ভাপসা গরম। আবার কখনো দিন শেষে আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। নামে বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই মন-মর্জিতে বড়দের তো বটেই, শিশুদের অবস্থা হয় বেগতিক। সর্দি-কাশি, টনসিল ফুলে যাওয়া আর জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। একটু সতর্ক ও সচেতন হলে নিজে সুস্থ থাকতে পারেন। আবার শিশুকেও সুস্থ রাখতে পারেন। বারডেম হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের প্রধান তাহমিনা বেগম দিয়েছেন বেশ... বিস্তারিত
ছোট, বড়, সরকারী, বেসরকারী মিলিয়ে ঢাকায় হাসপাতালের সংখ্যা অনেক। রাজধানী হওয়ার সুবাদে দেশের সেরা চিকিৎসা সেবাটা এখানেই পাওয়া যায়। কেবল ঢাকাবাসীরাই নন, প্রতিদিনই ঢাকার বাইরে থেকে বহু রোগী এখানে আসেন চিকিৎসার জন্য। সরকারী হাসপাতালগুলোয় বেড এবং কেবিনের সংকটের চিত্র চিরচেনা। তবে ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগীরা কেবিন এবং বেড পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার পান। অন্যদিকে বেসরকারী হাসপাতালগুলোয় বেড এবং কেবিনের সংকট সাধারণত থাকে না। তবে খরচটা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি।
সাধারণভাবে যেকোন চিকিৎসার জন্য যাওয়া যেতে পারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল (সাবেক পিজি হাসপাতাল), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, মিডফোর্ট হাসপাতালসহ বড় সরকারি হাসপাতালগুলোয়।
অবশ্য বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালও রয়েছে ঢাকায় এগুলোর মধ্যে শিশু হাসপাতাল, হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, কিডনী এন্ড ইউরোলজি ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতাল, ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল, ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য।
একটা সময় দেশে বেসরকারী খাতে হাসপাতাল বা ক্লিনিকের অনুমোদনই ছিল না। তবে এখন সে বিধিনিষেধ নেই। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বড় বড় বেশ কয়েকটি হাসপাতাল হয়েছে দেশে। এসব হাসপাতালের মধ্যে এ্যাপোলো হাসপাতাল, স্কয়ার হাসপাতাল, ল্যাব এইড হাসপাতাল, পপুলার হাসপাতাল, ইবনে সিনা হাসপাতাল, মেডিনোভা হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতাল, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য।
সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু কমিউনিটি ক্লিনিকও পরিচালিত হচ্ছে। এসব জায়গায় প্রধানত মা ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হয়।
সরকারি হাসপাতালগুলোয় সাধারণত শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। তবে প্রধানত দিনের প্রথমাংশে অর্থাৎ সকাল আটটা থেকে দুপুর পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল।
এ হাসপাতালেও সকাল আটটা থেকে দুপুর পর্যন্ত নিয়মিত চিকিৎসা কার্যক্রম চলে। তবে সম্প্রতি বিকাল তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কনসাল্টেশন সেবা চালু করা হয়েছে। এজন্য ২০০ টাকা মূল্যের একটি টিকেট কাটতে হবে, এক টিকেটে সর্বোচ্চ দুইবার দেখানো যায় এবং টিকেটের মেয়াদ একমাস। আর এ হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা বা ডায়াগনস্টিক সার্ভিস সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চালু থাকে।
ঢাকার অন্যান্য সরকারী হাসপাতালগুলোর কার্যক্রমও সকাল আটটায় শুরু হয় এবং দুপুর পর্যন্ত চলে। দশ টাকা মূল্যের টিকেট কেটে বহির্বিভাগে চিকিৎসককে দেখাতে হয়। তিনি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো, ওষুধ কিংবা হাসপাতালে ভর্তিসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। সরকারি হাসপাতালগুলোতেই পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও অনেক সময় বিভিন্ন কারিগরি ত্রুটির কারণে বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে হয়।
বেসরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা কার্যক্রম সকাল থেকেই শুরু হলেও অধিকাংশ বেসরকারী হাসপাতালের মূল কার্যক্রম শুরু হয় বিকালে। প্রধানত সরকারি হাসপাতালে কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এখানে রোগী দেখেন। অবশ্য এখন স্কয়ার, এ্যাপলো হাসপাতালের মত হাসপাতালগুলো কনসাল্টেশন সেবা নির্ভর নয়। হাসপাতালের মতই চিকিৎসা কার্যক্রম চলে এসব বড় হাসপাতালগুলোয়।
বেসরকারী হাসপাতালগুলোর আউটডোর টিকেটের মূল্যে বেশ ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এটি ৪০ টাকা থেকে ২০০ টাকা বা ৩০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
(এখানে চিকিৎসককে দেখাতে চাইলে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, রেজিস্ট্রেশন ফি ৭৫০ টাকা। এরপর রোগী যে চিকিৎসককে দেখাতে চাইছেন তাঁর এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। বিভিন্ন চিকিৎসকের ফি বিভিন্ন রকম এটা ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকার মধ্যে।)
কিডনী ফাউন্ডেশনের হাসপাতালের আউটডোর ইউনিট সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বিশেষভাবে কনসাল্টেশন সার্ভিসটি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮পর্যন্ত খোলা থাকে। ওপিডি বিভাগটি প্রতি শনিবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এই ইউনিটে কিডনী রোগ, ডায়েবেটিস, হাইপারটেনশন, ইউরোলজীক্যাল এবং স্টোন সমস্যা, ডায়ালাইসিস এবং কিডনী ট্রান্সপ্লান্টেশন সার্ভিস প্রদান করা হয়। এছাড়া ডায়ালাইসিস এর রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রধানত হৃদরোগীদের জন্য তৈরি এ হাসপাতালে আউটডোর বিভাগ ছাড়াও ২৪ ঘন্টার জরুরি বিভাগ এবং এম্বুলেন্স সার্ভিস রয়েছে।
এখানে বহির্বিভাগে রোগী দেখাতে চাইলে সকালে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। চিকিৎসকের ফি ৭০০ টাকা, তবে প্রফেসর বা এরকম পার্যায়ের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের ফি ৯০০ টাকা। রোগী চাইলে কোন নির্ধিষ্ট চিকিৎসককেও দেখাতে পারেন। সেক্ষেত্রে যে দিন দেখাতে চাইছেন তার আগের দিন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে পরের দিন পাওয়া যাবে কিনা জেনে নিয়ে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।
ঠিকানা
১২২, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ (৪র্থ ও ৫ম তলা), শাহবাগ, ঢাকা- ১০০০
এই হাসপাতালে বহি:বিভাগেবিশেষজ্ঞডাক্তারগণরোগীরস্বাস্থ্যসেবানিশ্চিত করে থাকেন। প্রথমবার রোগীকে ডাক্তার দেখানোর জন্য ৩০০ টাকা মূল্যের একটি কার্ড সংগ্রহ করতে হয়। পরবর্তী ১ (এক) বছরএইকার্ডদেখিয়েমাত্র১০০টাকা ভিজিট দিয়ে ডাক্তার দেখানো যায়। এখানে মেডিসিন, সার্জারী, গাইনী, অর্থোপেডিক, শিশু রোগ, চক্ষু, নাক-কান-গলা, কার্ডিওলজি, নিউরো সার্জারী, নিউরো মেডিসিন, কিডনি, মানসিক রোগ, ডায়বেটিস, চর্ম রোগ, ইউরোলজি সহ মোট ১৭টি বিভাগের অধীনে প্রতিদিন রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
অবস্থান: মগবাজার ওভারব্রীজ থেকে ১০০ গজ পশ্চিম দিকে ইস্কাটন গার্ডেন রোড-এ এটি অবস্থিত।
যোগাযোগ: ৮৩১১৭২১-৫
এই হাসপাতালের নিজস্ব ৪টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। যোগাযোগ: ৮৩১১৭২১-৫।
এ হাসপাতালে আলাদা আউটডোর নেই। কেবল বিভিন্ন চক্ষু চিকিৎসকের কনসাল্টেশন সার্ভিস রয়েছে। বিভিন্ন চিকিৎসককে দেখানোর নিয়ম বিভিন্ন। কোন চিকিৎসককে দেখাতে চাইলে শুক্রবার সশরীরে গিয়ে সিরিয়াল নিতে হয় (কেবল শুক্রবারে পুরো সপ্তাহের সিরিয়াল দেয়া হয়)। আবার অনেক চিকিৎসককে দেখাতে চাইলে ফোনে সিরিয়াল দিলেই চলে।
অবস্থান
ধানমন্ডির মিরপুর রোডে অবস্থিত গণ স্বাস্থ্য হাসপাতাল থেকে ১০ গজ দক্ষিণে হারুন আই হসপিটাল অবস্থিত।
রোগীর অবস্থা বুঝে কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি পরামর্শ দেন। রোগী চাইলে খালি থাকা সাপেক্ষে তার পছন্দমতো কেবিন বা সিট ভাড়া নিতে পারেন। সবসময় সিট বা কেবিন পাওয়া যায়। ছুটির দিনসহ অন্যান্য বন্ধের দিনেও খোলা থাকে।
এই বিভাগে রোগী দেখাতে হলে প্রথমেই রেজিষ্ট্রেশন/নিবন্ধন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন/নিবন্ধন ফি ৬০০ টাকা। হাসপাতালের ওযেবসাইটের মাধ্যমেও রেজিষ্ট্রেশন/নিবন্ধন করা যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতালে এসে ফি পরিশোধ করতে হবে।
মাত্র ৫০ টাকা ফি দিয়ে সার্বক্ষণিক আউটডোর সার্ভিস, ১৫০ টাকা ফি দিয়ে আরপি ও আরএস এবং ২০০ টাকা ফি দিয়ে মেডিসিন, গাইনী, ইএনটি, শিশুরোগ, চর্ম ও যৌন রোগ, মনোরোগ, জেনারেল সার্জারী, নিউরো সার্জারীসহ সকল বিভাগের অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর সুযোগ প্রতিদিন সকাল ৮.০০টাথেকেদুপুর২.০০টা পর্যন্ত।
কাউন্টার থেকে ২০ টাকা মূল্যের টিকেট কেটে বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে।এখানে মোট ৭টি বিভাগ রয়েছে। এগুলো হলো – 1. General ophthalmic service, 2. Refractive error, 3. Amblyopia, 4. Squint, 5. Cataract, 6. Injury, 7. শিশু চক্ষু রোগ।
অবস্থান
ফার্মগেট, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা – ১২১৫ – এ এই ঠিকানায় হাসপাতালের অবস্থান। ৩ (তিন) তলা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পশু সম্পদ অধিদপ্তরের বিপরীত দিকে অবস্থিত। ফোন: ৮১১২৮৫৬, ৯১১৯৩১৫; ই-মেইল: eih1960@yahoo.com
এখানে জরুরী বিভাগে রোগী দেখানোর জন্য ফি ১০০ টাকা। বহির্বিভাগে ডাক্তার কনসালটেশন ফি বিশেষজ্ঞ ভেদে ৩০০, ৪০০ ও ৫০০ টাকা ফি। রোগী ভর্তি করানোর জন্য রিসিপশনে ম্যানেজার, সিআরও এর কাছে ৫০০ টাকা ভর্তি ফি জমা দিয়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে হয়।
রোগী ভর্তি হতে হলে হাসপাতালে ঢুকে সামনের ১ নং কাউন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। প্রথমে সিরিয়াল দিতে হবে তার জন্য ২০০ টাকা ভিজিট দিতে হবে। কেবল শিশুদের চিকিৎসা দেয়া হয়।
অবস্থান: এটি জয়কালী মন্দির থেকে দক্ষিণ দিকে সিলভারডেল গার্লস স্কুলের উল্টো দিকে অবস্থিত।
এই হাসপাতালে ডাক্তারগন সাধারনত ২টি শিফটে রোগী দেখে থাকেন। প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা এবং দ্বিতীয় শিফট দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা। প্রতি শিফটে ৪ জন করে ডাক্তার বসেন।
বহি:বিভাগে ১৫ টাকা টিকেট কেটে ডাক্তার দেখাতে হয়। শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯.০০ টা থেকে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত বহি:বিভাগে ডাক্তার দেখানো যায়।
যাত্রাবাড়ি থানার অন্তর্গত মাতুয়াইল এলাকা মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে ২০০ গজ সামনে শিশু-মাতৃস্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউট অবস্থিত। ঠিকানা: কদমতলী (শ্যামপুর), মাতুয়াইল, ঢাকা। যোগাযোগের ফোন নম্বর ৭৫৪২৮২০-২৮। অনুসন্ধান ডেস্কের নম্বর ৭৫৪২৮২০-২৮
সকাল আটটা থেকে বহির্বিভাগ কার্যক্রম শুরু হয়। সবগুলো বিভাগেরই আলাদা আলাদা বহির্বিভাগ আছে। রোগের ধরন বুঝে নির্দিষ্ট বিভাগের টিকেট কেটে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে দেখাতে হয়। যেমন কারো মানসিক কোন সমস্যা আছে মনে হলে তিনি মানসিক রোগ বিভাগের টিকেট কাটতে পারেন। অবশ্য তিনি মেডিসিন বিভাগের টিকেটও কাটতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকই প্রয়োজনীয় বিভাগে রেফার করেন।
সম্প্রতি বিকাল তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কনসাল্টেশন সেবা চালু করা হয়েছে। এজন্য ২০০ টাকা মূল্যের একটি টিকেট কাটতে হবে, এক টিকেটে সর্বোচ্চ দুইবার দেখানো যায় এবং টিকেটের মেয়াদ একমাস। আর এ হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা বা ডাগনস্টিক সার্ভিস সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চালু থাকে।
ঠিকানা: শাহবাগমোড, ঢাকা-১০০০
অবস্থান: শাহবাগমোড়ে জাতীয় জাদুঘরের উত্তরে এর অবস্থান।
(রোগী দেখাতে হলে ১০ টাকা মূল্যের টিকেট কাটতে হবে। এখানে মেডিসিন, ডেন্টাল, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন, চর্ম ও যৌন রোগ, শিশু, গাইনী, শিশু সার্জারী, এ্যাজমা সেন্টার, নিউরোলজি ও কার্ডিওলজি বিভাগসহ মোট ১১ টি বিভাগ রয়েছে । বহি: বিভাগ প্রতিদিন সকাল ০৮.০০ ঘটিকা হইতে দুপুর ০২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত খোলা থাকে ।)
লোকেশন:
শহীদ সোহরাওয়াদী হাসপাতাল ঢাকার শেরে-ই-বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট এর পাশে অবস্থিত ।
বহি:বিভাগেডাক্তারদেখাতেহলেপ্রথমেকাউন্টার থেকে ২০ টাকা মূল্যের টিকেট কাটতে হয় এবং জরুরী বিভাগে রোগী দেখাতে হলে ৫০ টাকা মূল্যের টিকেট কাটতে হবে।
অবস্থান: ঢাকা শেরে বাংলা নগরে শ্যামলী বাস স্ট্যান্ডের ২০ – ৩০ গজ পূর্ব দিকে শিশুমেলার পূর্বে এবং জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূনর্বাসন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশে এটি অবস্থিত।
ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালের বহি:বিভাগে৫টাকারটিকেটকেটেডাক্তার দেখানোর ব্যবস্থা রয়ছে। এছাড়া বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিকট দেখাতে ৩০ টাকার টিকেট কাটতে হয়। বহিঃ বিভাগে মেডিসিন, নাক কান গলা, গাইনী, চর্ম এবং শিশু রোগের চিকিৎসা করার ব্যবস্থা রয়েছে।
ঠিকানা- নওয়াবইউসুফরোড, নয়াবাজার, ঢাকা-১১০০
অবস্থান: ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতাল নয়াবাজার ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে।
এখানে সকাল ৮.৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত বহির্বিভাগে রোগী দেখা হয়।হাসপাতালটি বহির্বিভাগের ডাক্তার দেখানোর জন্য ১০ টাকা দিয়ে একটি টিকেট সংগ্রহ করতে হয়।
ঠিকানা: মহাখালী, ঢাকা- ১২১২
অবস্থান: মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ৫০ গজ উত্তরে জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অবস্থান।