পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

একটি দেশের সবাই সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় পড়াশোনা করে উচ্চ শিক্ষার পেছনে ছুটবে এটা প্রত্যাশিত নয়। মান সম্পন্ন কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠীরও প্রয়োজন রয়েছে দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চালু রাখার জন্য। দেশের বাইরেও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত লোকের চাহিদা প্রচুর। কাজটি সম্মানজনকও বটে।

 

কারিগরি শিক্ষা বিভিন্ন রকম হতে পারে। সবচেয়ে জনপ্রিয় যেটি সেটি হচ্ছে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলো থেকে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী নেয়া। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে বাংলাদেশে। এসব প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সনদ দেয়া হয়। আট সেমিস্টারে চার বছর মেয়াদী এই কোর্স পরিচালিত হয়।

 

সূচি:

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

ইনস্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিকস

মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

আসন সংখ্যা

মেধাতালিকা প্রণয়নের ভিত্তি

ভর্তি পরীক্ষা

ভর্তির বিশেষ নীতিমালা

ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি ও নিয়মাবলী

 

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

শুরুতে

এফ-৪/বি, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকা, শেরে-বাংলা-নগর, ঢাকা – ১২০৭।

ফোন: 88-02-9110664

ফ্যাক্স: 88-02-9110671

ই-মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.techedu.gov.bd

 

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড

শুরুতে

শেরে-বাংলা-নগর আগারগাঁও, ঢাকা।

ফোন: 8122056

ই-মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.bteb.gov.bd

 

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

শুরুতে

ঢাকার প্রধান পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হচ্ছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। ১৯৫৫ সালে চারটি বিভাগের আওতায় ১২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটির পথচলা শুরু হয়। এখন এখানে ১১টি বিভাগে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স করানো হয়।

 

শর্ট কোর্স

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কিছু শর্ট কোর্সও পরিচালনা করা হয়। কোর্সগুলো হল রেডিও টেলিভিশন মেরামত, কম্পিউটার অপারেশন, হাউজ ও্যয়্যারিং, ওয়েল্ডিং, বিল্ডিং এন্ড আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং উইথ অটো ক্যাড, ফুড প্রসেসিং, রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং, অটো মেকানিকস, প্লাম্বিং এন্ড পাইপ ফিটিং, এবং ফার্ণিচার এন্ড কেবিনেট মেকিং।

 

যোগাযোগ:

ই-মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.dpi.gov.bd

 

ইনস্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিকস

শুরুতে

এখানে সিরামিস এবং গ্লাসের ওপর চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ আছে। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কাছেই এর অবস্থান।

 

ঠিকানা অবস্থান

৯৫, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সড়ক, তেজগাঁও, ঢাকা – ১২০৮।

 

তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড় থেকে মহাখালী গামী সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের বিপরীতে উক্ত ইনষ্টিটিউটটির অবস্থান।

 

মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

শুরুতে

ঢাকার আগারগাঁও-এ মহিলাদের জন্য এই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটটি অবস্থিত। এখানে আর্কিটেকচার, ইলেকট্রোমেডিক্যাল,কম্পিউটার, ইন্সট্রুমেন্টেশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল এবং ইলেকট্রনিক্স এর ওপর ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ আছে। মোট আসন সংখ্যা ২০০।

 

অন্যান্য

এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে ঢাকায় আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যেখান থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স করা যায়। মিরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এরকম প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ।

 

ভর্তির যোগ্যতা:

সরকারি এবং বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোয় ভর্তির যোগ্যতা আলাদা হয়ে থাকে। সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোয় ভর্তির যোগ্যতা:

এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫ এবং গণিতে জিপিএ ৩ থাকতে হয়। যে বছর ভর্তি হচ্ছে সে বছর ছাড়াও আগের দু’বছরে পাশ করা শিক্ষার্থীদের আবেদন করার সুযোগ দেয়া হয়। অর্থাৎ পূর্ববর্তী তিন বছরে পাশ করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সুযোগ পায়।

 

আসন সংখ্যা:

শুরুতে

 

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

        টেকনোলজি

আসন সংখ্যা

        সিভিল

১৬০

        কম্পিউটার

৪০

        ইলেকট্রিক্যাল

৮০

        আর্কিটেকচার

৪০

        মেকানিক্যাল

৮০

        কেমিক্যাল

৪০

        অটোমোবাইল

৪০

        ফুড

৪০

        রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং

৪০

        এনভায়নমেন্টাল

৪০

        ইলেকট্রনিক্স

৪০

 

ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

        টেকনোলজি

আসন সংখ্যা

        আর্কিটেকচার

৪০

        ইলেকট্রোমেডিক্যাল

৪০

        কম্পিউটার

৪০

        ইন্সট্রুমেন্টেশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল

৪০

        ইলেকট্রনিক্স

৪০

 

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিক্স

        টেকনোলজি

আসন সংখ্যা

        সিরামিক্স

৮০

        গ্লাস

৪০

 

মেধাতালিকা প্রণয়নের ভিত্তি

শুরুতে


(ক) এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ কে ১০ দ্বারা গুন করে প্রাপ্ত নম্বর এবং লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়।
(খ) সমান নম্বর পাওয়া প্রার্থীদের বাছাই এর ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত ,উচ্চতর গণিত বা জীব বিজ্ঞান বা সাধারণ বিজ্ঞান, ইংরেজী,পদার্থ ও রসায়ন বিষয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়।
(গ) দফা (খ) অনুসারে সমস্যার সমাধান না হলে নিয়মিত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

 

ভর্তি পরীক্ষা:

শুরুতে

প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য MCQ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয়। লিখিত পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও নম্বর বন্টন:

বিষয়

নম্বর

বাংলা

0৭

ইংরেজী

0৭

গণিত

১৫

বিজ্ঞান

১৫

সাধারন জ্ঞান

0৬

মোট =

৫০

 

ভর্তির বিশেষ নীতিমালা

শুরুতে

১. ভর্তির জন্য মোট আসন সংখ্যার সমসংখ্যক একটি মূল তালিকা এবং একটি অপেক্ষমান তালিকা মেধা ও কোটা অনুসারে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

২. মূল তালিকা থেকে ভর্তির জন্য নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে আসন সংখ্যা পূরণ না হলে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের মেধা ও পছন্দের ক্রমানুসারে মাইগ্রেশনের (প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি) সুযোগ দিয়ে  শূন্য আসনে  অপেক্ষমান  তালিকা হতে  সময় সূচী অনুযায়ী  কোটা ও মেধার  ক্রমানুসারে ভর্তি করা হয়।

৩. কোটা সংরক্ষণঃ মহিলা -১০% আসন, এসএসসি(ভোক)-১৫% আসন, উপজাতি-ঢাকা,চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ –সুইডেন পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪ টি করে আসন ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটে ২ টি করে  আসন এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২ টি করে আসন  এ মেধা ও আবেদন ফরমে বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হয়।

২ বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাশ প্রার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে ট্রেড এবং এসএসসি উভয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরকে ৫০ এর মধ্যে রুপান্তর করে মেধা নির্ধারণ করা হয়। তাদেরকে ট্রেড সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিতে  ৫% সংরক্ষিত আসনে ভর্তি করা হয়।

৪. উপজাতি প্রার্থীদের উপজাতিয়তা প্রমানের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার  চেয়ারম্যান কতৃক প্রদত্ত সনদ পত্র, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটার জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর স্বাক্ষরিত সনদ পত্র এবং ২ বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্সধারীদের  সনদ পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি সহ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের কপি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হয়।

(সংরক্ষিত আসন কোটা ভিত্তিক পূরণের পর কোন আসন শূন্য থাকলে তা সাধারন মেধা তালিকা হতে পূরণ করা হয়)

৫. ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে কেহ ক্লাস শুরুর ৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল করতঃ উক্ত শূন্য আসনে পরবর্তী ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত ও ভর্তিচ্ছুদের তালিকা হতে মেধার ক্রমানুসারে  পূরণ করা হয়।

৬. ড্রপ আউট বিবেচনা করে  প্রত্যেক টেকনোলজির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার সর্বাধিক ২০% অতিরিক্ত ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তি করা হয়।

৭. নীতিমালার চুড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা  কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে।

 

ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি নিয়মাবলী

শুরুতে

গত কয়েক বছর থেকে দেশের সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোয় কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি প্রক্রিয়াটি তদারক করছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। ভর্তির সময় এলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর তাদের ওয়েবসাইটে আবেদন করার নিয়মকানুন জানিয়ে দেয়।

 

সর্বশেষ ভর্তির ক্ষেত্রে প্রথমে ওয়েবসাইটে গিয়ে ভর্তি ফরম পূরণ করতে হয়েছে এবং তারপর টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভর্তি ফি দিতে হয়েছে। বিস্তারিত প্রক্রিয়াটি নিম্নরুপ ছিল:

 

১. ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট- www.techedu.gov.bd এ লগ ইন করে অন-লাইনে প্রদত্ত আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করতে হয় । আবেদন ফরম পূরণের ধাপঃ

  • Home page হতে  application form open করতে হয় ।
  • On screen এ প্রদর্শীত  application form এর চাহিদা মোতাবেক তথ্যাদি লিপিবদ্ধ/নির্বাচন, entry/selection (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) করতে হয় ।
  • Application form পূরণ শেষে Submit button এ ক্লিক করে ফিরতি message এর print out নিতে হয় । উক্ত print out এ প্রদত্ত Track no.ভর্তির রোল নং হিসেবে বিবেচিত হয় ।
  • ফিরতি message অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে  ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/-(দুইশত) টাকা টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের মাধ্যমে 16222 নম্বরে SMS করে জমা দিতে হয় ।
  • ভর্তির ফরম পূরণের বিস্তারিত তথ্যাদি ওয়েবসাইট হতে print out নেয়া যাবে ।

. ফি জমা দেয়ার পদ্ধতিঃ  টেলিটকের Prepaid মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে DTE লিখে, স্পেস দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে, স্পেস দিয়ে এস এস সি (SSC) পরীক্ষার রোল নম্বর লিখে , স্পেস দিয়ে এস এস সি পাশের সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে এস এম এস (SMS) করতে হবেঃ উদাহরণঃ DTE <Space>XXX<Space>XXXXXX<Space>XXXX
এখানে XXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের বোর্ডের নাম লিখতে হয়, ঢাকা বোর্ডের ক্ষেত্রে (DHA), সিলেট এর ক্ষেত্রে (SYL), বরিশালের ক্ষেত্রে (BAR), চট্টগ্রাম এর ক্ষেত্রে (CHI), কুমিল্লা এর ক্ষেত্রে (COM), দিনাজপুর এর ক্ষেত্রে (DIN), যশোর এর ক্ষেত্রে (JES), রাজশাহী এর ক্ষেত্রে (RAJ), মাদ্রাসা এর ক্ষেত্রে (MAD), কারিগরী এর ক্ষেত্রে (BTE) লিখতে হয়। এখানে XXXXXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের এস এস সি পরীক্ষার রোল নম্বর লিখতে হয় । XXXX এর জায়গায় আবেদনকারীর এস এস সি পাশের সন লিখতে হয়।

    SMS –প্রেরণকারী আবেদনের যোগ্য হলে ফিরতি SMS –এ একটি PIN , প্রার্থীর নাম, পিতার নাম এবং পরীক্ষার ফি হিসেবে ২০০/- (দুইশত) টাকা কেটে রাখার তথ্য দিয়ে সম্মতি চাওয়া হয়। প্রার্থীকে তার নাম, পিতার নাম ইত্যাদি তথ্যাদি মনোযোগের সাথে দেখে নিয়ে তথ্যাদি সঠিক থাকলে সম্মতি দিতে হয়। সম্মতি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ভাবে ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠাতে হয় । উদাহরণঃ DTE <Space>YES<Space>PIN<Space>Your mobile number
PIN নম্বরটি সঠিক ভাবে লেখা হলে উক্ত টেলিটকের prepaid মোবাইল থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/- (দুইশত) টাকা কেটে রাখা হয় এবং প্রার্থীকে একটি money receipt number নম্বর সহ ফিরতি SMS দেয়া হয়।

.একজন প্রার্থী যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তাহা প্রতিষ্ঠান–টেকনোলজি ভিত্তিক পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে হয় ।
উদাহরণঃ ঢাকা-সিভিল, ঢাকা-ইলেকট্রিক্যাল, কুমিল্লা-সিভিল, এভাবে সর্বোচ্চ দশটি অপশন নির্বাচন করা যাবে।
. আবেদনপত্র Submission এর পরে একজন প্রার্থী নির্ধারিত ২৩/০৬/২০১১ হইতে ৬/৭/২০১১ তারিখের মধ্যে কেবলমাত্র একবার সংশোধনের সুযোগ পাবে ।
. মেধা, কোটা ও আবেদনপত্রে প্রদত্ত পছন্দের ক্রমানুসারে ইনষ্টিটিউট-টেকনোলজী ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।
.  প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষা (MCQ পদ্ধতিতে) নেয়া হয়।
লিখিত পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও নম্বর বন্টনঃ বাংলা-৭, ইংরেজী-৭, গণিত-১৫, বিজ্ঞান-১৫, সাধারন জ্ঞান-৬, মোট-৫০ নম্বর ।
.  লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সাথে এস এস সি/সমমানের পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড অবশ্যই সঙ্গে আনতে হয় ।

. ভর্তির জন্য নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ভর্তি প্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি ২০/৭/২০১১ তারিখে অধিদপ্তরের website এ পাওয়া যাবে ।

. Click on Apply online বাটন, দুটো অপশন প্রদর্শিত হয় New Application এবং update submitted form.
১০. আবেদনকারী নতুন হলে new Application button এ click করবে।
১১. টাইপ Roll Number, Select Board Name, Select Passing year, Date of Birth তারপর verify Button এ Click করতে হয়। [ যদি আবেদনকারী জিপিএ ৩.৫ অথবা এর বেশি এবং সাধারণ গনিত অথবা উচ্চতর গনিত এ জিপি ৩ এর বেশি হয় তাহলে আবেদনকারীর বিস্তারিত তথ্য নীচে প্রদর্শিত হয়।]
১২. বাধ্যতামূলক ফিল্ডগুলো (*) অবশ্যই পূরন করতে হয় ।
১৩. আবেদনকারী যদি একাধিক কোটাভূক্ত হয় তাহলে একাধিক কোটা Select করতে পারবেন।
১৪. সকল তথ্য সঠিক হওয়া সত্তেও আবেদন করতে অক্ষম হলে হেল্প লাইন এর প্রর্দশিত নাম্বারে অথবা ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন।
১৫. আবেদনকারী সর্বোচ্চ দশটা Institute এর দশটা Department চয়েস করতে পারবেন।
১৬. আবেদনকারী একটি Institute এর মধ্যে দশটা Department অথবা একটি Institute এর কয়েকটি Department অথবা ভিন্ন Institute এর ভিন্ন Department চয়েস করতে পারবেন।
১৭. আবেদনকারী Choice Button এ Click করলে Institute এর নাম আসবে , Institute Select করলে এই Institute এর Department প্রদর্শিত হয়, চয়েস অনুযায়ী Student select করবেন এবং Save Choice এ অবশ্যই Click করতে হয়।Similarly Choice -2 Radio button করে ভিন্ন চয়েস করতে পারবেন।
১৮. আবেদনকারী চয়েস শেষ হয়ে গেলে Submit Button এ Click করতে হয় । তারপর Feedback form প্রদর্শিত হয় । যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আবেদনকারী Save the form এ Click করবেন।
১৯. আবেদনকারীকে অবশ্যই Tracing ID টা নোট করে রাখতে হয়, কারণ এই Tracing ID টা পরবর্তীতে Written Test Admid card/Seat plan এ ব্যাবহার করতে হয়।
২০. ফরম Submit করার পর আবেদনকারী যদি তথ্য আপডেট করতে চান, তাহলে Apply online থেকে update Submitted form এ click করতে হয় এবং Tracing ID দিয়ে আবেদনকারী শুধু মাত্র একবার তথ্য আপডেট করতে পারবেন।
২১. ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য/ প্রবেশ পত্র, "ভর্তি পরীক্ষার আসন তথ্য" tab থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন Tracing ID ব্যাবহার করে।
২২. ছবির সর্বোচ্চ সাইজ ১৫০ kb এবং সর্বোচ্চ প্রস্থ, উচ্চতা যথাক্রমে ৩০০, ৩৬০ হতে হয়।
২৩. মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র অবশ্যই jpg ফরমেটে হতে হয়। সনদপত্রের scan copy অবশ্যই 120kb এর মধ্যে হতে হয়।

 

২৪ এপ্রিল, ২০১২


২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি