পূর্ববর্তী লেখা  
পুরো লিস্ট দেখুন

জিন্দাবাহার

জিন্দাবাহার কোতয়ালী থানার ৬৮ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত একটি এলাকা। এলাকাটি পুরনো ঢাকায় অবস্থিত। হজরত জিন্দাপীর বাবা (রহ:) এর নামানুসারে এই এলাকাটির নাম জিন্দাবাহার রাখা হয় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। জিন্দাবহার শব্দটি সম্ভবত ফার্সি শব্দ। বাংলায় যার অর্থ “তাজা বসন্ত”। পুরনো ঢাকার জিন্দাবাহার লেনে পৈত্রিক ভিটেবাড়িতে জন্মেছিলেন বাংলার প্রয়াত চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেন সেই ১৯১৮ সালে। ৯০ বছর বয়সে তিনি ছবি আঁকার ফাঁকে পুরনো ঢাকার জিন্দাবাহার এলাকা নিয়ে এক অসাধারন বই লিখে গেছেন। বইয়ের নাম “জিন্দাবাহার”। সত্যি বলতে কি, পরিতোষের বইতে তত্কালীন জিন্দাবাহার লেন “তাজা বসন্ত” র মতোই টাটকা অবস্থায় বিরাজ করছে আজো।

 

এলাকাটির অবস্থান

  • গুলিস্তান থেকে আসতে হলে:- গুলিস্তান থেকে তাঁতীবাজার মোড়ে এসে হাতের ডান দিকে নয়াবাজার আসতে হবে। নয়াবাজারে বিপরীত দিকে পার্ক ঘেষে ইসলামপুরমূখী সড়কের দিকে যেতে হাতের ডান দিকে অর্থাৎ পার্কের অপরপ্রান্ত ঘেষে যে সড়ক এবং গলিপথ চলে গিয়েছে সেখান থেকে জিন্দাবাহার এলাকাটি অবস্থিত।
  • সদরঘাট থেকে আসতে হলে:- সদরঘাট থেকে ইসলামপুরমূখী রাস্তায় কুমারটুলি, পাটুয়াটুলি হয়ে নবাববাড়ি গেট পেরিয়ে হাতের বায়ে প্রথমে একটি ছোট মসজিদ চোখে পড়বে, তারপর ২ থেকে ৩ মিনিট পায়ে হাটা পথে হাতের বায়ে আরো একটি মসজিদ চোখে পড়বে। মসজিদ ভবনের সাথে খৃষ্টান চার্চ অবস্থিত। খৃস্টান চার্চের বিপরীত দিকে চলে যাওয়া গলিপথ দিয়ে জিন্দাবাহার এলাকাটির শুরু হয়।
  • বাবুবাজার থেকে আসতে হলে:- বাবুবাজার থেকে ইসলামপুরমূখী সড়কে গিয়ে বাদামতলী মোড় পেরিয়ে হাতের ডানে খৃস্টান চার্চের বিপরীত দিকে চলে যাওয়া গলিপথ দিয়ে জিন্দাবাহার এলাকাটির শুরু হয়। গুলিস্তান থেকে তাঁতীবাজার মোড়ে এসে হাতের ডান দিকে নয়াবাজার হয়ে ওভারব্রীজের নিচ থেকে সোজা মিটফোর্ড রোডে ওভারব্রীজের নিচে যেখানে হয়রত বাবা বাহার শাহ (রাহ:)এর মাজার অবস্থিত ঐ এলাকাটি বাবুবাজার নামে পরিচিত।

 

লেন পরিচিতি

জিন্দাবাহার এলাকাটি তিনটি পৃথক লেনে বিভক্ত। লেনগুলো হলো: (০১) জিন্দাবাহার প্রথম লেন; (০২) জিন্দাবাহার দ্বিতীয় লেন এবং (০৩) জিন্দাবাহার তৃতীয় লেন। জিন্দাবাহার প্রথম লেনটি নয়াবাজার পার্ক ঘেষে শুরু হয়ে পার্কের সাথে জিন্দাবাহার বড় মসজিদের বিপরীত দিকে গলিপথ এবং ডান দিকে চলে যাওয়া পথের চানমিয়া বিল্ডিংয়ের কিছু সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত; জিন্দাবাহার দ্বিতীয় লেনটি জিন্দাবাহার বড় মসজিদের বিপরীত দিকে চলে যাওয়া গলি পথে অবস্থিত। জিন্দাবাহার তৃতীয় লেনটি ইসলামপুরে খৃষ্টান চার্চের বিপরীত দিকে চলে যাওয়া গলি পথে থেকে আরম্ভ হয়ে হাতের ডানে চলে যাওয়া গলিপথের শেষ প্রান্ত যেখান থেকে আশিক জমাদার লেন শুরু সেখানে শেষ হয়েছে এছাড়া এই তৃতীয়লেনটি ইসলামপুরে খৃষ্টান চার্চের বিপরীত দিকে চলে যাওয়া গলি পথে থেকে আরম্ভ হয়ে সোজা চান মিয়া বিল্ডিংয়ে দিকে যেতে হাতের বায়ে খৃষ্টান মিশনারী মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত।

 

বাসিন্দা পরিচিতি

পুরনো ঢাকার লোকদের মূলত ঢাকাইয়া বলে। আর নদীর ওপর পারে কেরানীগঞ্জের বাসিন্দাগন ঢাকাইয়া কুট্টি নামে পরিচিত। তবে ঢাকার অন্যান্য অঞ্চলের লোকেরা সোহাগে সমাদরে পুরনো ঢাকার বাসিন্দাদের ঢাকাইয়া কুট্টিও বলে থাকেন। শুধু জিন্দাবাহারই নয় পার্শ্ববর্তী অন্যান্য এলাকা যেমন কসাইটুলি, বাদামতলি, আশেক লেন, আওলাদ হোসেন লেন, বংশাল, লালবাগ, নবাবপুর, নাজিমউদ্দিন রোড, ইংলিশ রোড, কুমারটুলি, পাটুয়াটুলি, কুমারটুলি, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, লোহারপুল, নবরায় লেন, চক বাজার এবং মাহ্ত্টুলীসহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাগন ঢাকাইয়া নামে পরিচিত। এখানে যাদের সম্পত্তির পরিমান বেশি তাদেরকে সম্মানের সাথে জমিদার বলা হয়ে থাকে। পাশেই ইসলামপুর কাপড়ের মার্কেট, ঔষধ মার্কেট, ফলের মার্কেট এবং কেমিক্যাল মার্কেটসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার এবং বুড়িগঙ্গা নদী থাকায় এলাকাটি ব্যবসায়ী এলাকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এলাকাবাসী যারা রয়েছেন তারা মূলত বাড়ি ভাড়া, দোকান ভাড়া, গোডাউন ভাড়া দিয়ে থাকেন। প্রয়োজনে নিজেরা উপযুক্ত ব্যবসাও করে থাকেন। কেউবা বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন। কেউবা এলাকাতেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে এলাকাবাসীর মধ্যে শিক্ষার হাড় বেড়ে গেছে পূর্বের তুলনায় অনেক বেশী। কেউ সরকারী আমলা, কেউ এমপি বা জনপ্রতিনিধি হয়ে সংসদে বসে এলাকার কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। এলাকার বাসিন্দাগন সকালের নাস্তায় নিজের রুচি এবং সামর্থ্য অনুযায়ী রুটি, গরু/খাসির পায়া, হালুয়া, ভাজি, ভূনা খিচুরী, তেহারী খেয়ে থাকেন। অনেকেই সকালে এবং রাতে দুবেলা রুটি খেয়ে থাকেন।

 

এলাকাবাসীর জন্য যা রয়েছে

  • এখানে দুটি মসজিদ রয়েছে। জিন্দাবাহার তৃতীয় লেনে ছোট মসজিদটি অবস্থিত। জিন্দাবাহার বড় মসজিদটি জিন্দাবাহার প্রথম লেনে নয়াবাজার পার্কের সাথে অবস্থিত। মসজিদটি বেশ বড় বলে একটি মাদ্রাসাও রয়েছে। বড় মসজিদটির প্রাঙ্গনে ছোট পুকুরে অযুর ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া মসজিদের দেয়াল ঘেষে আরো ২/৩টি অযুখানা তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া মসজিদের বাইরে মুসল্লীদের সুবিধার্থে পার্ক ঘেষে সুপ্রশস্ত প্রস্রাবখানা তৈরী করা হয়েছে। মসজিদ দুটিতে সকাল শিশু-কিশোরদের কোরআন শেখার ব্যবস্থা রয়েছে। ইতিমধ্যে বয়স্কদের কোরআন শেখানোর কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে।
  • এলাকাটির নিকটে বেশ কয়েকটি সুনামধন্য স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। যেমন- আহমেদ বাওয়ানী একাডেমী (স্কুল এবং কলেজ শাখা), হাম্মাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, আরমানিটোলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, নিউ গভর্ণমেন্ট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আনন্দময়ী উচ্চ বিদ্যালয়, পোগোজ হাই স্কুল, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়, সোহরাওয়ার্দি কলেজ, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি। এছাড়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের মধ্যে রয়েছে পার্শ্ববর্তি এলাকার সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল এবং সেন্ট ফ্রান্সিসকো হাই স্কুল।
  • এলাকাবাসীর বিনোদনের জন্য রয়েছে নয়াবাজার পার্ক এবং খেলাধুলার জন্য রয়েছে আরমানিটোলা খেলার মাঠ। নয়াবাজার পার্কে সবুজ গাছ-গাছালিসহ বসার বেঞ্চ রয়েছে। এছাড়া অনেকে সকালে এবং সন্ধ্যায় এখানে জগিং করে থাকেন। পার্কটিতে লাইটের ব্যবস্থাও রয়েছে। আরমানিটোলার মাঠে বিকেল এবং ভোর বেলা জিন্দাবাহাসহ পার্শ্ববর্তি এলাকার কিশোর-তরুনেরা ফুটবল এবং ক্রিকেট খেলতে আসে।
  • পার্কটির অপর প্রান্তে একটি সংবাদপত্র স্টল রয়েছে। এখানে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকাসহ তথ্য প্রযুক্তি, বিনোদন ম্যাগাজিন এবং সাধারণ জ্ঞানের বই রয়েছে।
  • এলাকাটির নিকটে বংশাল এবং নবাববাড়িতে দুইটি পুকুর রয়েছে। পুকুর দুইটির ঘাট সৌন্দর্য্যমন্ডিত, পুকুরপাড় জুড়ে গাছ লাগানো। এখানে এলাকাবাসীর গোসলের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া সন্ধ্যায় হলুদ লাইটপোষ্ট থাকায় দেখতে খুবই ভাল লাগে।
  • জিন্দাবাহার পঞ্চায়েত কমিটিটি জিন্দাবাহার তৃতীয় লেনে অবস্থিত। এই কমিটি একটি অসাঢ় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পড়ে রয়েছে। লক্ষ্য করা যায় যে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • জিন্দাবাহার প্রথম লেন থেকে হাসান আলি লেন যাওয়ার পথে হাতের ডানদিকে সরু গলি বরাবর একটি কবরস্থান রয়েছে। এই কবরস্থানটি চৌধুরীবাড়ীর পারিবারিক কবরস্থান।
  • এখানে একটি খৃষ্টান মিশনারী স্কুল রয়েছে। এখানে গরীব এবং অসহায় শিশুদের বিনামূল্যে পড়াশুনাসহ সকালের নাস্তা এবং আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়। খৃষ্টান চার্চটি ইসলামপুর রোডে অবস্থিত। এছাড়াও বাবুবাজারে খৃষ্টানদের কবরস্থান রয়েছে যা আরমেনিয়ান চার্চ নামে পরিচিত।
  • এলাকাবাসীর কাঁচা-বাজার, মাছ-মাংস এবং সাংসারিক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা মেটাতে হাতের কাছে নয়াবাজার অবস্থিত। এখানে তরিতরকারীসহ মুদি সামগ্রী, মাছ-মাংস, শুটকি এবং হার্ডওয়্যার সামগ্রী পাওয়া যায়।
  • এলাকাবাসীর অসুখে-জরুরী স্বাস্থ্য সেবায় নিকটেই রয়েছে বাবুবাজার সংলগ্ন মিডফোর্ড রোডে সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল, পাটুয়াটুলিতে সুমনা ক্লিনিক এবং কসাইটুলীতে রয়েছে শ্রমজীবি হাসপাতাল।
  • এলাকাবাসীর ঔষধের প্রয়োজনের এখানে অলিগলিতে গড়ে ওঠেছে অজস্র ঔষধের দোকান। এছাড়া বাবুবাজারে রয়েছে ঔষধের বিশাল পাইকারী মার্কেট।
  • এলাকাটির চারপাশ ঘিরে বিভিন্ন পণ্যের পাইকারী বাজার গড়ে উঠেছে। যেমন- ইসলামপুর কাপড়ের মার্কেট, শাড়ির মার্কেট, ঔষধের মার্কেট, বাদামতলীর চালের মার্কেট, বাদামতলীর ফলের মার্কেট, শাখারী বাজার এবং পাটুয়াটুলির অলংকারের মার্কেট, ক্যাসেট মার্কেট, গান প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এবং মিউজিক সিডি, ডিভিডি, মাইকের মার্কেট, চকবাজারে গৃহস্থালী তৈজসপত্রের মার্কেট, হার্ডওয়ারের মার্কেট, বাংলা বাজার বইয়ের মার্কেট, কেমিক্যাল মার্কেট ইত্যাদি।
  • এলাকায় কোন পাঠাগার না থাকলেও আরমানিটোলা মাঠ সংলগ্ন একটি সরকারী পাঠাগার রয়েছে। এই পাঠাগারে বিভিন প্রবন্ধ, গল্প এবং উপন্যাসসহ দৈনিক পত্রিকা রাখা হয়। পাঠাগারের বই বাড়িতে নিয়ে পড়ার সুযোগ নাই।
  • বিকেল বেলায় পরিবারসহ বিনোদনের জন্য ওভারব্রীজে উঠে বাদামের সাথে বুড়িগঙ্গা নদীর সুশীতল বাতাস খাওয়া যায়। এছাড়া কুমারটুলিতে নবাববাড়ি জাদুঘরতো রয়েছেই।
  • এখানে পোষ্ট অফিসের ঠিকানা বাবুবাজার। নিকটে সদরঘাটেও একটি পোষ্ট অফিস রয়েছে।

 

বর্তমান অবস্থা

কয়েক বত্সর পূর্বেও এলাকাটিতে আমগাছসহ বিভিন্ন ফলফলাদির গাছ এবং সবুজের সমারোহ চোখে পড়তো। এখন এই চিত্র স্বপ্ন কেবল। উচু দালান এবং মার্কেট-ব্যবসা বানিজ্যের প্রসারে এখানে পূর্বের ঐতিহ্যের অনেকাংশ এখন হারিয়ে গেছে। এলাকাবাসীর অনেকেই পৈত্রিক সম্পত্তি বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানীর কাছে বিক্রি করে দিয়ে উচু দালান, ইমারত তৈরী করেছে। কেউবা নিজেই তৈরী করছে বড় বড় দালান, মার্কেট। আবার ভিন্ন অঞ্চলের ধনী বনিকের নিকট সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে। এলাকাবাসীর অনেকেই যেন এলাকা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কেউবা পাড়ি জমিয়েছে বিদেশে। আগে গলি বা সড়ক দিয়ে হাটলে গাছ-গাছালি এবং খোলামেলা থাকায় শীতল বাতাস বয়ে যেত। শরীর হাওয়ার পরশে শীতল হয়ে যেত। কিন্তু এখন গাড়ীর শব্দ, মাল ওঠানো-নামনোর শব্দ, রিক্সার বেল, ট্রাফিক জ্যাম, উত্কট গন্ধ এবং শব্দ দূষন সবকিছুই মিলিয়ে এলাকাবাসীর নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে। এখন এলাকার অবশিষ্ট বাসিন্দারা যারা রয়েছেন তারাও এই পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারছেন না। নিজের বসতভিটা ভাড়া দিয়ে অন্য কোথাও খোলামেলা জায়গায় বাড়ি ভাড়া করে বসবাস করছেন।

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
নাটক সরণিএখানে নাটক সরনি এলাকা পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
বংশালবংশাল এলাকা পরিচিতি
গোড়ানগোড়ান এলাকা পরিচিতি
মগবাজারমগবাজার এলাকা পরিচিতি
নাজিরা বাজারনাজিরা বাজার এলাকা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যের বর্ণনা রয়েছে।
ওয়ারীওয়ারী এলাকা পরিচিতি
আগামাসিহ লেনআগামাসিহ লেনের বর্ণনা রয়েছে
মালিটোলামালিটোলা এলাকার বর্ণনা রয়েছে
কসাইটুলীকসাইটুলী এলাকার পরিচিতি
দয়াগঞ্জদয়াগঞ্জ এলাকা পরিচিতি
আরও ১ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি