভিন্ন বিদেশী বৈদ্যুতিক বাল্ব, কেরোসিন চালিত পাখা, বিভিন্ন প্রকার কাঁচের লাইট, মোমবাতি ষ্ট্যান্ড, ফানুস রয়েছে।  

 

অবস্থান

বুড়িগঙ্গা নদীরউত্তর পাশে আহসান মঞ্জিল অবস্থিত

 

সময়সূচী

  • গ্রীষ্মকালীন সময়সূচী: (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) - (শনিবার-বুধবার) সকাল ১০.৩০ মি. – বিকাল ৫.৩০ মিনিট। শুক্রবার- বিকেল ৩.০০ মি. – সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিট।
  • শীতকালীন সময়সূচী: (অক্টোবর –মার্চ) - (শনিবার-বুধবার) সকাল ৯.৩০ মিনিট – বিকাল ৪.৩০ মিনিট। শুক্রবার – দুপুর ২.৩০ মিনিট – সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিট।
  • সপ্তাহের বৃহস্পতিবার এবং সকল সরকারি ছুটির দিনে জাদুঘর বন্ধ থাকে।

 

টিকেট ও কাউন্টার

  • আহসান মঞ্জিলের পূর্ব পাশে যে ফটকটি উন্মুক্ত তার ডান পাশে যে সৈনিক ব্যারাক ও দারোয়ান এবং গার্ডরুম ছিল তা এখন টিকেট কাউন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
  • প্রাপ্ত বয়স্ক জনপ্রতি বাংলাদেশী দর্শক ৫ টাকা
  • জনপ্রতি অপ্রাপ্ত বয়স্ক জনপ্রতি বাংলাদেশী শিশু দর্শক (১২ বছরের নিচে) ২ টাকা
  • সার্কভুক্ত দেশীয় জনপ্রতি দর্শক ৫ টাকা
  • অন্যান্য বিদেশী জনপ্রতি দর্শক ৭৫ টাকা
  • প্রতিবন্ধী দর্শকদের জন্য কোন টিকিটের প্রয়োজন হয় না
  • পূর্ব থেকে আবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে জাদুঘর দেখতে দেয়া হয়।
  • অগ্রীম টিকিটের কোন ব্যবস্থা নেই।
  • আহসান মঞ্জিল বন্ধ হওয়ার ৩০ মিনিট আগ পর্যন্ত টিকেট সংগ্রহ করা যায়।

 

লালবাগ কেল্লা জাদুঘর

  • সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র যুবরাজ শাহজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে এই প্রাসাদ দূর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
  • কয়েকটি ফোয়ারা, পাহাড়ি উচু টিলা, সুরঙ্গ পথ এবং কেল্লার দক্ষিণ এবং পশ্চিম দূর্গ প্রাচীরের নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর একটি করে পলকাটা তোপমঞ্চ। কেল্লার একমাত্র পুকুর। চারিদিক ঘাট বাঁধানো সিড়ির মত এবং পুকুরটি বর্গাকৃতির। পেছনে সৈনিকদের ব্যারাক।
  • শায়েস্তা খাঁনের বাসভবন, একটি কামান/তোপ রাখা আছে।
  • শায়েস্তা খানের ব্যবহৃত দ্রব্যসামগ্রী
  • তৎপূর্ব তৎকালীন সম্রাট শাসকদের শাসনামলে ব্যবহৃত মুদ্রা
  • সে সময়ের ব্যবহৃত তৈজসপত্র
  • মোঘল আমলে ব্যবহৃত যুদ্ধাস্ত্র

 

সময়সূচী

  • গ্রীষ্মকালীন: ১লা এপ্রিল থেকে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সকাল ১০.০০ টা থেকে বিকেল ৬.০০ টা পর্যন্ত। দুপুর ১.০০ টা থেকে ১.৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি। শুক্রবার: সকাল ১০.০০ টা থেকে ৩.০০ টা পর্যন্ত। ১২.৩০ মিনিট থেকে ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি।
  • শীতকালীন: ১লা অক্টোবর থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত।      দুপুর ১.০০ টা থেকে ১.৩০ পর্যন্ত বিরতি। শুক্রবার সকাল ৯.০০ থেকে বিকেল পর্যন্ত। দুপুর ১২.৩০ মিনিট থেকে ২.০০ টা পর্যন্ত বিরতি।
  • রবিবার পূর্ণ দিবস বন্ধ থাকে ও সোমবার অর্ধ দিবস পর্যন্ত বন্ধ থাকে। এছাড়া সরকারী ছুটির দিনগুলোতে লালবাগ কেল্লা পূর্নদিবস বন্ধ থাকে।

 

টিকেট ও কাউন্টার

  • কেল্লার মূল ফটকের বাইরে দু’পাশে দু’টি কাউন্টার আছে। তার মধ্যে বাম পাশের কাউন্টারটি বন্ধ এবং ডান পাশের কাউন্টারটি খোলা থাকে।
  • জনপ্রতি দেশী পর্যটক ও দর্শনার্থী ১০.০০ টাকা
  • জনপ্রতি বিদেশী পর্যটক ও দর্শনার্থী = ১০০.০০ টাকা
  • ৫ বছর বয়সের নীচে বাচ্চাদের জন্য কোন টিকেট লাগে না।

 

সামরিক জাদুঘর

  • বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাফল্য এবং মুক্তিযুদ্ধ সামরিক বাহিনীর কর্মকান্ড এবং বিশ্বে বিভিন্ন মিশনের সফলতা ও অস্ত্রের প্রদর্শনী হয়েছে এখানে।
  • জাদুঘরের মূল সীমানা পেরুলেই বিস্তৃত মাঠ পেরিয়ে দ্বিতল ভবন অবস্থিত।
  • মাঠের সীমানা দিয়ে পুরাতন ট্যাংক, বিমান, ছোট জাহাজ সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে।
  • সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর সকল কর্মকান্ডের আলোকচিত্র, ব্যবহৃত যুদ্ধাস্ত্র এবং ছোট বড় গাড়ী প্রদর্শীত হচ্ছে।
  • দ্বিতল ভবনের পুরোটা জুড়েই রয়েছে প্রদর্শনী।

 

অবস্থান

বিজয় স্মরণীতে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারর পশ্চিম পাশে এই জাদুঘরের অবস্থান।

 

টিকেট ও সময়সূচী

  • এই জাদুঘরে প্রবেশের জন্য কোন টিকেট লাগে না।
  • সপ্তাহের পাঁচ দিন শনিবার, রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার জাদুঘর খোলা থাকে।
  • গ্রীষ্মকালে সকাল ১০.৩০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • শীতকালে ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • বুধবার এবং শুক্রবার জাদুঘরটি বন্ধ থাকে।

 

পোস্টাল জাদুঘর ও নগর  জাদুঘর

  • ঢাকার জিপিও ভবনে অবস্থিত পোস্টাল জাদুঘর রয়েছে।
  • এখানে প্রবেশ করতে কোন টিকেট লাগে না।
  • দেশ-বিদেশের ডাক ব্যবস্থা, শতবর্ষ আগের ডাক ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন দেশের ডাক টিকেট দেখার সুযোগ রয়েছে এখানে।

 

অবস্থান

  • গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত পোস্ট অফিসের প্রধান কার্যালয়ে জাদুঘরটি অবস্থিত।

নগর ভবন জাদুঘর

  • নগর ভবনে অবস্থিত নগর জাদুঘরটি মাত্র দুটি ঘর নিয়ে গড়ে উঠেছে।
  • এখানে দেখা যাবে ঢাকার প্রথম ছাপা খানার মেশিন, সেই সময়ের প্রথম পত্রিকা, হ্যাজাক চালিত ল্যাম্প পোষ্ট,শিল্পীর তুলিতে আঁকা ঢাকার অতীত, সে সময়ের ম্যাপ।
  • গুলিস্তানে অবস্থিত নগর ভবনে জাদুঘরটি অবস্থিত।
  • এখানকার জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ২ টাকা।

 

সতর্কতা

  • যেকোন জাদুঘরে প্রবেশের সময় ব্যাগ ও সঙ্গে আনা অন্যান্য জিনিস কাউন্টার বা নির্ধারিত স্থানে রেখে প্রবেশ করতে হয়।
  • ক্যামেরা ও খাবার জিনিস সঙ্গে রাখা যায় না
  • মোবাইল বন্ধ রাখতে হবে।
  • জাদুঘরগুলোতে প্রদর্শিত বস্তুতে বা আবদ্ধ কাঁচে হাত দেওয়া নিষেধ থাকে।
  • নির্দিষ্ট দূরত্বে দাড়িয়ে অবলোকন করতে হয়।
  • সঙ্গে বাচ্চা থাকলে তার প্রতি খেয়াল রাখতে হয় যাতে তার দ্বারা জাদুঘরের কোন জিনিসের ক্ষতি না হয়।
  • উন্মুক্ত কোন বস্তুতে হাত লেগে যাতে পড়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়।
  • নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত ১০ মিনিট পূর্বেই জাদুঘর ত্যাগ করা ভালো।
  • এলোমেলোভাবে না ঘুরে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে জাদুঘর পরিদর্শন করা ভালো।

 

বিবিধ

  • প্রত্যেক জাদুঘরেই পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা আলাদা টয়লেট ব্যবস্থা রয়েছে।
  • পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র এবং জরুরী ফায়ার এক্সিট রয়েছে।
  • জাদুঘরের প্রদর্শিত বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বাংলা ও ইংরেজীতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
  • এরপরও বুঝতে সমস্যা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত গাইড বা ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করে জেনে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি