পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ঢাকা শহরের প্রধান কারাগার। ঢাকা বিভাগের এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের এখানে দন্ড প্রদানের জন্য আটক রাখা হয়। এছাড়াও ঢাকা শহরের বিভিন্ন থানার মামলায় বিচারাধীন লোকদিগকে, বিচারকালীন সময়ে আটক রাখার স্থান হচ্ছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার।

 

প্রতিষ্ঠকাল

১৭৮৮ সালে ১টি ক্রিমিনাল ওয়ার্ড নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকা কারাগারের কাজ শুরু হয়।

 

অবস্থান ও ঠিকানা

কারা অধিদপ্তর

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার

৩০/৩, উমেশ দত্ত রোড, বকশি বাজার,

ঢাকা- ১২১১।

ওয়েব সাইট: http://www.prison.gov.bd/

যোগাযোগ

এসিস্ট্যান্ট ইন্সপেক্টর জেনারেল অব প্রিজন (এ্যাডমিন)

কারা অধিদপ্তর, ঢাকা।

ফোন: ৭৩০০৪৬৬

 

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

  • বন্দীদের নিরাপদ আটক নিশ্চিতকরণ,
  • কারাগারের নিরাপত্তা শৃংখলা বজায় রাখা,
  • বন্দীদের সাথে মানবিক আচরণ,
  • তাদের যথাযথ বাসস্থান,
  • খাদ্য, চিকিৎসা ও আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও আইনজীবিদের সাথে স্বাক্ষাতের সুযোগ দান
  • সুনাগরিক হিসেবে সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

 

ওয়ার্ড ও এলাকা

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি এলাকায় বিভক্ত। অপ্রাপ্তবয়স্ক, বৃদ্ধ ও মহিলাদের পৃথক রাখা হয়। বিদেশী নাগরিকদের জন্যও রয়েছে পৃথক স্থান।

  • আমদানী
  • বহির্গমন
  • কেস টেবিল
  • খাতা
  • সেল
  • ফরেন সেড
  • মেন্টাল
  • দফা
  • চৌকা
  • কনডেমন্ড সেল
  • ফাঁসির মঞ্চ

 

নিরাপত্তা রক্ষী ও অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী

কারা অভ্যন্তরের সরকারি নিরপত্তা রক্ষীদের মিয়াসাব বলা হয়, মিয়াসাবদের উপরে রয়েছেন জমাদার সাহেবগন এবং তাদের তত্ত্বাবধানে থাকেন সুবেদার সাহেব গন। রয়েছেন একাধিক সাব‌-জেলার ও একজন জেলার মহোদয়। আর সর্বোপরী রয়েছেন জেল সুপার মহোদয় ও ডিআাইজি প্রিজন।

 

কয়েদীদের পদবী

দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের কারাভোগের মেয়াদের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদবী দেয়া হয়। পদবী অনুযায়ী পোষাক ও কাজের ধরনের পরিবর্তন ঘটে। মাঝে মাঝে পুরাতন ওভারসীয়ার কয়েদীদের মধ্যে কেহ শিক্ষিত হলে, তাকে কারাফটকে অবস্থিত অফিসে দাপ্তরিক কাজও করতে দেয়া হয়।

  • সাধারণ কয়েদী
  • রাইটার
  • পাহাড়া
  • মেইট
  • ওভারসীয়ার

 

ফাইল

সারাদিনে প্রত্যহ বেশ কয়েকবার কারাবন্দীদের সংখ্যা গণনার জন্য একেকটি সারীতে ৪ (চার) জন করে বসিয়ে সর্বমোট সারীর সংখ্যা গুনে বন্দীদের সংখ্যা বের করা হয়। চারজনের একেকটি সারীকে ফাইল বলা হয়। খুব ভোরে (ফজরের নামাজের পর) যার যার ওয়ার্ডে একবার ফাইল হয়, তারপর দুপুর বারোটায় একবার এবং লকআপের সময় (আসরের নামাজের পর) আরেকবার ফাইল বসিয়ে গনণা করা হয়। গণনার পূর্বে ফাইল ঠিক, ফাইল ঠিক বলে সবাইকে সতর্ক করে দেয়া হয়। তারপর সকল এলাকার ও ওয়ার্ডের যোগফলসমূহ কেসটেবিলে সুবেদার সাহেবের কাছে প্রেরণ করা হয়, তিনি সম্পূর্ণ জেলখানার হিসাব বের করেন এবং জেলার মহোদয়কে অবহিত করেন।

 

কেন্দ্রীয় কারাগারের বর্ধিত অংশ

  • এখানে বর্তমানে ৯০০০ বন্দী অবস্থান করছেন। এই চাপ কমাতে ঢাকার অদূরে কেরাণীগঞ্জে কারাগারটি স্থানাস্তরের কাজ শুরু হয়েছে৷ বন্দী আধিক্য এবং পুরানো ঢাকার ব্যস্ততার ভিড়ে কারাগারের নিরাপত্তা বিবেচনায় ইতোমধ্যে গাজীপুর জেলার কাশিমপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এবং পার্ট-২ তৈরি কারা হয়েছে৷
  • ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারকে অন্যত্র স্থানান্তরের অংশ হিসেবে গাজীপুর জেলার কাশিমপুরে দেশের একমাত্র মহিলা কারগার সহ  মোট ৩টি কেন্দ্রীয় কারাগার নির্মানের কাজ শেষে দিকে। এছাড়াও ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জে প্রায় ১৯৪ একর জমির উপর একটি মহিলা কারাগার সহ মোট ৩টি কারাগার নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে।

 

বন্দীমুক্তি

১ জানুয়ারী ২০০৯ থেকে ডিসেম্বর ২০১০ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন দিবস উপলক্ষ্যে এবং বিধি বিধানের আলোকে মোট ২৪২৯ জন বন্দীকে কারাগার থেকে মুক্তি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে

  • কারা বিধির প্রথম খন্ডের ৫৬৯ ধারায় ১৭৫ জন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়।
  • কারা বিধির প্রথম খন্ডের ৫৯৪, ৫৯৮ (খ), ফৌজদারী কার্যবিধির(৪০১) (১) ধারা অনুযায়ী অক্ষম, অচল, গুরুতর দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত, লঘু অপরাধে দন্ডিত কয়েদী এবং বিচারাধীন বন্দীদের মধ্যে ১১৬১ জন বন্দীকে মুক্তি প্রদান করা হয়।
  • পবিত্র ঈদুল আযহা ২০১০ উপলক্ষ্যে কার্যবিধির(৪০১) (১) ধারা অনুযায়ী ১০৭ জন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়।
  • বিজয় দিবস ২০১০ উপলক্ষ্যে কার্যবিধির(৪০১) (১) ধারা অনুযায়ী ৮৬ জন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়।

 

বন্দীদের প্রেষণামূলক প্রশিক্ষ

  • বন্দীদের পূনর্বাসনের লক্ষ্যে এবং দক্ষ জনশক্তি হিসাবে সমাজে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এখানে  ইতোমধ্যে পুরুষ বন্দীদের জন্য ইলেকট্রিক এবং ইলেকট্রনিক্স দ্রব্যাদি (টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, সিডি, ভিসিডি, ফ্যান ইত্যাদি) মেরামত, জুতা তৈরী, কাগজের প্যাকেট ও খাম তৈরী, ব্যানার-সাইনবোর্ড লিখন, মৎস্য চাষ, টেইলারিং, বাঁশ ও বেতের কাজ, কাপড় বুনন, প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক ও নরসুন্দর বিষয়ক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালিত হচেছ৷
  • মহিলা বন্দীদের জন্য বিউটিশিয়ান কোর্স, সুচীশৈলী, টেইলারিং, কাঁথা সেলাই, কাগজের প্যাকেট তৈরী, বাজারের ব্যাগ ও খাম তৈরী, শাড়ী, সেলোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, পাঞ্জাবী, ইত্যাদির উপর হাতের কাজের প্রশিক্ষণ দেয়া হচেছ৷
  • প্রশিক্ষণ শেষে বন্দীরা বর্তমানে কোন কোন কারাগারে বাণিজ্যিকভাবে পণ্য উৎপাদন করছে৷ উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করে অর্জিত লভ্যাংশ তাদের ব্যক্তিগত একাউন্টে জমা করা হচেছ৷
  • যেসব বিপথগামী লোক বিভিন্ন বে-আইনী কার্যকলাপের কারণে কারাগারে আসে তারা কারাভ্যন্তরে এসব প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে নিজেদেরকে সংশোধনের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হচেছ, তাদের অর্জিত প্রশিক্ষণ ও অর্থ তাদের সামাজিক পূনর্বাসনে সহযোগিতা করবে৷ কারা মুক্তির পর এই প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান দ্বারা তারা বিভিন্ন পেশায় নিজেদেরকে নিযুক্ত করে সৎভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে৷ ফলে তাদেরকে পুনরায় অপরাধের পথে ফিরে যেতে হবে না৷

 

কারাগারে ক্যান্টি

কারাভ্যন্তরে মাদক পাচার রোধ এবং বন্দীদের প্রাত্যহিক চা-নাস্তার ব্যবস্থা করতে কারাভ্যন্তরে বন্দীদের জন্য ক্যান্টিন সুবিধা রয়েছে। কারাভ্যন্তরে তৈরীকৃত খাদ্যদ্রব্য যেমন- চা, সিংগাড়া, সমুচা, পুরী ইত্যাদি বন্দীরা গ্রহণ করার সুযোগ পাচেছ৷ পাশাপাশি তাদের জমাকৃত ব্যক্তিগত অর্থের মাধ্যমে প্রয়োজন মত ফলমূল, নিত্য প্রয়োজনীয় টয়লেট্রিজ, শুকনা খাবার ইত্যাদি ক্রয়ের সুযোগ পাচেছ৷

 

কারা বেকারী স্থাপ

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ কয়েকটি কারাগারে আধুনিক বেকারী স্থাপন করা হয়েছে৷ বর্তমানে কারা বেকারীর উৎপাদিত পণ্য (কেক, বিভিন্ন ধরণের বিস্কুট, পাউরুটি, চানাচুর, মুড়ি ইত্যাদি) বাজারজাত করা হচেছ৷

 

গণশিক্ষা কার্যক্র

এখানে কারারক্ষী এবং এর পাশাপাশি শিক্ষিত বন্দীদের মাধ্যমে নিরক্ষর বন্দীদের অক্ষর জ্ঞান প্রদানের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গণশিক্ষার পাশাপাশি বন্দীদের ধর্মীয় জ্ঞান প্রদানের লক্ষ্যে ধর্মীয় শিক্ষাও প্রদান করা হয়।

 

বিনোদ

বন্দীদের চিত্ত-বিনোদনের জন্য এখানে ইনডোর ও আউটডোর গেমের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ বন্দীরা কারাভ্যন্তরে লুডু, ক্যারম, দাবা, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদি খেলার সুযোগ পাচেছ৷ বন্দী ব্যারাকে টেলিভিশনের ব্যবস্থা করায় বন্দীরা টেলিভিশন উপভোগ করার সুযোগ পায়।

 

যানবাহন

এখানে অসুস্থ বন্দীদের হাসপাতালে নিতে এ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহন ব্যবস্থা রয়েছে।

 

মহিলা কারাগার

কাশিমপুরে মহিলা কারারক্ষীদের জন্য পৃথক ব্যারাক/বাসস্থান নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে৷  কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্য বিভিন্ন শ্রেণীর ১৪৫টি পদ সৃজনের বিষয়টি সংস্থাপন ও অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে ৷

 

ইন্টারকম সিস্টেম

বন্দীদের আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সাক্ষাত এবং কথা বলার জন্য এখানে ইন্টারকমের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

মেডিটেশন কার্যক্রম

কারাবাসীদের মানবিক, নৈতিক এবং আত্মিক শক্তি বিকাশের লক্ষ্যে এখানে কোয়ান্টাম কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

 

জাদুঘর

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে।

 

ঢাকা জেলার কেন্দ্রীয় কারাগার এবং জেলা কারাগার সমূহ

ঢাকা বিভাগের কেন্দ্রীয় কারাগার এবং জেলা কারাগারসমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হলো।

কেন্দ্রীয় কারাগার

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার

কাশেমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার (কাশিমপুর ১)

কাশেমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার (কাশিমপুর ২)

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার

মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার (কাশিমপুর ৩)

জেলা কারাগার

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার

গাজীপুর জেলা কারাগার

গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার

জামালপুর জেলা কারাগার

টাঙ্গাইল জেলা কারাগার

নরসিংদী জেলা কারাগার

নারায়নগঞ্জ জেলা কারাগার

নেত্রকোণা জেলা কারাগার

ফরিদপুর জেলা কারাগার

মাদারীপুর জেলা কারাগার

মানিকগঞ্জ জেলা কারাগার

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার

রাজবাড়ী জেলা কারাগার

শরীয়তপুর জেলা কারাগার

শেরপুর জেলা কারাগার

 

কারা  বিধির ৫৬৯ ধারা অনুযায়ী বন্দী মুক্তি ত্বরান্বিত করা

কারা বিধির ১ম খন্ডের ৫৬৯ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের রেয়াতসহ ২০বছর সাজা ভোগের পর মুক্তি পাচ্ছ। প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে কারাগারগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বন্দী মুক্তি পাবে এবং বন্দীদের আবাসন সমস্যা অনেকাংশে হ্রাস পাবে ৷

 

সকল  শ্রেনীর কারা কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের রেশন

বিভাগের যে সকল কর্মচারী পূর্ব থেকেই রেশন সুবিধা পেতেন তাদের রেশনের পরিমাণ বর্তমান সরকারের সময়ে ৬০% থেকে ১০০% এ উন্নীত করা হয়েছে৷ এছাড়াও রেশন সুবিধা বহির্ভূত কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ১০০% পারিবারিক মৌলিক রেশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে৷

 

সকল  শ্রেনীর কারা কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের রেশন

বিভাগের যে সকল কর্মচারী পূর্ব থেকেই রেশন সুবিধা পেতেন তাদের রেশনের পরিমাণ বর্তমান সরকারের সময়ে ৬০% থেকে ১০০% এ উন্নীত করা হয়েছে৷ এছাড়াও রেশন সুবিধা বহির্ভূত কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ১০০% পারিবারিক মৌলিক রেশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে৷

 

ফায়ারিং অনুশীল

২০০৭ সাল থেকে দেশের প্রত্যেক কারাগারে কারারক্ষীদের ফায়ারিং অনুশীলন করানো হচেছ৷

 

জাতীয় প্যারেডে অংশগ্রহ

গত দুই বৎসর যাবত কারারক্ষীরা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস প্যারেডে অংশগ্রহণ করছে৷

 

আন্তঃ জেলা আন্তঃ বিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

কারারক্ষীদের শারিরীক যোগ্যতা এবং টীম স্পিরিট বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তঃজেল এবং আন্তঃবিভাগীয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন  করছে৷ এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে সাঁতার ও ওয়াটার পোলো, কাবাডি, এ্যাথলেটিক্স, সাইক্লিং, ভলিবল, ওয়েট লিফটিং প্রতিযোগিতায় কারারক্ষীরা অংশ গ্রহণ করছে৷ জাতীয় এ্যাথলেটিক্স ২০০৮ এ মহিলাদের বর্শা নিক্ষেপে স্বর্ণ পদক, মহিলাদের গোলক নিক্ষেপে রৌপ্য পদক এবং পুরুষদের ৫০০০ মিটার দৌড়ে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে৷ এছাড়া বীচ কাবাডি প্রতিযোগিতা ২০০৮ এ কারা বিভাগ তৃতীয় স্থান লাভ করে৷

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটকিভাবে নেবেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, নমুনাসহ
বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে নতুন ব্যাগেজ বিধিমালাজেনে নিন বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা
সিম নিবন্ধন করবেন? নিন ৫মিনিটে নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রআপনার নিজের NID কার্ড এর পিডিএফ ডাউনলোড দিতে পারবেন আর ব্যবহার করতে পারবেন সকল কাজে
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টকোথায়, কীভাবে আবেদন করতে হবে, কত টাকা খরচ হবে সহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বিটিসিএল টেলিফোন সংযোগনতুন সংযোগ নেয়াসহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বিদ্যুৎদেশের বিদ্যুৎখাত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারবন্দীদের সাথে দেখা করার নিয়মসহ আরও অনেক তথ্য রয়েছে
নোটারি পাবলিককোথায়, কীভাবে করতে হবে, কত টাকা খরচ হবে সহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আইনগত সাহায্য সংস্থা ও সাহায্য সমূহসরকারি সহায়তা নিন এবং আইনি প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখুন
অনলাইন গণমাধ্যম পরিচালনা (খসড়া) নীতিমালা ২০১২২০১২ সালের সর্বশেষ নীতিমালা
আরও ১০ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি