পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

ল্যাব এইড ভ্যাকসিনেশন সেন্টার

হেপাটাইটিস “বি”,হেপাটাইটিস “এ”,হিব্ (হিমোফিলাস  ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি), রোটাভাইরাস জনিত ডায়রিয়া, টাইফয়েড, জলবসন্ত বা চিকেন পক্স, এমএম আর (মিসেলস, মাস্পস ও রুবেলা), মেনিনগোকক্কাল মেনিনজাইটিস, ডিপটি ও হেপাটাইটিস বি (টাইট্রানরিক্স- হেপ বি), জরায়ূ-মুখ ক্যান্সার, নবজাতকের টিকা জরায়ূ মুক ক্যান্সার প্রতিরোধে টিকা ও নবজাতকের টিকা সেবা ল্যাব এইড ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে দেওয়া হয়।

 

ঠিকানা

বাড়ি# ১, রোড# ৪, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৫

ফোন: ০২- ৯৬৬৭১৭৫, ৮৬১০৭৯৩-৮

ফ্যাক্স: ৮৮-০২- ৮৬১৭৩৭২

ই-মেইল: [email protected]

 

হেপাটাইটিস “বি”

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস সংক্রমণের ফলে পৃথিবীর অন্যতম ঘাতক রোগ লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যান্সার হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫% হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদি বাহক এবং এদের ২০% লিভার ক্যান্সার ও লিভার সিরোসিসের  কারণে মারা যেতে পারে। হেপাটাইটিস বি এইডস এর চাইতে ১০০ গুণ বেশি সংক্রামক। পৃথিবীতে এইডস এর কারণে প্রতি বছর যত লোকের মৃত্যু হয়, হেপাটাইটিস বি এর কারণে তার চাইতে বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সকল নবজাতককে হেপাটাইটিস বি এর টিকা দেয়া অত্যন্ত জরুরি ঘোষণা করেছে এবং ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে এই টিকা সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় আনা হয়েছে।

 

এই রোগ কিভাবে ছড়ায়

  • সংক্রমিত সূঁচের মাধ্যমে
  • সংক্রমিত ব্যক্তি বা বাহক থেকে অন্যের সংক্রমণ (টুথব্রাশ, রেজার ইত্যাদির মাধ্যমে)
  • সংক্রমিত পুরুষ থেকে নারী বা নারী থেকে পুরুষ সহবাসের মাধ্যমে সংক্রমণ।
  • জন্মের সময় বাহক মা থেকে নবজাতকে সংক্রমণ

 

রোগ সনাক্তকরণ

রক্তের HBsAg পরীক্ষার মাধ্যমে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়।

 

প্রতিরোধের উপায়

এই সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার একমাত্র উপায় হলো টিকা নেয়া। HBsAg পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ হলে এই টিকা নেয়া যায়। মোট ৪ ডোজ টিকা নিতে হয়। প্রথম ৩ টি ডোজ ১ মাস পর পর এবং ৪র্থ ডোজ প্রথম ডোজের ১২ মাস পরে নিতে হয়। এছাড়াও ০,১,৬, মাস সিডিউলেও এ টিকা দেয়া যায়। তবে HBsAg পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ হলে দ্রুত লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত।

 

হেপাটাইটিস “এ”

সাধারণ জন্ডিস অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হেপাটাইটিস এ ভাইরাস জনিত সংক্রমণের মাধ্যমে ঘটে থাকে। এই ভাইরাস সাধারণত: পানি এবং খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। হেপাটাইটিস এ ভাইরাস লিভারকে আক্রমণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সারা বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১৫ লক্ষ লোক এ রোগে আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশ হেপাটাইটিস এ জনিত জন্ডিসের সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর একটি।

 

প্রতিরোধের উপায়

টিকা নেয়ার মাধ্যমে হেপাটাইটিস এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। ১ বছর বয়স থেকে এই টিকা নেয়া যায়। প্রথমে ১টি ডোজ নিতে হয় এবং ৬ থেকে ১২ মাস পর বুস্টার ডোজ নিতে হয়।

 

হিব্ (হিমোফিলাস  ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি)

হিব্ জনিত রোগ বলতে হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি নামক ব্যাকটেরিয়া বাহিত রোগ বুঝায়। হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি ব্যাকটেরিয়া নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করে। হিব্ আক্রান্ত শিশুর হাঁচি, কাশি এবং থু থু থেকে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়ায়। এছাড়াও হিব্ আক্রান্ত শিশুদের খেলনার মাধ্যমে এবং অন্যান্য জিনিস যা বাচ্চারা মুখে দিতে পারে সে সবের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়।

 

কারা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ

হিব্ শিশুদের বেশি আক্রমণ করে। সবচেয়ে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটে ৫ বছরের নিচে শিশুদের বেলায় তবে ৪ থেকে ১২ মাস বয়সের শিশুরা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।

 

প্রতিরোধের উপায়

এই রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় টিকা দেওয়ার মাধ্যমে। ৬ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস বয়সীদের জন্য ১ মাস পর পর ৩ টি ডোজ এবং তৃতীয় ডোজের ১ বছর পর বুস্টার ডোজ নিতে হয়। ৭ মাস থেকে ১২ মাস বয়সীদের জন্য ১ মাস পর পর ২টি ডোজ এবং ২য় ডোজের ১ বছর পর বুস্টার ডোজ দিতে হয়। ১ বছরের বেশি থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত এবং বড়দের ক্ষেত্রে ১ টি ডোজ দিতে হয়।

 

রোটাভাইরাস জনিত ডায়রিয়া

জন্মের প্রথম ৫ বছরের মধ্যেই আর্থসামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি শিশু রোটাভাইরাস জনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। এর মধ্যে প্রতি ২০৫ জন শিশুর মধ্যে ১ জন মারা যায়। এমনকি রোটাভাইরাস জনিত ডায়ারিয়া উন্নত পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বিশুদ্ধ পানি দ্বারাও প্রতিরোধ করা যায় না।

 

প্রতিরোধের  উপায়

৬ সপ্তাহ বয়স থেকে মুখে খাবার দুটি সহজ টিকা খাওয়ানোর মাধ্যমে রোটাভাইরাস জনিত ডায়ারিয়া প্রতিরোধ করা যায়। প্রথম ডোজের ১ মাস পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিতে হয়। তবে ৬ মাস বয়সের মধ্যেই টিকাদান শেষ করতে হয়।

 

টাইফয়েড

টাইফয়েড এক ধরনের জ্বর যা সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটরিয়ার সংক্রমণের ফলে হয়। সাধারণত: খাবার এবং পানির মাধ্যমে এই রোগ ছড়িয়ে থাকে। টাইফয়েড জ্বর নানা রকম জটিলতার সৃষ্টি করে যেমন- পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণ, ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস ইত্যাদি।

 

প্রতিরোধের উপায়

স্বাস্থ্য সম্মত খাদ্য গ্রহণ এবং বিশুদ্ধ পানি পান করা। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার সাথে সাথে টিকা নিতে হয়। দুই বছর বয়স থেকে ছোট-বড় সকলেই এই টিকা নিতে পারে। সকলের জন্য এই টিকার ১ টি ডোজ প্রতি ৩ বছর পর পর দিতে হয়।

জলবসন্ত বা চিকেন পক্স

জলবসন্ত একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ যা ভ্যারিসেলা জস্টার নামক জীবাণু দ্বারা হয়ে থাকে। রোগাক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি এবং ক্ষতস্থানের সংস্পর্শের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। এটি বিভিন্ন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করে যেমন: ত্বকে জীবাণূ সংক্রমণ, ত্বকে চিরস্থায়ী ক্ষতের দাগ, নিউমোনিয়া, এনকেফালাইটিস ইত্যাদি।

 

প্রতিরোধের উপায়

টিকা নেওয়া। ৯ মাস বয়স থেকে এই টিকা দেয়া যায়। ৯ মাস থেকে ১২ বছর বয়স পর্যন্ত ১টি মাত্র ডোজ নিতে হয় এবং ১২ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ২ টি ডোজ সপ্তাহ অন্তর দিতে হয়।

 

এমএম আর (মিসেলস মাস্পস ও রুবেলা)

মিসেলস বা হাম: মিসেলস বা হাম বিশ্বের প্রধান প্রাণঘাতি সংক্রামক রোগ এবং শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। মিসেলস বা হাম ফুসফুসের প্রদাহ, কানের সংক্রমণ, মেনিনজাইটিস, অন্ধত্ব প্রভৃতি ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করে।

 

মাম্পস: মাম্পস ভাইরাস জনিত রোগ যা Parotid গ্রন্থিকে (কানের সামনে অবস্থিত) আক্রান্ত করে। এটি বহু জটিলতার সৃষ্টি করে, যেমন: অন্ডকোষ ও ডিম্বকোষের প্রদাহ এবং তা থেকে বন্ধ্যাত্ব, বধিরতা মেনিনজাইটিস প্রভৃতি।

 

রুবেল: গর্ভাবস্থায় রুবেলা আক্রান্ত হলে গর্ভের শিশু বিভিন্ন জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে। যেমন- হৃদপিন্ডে অস্বাভাবিক ছিদ্র, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধি ইত্যাদি। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় রুবেল সংক্রমনের ফলে গর্ভপাত ঘটার সম্ভাবনা থাকে। ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী মহিলাদের এই টিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদেরও রুবেলা দ্বারা মস্তিস্কের প্রদাহ ও আথ্রাইটিস হতে পারে।

 

মেনিনগোকক্কাল মেনিনজাইটিস

মেনিনজাইটিস একটি প্রাণঘাতি রোগ যা মস্তিস্কের আবরণকে (মেনিনিজেস) আক্রান্ত করে এবং প্রচন্ড জ্বর, মাথাব্যথা, খিঁচুনি প্রভৃতি উপসর্গের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এই রোগের ফলে মৃত্যুহার অনেক বেশি। সাধারণত: নিসেরিয়া মেনিনজাইটিডিস (A, C, W 135 & Y) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এই সংক্রমণ হয়ে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া মেনিনজাইটিস এর জন্য দায়ী।

 

প্রতিরোধের উপায়

২বছর বয়সের পর ১টি করে টিকা প্রতি ৫ বছর পর পর দেয়া হয়।

 

টিটেনাস টিকা

ক্লস্ট্রিডিয়াম টিটেনি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বার এই রোগের আক্রমণ হয়। সাধারণত: ময়লা বা জং ধরা ধাতব বস্তু দ্বারা আঘাত বা ক্ষতের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া রক্তে প্রবেশ করে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এর ফলে তীব্র বেদনা সহ পেশীর খিচুনী দেখা দেয়। এ রোগের ফলে মৃত্যুহার অনেক বেশি।

 

প্রতিরোধের উপায়

প্রাথমিক টিকা: ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সকল মহিলাকে ৫টি প্রাথমিক ডোজ নেয়া হয়। ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে প্রথম ২টি ডোজ, ২ ডোজের ৬ মাস পর ৩য় ডোজ, ৩য় ডোজের ১ বছর পর ৪র্থ ডোজ এবং এর ১ বছর পর শেষ ডোজ দিতে হয়।

গর্ভাবস্থায় মায়ের ক্ষেত্রে (যাদের প্রাথমিক ডোজ দেয়া নেই): প্রথম গর্ভাবস্থায় ৫-৬ মাসে ১ টি  ও ১ মাস পর দ্বিতীয় টিকা দিতে হয়। পরবর্তী গর্ভাবস্থার ক্ষেত্রে ৭/৮ মাসের সময় ১ টি টিকা দিতে হয়।

 

ডিপটি ও হেপাটাইটিস বি (টাইট্রানরিক্স  হেপ বি)

ডিপিটি কি: ডিপথেরিয়া, পারটুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার হলো ব্যাকটেরিয়া বাহিত রোগ যা শিশুদের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সংক্ষেপে একে ডিপিটি বলা হয়।

 

ট্রাইটানরিক্স হেপ বি: ট্রাইটানরিক্স হেপ বি হলো ডিপিটি ও হেপাটাইটিস বি এর Combined টিকা। এই টিকা ব্যাবহারের বেশ কিছু সুবিধা আছে। যেমন: একটি টিকার মাধ্যমে ডিপিটি ও হেপাটাইটিস বি এর প্রতিরোধ, কম সংখ্যকবার সুঁই এর ব্যবহার, কম সংখ্যকবার ডাক্তারের কাছে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক সাশ্রয়।

 

কিভাবে নিতে হবে: শিশুদের ৬ সপ্তাহ বয়স থেকে এই টিকাগুলো দিতে হয়। ৪ সপ্তাহ অন্তর অন্তর প্রথম ৩টি ডোজ এবং শিশুর ১২ মাস বয়সে ১‌টা বুস্টার ডোজ নিতে হয়।

 

জরায়ূ-মুখ ক্যান্সার

জরায়ূ-মুখ ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বর্তমান বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী জরায়ূ-মুখ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতি বছর অর্ধকোটি নারী নতুন করে আক্রান্ত হন। জরায়ূ-মুখ ক্যান্সার ১৫-৪৫ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে বেশী দেখা যায়, কিন্তু ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশের প্রায় ২ থেকে ২০ বছর আগেই একজন নারী এ রোগের ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হন।

 

প্রতিরোধের উপায়

জরায়ূ-মুখ ক্যান্সার নারীদের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি। তবে একটু সচেতন হলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ১০ বছর বয়সের পর থেকেই জরায়ূ-মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধক টিকা নেয়া যায়। মোট তিনটি ডোজ নিতে হয়। প্রথম ডোজের ১ মাস পর দ্বিতীয় ডোজ এবং প্রথম ডোজের তিন মাস তৃতীয় ডোজ নিতে হয়। টিকা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষা জরায়ূ-মুখ ক্যান্সার আক্রান্তের হারকে কমিয়ে আনে।

 

নবজাতকের টিকা

 

ডিপিটি

ডিপথেরিয়া, পারটুসিস বা হুপিং কাশি এবং টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার হলো ব্যাকটেরিয়া বাহিত রোগ যা শিশুদের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরুপ। সংক্ষেপে একে ডিপিটি বলা হয়।  

 

আইপিভি

আইপিভি হলো বাংলাদেশ সরকার এর ই পি আই প্রোগ্রামের আওতায় নবজাতক যে ও পি ভি মুখে খাওয়ানো হয়, আই পি ভি তার পরিবর্তিত টিকা। ও পি ভি’র চাইতে আই পি ভি টিকা গ্রহণকারী নবজাতকের জন্য বেশী কার্যকরী এবং পোলিও’র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশী থাকে।

 

ইনফ্যানরিক্স হেক্সা

ইনফ্যানরিক্স হেক্সা হলো ডিপিটি, হেপাটাইটিস বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ‘বি’ এবং আই পি ভি এর  Combined টিকা। এই টিকা ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন: একটি টিকার মাধ্যমে ডিপিটি, হেপাটাইটিস বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ‘বি’ ও পোলিও’র প্রতিরোধ, কম সংখ্যকবার সুই এর ব্যবহার, কম সংখ্যকবার ডাক্তারের কাছে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক সাশ্রয়।

 

কিভাবে নিতে হবে

শিশুদের ২ মাস বয়স থেকে এই টিকাগুলো নিতে হয়। ৪ সপ্তাহ অন্তর অন্তর প্রথম ৩টি ডোজ এবং শিশুর ১২ মাস বয়সে ১ টা বুস্টার ডোজ দিতে হয়।

 

২৯, এপ্রিল, ২০১২

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
ডায়েট কাউন্সিলিং সেন্টাররমনা, ইস্কাটন
এশিয়ান স্কাই শপ বাংলাদেশকলাবাগান, হাতিরপুল
সুফি মেডিটেশনN\A, N\A
ফার্মেসী ব্যবসাPharmacy business information
ল্যাব এইড ভ্যাকসিনেশন সেন্টারধানমন্ডি, ধানমন্ডি
ইবোলা ভাইরাস: নিজে সতর্ক হউন অন্যকে সতর্ক করুনভাইরাসটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
ইতালিতে স্বাস্থ্য বীমার জন্য বীমা কোম্পানিগুলোঅনুমোদিত বীমা কোম্পানিগুলোর তালিকা
ঘরে বসে ওষুধ পেতেস্বাস্থ্য বিষয়ক অনলাইন শপ
টাইফয়েড ভ্যাকসিন সংগ্রহN\A, N\A
কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতাল, ঢাকাশাহবাগ, ফুলবাড়িয়া
আরও ৬ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি