পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প

১৯৬১ সালের দিকে প্রথম পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সময় এই প্রকল্পের জন্য ২৬০ একর এবং আবাসিক এলাকার জন্য প্রায় ৩২ একর জমিও অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। ১৯৬৪ সালে এই প্রকল্পের যন্ত্রপাতি বহনকারী মেশিনারীজ এর জাহাজ ষড়যন্ত্র করে পশ্চিম পাকিস্তানীরা চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবর্তে করাচি বন্দরে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানেই এই প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ে যায়।

 

পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালে একনেক কর্তৃক ২০০ মেগাওয়াট সম্পন্ন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করার পর তার পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শহীদ হওয়ার পর প্রকল্পটি আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।     

 

জাতীয় জ্বালানিনীতি, ১৯৯৬-এ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করা হয়। ২০০১ সালে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মপরিকল্পনা (BANPAP) অনুমোদন লাভ করে। সরকারের নতুন জ্বালানি নীতিমালা ও পিএসএমপি অনুযায়ী ২০২০ সালে দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদার ১০ শতাংশ আসবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ থেকে, যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২,০০০ মেগাওয়াট। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রয়োজন দুটি ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক চুল্লি।

এই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ২১ মে মস্কোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার বিষয়ক একটি Framework চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই বছরের ৯ জুন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি যথাসময়ে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি জাতীয় কমিটি, ১০ জুন ২০১০ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি কারিগরি কমিটি, ৯ জুন ২০১০ সচিবের নেতৃত্বে ওয়ার্কিং গ্রুপ এবং ১৭ জুন ২০১০ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আটটি সাব-গ্রুপ গঠন করা হয়। দেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎসংকট নিরসনের লক্ষ্যে অবিলম্বে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের একটি সিদ্ধান্ত প্রস্তাব ৯ ডিসেম্বর ২০১০ জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়।

 

পরবর্তীতে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) আওতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ৩ এপ্রিল ২০১৩ একনেকে অনুমোদন লাভ করে। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০২০ সালের মধ্যে ২,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ থেকে, হাজার হাজার লোকের হবে কর্মসংস্থান, দৈব দুর্ঘটনা ঘটলেও ফুকুশিমার মতো উচ্ছেদ করতে হবে না তেমন লোকজনকে।

 

প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন:

২০১৩ সালের ২ রা অক্টোবর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটকিভাবে নেবেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, নমুনাসহ
বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে নতুন ব্যাগেজ বিধিমালাজেনে নিন বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা
সিম নিবন্ধন করবেন? নিন ৫মিনিটে নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রআপনার নিজের NID কার্ড এর পিডিএফ ডাউনলোড দিতে পারবেন আর ব্যবহার করতে পারবেন সকল কাজে
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টকোথায়, কীভাবে আবেদন করতে হবে, কত টাকা খরচ হবে সহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বিটিসিএল টেলিফোন সংযোগনতুন সংযোগ নেয়াসহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বিদ্যুৎদেশের বিদ্যুৎখাত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারবন্দীদের সাথে দেখা করার নিয়মসহ আরও অনেক তথ্য রয়েছে
নোটারি পাবলিককোথায়, কীভাবে করতে হবে, কত টাকা খরচ হবে সহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আইনগত সাহায্য সংস্থা ও সাহায্য সমূহসরকারি সহায়তা নিন এবং আইনি প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখুন
অনলাইন গণমাধ্যম পরিচালনা (খসড়া) নীতিমালা ২০১২২০১২ সালের সর্বশেষ নীতিমালা
আরও ১০ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি