স্কুল

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়মেডিকেল কলেজ

ডেন্টাল কলেজকলেজকারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানশিক্ষা বোর্ড

 

কথা বলা শেখার পর সন্তানের শিক্ষা জীবন শুরু করতে ঢাকার কর্মব্যস্ত অভিভাবকগণ চিন্তিত হয়ে পড়েন কেমন করে কোথায় ভর্তি করাবেন আদরের সন্তানটিকে। এ লক্ষ্যে খোঁজ নিতে হয় ঢাকার বিভিন্ন স্কুল গুলোর ফরম সংগ্রহ পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ভর্তি ফি, মাসিক বেতন, স্কুলের মান, স্কুলের পরিবেশ সস্পর্কে কিন্তু কর্মব্যস্ততার মাঝে অনেক অভিভাবকগণই সময় করে উঠতে পারেন না। ফলে কর্মব্যস্ত অভিভাবকগণ অনায়াসে অন লাইন ঢাকা গাইড থেকে ঢাকার স্কুলগুলোর সম্পর্কে সহজেই তথ্য পেতে পারেন।

 

সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তির তথ্য

সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে এখন আর ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় না। মাউশির ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী ১ম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ঢাকার ২৪টি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে এলাকাভিত্তিক ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ এই তিনটি গ্রুপে ভাগ করে এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি গ্রুপে ৮টি করে স্কুল রয়েছে।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, গতবারের মতো এবারো প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ভর্তির বয়সসীমা পাঁচ বছর থেকে শুরু করে সাত বছর পর্যন্ত হবে। পাঁচ বছরের নিচে বা সাত বছরের ওপরে কেউ প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারবে না। একই গুচ্ছের একাধিক স্কুল থেকে ভর্তি ফরম কেউ কিনতে পারবে না। একজন শিক্ষার্থী তিনটি গুচ্ছের প্রতিটি থেকে একটি করে সর্বোচ্চ তিনটি ফরম কিনতে পারবে। যে স্কুলে ভর্তি হতে আগ্রহী সেখান থেকেই ফরম কিনতে হবে। 

 

দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীতে ৫০ নম্বরের এক ঘণ্টার ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় এবং চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণীতে ১০০ নম্বরের দু’ঘণ্টার পরীক্ষা ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। আর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নবম শ্রেণীতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়।

 

ভর্তি ফরমের মূল্য ও ভর্তি ফি

প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি ফরমের মূল্য ১০০ টাকা। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি  ৭০০ টাকা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

 

কখন ফরম ছাড়া হয়

২০১৩ সালে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফরম প্রদান ও জমা গ্রহণ করা হয়। ১৯, ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৩০ ডিসেম্বর ফলাফল প্রকাশিত হয়। ১ম শ্রেণির লটারি ১৪ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। 

 

একাধিক বিদ্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে না

কেনো শিক্ষার্থী একই গ্রুপের একাধিক বিদ্যালয় থেকে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন না। অর্থাৎ কোনো শিক্ষার্থী ‘ক’ গ্রুপের একাধিক বিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম কিনতে পারবেন না। চাইলে তিন গ্রুপের তিন স্কুল থেকে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করতে পারবে। 

 

ভর্তি পরীক্ষা

দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীতে বাংলা ১৫, ইংরেজি ১৫ ও গণিতে ২০ নম্বর করে মোট ৫০ নম্বরের এক ঘণ্টার এবং অন্যান্য শ্রেণীতে বাংলা ৩০, ইংরেজি ৩০ ও গণিতে ৪০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের দু’ঘণ্টার পরীক্ষা নেয়া হয়।

 

গ্রুপভিত্তিক স্কুলগুলো

‘ক’ গ্রুপের স্কুলগুলো হচ্ছে-গভ. ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, নিউ গভর্মেন্ট গার্লস হাইস্কুল, ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।

 

‘খ’ গ্রুপের স্কুলগুলো হচ্ছে-মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, নারিন্দা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ সংযুক্ত হাইস্কুল, গভ. মুসলিম হাইস্কুল, বাংলাবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ধানমণ্ডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধানমণ্ডি কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। আর

 

‘গ’ গ্রুপে রয়েছে-ধানমণ্ডি গভ. বয়েজ হাইস্কুল, টিকাটুলী কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তেজগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, আরমানীটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গণভবন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।

নতুন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

নতুন পাঁচটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে-আজিমপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাজারীবাগ শেখ রাসেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মিরপুরের দুয়ারীপাড়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ডেমরার আলহাজ হাজী গফুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং উত্তরখানের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

 

যেভাবে সেরা স্কুল নির্বাচন করা হয়

পাঁচটি মানদন্ডে বোর্ডগুলোর সেরা স্কুল নির্বাচন করা হয়। তা হল –

  • নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর শতকরা হার
  • শতকরা পাশের হার
  • মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার
  • পরীক্ষার্থীর সংখ্যা
  • প্রতিষ্ঠানের গড় জিপিএ মূল্যায়ন

 

২০১৩ সালের এস.এস.সি ফলাফলে ঢাকা বোর্ডের সেরা স্কুলগুলো:

ঢাকা বোর্ডে এবার সেরা ২০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত পয়েন্ট ৯৬ দশমিক ৭৫ (১০০এর মধ্যে)। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল (পয়েন্ট ৯৫ দশমিক ৬৭), উত্তরা রাজউক মডেল স্কুল এন্ড কলেজ (৯৪ দশমিক ৫৬)। ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ চতুর্থ। পঞ্চমস্থানে আছে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ। ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজের স্থান ষষ্ঠ। পরের স্থানে আছে মতিঝিল গভর্মেন্ট হাইস্কুল। ময়মনসিংহ জেলা স্কুল অবস্থান অষ্টম। নবম মতিঝিল গবর্মেন্ট বয়েজ হাইস্কুল। হলিক্রস গার্লস হাইস্কুল দশম। মাইলস্টোন কলেজ এগারোতম, ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ১২তম। ধানমণ্ডি গবর্মেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের অবস্থান তেরো। মোহাম্মদপুর সেন্ট জোসেফ হাইস্কুল ১৪তম। মনিপুর হাইস্কুল রয়েছে পরবর্তী স্থানে। বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অবস্থান ১৬তম। ১৭তম অবস্থানে রয়েছে মোহাম্মপুর প্রিপারেটরি হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুল। বিদ্যাময়ী গবর্মেন্ট গার্লস হাইস্কুল ১৮তম। বিন্দুবাসিনী গবর্মেন্ট বয়েজ হাইস্কুল ১৯তম। শহীদ বীরউত্তম লেফ্টেন্যান্ট আনোয়ার গার্লস কলেজ ও মতিঝিল মডেল হাইস্কুল যৌথভাবে ২০তম হয়েছে।

 

২০১৩ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে ঢাকা বোর্ডের সেরা স্কুলগুলো:

স্থান

স্কুলের নাম

ফলাফল

১ম

ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ

প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৪৯১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২ জন বাদে সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪৫৭ জন। প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করে ৯৯ দশমিক ১৩ পয়েন্ট।

২য়

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

এ বছর এই স্কুল থেকে ১৩৮৩ জন জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে একজন বাদে সবাই পাস করে। জিপিএ-৫ পায় ১৩২০ জন। প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করে ৯৮ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট।

৩য়

রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ

এবার এই স্কুলটির ৪১৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাস করার পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১২ জন।

৪র্থ

মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ

এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৯৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৭৭ জন।

৫ম

মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজ

তাদের পাসের হার শতভাগ। (বালক) ইংরেজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম ও (বালিকা) ইংরেজি মাধ্যম ও বাংলা মাধ্যম মোট চার মাধ্যম মিলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫০৭ জন। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪৪ জন। ‘এ’ পেয়েছে ৫৯ জন, বাকি ৩ জন পেয়েছে ‘এ’ মাইনাস।

৬ষ্ঠ

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

তাদের পাসের হার শতভাগ। এ বছর ৩৯৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৭৫ জনই গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে।

৭ম

শামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ

এই স্কুলের ৮৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮৩৭ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৮১ জন।

৮ম

মতিঝিল গভঃ গার্লস হাইস্কুল

এই স্কুল থেকে ৩০০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭৯ জন শিক্ষার্থী।

৯ম

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ

এ প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩০৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭৯ জন।

১০ম

ময়মনসিংহ বিদ্যাময়ী সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

ময়মনসিংহ বিদ্যাময়ী সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ২৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮১ জন। পাসের হার শতভাগ।

 

২০১৩ সালের প্রাথমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে ঢাকা বোর্ডের সেরা স্কুলগুলো:

স্থান

স্কুলের নাম

ফলাফল

৩য়

মাইলস্টোন প্রিপারেটরি স্কুল

এবার স্কুলটির ৯৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাস করার পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৬৩ জন। মাইলস্টোন কলেজের অন্তর্ভুক্ত স্কুলটি গত বছর চতুর্থ অবস্থানে থাকলেও এবার একধাপ এগিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুল থেকে বাংলা মাধ্যমে ৪২৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং ৪০৮ জন জিপিএ-৫ এবং ১৮ জন 'এ' গ্রেড অর্জন করে। ইংরেজি মাধ্যমে ৫৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫৬ জন এবং ৮ জন পেয়েছে 'এ' গ্রেড।

৪র্থ

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৯৮৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯৮ জন।

৫ম

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ

প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শতভাগ। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৫৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৩৬ জন।

৬ষ্ঠ

সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ

পাসের হার শতভাগ। এ বছর ৭৬০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৫৪ জন এ প্লাস পেয়েছে।

৮ম

 

এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৮৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫১ জন শিক্ষার্থী।

৯ম

মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুল এন্ড কলেজ

এ প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৬৮৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫০ জন।

এছাড়া ১১ থেকে ১৯ তম স্থান অর্জনকারী সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে যথাক্রমে রাজধানীর মীরপুর বাংলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল ও কলেজ, এ কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুলনা জিলা স্কুল, ঢাকার উত্তরা হাই স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল এন্ড কলেজ।

 

ঢাকার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো

ঢাকার থানা ভিত্তিক স্কুল গুলো

 

ফরমের মূল্য ফরম সংগ্রহ

  • ঢাকার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল গুলোর প্লে গ্রুপের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফরমের মূল্য ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
  • ফরমের মূল্য শ্রেণীভেদে বিভিন্ন হয়ে থাকে।
  • ঢাকার ইংলিশ মিডিয়ামের স্কুল গুলোর সেশন জুলাই থেকে শুরু হলেও বছরের শুরুতেই খোঁজ খবর নেয়া ভাল কারণ অনেক স্কুলে বছরের শুরুতেই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যায়।
  • স্কুলগুলোর ক্যাম্পাস থেকেই ফরম সংগ্রহ করতে হয়।
  • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভর্তি ফরম এই ঠিকানা www.oisbd.net  থেকে ডাউনলোড করা যায়।
  • ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ভর্তি ফরমের সাথে প্রদত্ত প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।

 

ভর্তি প্রক্রিয়া

  • প্রতিটি শ্রেণীর ভর্তির ফরম স্কুল ভেদে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা মূল্যে সংগ্রহ করতে হয়।
  • ভর্তি ফরম সঠিক সময়ের মধ্যে নির্ভূলভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ স্কুলের অফিসে জমা দিতে হয়।
  • ভর্তির সিলেবাস ও সময়সূচী ভর্তির ফরমের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়।
  • ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল নিউজ পেপার ও নোটিশ বোর্ডে দেওয়া হয়।
  • ভর্তি পরীক্ষার পর মেধা তালিকা থেকে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির পর আসন খালি থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষামান তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং ভর্তি করানো হয়।
  • সাধারণত ভর্তির জন্য স্কুলভেদে পাঁচ থেকে দশ দিন সময় প্রদান করা হয়ে থাকে।
  • স্কুলগুলোতে নার্সারীতে ভর্তি ইচ্ছুক শিশুদের বয়স ৫ হতে হয়।

 

প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র

  • আবেদনকারীর সদ্যতোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন (একাধিক) ছবি। কোন কোন ক্ষেত্রে অভিভাবকের ছবিও জমা দিতে হয়।
  • আবেদনকারীর জন্ম নিবন্ধন সনদ বা পাসপোর্টের ফটোকপি নোটারী পাবলিকের সত্যায়িত কপি।
  • বাবা মায়ের বিজনেস কার্ড।
  • বাবা-মা/অভিভাবকের আয়ের বিবরণী।
  • কমিশনারের সার্টিফিকেট।
  • পূর্ববর্তী শ্রেণীর নম্বরপত্র, পূর্ববর্তী স্কুলের ছাড়পত্র ও প্রশংসাপত্রের ফটোকপি।
  • স্কুলভেদে কাগজপত্রাদি কম বেশি চাওয়া হয়ে থাকে।

 

বয়স উচ্চতা

  • ঢাকার স্কুল গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বয়স ও উচ্চতার সীমা দিয়ে থাকে।
  • সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স গার্লস হাই স্কুল শ্রেণী অনুসারে সর্বোচ্চ বয়স ও সর্বোনিম্ন উচ্চতার সীমা নিচে দেয়া হল-

শ্রেণী

বয়স

উচ্চতা

২য়

৪-৫ বছর

৩ ফুট

৩য়

৫-৬ বছর

৩ ফুট

৪র্থ

৬-৭ বছর

৪ ফুট

৫ম

৬-৭ বছর

৪ ফুট

৬ষ্ঠ

৭-৮ বছর

৪ ফুট

৮ম

৯-১১ বছর

৪-৫ ফুট

৯ম

১১-১৩ বছর

৪-৫ ফুট

 

 

ভর্তি পরীক্ষা

  • ঢাকার স্কুল গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে নার্সারী, কেজি ও প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয় না। এক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালা অনুসরণ করে লটারীর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়ে থাকে।
  • ২য় শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে হয়। এক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র পূর্ববর্তী শ্রেণীর সিলেবাস থেকে তৈরী করা হয়ে থাকে। তবে সাধারণত  বাংলা, ইংরেজী, গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের উপর প্রশ্ন হয়ে থাকে।

 

ঢাকার কয়েকটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের মাসিক বেতন ভর্তি ফি

স্কুল

মাসিক বেতন

ভর্তি ফি (টাকা)

 

প্রথম শ্রেণী

লেভেল

প্রথম শ্রেণী

লেভেল

লন্ডন ইন্টার ন্যাশনাল স্কুল, গুলশান।

১,০০০/-

২,০০০/-

৬,০০০/-

২০,০০০/-

ম্যাপল লীফ, ধানমন্ডি

৮০০/-

৪,০০০/-

১০,০০০/-

৪০,০০০/-

বৃটিশ স্ট্যান্ডার্ড স্কুল

১,৫০০/-

৩,৫০০/-

১০,০০০/-

৩০,০০০/-

বিএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, তেজগাঁও

২,৯০০/-

৪,৫০০/-

৪৫,০০০/-

৫৫,০০০/-

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মহাখালী

---

---

৬৩,০০০/-

৬৯,০০০/-

দি আগা খান স্কুল, উত্তরা

৮,৫০০/-

১১,০০০/-

৫৫,০০০/-

৭৫,০০০/-

গেটওয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সিদ্ধেশ্বরী

২,২০০/-

৩,৮০০/-

১১,০০০/-

১৪,০০০/-

অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ধানমন্ডি

১,৫০০/-

৭,০০০/-

১৫,০০০/-

৭০,০০০/-

সানিডেল স্কুল, ধানমন্ডি

৫০০/-

২,০০০/-

১৫,০০০/-

৩০,০০০/-

 

বইখাতা ইউনিফরম

  • স্কুল থেকে বইখাতা ও ইউনিফরম সরবরাহ করা হয়ে থাকলেও বইখাতা ও ইউনিফরমের জন্য আলাদা ফি প্রদান করতে হয়।
  • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নিজস্ব টেইলার্স রয়েছে যেখান থেকে ইউনিফরম তৈরী করে নিতে হয়। বইখাতার জন্যও স্কুলের নিজস্ব দোকান রয়েছে। সানিডেল স্কুল, লন্ডন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বৃটিশ স্ট্যান্ডার্ড স্কুল, মাস্টার মাইন্ড স্কুলে স্কুল থেকে বইখাতা ও ইউনিফরম সরবরাহ করা হয়।
  • বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের  ইউনিফরম যে কোন টেইলার্স থেকে বানানো যায়। বইখাতাও স্কুল থেকে সরবরাহ করা হয় না।

 

কার্যক্রম

  • স্কুলগুলোতে গার্লস গাইড ও স্কাউট দল রয়েছে। স্কুল ভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা মূল্য ফরম সংগ্রহ করে সদস্য হতে হয়।
  • স্কুলের ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অভিভাবক না আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের স্কুলের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়ে থাকে।
  • স্কুল গুলোতে শিক্ষার্থীদের নাটক, নাচ, গান, কবিতা আবৃত্ত, চিত্রাংকন ও সংগীত শেখানো হয়ে থাকে। চিত্রাংকন ও সংগীত শেখানোর জন্য স্কুলগুলোতে আলাদা শিক্ষক রয়েছে
  • ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল গুলোতে ইংরেজি শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতা সৃষ্টি ও শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্পর্কিত সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের  আয়োজন করা হয়ে থাকে।
  • স্কুল গুলোতে ছাত্র সংসদ রয়েছে। ছাত্র সংসদের প্রতিনিধি সিলেকশনের মাধ্যমে বাছাই করা হয়।

 

আর্থিক সহায়তা বৃত্তি

  • স্কুলগুলোতে শ্রেণীভেদে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা ও বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। যেমন- স্কলাশটিকা স্কুলে আর্থিক সাহায্য পেতে শিক্ষা বর্ষের শুরুতে আবেদন করতে হয়। বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ সুবিধা পেতে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়।
  • আর্থিক সুবিধা পেতে স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত শর্ত মানতে হয়। যেমন-স্কলাশটিকা স্কুলের আর্থিক সুবিধার শর্ত গুলো হল- ক. প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ৯০% ও পরীক্ষায় ৬৫% স্কোর থাকতে হয়। খ. অন্তত চার বছর একই স্কুলে অধ্যয়ন করতে হয়। গ. অভিভাবকদের আর্থিক সংকটের প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়।

 

  • স্কলাশটিকা স্কুলে টিউশন ফি ছাড় পাওয়ার শর্তগুলো হল- ক. পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারে। খ. পঞ্চম এবং ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ১০ বা তার বেশি A থাকতে হয়। গ. ৭ম থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ৯০% স্কোর থাকতে হয়। ঘ. কোন উশৃঙ্খলতার ইতিহাস থাকলে সে বৃত্তির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয় না। ঙ. উপিস্থিতি ৯০% হতে হয়। ইসিএ প্রোগ্রামে A গ্রেড থাকতে হয়। চ. অন্তত এক বছর স্কলাশটিকায় অধ্যয়ন করতে হয়। ছ. প্রতিবছর জুলাই আগস্টে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগে এই বৃত্তির পরীক্ষা নেয়া হয়।

 

কয়েকটি বাংলা মাধ্যম স্কুলের ভর্তি ফি মাসিক বেতন

স্কুলের নাম

ফরম সংগ্রহ ওফরম জমা

ফরমের মূল্য

ভর্তি ফি (টাকা)

মাসিক বেতন

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ

প্রতিষ্ঠানের অফিস বা ওয়েব সাইটে

(www.willeslittleflower.info)

থেকে সংগ্রহ করা যায়। জমা দিতে হয় এবি ব্যাংক কাকরাইল শাখায়।

 

-

১ম শ্রেণী

দশম শ্রেণী

১ম শ্রেণী

দশম শ্রেণী

৩,০০০/-

৮,০০০/-

৩০০/-

৮০০/-

গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরী হাই স্কুল, নিউ মার্কেট।

স্কুলের অফিস থেকে সংগ্রহ ও অফিসেই জমা দিতে হয়।

১০০/-

৩,০০০/-

 

৮,০০০/-

৩০০/-

 

৮০০/-

ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

 

৩৫০/-

৫৬০/-

৯৬০/-

৫/-

১৪/-

 

ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ

১০০/-

৩,৫০০/-

 

৮,০০০/-

২০০/-

৭০০/-

আহমেদ বাওয়ানী একাডেমী

২৫০/-

২,০০০/-

৫,০০০/-

১৫০/-

৪০০/-

ভিকারুন নেসা নুন স্কুল

৬০০/-

১,৮০০/-

৩,০০০/-

১৫০/-

৫০০/-

মতিঝিল মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজ

৫০০/-

-

১৩,০০০/-

 

৫০০/-

৭০০/-

সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল, লক্ষীবাজার।

৩০০/-

৫,০০০/-

৮,০০০/-

৪০০/-

৭০০/-

সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স গার্লস হাই স্কুল

২৫০/-

৯৬০/-

৯৭৫/-

২০০/-

 

২১০/-

 

২০১১ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ভালো ফলাফল করে শিক্ষা বোর্ড প্রদত্ত তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো হল-

০১. মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়, মিরপুর।

০২. ভিকারুন নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ।

০৩. আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, মতিঝিল।

০৪.  মাইলস্টোন প্রিপারেটরী কেজি স্কুল।

০৫. আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, গুলশান।

০৬. ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল, মতিঝিল।

০৭. একে উচ্চ বিদ্যালয়, ডেমরা।

০৮. প্রিপারেটরী স্কুল, মোহাম্মদপুর।

০৯. শামসুল হক খাঁন স্কুল, ডেমরা।

১০. মিরপুর বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, মিরপুর।

১১. মতিঝিল মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজ।

১২. বনানী বিদ্যানিকেতন, বনানী।

১৩. ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট ল্যারেটরী হাই স্কুল।

১৪. আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মতিঝিল।

১৫. উত্তরা হাই স্কুল, উত্তরা।

১৬. ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউট, মতিঝিল।

১৭. শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজ, মিরপুর।

 

২০১১ সালে ৮ম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার পাঁচটি মানদন্ডের ভিত্তিতে প্রতিটি বোর্ডে সেরা ১০টি স্কুলের তালিকা করা হয়েছে। কমপক্ষে ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পরীক্ষার অংশ নেওয়ার হার, পাসের হার, গড় জিপিএ ও জিপিএ ৫ পাওয়ার ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা করা হয়েছে। ঢাকার সেরা স্কুল গুলো হল-

 

০১. রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ (১ম)

০২. মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ (২য়)

০৩. ভিকারুন নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ (৪র্থ)

০৪. ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ (৫ম)

০৫. সেন্ট যোসেফ হাই স্কুল (নবম)

 

২০১০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় চারটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রত্যেক বোর্ড সেরা ২০টি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হলেও ২০১১ সালে করা হয়েছে পাঁচটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে। সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে পাঁচটি মানদণ্ডের নম্বর ধরা হয়েছে ১০০। নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর শতকরা হার, শতকরা পাসের হার, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ ৫-সহ পাঁচটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে সেরা প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন করা হয়েছে।

 

ক্রমিক নং

স্কুল

অর্জিত স্থান

পয়েন্ট

০১

রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ

১ম

৯৫.৬৬

০২

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ

২য়

৯৪.৯৩

০৩

আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ

৩য়

৯৪.৬৬

০৪

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

৪র্থ

৯২.৩৩

০৫

সেন্ট যোসেফ হাই স্কুল

৬ষ্ঠ

৯০.৮১

০৬

মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয়

৭ম

৯০.১৩

০৭

মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়

৯ম

৮৯.৪২

০৮

এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজ

১১তম

৮৯.০৬

০৯

ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়

১২তম

৮৭.৮৪

১০

হলিক্রস গার্লস হাইস্কুল

১৩তম

৮৭.৮২

১১

গভ. ল্যাবরেটরি হাই স্কুল

১৪তম

৮৭.৮১

১২

ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউট

১৫তম

৮৭.৭৯

১৩

শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ

১৬তম

৮৬.৯৮

১৪

বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ পাবলিক রাইফেলস স্কুল এন্ড কলেজ

১৭তম

৮৫.৬১

১৫

ধানমণ্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়

১৯তম

৮৫.৪৭

১৬

মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি এন্ড গার্লস হাই স্কুল

২০তম

৮৪.৯৮

 

পরিবহন ব্যবস্থা

ঢাকার সকল স্কুল গুলোর নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা না থাকলেও স্কুলে ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত রিক্সা ভ্যান রয়েছে। ভ্যান গুলো বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের আনা হয়ে থাকে। তবে স্কলাস্টিকা স্কুলের ও ক্যামব্রিয়ান স্কুলের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। ক্যামব্রিয়ানের স্কুলের পরিবহন যাতায়াতের জন্য মাসিক ৫,০০০/- টাকা দিতে হয়। ভিকারুন নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ভ্যান মালিককে মাসে ১,০০০/- টাকা চার্জ দিতে হয়। এছাড়া অন্যান্য স্কুলগুলোতে এলাকাভেদে যাতায়াতের জন্য ভ্যান মালিককে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য ১২০০-১৫০০/- টাকা চার্জ দিতে হয়।

 

বিবিধ

  • প্রত্যেক স্কুলেই অভিভাবক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পত্র অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয়।
  • প্রতিটি স্কুল পরিচালনায় ম্যানেজিং কমিটি রয়েছে।
  • পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত এসেম্বলীতে অংশগ্রহন করতে হয়।
  • স্কুল গুলো থেকে নিয়মিত শিক্ষা সফর ও পিকনিকের আয়োজন করা হয়ে থাকে। রাষ্ট্রীয় বিশেষ দিনগুলোতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।
  • সানিডেল স্কুল থেকে ডাকের মাধ্যমে অভিভাবকের কাছে মূল্যায়ন পত্র পাঠানো হয়।
  • শিক্ষার্থী স্কুলে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।

২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি