মোবাইল অপারেটর

মোবাইল ফোন টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। পকেটে থাকা ছোট্ট যন্ত্রটি শুধু ভয়েস নয় ইন্টারনেটসহ আরও বহুমুখী সুবিধা দিচ্ছে এখন।

 

বাংলাদেশে.....

বাংলাদেশ এখন মোট ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটর আছে। আগষ্ট ২০১১ এর তথ্যানুযায়ী এখন দেশে মোট ৭৯.৬৭৭ মিলিয়ন সক্রিয় মোবাইল ফোন সংযোগ রয়েছে।

 

অপারেটর

সক্রিয় গ্রাহক

গ্রামীনফোন

৩৪.৯৭৯ মিলিয়ন

বাংলালিংক

২১.৬২১ মিলিয়ন

রবি

১৪.৯৭১ মিলিয়ন

এয়ারটেল

৫.১৬৪ মিলিয়ন

সিটিসেল

১.৭৭৮ মিলিয়ন

টেলিটক

১.১৬১ মিলিয়ন

মোট-৭৯.৬৭৭ মিলিয়ন

 

বিটিআরসি

বাংলাদেশে মোবাইল ফোন অপারেটরদের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিআরসি (BTRC)। এই প্রতিষ্ঠানটি আইন মোতাবেক মোবাইল ফোন অপারেটরদের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ইত্যাদি বিষয় দেখভাল করে। অবশ্য টেলিকমিউনিকেশন সংক্রান্ত আরও বিভিন্ন বিষয়ে রেগুলেটরি ভূমিকা পালন করে BTRC। বর্তমানে দেশে দ্বিতীয় প্রজন্ম বা 2G প্রযুক্তির মোবাইল ফোন সেবা পাওয়া যাচ্ছে। তবে শীঘ্রই টেলিটকসহ কয়েকটি কোম্পানী 3G প্রযুক্তির সেবা করার কথা রয়েছে।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর জন্য বিটিআরসির তৈরী করা কলরেট সংক্রান্ত কিছু বিধান-

  • প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা থেকে ২ টাকার মধ্যে হতে হবে কলরেট।
  • কোন বিশেষ প্যাকেজে প্রমোশনাল অফার চালু করলে সেটা ঐ প্যাকেজের সকল গ্রাহককে দিতে হবে। ভৌগলিক অবস্থানের উপর ভিত্তি করে বৈষম্য রচনা করা যাবে না।
  • প্রমোশনাল ট্যারিফের মেয়াদ দু’মাসের বেশী হতে পারবে না। দু’মাসের বেশী হলে সেটা স্থায়ী ট্যারিপ হিসেবে গণ্য হবে।
  • প্যাকেজ সমূহে কোন মাইগ্রেশন চার্জ নেয়া যাবে না।
  • প্রি-পেইড প্যাকেজে কোন মাসিক ফি নেয়া যাবে না।
  • প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় দেয়া বিজ্ঞাপনগুলো অবশ্যই সামাজিক মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

 

বিধানবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে বিটিআরসির ওয়েবসাইট থেকে-(www.btrc.gov.bd) থেকে।

 

সংযোগ নেয়া

মোবাইল ফোনের সংযোগ নিতে দু’কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি প্রয়োজন হয়। ফোন অপারেটরের নির্ধারিত ফার্মে নাম, পিতা ও মাতার নাম, ঠিকানা, সনাক্তকারীর ফোন নম্বর ইত্যাদি তথ্য  প্রদান করতে হয়। ফর্মটিতে আঙ্গুলের চাপও দিতে হয়, সেইসাথে সনাক্তকারীর ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নম্বরও প্রয়োজন হয়।

 

সংক্ষেপে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো-

 

সিটিসেল

সিটিসেলকে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটর জগতের পথিকৃৎ বলা যায়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএম এ (CDMA) প্রযুক্তির মোবাইল ফোন অপারেটর। সপ্তাহের ৭ দিন ২৪ ঘন্টা কাষ্টমার কেয়ার সুবিধা দিয়ে থাকে। এছাড়া CDMA নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইন্টারনেট সুবিধাও দেয় সিটিসেল।

 

ঠিকানা

প্যাসিফিক সেন্টার,

১৪, মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।

ফোন-৯৮৯১০৬৫, ৯৮৯১০৬৬

ওয়েবসাইট- www.citycell.com

 

গ্রামীন ফোন

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক, গ্রামীন ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্রামীন টেলিকম এবং নরওয়ের টেলিনর কোম্পানীর যৌথ মালিকানায় ১৯৯৭ সালে গ্রামীনফোন যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশে GSM প্রযুক্তি নিয়ে আসে গ্রামীনফোন। বর্তামানে ভয়েস সেবার পাশাপাশি EDGE প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে গ্রামীনফোন। গ্রামীনফোন এর ৫৫.৮% শেয়ার টেলিনরের, ৩৪.২% শেয়ার গ্রামীন টেলিকমের এবং ১০% শেয়ার সাধারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মালিকানাধীন।

 

ঠিকানা

জিপি হাউজ,

বসুন্ধরা, বারিধারা, ঢাকা-১২১৯।

ফোন- ৯৮৮২৯৯০

ফ্যাক্স- ৮৮১৯২৭১, ৮৯৯২৯৭০

ওয়েব সাইট- www.grameenphone.com

 

রবি

টেলিকম মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ), ১৯৯৭ ইং সালে একটেল ব্র্যান্ড হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এরপর আজিয়াটা গ্রুপ বাহার্ড, মালয়েশিয়া এবং এনটিটি ডোকামো ইনকরপোরেটেড, জাপান যৌথ উদ্যোগে ২৮ মার্চ ২০১০ রবি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। রবিও ভয়েস সেবার পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে।

 

ঠিকানা

রবি কর্পোরেট অফিস,

৫৩, গুলশান দক্ষিণ এভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।

ফোন- ৯৮৮৭১৪৬-৫২

ফ্যাক্স- ৯৮৮৫৪৬৩

ওয়েব-www.robi.com.bd

 

বাংলালিংক

১৯৯৭ সালে সেবা টেলিকম হিসেবে যাত্রা শুরু করে এটি। ২০০৪ সালে মালিকানা বদলের পর ওরাসকম (orascom) টেলিকম বাংলাদেশ হিসেবে ‘বাংলালিংক’ ব্র্যান্ডনেম নিয়ে যাত্রা শুরু করে। ২০০৫ সালে নেটওয়ার্কের উন্নয়নের লক্ষ্যে কারিগরি ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনা হয়। ২০০৫ সালের ডিসেম্বরেই এটি এক মিলিয়ন গ্রাহকের মাইলফলক পেরোয়। এরপর ২০০৬ সালের অক্টোবরে বাংলালিংক ৩ মিলিয়ন গ্রাহক সংখ্যা অর্জন করে। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালে এটি ২য় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটরে পরিনত হয়। ২০১১ সালের এপ্রিলের তথ্যানুযায়ী ২৭.০৩% মার্কেট শেয়ার বাংলালিংকের দখলে ছিল।

 

ঠিকানা

টাইগার্স ডেন. এফ এম সেন্টার,

এস ডব্লিউ (এইচ), গুলশান এভিনিউ, গুলশান মডেল টাউন,

প্লট# ৪, (শ্যুটিং ক্লাবের বিপরীতে)।, গুলশান ১, ঢাকা-১২১২।

মোবাইল- ০১৯১৩-১০৯০০-৯০১

ফ্যাক্স- ৮৮২৭২৬৫

ওয়েব- www.banglalinkgsm.com

 

এয়ারটেল

২০০৭ সালে আবুধাবি গ্রুপের মালিকানাধীন ওয়ারিদ টেলিকম যাত্রা শুরু করে। এরপর বিভিন্ন কারণে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে ২০১০ সালে ভারতীয় ফোন কোম্পানী ভারতী এয়ারটেল ৭০% শেয়ার কিনে নেয়। তবে ৩০% শেয়ার এখন পর্যন্ত আবুধাবী  গ্রুপের মালিকানধীন আছে। এদেরও ভয়েস এবং ইন্টারনেট সুবিধা আছে।

 

ঠিকানা

বাড়ি# ৩৪, সড়ক# ১৯/এ, বনানী, ঢাকা-১২১২।

ফোন- ৮৮৩৪৫৫১, ৮৮৩৪৫৫২

ফ্যাক্স- ৯৮৬৩২৪৭

ওয়েব- www.bd.airtel.com

 

টেলিটক

টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড শতভাগ সরকারী মালিকানাধীন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী। ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করা এ কোম্পানীটি পুরোপুরি দেশীয় প্রকৌশলী এবং বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ৬৪ টি জেলার ৪০২ টি উপজেলা এবং মহসড়ক টেলিটক নেটওয়ার্কের আওতভুক্ত। জনস্বার্থ সংরক্ষণ, সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি নতুন উৎস সৃষ্টি, ফোন অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি ইত্যাদি উদ্দেশ্য নিয়ে টেলিটক প্রতিষ্ঠিত হয়। ভয়েস সেবার পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবাও দিচ্ছে টেলিটক আর টেলিটকই প্রথম 3G প্রযুক্তি নিয়ে আসবে এমন কথা রয়েছে।

 

ঠিকানা

বাড়ি# ৪১, সড়ক#২৭, ব্লক# এ, বানানী, ঢাকা-১২১৩।

ফোন- ৮৮৫১০৬০

ফ্যাক্স- ৯৮৮২৮২৮

ওয়েব- www.teletalk.com.bd


২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি