পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

মগবাজার

রাজধানী ঢাকার অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হচ্ছে মগবাজার। বিশেষ করে মগবাজার চৌরাস্তার যানজটকে ভুক্তভোগী মাত্রই ভীষণ ভয় পান। ইস্কাটন, তেজগাঁও, রমনা, সিদ্ধেশ্বরী এবং মালিবাগ এলাকার সাথে সীমানা রয়েছে মগবাজার এলাকার। মগবাজারের উত্তরে তেজগাঁও, পশ্চিমে ইস্কাটন, দক্ষিণে রমনা এবং পূর্বে মালিবাগ এবং সিদ্ধেশ্বরী এলাকা।

 

নামকরণের পটভূমি

উনবিংশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত বর্তমান মগবাজার এলাকাটি ঘন জঙ্গলে পূর্ণ ছিল। এলাকাটির নাম মগবাজার হওয়ার কারণ এক সময় এখানে বর্মী বংশোদ্ভুত মগদের বসবাস ছিল।  কিন্তু সেটা কখন তা নিয়ে মতভেদ আছে। একটি মত হচ্ছে ১৬২০ সালে মগ সাম্রাজ্য ঢাকা আক্রমণ করলে ইসলাম খান মগদের পরাজিত করেন এবং মগদের চট্টগ্রাম ঘাঁটি জয় করেন। একটি সমঝোতার আওতায় মগদের ঢাকার এই এলাকায় বসবাসের অনুমতি দেন ইসলাম খান।

আরেকটি মত হচ্ছে বৃটিশ শাসনামলে বর্তমান মগবাজার এলাকায় মগদের বসবাস ছিল। তখন থেকেই এলাকাটি মগবাজার নামে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

 

কিভাবে যাবেন মগবাজার:

ঢাকার ফার্মগেট থেকে মগবাজার যেতে পারেন ছয় নম্বর এ এবং সি বাসে চড়ে, কিংবা স্বকল্প বা লাব্বায়েক বাসে চড়ে। মিরপুর বা গাবতলী থেকেও যথাক্রমে স্বকল্প আর লাব্বায়েক বাসে চড়ে মগবাজার যেতে পারেন। গাজীপুর বা টঙ্গী থেকে মগবাজার যেতে পারেন ঢাকা পরিবহন, গাজীপুর পরিবহন, আজমেরী পরিবহন কিংবা স্কাই লাইন পরিবহনের বাসে চড়ে।

রামপুরা বা বাড্ডা থেকে যেতে হলে আপনাকে চড়তে হবে ‘দিবানিশি’ বাসে। একই বাসে চড়ে আপনি আসাদগেট থেকেও মগবাজার যেতে পারেন। কমলাপুর, মতিঝিল বা গুলিস্তান থেকে মগবাজার যেতে হলে ছয় নম্বর এ, বি, সি যেকোন বাসে চড়তে পারেন। মতিঝিল থেকে মগবাজার যেতে গাজীপুর পরিবহনেও চড়তে পারেন। গুলিস্তান থেকে মগবাজারে যাওয়ার জন্য আরও আছে আজমেরী, কালীগঞ্জ এক্সপ্রেস, এবং স্কাই লাইন পরিবহনের বাস।

কমলাপুর থেকে মগবাজার যেতে হলে স্বকল্প বাসেও চড়তে পারেন। আর সদরঘাট থেকে মগবাজার যেতে পারেন আজমেরী কিংবা স্কাই লাইন বাসে চড়ে। বনানী, গুলশান বা মহাখালী থেকে মগবাজার যেতে চাইলে একইভাবে ছয় নম্বর রুটের বাসে চড়তে হবে আপনাকে।

 

মগবাজারের পরিবহন ব্যবস্থা:

মগবাজার চৌরাস্তা থেকে মতিঝিল, গুলিস্তান, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, সদরঘাট, সাতরাস্তা, ফার্মগেট, বনানী, গুলশান, টঙ্গী, গাজীপুর, আশুলিয়া, রামপুরা, বাড্ডা প্রভৃতি জায়গায় বাসে যাওয়া যায়। অন্য জায়গায় বাসে যেতে চাইলে মৌচাক, গুলিস্তান, বাংলা মোটর বা ফার্মগেট গিয়ে বাস বদল করতে হবে। মগবাজার চৌরাস্তার খুব কাছেই সিএনজি ফিলিং স্টেশন থাকায় এখানে সিএনজি অটোরিকশা, ট্যাক্সি ক্যাব মোটামুটি সুলভ। আবার ওয়্যারলেস মোড়ে উজ্জ্বল হোটেলের সামনে একটি ট্যাক্সি ক্যাব স্ট্যান্ড আছে।  মগবাজারের অধিবাসীদের যাদের নিজস্ব গাড়ি নেই তারা এখানকার ভেতরের সুরু রাস্তাগুলোয় যাতায়াতের জন্য প্রধানত রিকশা এবং ব্যাটারী চালিত বাহনের ওপর নির্ভরশীল। আবার দূরে যেতে হলেও রিকশায় চড়েন এখানকার অধিবাসীরা। তবে দিনে দিনে বিভিন্ন সড়কে রিকশা নিষিদ্ধ হতে থাকায় অনেক গন্তব্যে যেতে মগবাজারবাসীদের রিকশার বিকল্প সন্ধান করতে হচ্ছে এখন।

 

মগবাজার চৌরাস্তা:

মগবাজার মোড়ের উত্তর পূর্ব কোণে মগবাজার জামে মসজিদটির অবস্থান। মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী আহামরী কিছু না হলেও দূর থেকে মসজিদটির অন্তুত তিনটি গম্বুজ আপনার চোখে পড়বে। আর মুসলিম স্থাপত্য রীতি মেনে তৈরি মিনারটি বেশ দূর থেকেই চোখে পড়ে।

দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে জনতা ব্যাংকের মগবাজার শাখা এবং গ্রামীণফোন সেন্টার। দক্ষিণ পশ্চিম কোণে একটি পত্রিকা স্টল আছে। এখানে বিদেশী পত্রিকা বিশেষ একটা পাওয়া যায় না। মগবাজার চৌরাস্তায় ‘X’ আকৃতির যে ওভারব্রীজ আছে সেটি ব্যবহার করে আপনি ব্যস্ত মগবাজার মোড়ের যেকোন প্রান্তে নিরাপদে পৌঁছে যেতে পারেন।

 

কি আছে এখানে:

মগবাজার চৌরাস্তা থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ দিকে গেছে ইস্কাটন রোডটি। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এর নামকরণ করেছে রাশেদ খান মেনন সড়ক। এই সড়কের শুরুতে মগবাজার মোড়ের পশ্চিম কোণে রয়েছে হোটেল থ্রি স্টার, এটি অতিক্রম করে পরের ভবনটিতে সিটি ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের এটিএম আছে, একটি সুপারশপও আছে এখানে। তারপরের ভবনটিতে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, তারপর ইস্পাহানী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, তারপর সেক্রিড হার্ট স্কুল, এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অব চার্চেস, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অফিস, ওয়াকফ ভবন, ঢাকা বার বি কিউ, এবং কেএফসি। একই রাস্তার অপর পাশে অর্থাৎ দক্ষিণ পাশের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে আছে মিকাডো চাইনীজ রেষ্টুরেন্ট, অগ্রণী ও পুবালী ব্যাংক, এবং সুপারশপ মীনা বাজার। রাস্তার এ পাশে ছোটখাট মোটর পার্টসের দোকান এবং, মোটর পার্টসের মার্কেটও আছে।

অপর রাস্তাটি দক্ষিণ দিকে গেছে। এই রাস্তার শুরুতেই পূর্ব পাশে জনতা ব্যাংকের একটি শাখা আছে, আর ব্যাংক ঘেঁষে একটি সরু পথে গেছে পূর্ব দিকে। এ পথ ধরে ৫০ গজ এগোলেই আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পাওয়া যায়। আর দক্ষিণ দিকের মূল রাস্তা ধরে ৫০ গজ এগোলে রাস্তার পশ্চিম পাশে পাওয়া যাবে হলিফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। আর এই রাস্তার দক্ষিণ দিকে প্রায় মগবাজার মোড়েই আছে একটি সিএনজ স্টেশন। এই হলি ফ্যামিলি হসপাতাল ঘেঁষে পশ্চিম দিকে যে রাস্তাটি গেছে সেটি ইস্কাটন গার্ডেন নামে পরিচিত।  এই রাস্তা ধরে একটু এগোলেই দক্ষিণ পাশে পাওয়া যাবে মহিলা অধিদপ্তর। এখানে ঘরোয়াভাবে তৈরি পোশাকের একটি দোকান আছে। মগবাজার মোড় থেকে দক্ষিণ দিকের রাস্তা ধরে ৭০ গজ এগোলে পূর্ব পাশে পাওয়া যাবে ইস্পাহানী কলোনী। এখানে বড়সড় একটা মাঠও আছে, তবে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।

আরও প্রায় ৩০ গজ এগোলে পাওয়া যাবে অফিসার্স কোয়ার্টার, তারপর বেইলী রোডের রমনা প্রান্ত আর তারপর রমনা থানা। পুরো মগবাজার এলা্কা এই রমনা ধানাধীন।

মগবাজার মোড় থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে যে রাস্তাটি গেছে সেটি টঙ্গী ডাইভারশন রোড। এ রাস্তা ধরে এগোলে পশ্চিম প্রান্তে প্রথমেই পাওয়া যাবে একটি ছোটখাট মার্কেট, তারপর মূলত ইলেকট্রিক সামগ্রী আর বাড়িঘর তৈরিতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন হার্ডওয়্যার, রং ইত্যাদির দোকান, এনসিসি ব্যাংকে মগবাজার শাখাটিও রাস্তার এ পাশে অবস্থিত। আর তারপর আছে সিএনজি স্টেশন, এবং মোটর গাড়ি মেরামতের দোকান। আর এরপরেই মগবাজার রেলক্রসিং। রেলক্রসিং পেরিয়ে আরও এগোলে পাওয়া যাবে হাতিরঝিল প্রকল্প।

একই রাস্তার পূর্ব পাশে পাওয়া যাবে ইলেকট্রিক সামগ্রী আর বাড়িঘর তৈরিতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন হার্ডওয়্যার, রং ইত্যাদির দোকান এবং মোটারগাড়ি মেরামতের দোকান। তাছাড়া একই দিকে মগবাজার মোড় থেকে ৫০ গজ এগোলে পাওয়া যাবে রুপালী ব্যংকের মগবাজার শাখা।

মগবাজার মোড় থেকে যে রাস্তাটি পূর্ব দিকে গেছে সেটি শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক। সেলিনা পারভীন ১৯৭১ সালে ১৪ই ডিসেম্বর নিহত একমাত্র মহিলা বুদ্ধিজীবি। তাঁর স্মরণে সিটি করপোরেশন এই নামকরণ করেছে। এই রাস্তা ধরে পূর্ব দিকে ২০০ গজ এগোলে দক্ষিণ পাশে পাওয়া যাবে সুপার শপ আগোরা, তার ২০ গজের মধ্যেই ন্যাশনাল ব্যাংক পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, তারপর একটি পেট্রোল পাম্প। আরো ৫০ গজ এগোলে মগবাজার টেলিফোন এক্সচেঞ্জ। সারাদেশের বিটিসিএল ইন্টারনেট কার্যক্রম এখান থেকেই পরিচালনা করা হয়। মগবাজার টেলিফোন এক্সচেঞ্জ পার হয়ে ২০ গজ এগোলে সেঞ্চুরি আর্কেড। এই মার্কেটের একতলায় বেশ অনেকগুলো চশমার দোকান আছে। আর ওপরে বেসরকারী ডেন্টাল কলেজ ‘ইউনিভার্সিটি ডেন্টাল কলেজ’। তারপর সিদ্ধেশ্বরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ।

একই রাস্তা ধরে এগোলে উত্তর পাশের উল্লেখযোগ্য স্থাপানার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। বাটা বাজার, বনফুল মিষ্টির দোকান, ৫০ গজ এগোলে পাওয়া যাবে জাতীয় আইন কলেজ, আরও ৫০ গজ এগোলে ট্রান্সকম শো-রুম।  আরও ৪০ গজ এগোলে বিশাল সেন্টার, তারপর মগবাজার আড়ং। ব্র্যাক ব্যাকের মগবাজার শাখাটিও একই ভবনে।  ঠিক এরপরই্ নজরুল শিক্ষালয় এবং রাশমনো হাসপাতাল। এ জায়গাটি স্থানীয়ভাবে ‘মগবাজার ওয়্যারলেস’ নামে পরিচিত। এই ওয়্যারলেস মোড় পেরোলেই উত্তর পাশে পাওয়া যাবে গ্র্যান্ড প্লাজা। মগবাজার ওয়্যারলেস মোড় থেকে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ঘেঁষে পশ্চিম দক্ষিণ দিকে যে রাস্তাটি গেছে সেটি ধরে এগোলে ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজের স্কুল গেটের সামন রয়েছে মগবাজার বালিকা বিদ্যালয়।

মগবাজার এলাকায় সরকারি কোন হাই স্কুল এবং কলেজ নেই। তবে মগবাজার চৌরাস্তা জামে মসজিদের পাশে যে সরু রাস্তাটি গেছে সেটি ধরে উত্তরদিকে ১৫ গজ এগোলে পাওয়া যাবে মগবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মগবাজার ওয়ারলেস মোড় থেকে যে রাস্তাটি উত্তর পূর্ব দিকে গেছে সেটি ওল্ড এলিফ্যান্ট রোড। এ রাস্তা ধরে ১৫০ গজ এগোলে যে রেল ক্রসিংটি পাওয়া যায় সেটি ওয়্যারলেস রেলক্রসিং নামে পরিচিত। এই রেল ক্রসিং সংলগ্ন উত্তর পূর্ব কোণে রয়েছে সুপার শপ স্বপ্নের একটি শাখা।

এখান থেকে আরও এগোলে রাস্তার দু’পাশে টেলিফোন বিভাগের স্থাপনা চোখে পড়বে। পূর্ব পাশে প্রথমেই রয়েছে বিটিসিএল অফিসার্স কোয়ার্টার, তারপর কর্মচারীদের কোয়ার্টার। এগুলো এখনো টিএন্ডটি কলোনী নামে পরিচিত। আর এর পশ্চিম পাশে রয়েছে টিএন্ডটি ক্যাম্প অফিস, টিএন্ডটি অডিটোরিয়াম, টিএন্ডটি হাই স্কুল, টিএন্ডটি জামে মসজিদ। মগবাজারের এই এলাকাটি কিছুটা গাছপালা শোভিত বলা যায়।

 

খেলার মাঠ:

মগবাজার এলাকায় আর কোন খালি জায়গা নেই। নয়াটোলা শিশু পার্ক, ইস্পাহানী কলোনী মাঠ, মধুবাগ মাঠ আর টিএন্ডটি কলোনীর শিশু পার্ক ছাড়া খোলা জায়গা বিশেষ নেই। তবে টিএন্ডটি স্কুলের মাঠটি বেশ বড়।

 

আবাসন:

এখানে খোলা জায়গা না থাকায় জায়গার হাত বদল হচ্ছে কেবল। জায়গা কিনে আবাসন প্রকল্পের সুযোগ নেই। গল্প-উপন্যাসের মত গাছপালায় ঘেরা দখিনা বাতাস বয়ে যাওয়া দোতলা-তিনতলা বাড়িগুলো ভেঙে বড় বড় এ্যাপর্টমেন্ট ভবন তৈরি করে ফ্ল্যাট বিক্রির ব্যবসা করছে বিভিন্ন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। ব্যায়বহুল ফ্ল্যাটের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তের জন্য বাড়ি ভাড়া পাওয়া যায় এখানে। তবে সেগুলো একটু ভেতরের দিকে ঘিঞ্জি এলাকায়। এছাড়া ওয়্যারলেস রেল ক্রসিং ধরে রামপুরা রেল ক্রসিং এর দিকে গেলে রেল লাইনের পাশে বস্তি চোখে পড়বে আপনার। সেই সাথে হাতিরঝিল সংলগ্ন বেগুনবাড়ি বস্তি তো আছেই।

 

এক নজরে মগবাজার:

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: ইস্পাহানী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, সেক্রিড হার্ট টিউটোরিয়াল স্কুল, হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ, আদ দ্বীন মেডিকেল কলেজ, ইউনিভার্সিটি ডেন্টাল কলেজ,ন্যাশনাল ব্যাংক পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, জাতীয় আইন কলেজ, নজরুল শিক্ষালয়, মগবাজার বালিকা বিদ্যালয়, সিদ্ধেশ্বরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, শাহনূরী উচ্চবিদ্যালয়, লায়ন্স মডেল স্কুল, মগবজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নয়াটোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

পাঠাগার: নয়াটোলা ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার অফিস সংলগ্ন পাঠাগার। এক কক্ষ বিশিষ্ট এই পাঠাগারের বইয়ের সংগ্রহ মোটামুটি ভাল বলা যায়।

 

ব্যাংক: ইষ্টার্ণ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক।

কাঁচাবাজার: মগবাজার কাঁচাবাজার, মধুবাগ কাঁচাবাজার, শাহনূরী কাঁচাবাজার।

গুরুত্বপূর্ণ অফিস: কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মহিলা অধিদপ্তর, ওয়াকফ অফিস, রেড ক্রিসেন্ট অফিস, র‍্যাব ব্যাটালিয়ন ৩ অফিস।

সুপারশপ: মীনা বাজার, আগোরা, স্বপ্ন।

এটিএম বুথ: ডাচ বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ইষ্টার্ণ ব্যাংক।

বিপণী বিতান: গ্র্যান্ড প্লাজা, বিশাল সেন্টার, গুলফেঁশা প্লাজা। এলাকা বিপনীবিতানগুলো বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে।

খাবারের দোকান: কেএফসি, ঢাকা বার বি কিউ, বনফুল, রস, গ্র্যান্ড সুইটস।

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
নাটক সরণিএখানে নাটক সরনি এলাকা পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
বংশালবংশাল এলাকা পরিচিতি
গোড়ানগোড়ান এলাকা পরিচিতি
মগবাজারমগবাজার এলাকা পরিচিতি
নাজিরা বাজারনাজিরা বাজার এলাকা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যের বর্ণনা রয়েছে।
ওয়ারীওয়ারী এলাকা পরিচিতি
আগামাসিহ লেনআগামাসিহ লেনের বর্ণনা রয়েছে
মালিটোলামালিটোলা এলাকার বর্ণনা রয়েছে
কসাইটুলীকসাইটুলী এলাকার পরিচিতি
দয়াগঞ্জদয়াগঞ্জ এলাকা পরিচিতি
আরও ১ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি