পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

আগামাসিহ লেন

নাজিরা বাজার চৌরাস্তা থেকে উত্তর দিকে বঙ্গবাজারের দিকে যাওয়ার পথে হাজীর বিরিয়ানী পাড় হয়ে কিছুটা পথ এগোলো হাতের ডান ও বাম পাশ দিয়ে দুটি রাস্তা দুই দিকে চলে গিয়েছে। তন্মধ্যে পূর্ব দিকের রাস্তাটি সিদ্দিক বাজারের দিকে এবং পশ্চিম দিকের রাস্তাটি আগামাসিহ লেনে গিয়ে মিশেছে। আগামাসিহ লেন পুরাতন ঢাকার একটি এলাকা। এটি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বংশাল থানা এবং নব নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণ এর ৩৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত।

 

সীমানা/পরিধি

আগামাসিহ লেনের পূর্বে রয়েছে নাজিরা বাজার রোড, পশ্চিমে নিমতলী, উত্তরে ফুলবাড়িয়া রোড এবং দক্ষিণে আগাসাদেক রোড। উত্তর-পশ্চিমে এই এলাকাটি বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে শুরু হয়ে আনন্দবাজার গিয়ে শেষ হয়েছে। আর উত্তর-দক্ষিণে এই এলাকাটি নাজিরাবাজার চৌরাস্তা থেকে শুরু করে বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিস মোড়ে গিয়ে শেষ হয়েছে। এবং পূর্ব-পশ্চিমে এই এলাকাটি নাজিরা বাজার চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে আগাসাদেক রোডের শেষ প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

 

প্রবেশমুখ গুলো

  • এই এলাকায় প্রবেশের একাধিক প্রবেশ পথ রয়েছে। নাজিরাজার চৌরাস্তা থেকে উত্তর দিকে হাজীর বিরিয়ানি অতিক্রম করে কিছুট পথ আগে বাড়লে হাতের ডান দিকে একটি পথ রয়েছে এই পথটি সোজা আগামাসিহ লেন ল’ কলেজ মোড়ে দিয়ে মিশেছে। এখান থেকে নাজিরা বাজার রোড ধরে আরেকটু আগে বাড়লে হাতের বাম পাশ দিয়ে আরও একটি রোড রয়েছে এই রোডটিও সোজা ল’কলেজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়েছে। নাজিরাবাজার রোড দিয়ে আগামাসিহ লেনে প্রবেশের অপর একটি গলিপথ বঙ্গবাজার কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। এই গলিপথটি এঁকেবেঁকে আগামাসিহ লেন ল’কলেজ মোড়ের সাথে সংযুক্ত হয়েছে।
  • বঙ্গবাজার মোড় থেকে পশ্চিম দিকে চাঁনখারপুলের দিকে যাওয়ার পথে ফুলবাড়িয়া পশু-পাখির মার্কেটের শেষ প্রান্তে হাতের বাম পাশ দিয়ে দুই দিকে দুটি পৃথক সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম দিকে যে সড়কটি গিয়েছে সেটি নিমতলীর সাথে সংযোগ স্থাপন করেছে এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে যে সড়কটি গিয়েছে সেটি আগাসিহ লেন ল’কলেজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়েছে।
  • নাজিরাবাজার চৌরাস্তা থেকে আগাসাদেক রোড হয়ে পশ্চিম দিকে ২০ থেকে ৩০ গজ আগে বাড়লে হাতের বাম পাশ দিয়ে যে সড়কটি রয়েছে সেই সড়কটি সিক্কাটুলীর দিকে গেছে আর তার বিপরীত পাশে একটি ছোট গলিপথ রয়েছে। এই গলিপথটি এঁকেবেঁকে আগামাসিহ লেনে গিয়ে মিশেছে। তবে নতুন আগন্তুকদের এই পথে না যাওয়ায় ভালো। এখান থেকে আরও কিছুটা পথ এগোলে মিরন জল্লা কাঁচাবাজার নামে একটি বাজার চোখে পড়বে এই বাজারের ঠিক বিপরীত পাশ দিয়ে একটি সড়ক রয়েছে। এই সড়কটি ল’কলেজ মোড়ে গিয়ে মিশেছে। এখান থেকে ১০ গজ আগে বাড়লেই হাতের বাম পাশে আরও একটি রোড চোখ পড়বে। এই রোডটিও আগামাসিহ লেন ল’কলেজ মোড়ে দিয়ে মিশেছে। এছাড়া পাকিস্তান মাঠ (বাংলাদেশ মাঠ) এর বিপরীত পাশ দিয়েএ আগামাসিহ লেনে যাওয়ার আরও একটি পথ রয়েছে।
  • এছাড়া নিমতলীর থেকে আগামাসিহ লেনে যাওয়ার একাধিক ছোট ছোট গলিপথ রয়েছে।

 

ল’কলেজ মোড়

আগামাসিহ লেনের সবচেয়ে ব্যস্ততম স্থান হিসেবে ল’কলেজ মোড়টিই সকলের নিকট পরিগণিত। ভোর থেকে মধ্য রাত অবধি এই স্থানটি এলাকার বাসিন্দাদের পদচারণায় মুখরিত থাকে। নাজিরা বাজার, আগাসাদেক রোড, চাঁনখারপুল ও নিমতলী থেকে একাধিক রোড এসে এই মোড়ে মিশেছে।

  • ল’কলেজের উত্তর পাশ দিয়ে যে রোডটি রয়েছে সেটি এলাকার বাসিন্দাদের নিকট বিয়া গলি নামে পরিচিত। এই রোডটি পূর্ব দিকে নাজিরা বাজার রোডে গিয়ে শেষ হয়েছে। এই রোড ধরে ২০ গজ সামনে এগোলে হাতের বাম পাশে একটি বটগাছ ও বটগাছের নিচে একটি মাজার রয়েছে। এই মাজারের পাশ দিয়ে ছোট একটি গলিপথ রয়েছে। এই গলিপথটি কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের পেছন দিক দিয়ে এঁকেবেঁকে নাজিরা বাজার রোডে গিয়ে মিশেছে।
  • ল’কলেজের পশ্চিম পাশ এবং মসজিদের উত্তর পাশ দিয়ে পৃথক দুটি রোড রয়েছে। রোড দুটি পৃথক হলেও রোড দুটি গিয়ে একই স্থানে মিলিত হয়েছে। এই রোড দুটি আগামাসিহ লেন হয়ে আনন্দবাজারে দিকে গিয়েছে। তবে আনন্দ বাজারে গিয়ে শেষ হওয়ার আগে পথিমধ্যে রোডটি আরও দুটি রোডের সাথে সংযোগ স্থাপন করেছে। যে রোড দুটিও পৃথক হলেও তাদের গন্তব্যস্থল একই। এই রোড দুটি পূর্ব দিকে নিমতলীর সাথে আগামাসিহ লেনের সংযোগ স্থাপন করেছে।
  • আগামাসিহ লেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে দুটি করে চারটি পৃথক পৃথক রোড রয়েছে। তন্মধ্যে স্কুল ঘেঁষে পূর্ব ও পশ্চিম পাশ দিয়ে যে রোড দুটি রয়েছে সেগুলো আগাসাদেক রোডে গিয়ে শেষ হয়েছে। আর পূর্ব পাশের অপর রোডটি নাজিরাবাজার রোডে গিয়ে শেষ হয়েছে এবং পশ্চিম পাশের অপর রোডটি কায়েতটুলীর দিকে চলে গিয়েছে।

 

যাতায়াত ব্যবস্থা

এই এলাকার রাস্তাগুলো বেশ সরু। যার ফলে এই এলাকায় ভারী কোনো যানবাহন নিয়ে যাতায়াত করা কষ্টকর। অনেক সময় ভারী যানবাহন প্রবেশের ফলে এখানে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে সিএনজি অটোরিক্সা, ছোটখাটো প্রাইভেট কার, রিক্সাযোগে অনায়াসেই এই এলাকায় যাতায়াত করা যায়।

  • ঢাকার টঙ্গী, উত্তরা, বনানী,  মহাখালী, মগবাজার, মালিবাগ থেকে গুলিস্তান রুটে চলাচলকারী প্রভাতী বনশ্রী, আজমেরী, কে.টি.এল, গাজীপুর সুপার পরিবহনের যেকোনো বাসযোগে বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিস মোড়ে এসে ফায়ার সার্ভিসের পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে নাজিরাবাজারের দিকে যে সড়কটি রয়েছে সেটি দিয়ে মাত্র ২০ গজ সামনে এগোলেই হাতের ডান পাশে একটি হোটেল পরবে। এই হোটেলর পাশ দিয়ে ছোট একটি গলিপথ রয়েছে। এই গলিপথটি ধরে কিছুটা পথ সামনে এগোলে একটি তিন রাস্তার মোড় পরবে। এই মোড়ে একটি বটগাছ ও বটগাছের নিচে একটি মাজার রয়েছে। এই মোড় থেকে পূর্ব দিকে যে রাস্তাটি রয়েছে সেটি নাজিরাবাজারের দিকে এবং পশ্চিম দিকের রাস্তাটি ল’কলেজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়েছে।
  • ঢাকার গাবতলী, ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট, আজিমপুর থেকে গুলিস্তান রুটে চলাচলকারী ধামরাই পরিবহন, গ্রামীন পরিবহন ও সদরঘাট রুটে চলাচলকারী ৭ নম্বর বাস যোগে বঙ্গবাজার মোড়ে এসে একইভাবে উপরের এই রাস্তাটি ধরে আগামাসিহ লেনে যাওয়া যায়।
  • আর যারা সায়েদাবাদ, সদরঘাট, চকবাজার, বাবুবাজার আসবেন তারা যেকোনো সি.এন.জি অটোরিক্সা বা রিক্সাওলাকে বললেই আগামাসিহ লেনে নিয়ে যাবে।

 

আবাসন ব্যবস্থা

পুরনো ঢাকার অন্যান্য এলাকার তুলনায় আগামাসিহ লেনে জনবসতি তেমন ঘন নয়। এখানকার বেশিরভাগ বাড়িগুলো পাঁচ তলা থেকে সাত তলা পর্যন্ত। বেশিরভাগ বাড়িই এ্যাপার্টমেন্ট সিস্টেম। সাধারন মানের প্রতিটি দুই রুমের ফ্ল্যাটের ভাড়া সাত থেকে আট হাজার টাকা, টাইলস ও মোজাইককৃত প্রতিটি দুই রুমের ফ্ল্যাটের ভাড়া নয় থেকে দশ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। আর প্রতিটি তিন রুমের ফ্ল্যাটের ভাড়া দশ থেকে বার হাজার টাকা এবং টাইলস ও মোজাইককৃত প্রতিটি তিন রুমের ফ্ল্যাটের ভাড়া তের থেকে চৌদ্দ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তলার উপর ভিত্তি করে ফ্ল্যাটের ভাড়া কমবেশি হয়ে থাকে। বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রমী হিসেবে বিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রীম প্রদান করতে হয়। এই অগ্রীম টাকা প্রতি মাসের ভাড়ার সাথে এডজাস্ট করা হয় অথবা ভাড়া ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় ফেরত প্রদান করা হয়।

 

খাবার দাবার

খাবারের গলি হিসেবে খ্যাত নাজিরা বাজারের পাশ ঘেঁষে অবস্থিত হওয়ার ফলে এই এলাকার মানুষ বেশ ভোজন রসিক। নাজিরাবাজার তো রয়েছেই পাশাপাশি আগামাসিহ লেন ল’কলেজ মোড়ে প্রতিদিন সকাল-বিকাল দুই বেলা খাবারের মেলা বসে। স্থায়ী খাবারের দোকানের পাশাপাশি ভ্রাম্রমান দোকানীদের জন্য সকাল ও সন্ধ্যার এই স্থান দিয়ে হাঁটাও কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে। ঘুগনি-বুট থেকে শুরু করে পোলাও-বিরিয়ানী সবই এই মোড়ে পাওয়া যায়। এই মোড়ে রয়েছে পিঠার দোকান, পুরি, আলুরচাপ, মোগলাই পরোটা, কিমা পুরির দোকান, ভাত-বিরিয়ানীর দোকান, ফলের দোকান, কনফেকশনারী, বাকরখানি রুটির দোকানসহ সহ ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান। তবে এই মোড়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য খাবারের দোকান দুটি ল’কলেজের ঠিক বিপরীত পাশে অবস্থিত। দোকান দুটি পাশাপাশি অবস্থিত। প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা দোকান দুটির সামনে যেভাবে খাবারের পসরা সাজানো হয় যা কিনা পথচারীদের দৃষ্টি ফেরাতে বাধ্য করে থাকে। এই দোকানগুলোতে প্রতিদিন সকাল পরোটা, লুচি, ভাজি, হালুয়া, বুন্দিয়া সহ বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার পাওয়া যায়। আর বিকালে পুরি, আলুরচপ, মোগলাই পরোটা, বিফ বার্গার, চিকেন বার্গার, পিজা, স্যান্ডুইচ, কাটলেট সহ হরেক রকম সুস্বাদু খাবারের পসরা সাজিয়ে বসে। খাবারের দামও তুলনামূলক খুব বেশি নয়। আর বাকরখানির দোকানগুলো ল’কলেজ মোড় থেকে উত্তর দিকে ৫০ গজ সামনে অবস্থিত।

 

স্কুল/কলেজ

এই এলাকার স্কুল, কলেজগুলোর মধ্যে রয়েছে ১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১ টি ল’কলেজ। আগামাসিহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ল’ কলেজ মোড়ের দক্ষিণ কোণে এবং ল’কলেজটি এই মোড়ের উত্তর কোণে অবস্থিত, আর এলাকার একমাত্র কিন্ডার গার্টেন স্কুলটি  ল’কলেজের পাশের ভবনেই অবস্থিত। এছাড়া আগাসাদেক রোডে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় ও পলাশ একাডেমী নামে আরও দুটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। এখানে কোনো উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ নেই। যার ফলে এখানকার শিক্ষার্থীদের লক্ষ্মীবাজার, বকশীবাজার ও ধানমন্ডিতে ছুটে যেতে হয়।

 

মসজিদ/মাদ্রাসা

আগাসাদেক রোডে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীত পাশের যে রোডটি আগামাসিহ লেনের দিকে গিয়েছে সেই রোডের সংযোগস্থলেই একটি মসজিদ রয়েছে। এছাড়া আগামাসিহ লেন ল’কলেজ মোড়ে আরও একটি মসজিদ রয়েছে। এই এলাকার অপর একটি মসজিদ আগামাসিহ লেন ল’কলেজ মোড় থেকে আনন্দবাজারের দিকে যাওয়ার পথে হাতের বাম পাশে অবস্থিত। মসজিদগুলোতে পৃথক হাফেজিয়া মাদ্রাসাও রয়েছে।

 

 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

এই এলাকাটিতে আগাসাদেক রোড ঘেঁষে কিছু গার্মেন্টস মেটেরিয়ালস, চামড়া, এ্যাডহেসিভ, জুতার সোল ও গার্মেন্টস পণ্যের দোকান রয়েছে। এখানে বিশেষভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য জুতার কারখানা। এছাড়া এই এলাকাটিতে আরও রয়েছে ক্যারাম বোর্ড তৈরির একাধিক কারখানা ও বঙ্গবাজার পশু হাসপাতালের পাশ দিয়ে যে সরু গলিটি রয়েছে সেখানে বেশ কিছু পুরাতন আয়না (মিরর) এর দোকান রয়েছে।

 

মার্কেট/বাজার

এই এলাকার বাসিন্দাদের বাজার-সদাই করার জন্য চাঁনখারপুল রোডে রয়েছে আনন্দবাজার এবং আগাসাদেক রোডে রয়েছে মিরন জল্লা কাঁচাবাজার। এছাড়া ল’কলেজ মোড়ে কয়েকটি কাঁচা তরিতরকারীর দোকান রয়েছে। আর পোশাক-পরিচ্ছদের জন্য পাশেই রয়েছে বৃহত্তর বঙ্গবাজার, এনেক্সকো টাওয়ার, বরিশাল প্লাজা, বঙ্গ ইসলামিয়া মার্কেট। এসব মার্কেটে ছেলে-বুড়ো সকল বয়সের নারী ও পুরুষের জামা-কাপড়, জুতা, ব্যাগসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাওয়া যায়।

 

ওয়ানওয়ে রোড

  • এই এলাকার রোডগুলো সরু হওয়ার ফলে বেশিরভাগ রোডই ওয়ানওয়ে। আগাসাদেক রোড অবস্থিত মিরন জল্লা কাঁচাবাজারের বিপরীত পাশে যে সড়কটি রয়েছে সেটি দিয়ে শুধুমাত্র আগামাসিহ লেন থেকে আগাসাদেক রোডের দিকে যানবাহন চলাচল করে। আর আগাসাদেক রোড বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে অবস্থিত যে রোডটি রয়েছে সেটি দিয়ে শুধুমাত্র আগাসাদেক রোড থেকে আগামাসিহ লেনের দিকে যানবাহন চলাচল করে থাকে।
  • ল’কলেজ মোড় থেকে আনন্দবাজারের দিকে পাশাপাশি দুটি রোড রয়েছে। এর মধ্যে ল’কলেজের পাশ দিয়ে যে রোডটি রয়েছে সেটি দিয়ে শুধুমাত্র আনন্দবাজারের দিক থেকে আগামাসিহ লেনের দিকে যানবাহন চলাচল করে এবং মসজিদের পাশ দিয়ে যে রোডটি রয়েছে সেটি দিয়ে আগামাসিহ লেন থেকে আনন্দবাজারের দিকে যানবাহন চলাচল করে।

 

অন্যান্য প্রতিষ্ঠান

  • এই এলাকাটিতে কোনো কমিউনিটি সেন্টার নেই। এলাকার বাসিন্দাদের তাই ছুটে যেতে হয় অন্য এলাকার কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে। আগামাসিহ লেনের পাশেই চাঁনখারপুল রোডে একটি এবং পাকিস্তান মাঠের দক্ষিণ গেটের সাথে মাজেদ সরদার কমিউনিটি সেন্টার নামে একটি কমিউনিটি সেন্টার রয়েছে। এছাড়া বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়টিও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়।
  • এই এলাকার প্রতিটি রোডেই একাধিক ফার্মেসী থাকলেও কোনো স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র নেই। তবে আগাসাদেক রোডে মিরন জল্লা কাঁচা বাজারের পাশে একটি মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে।
  • এছাড়া আগামাসিহ লেনের পাশ ঘেঁষেই রয়েছে কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতাল এবং পশু হাসপাতালের বিপরীত পাশেই রয়েছে ফুলবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন।

 

আপলোডের তারিখ: ০৫/০৫/২০১২ইং

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
নাটক সরণিএখানে নাটক সরনি এলাকা পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
বংশালবংশাল এলাকা পরিচিতি
গোড়ানগোড়ান এলাকা পরিচিতি
মগবাজারমগবাজার এলাকা পরিচিতি
নাজিরা বাজারনাজিরা বাজার এলাকা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যের বর্ণনা রয়েছে।
ওয়ারীওয়ারী এলাকা পরিচিতি
আগামাসিহ লেনআগামাসিহ লেনের বর্ণনা রয়েছে
মালিটোলামালিটোলা এলাকার বর্ণনা রয়েছে
কসাইটুলীকসাইটুলী এলাকার পরিচিতি
দয়াগঞ্জদয়াগঞ্জ এলাকা পরিচিতি
আরও ১ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি