পূর্ববর্তী লেখা  
পুরো লিস্ট দেখুন

ঢাকা ওয়াসা

সেবামূলক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৬৩ সালে ঢাকা শহরের পানি সরবরাহ ও পয়:নিষ্কাশনের জন্য একটি আলাদা সংস্থা হিসেবে ঢাকা ওয়াসা প্রতিষ্ঠিত হয়।  ১৯৯০ সালের ১ জুলাই থেকে নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় পানি সরবরাহ ও পয়:নিষ্কাশনের দায়িত্বও ঢাকা ওয়াসার নিকট ন্যাস্ত করা হয়।

 

ঠিকানা

ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়:নিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ

ওয়াসা ভবন,৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা – ১২১৫।

ফোন নম্বর: ০২-৯১২০৫৫৭, ০২-৮১৮৯২০২

ওয়েব: www.dwasa.org.bd

 

অবস্থান

সার্ক ফোয়ারা মোড় থেকে ফার্মগেট যাওয়ার পথে প্রায় ২০০ গজ পার হয়ে হাতের ডান পাশে ওয়াসা ভবন অবস্থিত।

 

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ঢাকা মহানগরী ও নারায়নগঞ্জ শহর এলাকাবাসীর নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহ,পয়:নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করাই ঢাকা ওয়াসার উদ্দেশ্য। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার মূল দায়িত্ব নিম্নরূপ –

  • জনসাধারণ, শিল্প-কারখানা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে পানিশোধন, উত্তোলন, সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (গভীর নলকূপ,পানি শোধনাগার) নির্মাণ, পরিচালন, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ।
  • বর্জ্য পানি পরিশোধন এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থা নির্মাণ,উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ।
  • মহানগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণার্থে ষ্টর্ম সূয়ার নির্মাণ,উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ।

 

সেবা এলাকা

ঢাকা ওয়াসার পরিচালন,রক্ষণাবেক্ষণ এবং গ্রাহক সেবার সুবিধার্থে ঢাকা ওয়াসার সমগ্র সেবা এলাকা ১১টি ভৌগোলিক অঞ্চলে বিভক্ত। এর মধ্যে ১০টি অঞ্চল ঢাকা মহানগরীতে এবং ১টি অঞ্চল নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত। প্রতিটি জোনাল অফিসের মাধ্যমে কারিগরী পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং রাজস্ব বিলিং আদায় সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলী পরিচালিত হয়।

ঢাকা ওয়াসার ১১টি মডস (কারিগরি) জোনের অফিসের অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার নাম দেয়া হলো:

মডস জোন

অফিসের অবস্থান (ঠিকানা)

মডস জোনের আওতাধীন এলাকা

১.

ফকিরাপুল স্টীল ব্যাংক কম্পাউন্ড (৪র্থ তলা), ঢাকা।

নবাবপুর রোডের পূর্ব দিক, উত্তরে বাসাবো থেকে দক্ষিণে গেন্ডারিয়া, পূর্বে যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, মানিকনগর।

২.

ঢাকা ওয়াটার ওয়ার্কস

চাঁদনীঘাট, ঢাকা।

নবাবপুর রোডের পশ্চিম দিক, হাজারীবাগ, নওয়াবগঞ্জ, উত্তরে নীলক্ষেত, আজিমপুর থেকে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা পর্যন্ত।

৩.

লালমাটিয়া স্টীল ট্যাংক কম্পাউন্ড, ঢাকা।

দক্ষিণে নীলক্ষেত, পূর্বে কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, উত্তরে আগারগাঁও রোড, শ্যামলী, পশ্চিমে বেড়ীবাঁধ।

৪.

মিরপুর বাংলা কলেজ সংলগ্ন, মিরপুর – ১, ঢাকা।

দক্ষিণে আগারগাঁও, পূর্বে কাজী নজরুল ইসলাম সরণী ও পল্লবী মেইন রোড, পশ্চিমে গাবতলী, উত্তরে বেড়ীবাঁধ ও পল্লবী।

৫.

মহাখালী টি.বি. গেট, ঢাকা।

দক্ষিণে কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও, পূর্বে গুলশান, উত্তরে বনানী, পশ্চিমে কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ এবং এয়ারপোর্ট রোড।

৬.

ফকিরাপুল স্টীল ট্যাংক কম্পাউন্ড (নীচতলা), ঢাকা।

পূর্বে নন্দীপাড়া, দক্ষিণে স্টেডিয়াম, পশ্চিমে পরিবাগ-বাংলামোটর, উত্তরে বাংলা-মোটর-মগবাজার-রামপুরা-বনশ্রী।

৭.

ফকিরাপুল স্টীল ট্যাংক কম্পাউন্ড (৪র্থ তলা), ঢাকা।

ডি.এন.ডি. এলাকা।

৮.

নতুন বাজার, বাড্ডা, ঢাকা।

পশ্চিমে বারিধারা, দক্ষিণে রামপুরা ব্রীজ, পূর্বে বাড্ডা, উত্তরে জোয়ারসাহারা, কুড়িল ও কুড়াতলী।

৯.

মহাখালী টিবি গেট, ঢাকা।

উত্তরখান, দক্ষিণখান, নিকুঞ্জ, খিলক্ষেত এবং উত্তরা মডেল টাউন।

১০.

মিরপুর বাংলা কলেজ সংলগ্ন, মিরপুর – ১, ঢাকা।

পশ্চিমে রোকেয়া সরণী এবং পল্লবী মেইন রোড, দক্ষিণে বিজয় সরণী, পূর্বে কচুক্ষেত সেনানিবাস, উত্তরে মিরপুর সিরামিক।

না.গঞ্জ

২১, নবাব সলিমুল্লাহ রোড (৩য় তলা), নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ শহর (পশ্চিম তীর) এবং পূর্ব তীরের সোনাকান্দা ও বন্দর পৌরসভা এলাকা।

 

সাংগাঠনিক কাঠামো

১৯৯৬ সালের ৬নং আইন অনুসারে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট ঢাকা ওয়াসা বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ড নিম্নরূপ –

১.

ওয়াসার চেয়ারম্যান

২.

স্থানীয় সরকার বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি।

৩.

অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি।

৪.

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের একজন প্রতিনিধি।

৫.

ইনষ্টিটিউট অব চাটার্ড এ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ এর একজন প্রতিনিধি।

৬.

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী।

৭.

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত আসনের একজন মহিলা কমিশনার।

৮.

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত একজন কমিশনার।

৯.

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি।

১০.

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব।

১১.

বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের মহাসচিব।

১২.

ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সপেকশন সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

১৩.

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

 

সাপ্লাই পানি উৎপাদন

বর্তমানে ঢাকা ওয়াসা ৫১৯টি গভীর নলকূপ ও ৪টি পানি শোধনাগারের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ১৮৮ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করছে। আরও ২৯টি গভীর নলকূপ স্থাপন/প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে পানি উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ

প্রতিটি মডস্/রাজস্ব জোনে গ্রাহক সাধারণের সুবিধার্থে হেলপ ডেস্ক খোলা হয়েছে। যার মাধ্যমে গ্রাহকগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত হচ্ছে। প্রতিটি মডস্/রাজস্ব জোনে অভিযোগ কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

  • অভিযোগ প্রাপ্তির ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে তা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
  • নতুন পানি সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদনের ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে (পূর্বে ৩০ দিন ছিল) সংযোগ প্রদান করা হচ্ছে।
  • মিটার স্থাপনেও পূর্বের দীর্ঘসূত্রিতা রোধ করে মিটার টেস্টিং রিপোর্ট প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংযোগে মিটার স্থাপন করা হচ্ছে।
  • পানির গুণগত মানের বিষয়ে যে কোন অভিযোগ প্রাপ্তির ২৪ (চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে পরীক্ষা করে তা সমাধানের বিষয়ে গ্রাহককে জানানো হচ্ছে।

 

বোতলজাত পানি উৎপাদন

ঢাকা ওয়াসার নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপিত বোতলজাত পানি সরবরাহ প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত পানি ‘শান্তি’ ইতিমধ্যে গুণগতমানের উৎকৃষ্ট হিসেবে জনগণের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। উল্লেখ্য যে বিগত ঘুর্ণিঝড় ‘আইলা’ আক্রান্ত দক্ষিণাঞ্চলের বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব পূরণে ঢাকা ওয়াসার বোতলজাত পানি ‘শান্তি’ বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

 

পানি সরবরাহ ব্যবস্থা

ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহ ব্যবস্থা মূলত: ভূগর্ভস্থ পানি নির্ভর। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসা দৈনিক গড়ে ১৮৮ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করছে। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ ভূ-গর্ভস্থ এবং ১৩ শতাংশ ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি। মোট ৫১৯ টি গভীর নলকূপের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া সায়েদাবাদ পানি শোধনাগারসহ ছোট বড় ৪টি পানি শোধনারের সাহায্যে (শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা) নদীর পানি পরিশোধনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

 

প্রকল্প

খিলক্ষেত ও পাগলায় দু’টি বৃহৎ পানি শোধনাগার নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। খিলক্ষেতে মেঘনা নদী পানি শোধন করে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করা হবে। আর পাগলায় পদ্মা নদীর পানি এনে দৈনিক ৪৫ কোটি লিটার পানি শোধন করা হবে। এ দু’টো প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।  

 

জেনারেটর

ঢাকা ওয়াসার মোট ২৭৪ টি ডিজেল চালিত জেনারেটর রয়েছে। যার সাহায্যে যখনই বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে না তখন জেনারেটরের সাহায্যে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা হয়। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পানির চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। তখন এসব জেনারেটর – এর সাহায্যে পানি উত্তোলন করে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়।

 

পানি সংকটে ব্যবস্থা

এছাড়াও ঢাকা ওয়াসা ৩১টি পানির গাড়ি ও ৪৪টি ট্রলির সাহায্যে নগরীতে কোথাও পানি সংকট দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে পানি সরবরাহ করে থাকে।

 

পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা

স্বাস্থ্যসম্মত পরিচ্ছন্ন নগর জীবনের জন্য সুষ্ঠু পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা অপরিহার্য। ১৯২৩ সালে ঢাকা মহানগরীর পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা চালু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে এর উন্নতি সাধন করা হয়।

বিদ্যমান পয়:ব্যবস্থার বিবরণ নিচে দেয়া হলো –

পয়:শোধনাগার

১টি

পয়:লিফট স্টেশন

৩০টি

পয়:নিষ্কাশন লাইন

৮৮২ কি.মি.

পয়:সংযোগ

৬১,৩৪৯ টি

 

জোনভিত্তিক এবং শ্রেণীভিত্তিক গ্রাহক সংখ্যা

জোন

আবাসিক

বাণিজ্যিক

শিল্প

কমিউনিটি

অফিস

মোট

৫৮১৪১

১১২৫

২৫৭

১৮০

৫৯৭০৩

২৬৬১৯

৬২৮

৪৯৮

২৬৯

২৮০১৪

২৫৮৬৬

২১৬২

৫২০

৩২৫

১১০

২৮৯৮৩

৫৬৮১৪

১১২৫

৪৭১

১৯৮

১৪৬

৫৮৭৫৪

৫৪৪১২

১৪০৮

৮৫৪

১৪১

৬৪

৫৬৮৭৯

২৭৯২৪

৮৮০

১০৬

৯৪

২৯০০৪

নারায়ণগঞ্জ

১১৬৩১

৩৬৪

৪২

৩১

১১০৯২

রাজস্ব সেন্ট্রাল ফাংশন

২৫৭

১৮৪

৪১৯

১০৩

৯৬৩

সর্বমোট

২,৬১,৬৭৪

৭,৮৭৬

২,৭৪৮

১,৬৫৭

৪২৩

২,৭৪,৩৩৮

 

ওয়াসা পানি সরবরাহ,পয়:নিষ্কাশন ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য নিচের সেবাসমূহ প্রদান করছে –

  • আবাসিক/সামাজিক/শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পানি ও পয়:সংযোগ প্রদান;
  • ব্যক্তি/প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে গভীর নলকূপ স্থাপনে অনুমতি প্রদান;
  • বস্তি এলাকায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন;
  • বন্যা, খরা, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানাদিসহ যেকোন জরুরি প্রয়োজনে অস্থায়ী সংযোগ ও পানির গাড়ি দিয়ে জরুরি পানি সরবরাহ;
  • পয়:লাইন এবং ড্রেনেজ খাল ও পাইপ লাইলগুলোকে পরিষ্কার রেখে তরল বর্জ্য নিষ্কাশন;
  • বন্যার সময় শহরের অভ্যন্তরীণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পাম্পিং এর মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন।

 

পানি সংযোগের জন্য আবেদন করার নিয়ম ও পদ্ধতি

নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে ওয়াসা ভবনের হিসাব বিভাগ অথবা ওয়াসার জোনাল অফিস থেকে ৫০০ টাকার বিনিময়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এ ছাড়া ওয়াসার ওয়েবসাইট (http://dwasa.org.bd) থেকেও আবেদনপত্র সংগ্রহ করা যাবে।

  • আবেদন ফরম পূরণ করে জমির মালিকানা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ও প্রমাণপত্রাদি, ছবি ইত্যাদি সত্যায়িত করে সংশ্লিষ্ট জোনের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে দাখিল করতে হবে।
  • ভাড়াটে/অস্থায়ী আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে মালিক হতে সংযোগ গ্রহণের ক্ষমতা/অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে।
  • অভ্যন্তরীণ প্লাম্বিং সিস্টেমের নকশাসহ ইমারত নকশা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।

 

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক করণীয়

  • “আবেদন প্রাপ্তির পর মডস জোন তাৎক্ষণিকভাবে সেটি রাজস্ব জোনে পাঠাবে। রাজস্ব অফিস এক কর্মদিবসের মধ্যে আবেদনকারীর কাছে কর্তৃপক্ষের দেনা-পাওনা সম্পর্কে নির্ধারিত ফরমে প্রতিবেদন দিবে”।
  • “রাজস্ব জোনের প্রতিবেদন (বকেয়া না থাকলে) প্রাপ্তির ২ (দুই) কর্ম দিবসের মধ্যে মডস জোনাল অফিস সরেজমিনে তদন্তক্রমে সুনির্দিষ্ট মতামত সম্বলিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
  • “সরেজমিনে প্রতিবেদন পাওয়ার এক কর্ম দিবসের মধ্যে মডস জোনাল অফিস ডিমান্ড নোট ইস্যু কবরে”।
  • পরিশোধিত ডিমান্ড নোট এর কপি পাওয়ার দুই কর্ম দিবসের মধ্যে জোনাল অফিস সংযোগ অনুমতিপত্র জারি করবে।
  • দরখাস্ত জমার তারিখ থেকে সাধারণত: ৩০ দিনের মধ্যে সংযোগ প্রদান করতে হবে।

 

Specification অনুযায়ী সংযোগ মালামাল সংগ্রহ

  • সংযোগ অনুমতিপত্র জারির পর গ্রাহক ঢাকা ওয়াসার সুপারিশকৃত মানসম্পন্ন মালামাল সংগ্রহ করবেন;
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গ্রাহক ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রাস্তা কাটার অনুমতিপত্র সংগ্রহ করবেন;
  • উপরোক্ত কার্যাদি সম্পাদন হওয়ার এক কর্মদিবসের মধ্যে পানির সংযোগ প্রদান করা হবে;
  • সংযোগ লাইন ১ ইঞ্চি অথবা এর কম হলে গ্রাহক ঢাকা ওয়াসার নির্ধারিত এজেন্ট হতে মিটার ক্রয় করবেন;
  • সংযোগ লাইন ১ ইঞ্চি এর বেশি হলে ঢাকা ওয়াসা ডিমান্ড নোটের ফিস ও মিটারের মূল্য নিয়ে মিটার সরবরাহ করবে।

 

সংযোগ স্থানান্তর/সংযোগের আকার পরিবর্তন

  • সংযোগ স্থানান্তর কিংবা সংযোগের আকার বৃদ্ধি করার জন্য গ্রাহককে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
  • “আবেদন পাওয়ার পর মডস জোন তাৎক্ষণিকভাবে তা রাজস্ব জোনে প্রেরণ করবে। রাজস্ব বিভাগ এক কর্মদিবসের মধ্যে গ্রাহকের প্রতিবেদন (বকেয়া না থাকলে) প্রাপ্তির ২ (দুই) কর্মদিবসের মধ্যে মডস জোনাল অফিস আবেদনের উপর সরেজমিনে তদন্ত করে সুনির্দিষ্ট মতামত সম্বলিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
  • পরবর্তী দুই কর্মদিবসের মধ্যে জোনাল অফিস হতে ডিমান্ড নোট জারি করা হবে এবং ডিমান্ড নোটের টাকা জমা হওয়ার কপি পাওয়ার দুই দিনের মধ্যে সংযোগ/সংযোগের আকার পরিবর্তন সংক্রান্ত অনুমতিপত্র জারি করা হবে।

 

বস্তি এলাকায় পানি সংযোগ

  • সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশনের জমিতে গড়ে উঠা বস্তিতে পানি সংযোগের জন্য CBO (স্থানীয় সহায়ক সংগঠন) সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবে এবং কর্তৃপক্ষ প্রচলিত নিয়মানুযায়ী CBO এর বরাবরে সংযোগ প্রদান করবে। CBO নিয়মানুযায়ী কর্তৃপক্ষকে পানির অভিকর প্রদান করবে।
  • ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে গড়ে উঠা বস্তিতে জমির মালিক সরাসরি পানির সংযোগের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সংযোগ প্রদান করা হবে এবং মালিক যথানিয়মে অভিকর প্রদান করবে।
  • ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে গড়ে ওঠা বস্তিতে জমির মালিক সংযোগ গ্রহণে অপারগ হলে CBO মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ যথানিয়মে সংযোগ প্রদান করবে। CBO কর্তৃপক্ষকে যথানিয়মে অভিকর প্রদান করবে।
  • মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত নয় এমন জমিতে গড়ে উঠা বস্তিতে CBO পানি সংযোগের আবেদন করতে পারবে এবং কর্তৃপক্ষ যথানিয়মে সংযোগ প্রদান করবে এবং CBO যথানিয়মে অভিকর প্রদান করবে।
  • CBO বস্তির অভ্যন্তরে পানি বিতরণ ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণ করবে WITF (Ward Sanitation Task Force) CBO এর কর্মকান্ড মনিটর করবে।
  • কোন বস্তিতে কোন ব্যক্তি বা সংস্থা ভূমি মালিকানার প্রমাণপত্র (দলিল দস্তাবেজ) প্রদর্শন করে এককভাবে ব্যক্তি বা সংস্থার নামে পানি সংযোগ গ্রহণ করতে পারবে।
  • উপরোক্ত ক্ষেত্রে সিবিওকে তফসিলের ৩নং ফরমে আবেদন করতে হবে এবং আবেদন অনুমোদনের পর তফসিলের ৪নং ফরমে কর্তৃপক্ষকের সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে।

 

পয়:সংযোগের জন্য আবেদন করার নিয়ম

সাধারণ নির্দেশাবলী (আবেদনকারী কর্তৃক পূরণীয়)

  • আবেদন ফরম ওয়াসা ভবনস্থ হিসাব বিভাগ বা জোনাল অফিস থেকে ১০০/- (একশত) টাকা মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে;
  • আবেদন ফরম পূরণ করে সকল চাহিত তথ্য ও প্রমাণপত্রাদি, ছবি ইত্যাদি সত্যায়িত করে সংশ্লিষ্ট জোনের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে দাখিল করতে হবে;
  • ভাড়াটে/অস্থায়ী আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে মালিক হতে সংযোগ গ্রহণের ক্ষমতা/অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে;
  • অভ্যন্তরীণ প্লাম্বিং সিস্টেমের নকশাসহ ইমারত নকশা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে;
  • শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংযোগের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যহানিকর তরল বর্জ্য প্রাক শোধনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

 

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পূরণীয়

  • “আবেদন প্রাপ্তির পর মডস জোন তাৎক্ষণিকভাবে সেটি রাজস্ব জোনে পাঠাবে। রাজস্ব অফিস এক কর্মদিবসের মধ্যে আবেদনকারীর কাছে কর্তৃপক্ষের দেনা-পাওনা সম্পর্কে নির্ধারিত ফরমে প্রতিবেদন দিবে”।
  • “রাজস্ব জোনের প্রতিবেদন (বকেয়া না থাকলে) প্রাপ্তির ২ (দুই) কর্মদিবসের মধ্যে মডস জোনাল অফিসের সরেজমিনে তদন্তক্রমে সুনির্দিষ্ট মতামত সম্বলিত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
  • “সরেজমিন তদন্ত পাওয়ার এক কর্মদিবসের মধ্যে মডস জোনাল অফিস ডিমান্ড নোট ইস্যু করবে”।
  • “পরিশোধিত ডিমান্ট নোট এর কপি পাওয়ার ২ (দুই) কর্মদিবসের মধ্যে জোনাল অফিস সংযোগ অনুমতিপত্র জারি করবে।
  • “দরখাস্ত জমার তারিখ হতে সাধারণত: ৩০ দিনের মধ্যে সংযোগ প্রদান করতে হবে।

 

Specification অনুযায়ী সংযোগ মালামাল সংগ্রহ

  • সংযোগ অনুমতিপত্র জারির পর গ্রাহক ঢাকা ওয়াসার সুপারিশকৃত মানসম্পন্ন মালামাল সংগ্রহ করবেন।
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রাস্তা কাটার অনুমতিপত্র সংগ্রহ করবেন।
  • উপরোক্ত কার্যাদি সম্পাদন হওয়ার দুই কর্মদিবসের মধ্যে পয়:সংযোগ প্রদান করা হবে।
  • “সাধারণত: ৪ ইঞ্চি, ৬ ইঞ্চি ও ৬ ইঞ্চি ব্যাসের পয়: সংযোগ স্থাপন করা হয়ে থাকে।

 

 

নতুন মিটার স্থাপনের নিয়ম ও পদ্ধতি

  • প্রতিটি নতুন পানির সংযোগ প্রদানে মিটার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে;
  • মিটার সংগ্রহ শেষে ২০০/- (দুইশত) টাকা ফি জমা দেওয়ার দুই কর্মদিবসের মধ্যে আসাদ গেটে অবস্থিত ঢাকা ওয়াসার মিটার টেস্টিং ওয়ার্কশপ মিটার সম্পর্কে টেস্টিং রিপোর্ট প্রদান করবে;
  • মিটার বিভাগের ওয়ার্কশপ হতে মিটার টেস্টিং সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই দুই কর্মদিবসের মধ্যে জোনাল অফিস সংযোগে মিটার স্থাপনের ব্যবস্থা নিবে।

 

মিটারের মূল্য

সাইজ

মূল্য (টাকা)

ইঞ্চি

মিলিমিটার

ক্লাস –বি

ক্লাস –সি

৩/৪ ইঞ্চি

২০

---

২,২৮০/- হতে ৫,৩০০/-

১ ইঞ্চি

২৫

---

৩,৪৮০/-

১.৫ ইঞ্চি

৪০

৬,৯৪৫/-

---

২ ইঞ্চি

৫০

৬,৯৪৫/-

---

৪ ইঞ্চি

১০০

৬৩,৩৮৪/-

---

৬ ইঞ্চি

১৫০

১,০৭,০৭০/-

---

এই দাম পরিবর্তনযোগ্য

 

মিটার প্রতিস্থাপন

  • সংযোগের বিদ্যমান মিটার নষ্ট বা গ্রাহক কর্তৃক অতিরিক্ত রিডিং অনুমিত হলে নির্ধারিত টেস্টিং ফি প্রদানপূর্বক মিটার ওয়ার্কশপ হতে মিটার পরীক্ষা করা যাবে;
  • বিদ্যমান কোন পানি সংযোগে মিটার স্থাপন করতে চাইলে গ্রাহক কর্তৃক নির্ধারিত ফি জমাদানের ৩ (তিন) দিনের মধ্যে মিটার সংযোগ দেয়া হবে;
  • মিটার নষ্ট হলে কিংবা মিটার রিডিং অস্বাভাবিক প্রতীয়মান হলে গ্রাহক সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিসে তা পরিবর্তন কিংবা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে আবেদন করবেন;
  • আবেদন পাওয়ার দুই কর্মদিবসের মধ্যে রাজস্ব কর্মকর্তা সরেজমিনে তদন্তক্রমে মিটারটি পরীক্ষার জন্য মিটার ওয়ার্কশপে পাঠানোর ব্যবস্থা নিবেন;
  • মিটার বিভাগের ওয়ার্কশপ পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে গ্রাহকের উপস্থিতিতে মিটারটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিবে;
  • মিটার ওয়ার্কশপের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ২ কর্মদিবসের মধ্যে মিটার প্রতিস্থাপন এর বিষয়ে গ্রাহককে অবহিত করা হবে।
 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটকিভাবে নেবেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, নমুনাসহ
বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে নতুন ব্যাগেজ বিধিমালাজেনে নিন বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা
সিম নিবন্ধন করবেন? নিন ৫মিনিটে নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রআপনার নিজের NID কার্ড এর পিডিএফ ডাউনলোড দিতে পারবেন আর ব্যবহার করতে পারবেন সকল কাজে
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টকোথায়, কীভাবে আবেদন করতে হবে, কত টাকা খরচ হবে সহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বিটিসিএল টেলিফোন সংযোগনতুন সংযোগ নেয়াসহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বিদ্যুৎদেশের বিদ্যুৎখাত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারবন্দীদের সাথে দেখা করার নিয়মসহ আরও অনেক তথ্য রয়েছে
নোটারি পাবলিককোথায়, কীভাবে করতে হবে, কত টাকা খরচ হবে সহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আইনগত সাহায্য সংস্থা ও সাহায্য সমূহসরকারি সহায়তা নিন এবং আইনি প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখুন
অনলাইন গণমাধ্যম পরিচালনা (খসড়া) নীতিমালা ২০১২২০১২ সালের সর্বশেষ নীতিমালা
আরও ১০ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি