গৃহঋণ

মাথা গোঁজার একটা ঠাঁই দরকার সবার। নিজের একটা বাড়ি না হলে সে ঠাঁই যেন ঠিক ঠাঁই বলে মনে হয় না। মধ্যবিত্তের প্রথম স্বপ্ন হচ্ছে নিজের একটা বাড়ি। বাড়ি করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। পুরো টাকার ব্যবস্থা করা যাদের জন্য কঠিন তাদের জন্য রয়েছে গৃহঋণ সুবিধা। বিভিন্ন দেশী-বিদেশী ব্যাংক ছাড়াও অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা গৃহঋণ দেয়; এরকম প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন, আইডিএলসি ফাইনান্স এবং ডিবিএইচের নামে উল্লেখযোগ্য।

 

গৃহঋণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন নিয়ম অনুসরণ করা হয়। তবে মূল শর্ত সাধারণত একই থাকে। ঋণ গৃহীতার বয়স অন্তত ২৫ হতে হয়, আর সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬০ বা ৬৫। আবেদনকারীর একটি স্থিতিশীল বা নিয়মিত আয়ের উৎস থাকতে হবে; সেটা ব্যবসা বা চাকরি হতে পারে। জমি, বাড়ি বা এপার্টমেন্টের মালিকানার প্রমাণ বা দলিলও প্রয়োজন হয়। আবদনকারীর ঋণ পরিশোধের সাধ্যের একটি মূল্যায়ন করে ঋণের অংক নির্ধারণ করা হয়। ঋণ পরিশোধের মেয়াদকাল ২০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঋণের সর্বোচ্চ অংক বিভিন্ন রকম হয়; এটা ৫০ লাখ এমনকি এক কোটি টাকাও হতে পারে।

 

গৃহঋণ পেতে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন, ডিবিএইচ এবং আইডিএলসি-র মত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও ব্যাংকগুলোয় যোগাযোগ করা যেতে পারে।

 

ডিবিএইচআইডিএলসি  • বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন  • ন্যাশনাল ব্যাংক

ট্রাস্ট ব্যাংকব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইট

 

ডিবিএইচ

শুরুতে

পুরো নাম ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, সংক্ষেপে ডিবিএইচ। বাংলাদেশের গৃহনির্মাণ খাতে এরাই প্রথম ঋণ দিতে শুরু করে। ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৩ হাজারেরও বেশি পরিবারের আবাসান সমস্যার সমাধানে সহযোগিতার র মাধ্যমে নির্মাণ শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

যোগাযোগ:

প্রধান কার্যালয়

ল্যান্ডমার্ক বিল্ডিং (১০ম তলা)

১২-১৪ গুলশান উত্তর, বাণিজ্যিক এলাকা

ফোন: +88-02-8822374, +88-02-9882112, 01711-816671-2

ফ্যাক্স: +88-02-9882110

ই-মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: http://www.deltabrac.com

 

বিভিন্ন ধরনের ঋণ

প্লট/এপার্টমেন্ট কেনা, বাড়ি নির্মাণ, মেরামত, সম্প্রসারণ ইত্যাদি কাজে ডিবিএইচ ঋণ পাওয়া যায়। এপার্টমেন্টের মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০% এবং বাড়ি নির্মাণ বা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে মোট খরচের ৮০% পর্যন্ত ঋণ দেয়া হয়। ঋণ দেবার ক্ষেত্রে ডিবিএইচ কর্তৃপক্ষ ফেরত দেবার ক্ষমতা বা সাধ্যের একটি মূল্যায়ন করে। বয়স, পরিবারে নির্ভরশীল সদস্যসংখ্যা, স্ত্রী বা স্বামীর উপার্জন, পেশার স্থিতিশীলতা, সঞ্চয়ের ইতিহাস ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে ঋণ দেবার উপযুক্ত কিনা বা কতটুকু ঋণ দেয়া যায় সেটা নির্ধারণ করা হয়।

ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে এই এপার্টমেন্ট ঋণ পাওয়া যায়।

যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন:

চাকুরীজীবিদের জন্য

  • চাকরির প্রমাণপত্র
  • সর্বশেষ বেতন রসিদ
  • জীবন বৃত্তান্ত

নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনাকারীদের জন্য

  • ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স
  • সর্বশেষ তিন বছরের আয়কর রিটার্ণ এবং এ্যাসেসমেন্ট অর্ডারের ফটোকপি
  • বিগত তিন বছরের লাভ ক্ষতির বিবরণ
  • বিগত এক বছরের ব্যাক হিসাব বিবরণী

ব্যবসা, পেশা, গ্রাহক, সরবরাহকারী ইত্যাদির তথ্য

অন্যান্য কাগজপত্র

  • মালিকানার প্রমাণপত্রের কপি, ভাড়ায় উপার্জন হলে চুক্তিপত্র
  • সঞ্চয়ের প্রমাণপত্র,
  • অন্য উপার্জনের প্রমাণপত্র

 

আইডিএলসি

শুরুতে

১৯৮৫ সালে লীজের অর্থায়নের লক্ষ্য নিয়ে ৪৯% বিদেশী এবং দেশী বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রম শুরু করে। ২০০৯ সাল থেকে সম্পূর্ণ দেশীয় মালিকানায় এটি পরিচালিত হচ্ছে। গৃহঋণ প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সেবা কার্যক্রমের একটি।

 

প্রধান কার্যালয়

বে’স গ্যালেরিয়া

৫৭, গুলশান এভিনিউ, ঢাকা -১২১৭

টেলিফোন: +880 (2) 883 4990 (হান্টিং)
ফ্যাক্স:  +880 (2) 883 4377

ওয়েবসাইট: http://www.idlc.com/

গৃহঋণ সংক্রান্ত তথ্যের জন্য:

ফোন: 01730-045462, 01730-341053

ই-মেইল: [email protected]

 

গৃহঋণের বৈশিষ্ট্য:

সকল আবেদনকারীর আবেদন সমভাবে বিবেচনা করা হয়, আবেদনকারীর পেশা বিবেচনায় নেয়া হয় না। ফিক্ড বা ভ্যারিয়েবল যেকোন ইন্টারেস্ট রেটে বেছে নিতে পারেন ঋণগৃহীতা। স্বল্পতম সময়ে ঋণ মঞ্জুর করা হয়, এমনকি ভবন বা এপার্টমেন্ট নির্মাণ শুরু করার আগেই ঋণের টাকা দেয়া হয়। আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ এবং সম্প্রসারণের জন্য ঋণ দেয়া হয়।

যোগ্যতা

ঋণগ্রহীতার বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। চাকরি অথবা ব্যবসার মাধ্যমে নিয়মিত উপার্জন থাকতে হবে।

যেসব বিষয়ের ওপর ঋণের পরিমাণ নির্ভর করে:

মাসিক উপার্জন, বয়ষ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য, পরিবাবের সদস্য সংখ্যা, নির্ভরশীল ব্যক্তির সংখ্যা, চাকরির ধরন, সঞ্চয়ের অভ্যাস ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ঋণের অংক নির্ধারণ করা হয়।

 

আবাসিক ঋণ:

ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন খরচসহ ৭০% পর্যন্ত ঋণ হিসেবে দেয়া হয়। আর নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে মোট খরচের ৮০% পর্যন্ত ঋণ হিসেবে দেয়া হয়।

ঋণের মেয়াদ এবং বয়সসীমা

ধরন

সর্বোচ মেয়াদ

সর্বোচ্চ বয়সসীমা

পেশাজীবি

২০ বছর

৬৫ বছর

ব্যবসায়ী

১৫ বছর

৬০ বছর

প্রবাসী বাংলাদেশী

১০ বছর

৬০ বছর

চাকুরীজীবি

২০ বছর

৬০ বছর

 

সমান মাসিক কিস্তিতে ঋণের টাকা শোধ করতে হয়

যে প্রকল্পের জন্য ঋণ নেয়া হচ্ছে সেটি কিংবা আইএলডিসি কাছে গ্রহণযোগ্য সমমূল্যের অন্য সম্পত্তি জামানত হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

যেকেন প্রকল্পে পর্যপ্ত অগ্নি এবং ভূমিকম্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে হয়।

 

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন

শুরুতে

সরকার পরিচালিত গৃহঋণ প্রদানকারী সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন। ১৯৫২ সালে হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতার পর এর নাম বদলে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিফসি) রাখা হয়। গৃহঋণ দেবার জন্য বেসরকারী খাতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থাকলেও নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্তের জন্য এটিই আদর্শ। সদরদপ্তর ছাড়াও ছয়টি জোনাল অফিস রয়েছে ঢাকায়।


 

সদরদপ্তর

২২, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০,
ফোনঃ ৯৫৬০৫৭৪, ফ্যাক্স: ৮৮-০২-৯৫৬১৩২৪,
-মেইলঃ [email protected]

ওয়েবসাইটঃ www.bhbfc.gov.bd

 

কিছু প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর

পদবী

টেলিফোন নম্বর

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

৯৫৬১৩১৫

মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন)

৯৫৫৯৬১৯

মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন)

৯৫৬১৩২৭

উপ-মহাব্যবস্থাপক ও সচিব, পরিচালনা পর্ষদ

৯৫৬৫৫১৫

উপ-মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা, প্রশিণ ও জনসংযোগ)

৯৫১৩২৩৯

উপ-মহাব্যবস্থাপক (ঋণ)

৯৫৬১৮২৬

উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন)

৯৫৬২৫৩২

উপ-মহাব্যবস্থাপক (আদায়)

৯৫৬৫৫৬২

উপ-মহাব্যবস্থাপক (অডিট)

৯৫৬৫৫৯৫

উপ-মহাব্যবস্থাপক (সংস্থাপন ও সাধারণ সেবা)

৯৫৬১৭৫৪

উপ-মহাব্যবস্থাপক (আইন)

৯৫৬৭৯০২

উপ-মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ)

৯৫৬১৩৬৭

উপ-মহাব্যবস্থাপক (কম্পিউটার ও তথ্য বিভাগ)

৯৫৬১৭৬১

 

ফ্যাক্স নম্বর

অফিসের নাম

ফ্যাক্স নম্বর

সদর দফতর, ঢাকা

০২-৯৫৬১৩২৪

জোনাল অফিস, চট্রগ্রাম

০৩১-৭৭০২৮৩

জোনাল অফিস, রাজশাহী

০৭২১-৭৭৩২৫৮

জোনাল অফিস, খুলনা

০৪১-৭২০৪৩৬

 

ঢাকার জোনাল অফিসগুলো

অফিসের নাম

অফিসের ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর

আওতাধীন এলাকা

জোনাল অফিস, জোন-১, ঢাকা

আলাওল এভিনিউ, সেক্টর নং-৬, উত্তরা মডেল টাউন, উত্তরা, ঢাকা।
ফোনঃ ৮৯৫১১৯০

তুরাগ, উত্তরা, উত্তর খান, দ ক্ষিন খান, বিমান বন্দর থানাধীন এলাকা এবং গাজীপুর জেলার আওতাধীন এলাকাসমূহ।

জোনাল অফিস, জোন-২, ঢাকা

১৯-বি/৪-সি, রিং রোড, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা ফোনঃ ৯১৪৬১২০

ধানমন্ডি, কলাবাগান, মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরে বাংলা নগর থানাধীন এলাকাসমূহ।

জোনাল অফিস, জোন-৩, ঢাকা

বিএইচবিএফসি ভবন,২২ পুরানা পল্টন, ঢাকা। ফোনঃ ৯৫৬১৩৮৬, ৯৫৬৭৯০৩

রমনা, পল্টন, মতিঝিল, খিলগাঁও, সবুজবাগ, শাহবাগ, নিউমার্কেট, যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকা ও নরসিংদী জেলাধীন এলাকাসমূহ।

জোনাল অফিস, জোন-৪, ঢাকা

প্রশিকা ভবন (৪র্থ তলা) আই/১-গ, সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬,
ফোনঃ ৯০০১০৯০

মিরপুর, শাহআলী, দারুস সালাম, কাফরুল ,পল্লবী থানাধীন এলাকা ও সাভার, ধামরাই উপজেলা এবং মানিকগঞ্জ জেলার আওতাধীন এলাকাসমূহ। ফরিদপুর রিজিওনাল অফিস, জোন-৪ এর নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

জোনাল অফিস, জোন-৫, ঢাকা

ইদ্রিস পয়েন্ট, খ-১৯৪ বীর উত্তম রফিকুল ইসলাম রোড, প্রগতী স্বরণী, মধ্যবাড্ডা, ঢাকা-১২১২।
ফোনঃ ৯৮৯১৪৬১

গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট, খিলতে,বাড্ডা, রামপুরা, তেজগাঁও ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার আওতাধীন এলাকাসমূহ।

জোনাল অফিস, জোন-৬, ঢাকা

১৮/৪, আরমেনিয়ান স্ট্রীট, টি, আর টাওয়ার, বাবু বাজার, ঢাকা-১১০০।
ফোনঃ ৭৩১৯১৭৭

কোতয়ালী, সুত্রাপুর, লালবাগ, চকবাজার,বংশাল, গেন্ডারিয়া, শ্যামপুর, কামরাঙ্গিরচর ও হাজারীবাগ থানাধীন এলাকা এবং কেরানীগঞ্জ, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন এলাকাসমূহ।

 

ঋণ পেতে হলে

ঋণ নিতে হলে প্রথমে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে; ঋণ গ্রহীতার নিজস্ব প্লট বা জমি থাকতে হবে, বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং নির্শাণ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ২০% থাকতে হবে।



ঋণ আবেদনের জন্য যেসব কাগজ পত্র প্রয়োজন হয়:

ক) সরকারী/ জাতীয় গৃহায়ন কতৃপক্ষ / রাজউক/ সিডিএ/ কেডিএ/ আরডিএ/ ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড / হাউজিং সোসাইটি কর্তৃক বরাদ্দকৃত জমির ক্ষেত্রেঃ
১. মুল বরাদ্দপত্র ( এলোটমেন্ট লেটার )
২. দখল হস্তান্তর পত্র ( পজেশন লেটার )
৩. মুল লীজ দলিল ও এর একটি ফটোকপি ( ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ), মুল দলিল রেজিষ্ট্রী অফিস থেকে পাওয়া না গেলে দলিল উঠানোর মুল রশিদ ও একটি জাবেদা নকল।
৪. কর্পোরেশনের নিকট বন্ধকের জন্য অনাপত্তি পত্র ( এন.ও.সি) / বন্ধক অনুমতিপত্র।

খ) বেসরকারী / ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ক্ষেত্রেঃ
১. আবেদনকারীর মুল মালিকানা দলিল ( সাফ-কবলা/ দানপত্র/ বন্টননামা )
২. সি.এস, এস.এ ও আর.এস খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি।
৩. নামজারী খতিয়ানসহ ডি.সি.আর ও হালসন নাগাদ খাজনার রশিদ।
৪. এস.এ/ আর.এস রেকডীয় মালিক থেকে স্বত্বের ধারাবাহিকতা প্রমানের জন্য চেইন অব ডকুমেন্টস এর সত্যায়িত ফটোকপি ।
৫. জেলা রেজিষ্ট্রারের অফিস থেকে ১২(বার) বছরের তল্নাশীসহ নির্দায় সার্টিফিকেট (এন.ই.সি)

গ) সরকারী/ বেসরকারী উভয় ক্ষেত্রে নিম্নের কাগজপত্রাদিও দাখিল করতে হবেঃ
১. যথাযথ কতৃপক্ষের কাছ থেকে নির্মিতব্য বাড়ীর নক্শার অনুমোদন পত্রসহ নক্শা
এবংঅতিরিক্ত এককপি।
২. জমির সয়েল টেষ্ট রিপোর্ট।
৩. বহুতল বাড়ীর জন্য ২ কপি স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ও প্রকৌশল সনদ।
৪. গুরত্বপুর্ণ স্থাপনার উল্লেখপুর্বক ২ কপি হাতে আকা রুট ম্যাপ।
৫. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি।
৬. আবেদনকারীর আয়ের প্রমানপত্র ও চাকুরীর ক্ষেত্রে ঋণ আবেদন ফর্মের নির্দিষ্ট পাতায় বেতন সনদ এবং ব্যবসায়ের ট্রেড লাইসেন্সসহ আয় এর প্রমাণপত্র।

 

ঋণ সংক্রান্ত নিয়ম কানুন

সাত ধরনের ঋণ পাওয়া যা এখন:
১। সাধারণ ঋণঃ একক বা স্বামী ও স্ত্রীর নামে প্রদত্ত ঋণ ,
২। গ্রুপ ঋণঃ একাধিক ব্যক্তির মালিকানাধীন প্লটে ফ্ল্যাট ভিত্তিক গ্রুপ ঋণ,
৩। ফ্ল্যাট / এপার্টমেন্ট ঋণ নির্মীয়মান ফ্ল্যাট / এপার্টমেন্ট কেনার জন্য ঋণ ,
৪। বর্ধিত ঋণঃ অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী মুল ঋণে নির্মিত অংশ বাদে নকশার অনির্মিত অংশ নির্মাণের জন্য প্রদত্ত ঋণ,
৫। সেমি পাকা বাড়ীর জন্য ঋণঃ ঢাকা ও চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা ও বিভাগীয় সদরব্যতীত অন্যান্য জেলা, উপজেলা সদর এবং তৎসংলগ্ন সম্ভাবনাময় গ্রোথ সেন্টার/ বাণিজ্যিকস্থান সমুহে সেমি পাকাবাড়ীর নির্মাণের জন্য প্রদত্ত ঋণ,
৬। মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ফ্ল্যাট ঋণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য ৫৫০ হতে ১০০০বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ /ক্রয় ও গ্রুপ ভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য প্রদত্ত ঋণ,
৭। স্বল্প মেয়াদী বিশেষ ঋণঃ অনুমোদিত নক্শা মোতাবেক বাড়ী / দালানের নির্মাণ কাজ আরম্ভ করে নির্মাণ কাজ শেষ/ ফিনিশিং পর্যায়ে এনেছেন শুধুমাত্র তাদের দালানের অসমপুর্ণ নির্মাণ কাজ সমপুর্ণ করার জন্য প্রদত্ত ঋণ।

ঋণ কার্যক্রমের এলাকা
ঢাকা ছাড়াও দেশের সকল বিভাগীয় সদর, জেলা ও উপজেলা সদর এবং সম্ভাবনাময় গ্রোথ সেন্টার/বাণিজ্যিক স্থানে ঋণ প্রদান কর্যক্রম চালু আছে।

ঋণের সিলিং:

জমির মুল্য, অবস্থান, পারিপারশিকতা, নির্মিতব্য ভবনের গুনগত মান এবং সম্ভাব্য বাড়ীভাড়ার ভিত্তিতে কর্পোরেশন এলাকা ভেদে নির্মিতব্য ভবনের/ কাঠামোর আবৃতাংশ বিবেচনায় ঋণের সিলিং নির্ধারণ করা হয়েছে।
 

ঋণের সীমা

ঢাকা মহানগরীতে সরকারী/বেমরকারী ভবনের প্লটে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যায়।
 

গ্রুপ ঋণ

কিছু শর্ত পূরণ করলে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্লটে ফ্ল্যাট ভিত্তিক ঋণ দেয়া হয়, এ ক্ষেত্রে আবেদকারীর সংখ্যারও কোন সীমা থাকে না। ঢাকায় এক বা একাধিক ইউনিট নির্মাণের জন্য জন প্রতি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়।
 

ঋণ পরিশোধ মেয়াদঃ
সুদ, আসল ও নির্মাণকালীন সুদের কিস্তিসহ নির্ধারিত মাসিক কিস্তিতে ১৫ ( সাধারণ ঋণের ক্ষেত্রে) বছর বা ১৮০টি এবং মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ঋণ স্কীমে ২০ বছর বা ২৪০টি এবং স্বল্প মেয়াদী বিশেষ ঋণের বেলায় ৫ বছর বা ৬০টি নির্ধারিত সমান মাসিক মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধযোগ্য।

 

অন্যান্য শর্ত
ঋণের জন্য প্রস্তাবিত ভবনের চারিদিকে সাইড স্পেস অনুমোদিত নক্শা মোতাবেক বাসতবে ঠিক না থাকলে ঋণ বিবেচনা করা হয় না।


ভবিষ্যতে রাস্তা সম্প্রসারনের জন্য অনুমোদিত নক্শায় রাস্তার দুইপাশে বা একপাশে ক্ষতিগ্রস্ত সমর্পিত / প্রশস্তকরণ দেখিয়ে নক্শা অনুমোদন করা থাকলে ঐ সমস্ত নক্শার ভিত্তিত ঋণ বিবেচনা করা হয়।


একই পরিবারের মধ্যে একাধিক ঋণ প্রদান করা হবে না(পরিবার বলতে স্বামী ও স্ত্রী এবং তাদের উপর নির্ভরশীল ছেলে মেয়েদের বোঝাবে)। শুধুমাত্র পরিবারের একজন সদস্যের নামে ঋণ আবেদন করা হয়। কর্পোরেশন থেকে পুর্বে কোন ঋণ নিয়ে থাকলে পুর্বের ঋণ সমপুর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ঐ পরিবারের অন্য কোন সদস্য ঋণের আবেদন করতে পারবে না। স্বামী স্ত্রীর ক্ষেত্রে একক নামে বা যৌথ নামে শুধুমাত্র একটি ঋণ দেয়া হবে। যৌথ নামে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যে কোন একজনের নিজস্ব আয় থাকলে চলবে। সাধারণত: নাবালকের নামে কোন ঋণ মঞ্জুর করা হবে না। তবে নাবালকের পক্ষে স্বাভাবিক বা আইনগত অভিভাবক জামিনদার হলে এবং অভিভাবক হিসাবে নাবালকের পক্ষে সকল দলিলপত্রে স্বাক্ষর করলে ঋণ দেয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অভিভাবককে আলাদা ঋণ দেয়া হবে না।


একই শহরে যাদের বসবাসের নিজস্ব বাড়ী আছে তাদের নতুন বাড়ী নির্মানের জন্য ঋণ বিবেচনা করা হবে না। তবে প্রস্তাবিত বন্ধকী জমিতে অনুমোদিত নক্শা অনুযায়ী ইতিমধ্যে নির্মিত বাড়ীর ( যদি থাকে ) অবশিষ্ট অংশ( ভার্টিক্যালী, অথবা হরিজেন্টালী ) নির্মাণ / সম্প্রসারণের জন্য প্রচলিত বিবি মোতাবেক ঋণ বিবেচনা করা যাবে এবং ঋণ সুপারিশ করার সময় নির্মিত অংশের সম্ভাব্য ভাড়ার ৯০% টাকাকে পরিশোধযোগ্য আয় হিসাবে গ্রহণ করে ঋণের প্রাপ্যতা নিরুপন করা হবে।



ফরমাল সাধারণ ঋণ আবেদন পত্র দাখিলের নিয়মাবলীঃ
১। ঋণ আবেদনকারীকে নির্ধারিত ফরমে ( প্রতিটি সাধারণ ঋণ, আবেদন ফরম ৫০০/- টাকা মুল্যে সংশ্লিষ্ট জোনাল ও রিজিওনাল অফিস হতে পাওয়া যায়) নিম্ন
বর্ণিত দলিলপত্রসহ সংশ্লিষ্ট জোনাল ও রিজিওনাল অফিসে আবেদন দাখিল করতে করতে হবে। বেসরকারী / ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ক্ষেত্রে নিম্নরূপ দলিল পত্র দাখিল করতে হবেঃ
২। আবেদনকারীর মুল মালিকানা দলিল ( সাফ-কবলা/ দানপত্র / বন্টননামা) এবং উক্ত দলিল এর একটি ফটোকপি ১ম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কতৃক সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে। মুল দলিল রেজিঃ অফিস থেকে আবেদনের পুর্বে পাওয়া না গেলে দলিল উঠানোর মুল রশিদ ও দলিল তোলার ফি বাবদ ২০০/- টাকা এবং দলিলের একখানা সার্টিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।
৩। সি.এস, এস.এ ও আর.এস খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।
৪। নামজারী খতিয়ানসহ ডি.সি.আর ও হালসনের নাগাদ খাজনার রশিদ দাখিল করতে হবে।
৫। এস.এ / আর.এস রেকর্ডীয় মালিক থেকে স্বত্বের ধারাবাহিকতা প্রমাণের জন্য চেইন অব ডকুমেন্টস এর সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে।
৬। জেলা রেজিষ্ট্রারের অফিস থেকে ১২(বার) বছরের তল্লাসীসহ নির্দায় সার্টিফিকেট (এন.ই.সি ) সংগ্রহ করে দাখিল করতে হবে।
৭। যথাযথ কর্তৃপরে কাছ থেকে নির্মিতব্য বাড়ীর নক্শার অনুমোদন পত্রসহ এক কপি অনুমোদিত নক্শা এবং একটি অতিরিক্ত কপি দাখিল করতে হবে।
৮। মাটির ভারবহন ক্ষমতা জানার জন্য সংশ্লিষ্ট প্লটের সয়েল টেষ্ট রিপোর্ট দাখিল করতে হবে। সয়েল টেষ্ট রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট স্নাতক প্রকৌশলী ( বি.এস.সি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) এর স্বাক্ষর থাকতে হবে। দেশের অন্যান্য এলাকার বেলায় সয়েলের বিয়ারিং ক্যাপাসিট সম্পর্কে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বি.এস.সি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর সার্টিফিকেট লাগবে।
৯। (ক) বহুতল বাড়ীর জন্য ২ কপি ষ্ট্রাকচারাল ডিজাইন ( ভিত্তি/ বীম/ কলাম / ছাদ/ সিড়ি ইত্যাদি ) ও ভারবহন ক্ষমতার সার্টিফিকেট কমপক্ষে ৫ (পাঁচ) বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন গ্রাজুয়েট সিভিল ইঞ্জিনিয়ার/ নির্বাহী প্রকৌশলী/ প্রকৌশল পরামর্শ দাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইসুকৃত হতে হবে।
(খ) ৭ তলা ও তদুর্ধ ভবনের বেলায় ১০ বছরের অভিজ্ঞতা সমপন্ন গ্রাজুয়েট সিভিল ইঞ্জিনিয়ার/ নির্বাহী প্রকৌশলী/ প্রকৌশল পরামর্শ দাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ভারবহন সনদ নিতে হবে। ঢাকা ও চট্রগ্রাম মহানগরীর বেলায় বিএনবিসি অনুযায়ী ভূমিকমপ প্রতিরোধী সনদ দিতে ( কর্পোরেশনের নির্ধারিত ছকে )।
১০। অত্র সংস্থা কর্তৃক নির্মাণ স্থল পরিদর্শনের সুবিধার্থে প্রসতাবিত নির্মাণ স্থানে যাওয়ার রাসতার বিবরণসহ আশে পাশের গুরুত্বপুর্ণ স্থাপনার নাম উল্লেখ পুর্বক ট্রেসিং পেপারে ২ কপি হাতে আঁকা রুট ম্যাপ ( আবেদনকারীর স্বাক্ষর সম্বলিত ) দিতে হবে ।
১১। ২ কপি সত্যায়িত স্বাক্ষর এবং ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি দাখিল করতে হবে।
১২। দরখাস্ত ফি জমা প্রদানের রশিদ ( সাধারণ ঋণের ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে ৩/ টাকা ও ফ্ল্যাট মানের ক্ষেত্রে ৫ টাকা হারে সোনালী ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখায় এবং বিএইচবিএফসি ভবনের নীচতলায় জনতা ব্যাংকে কর্পোরেশনের নির্ধারিত ফর্মে ফিসের টাকা জমা প্রদান করা যায়। এ ছাড়াও কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট জোনাল ও রিজিওনাল অফিসে জমা করা যায়।
১৩। আবেদনকারীর আয়ের প্রমাণপত্র ও চাকুরী ক্ষেত্রে ঋণ আবেদন ফর্মের নির্দিষ্ট পাতায় বেতন সনদ এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স ও আয় সমপর্কে হলফনামা । আয়কর পরিশোধযোগ্য আয় হলে আই.টি.এন নম্বরসহ আয়কর প্রত্যায়নপত্র / আয়করের জাবেদা নকল দিতে হবে। আবেদনকারী বিদেশে কর্মরত থাকলে তার আবেদনপত্র, ছবি ও আয়ের সনদপত্র সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দুতাবাস কর্তৃক সত্যায়ন পুর্বক ঢাকাস্থ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় হতে প্রতিস্বাক্ষরিত/ প্রমানিকরন করিয়ে জমা দিতে হবে।
১৪। দরখাসতকারীর নিজস্ব আয় না থাকলে স্বামী/ ন্ত্রী পিতা / মাতা / ছেলে / মেয়েকে জামিনদার করা যায়। এরূপ ক্ষেত্রে কর্পোরেশনের নির্ধারিত জামিনদারের প্রশ্নপত্র ফরম পুরন করে দাখিল করতে করতে হবে এবং জামিনদারের আয়ের স্বপক্ষে দালিলিক প্রমান দিতে হবে।
১৫। দরখাসত জমা দেয়ার পরপরই প্রসতাবিত বন্ধকী জমির পরিচয়সহ সাইটে নামফলক লাগাতে হবে।
১৬। অনুমোদিত নক্শা মোতাবেক বাড়ী নির্মাণ করবেন এবং কর্পোরেশন বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ নিয়ে বাড়ী নির্মাণ করেন নাই মর্মে জুডিশিয়াল ষ্ট্যামঙ্ে ঘোষনা পত্র দিতে হবে ।তাছাড়া ঋণ আবেদনকারী নিজের/ নিজেদের এবং তার/ তাদের পরিবার বর্গের জন্য যৌতুক নিবেন না বা যৌতুক দিবেন না মর্মে ঘোষনা পত্র দিতে হবে।

১০.০ সরকার/ জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ /( পুর্বের হাউজিং সেটেলমেন্ট )/ রাজউক/ সি.ডি.এ/ কে.ডি.এ/ আর.ডি.এ/ ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড/ হাউজিং সোসাইটি(সরকার থেকে বরাদ্দকৃত জমি) ইত্যাদি কর্তৃক বরাদ্দকৃত জমির ক্ষেত্রে নিম্নরূপ দলিলপত্র দাখিল করতে হবেঃ
১। মুল বরাদ্দপত্র ( এলটমেন্ট লেটার )।
২। দখল হসতানতর পত্র ( পজেশন লেটার )।
৩। মুল লীজ দলিল ও এর একটি ফটোকপি (১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে )। মুল দলিল রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে পাওয়া না গেলে মুল দলিল উঠানোর রশিদ এবং দলিল উঠানোর জন্য ২০০/- টাকা ফি প্রদান ও দলিলের একটি জাবেদা নকল দাখিল করতে হবে।
৪। মুল এলোটির কাছ থেকে হসতানতর মুলে জমির মালিক হলে মুল মালিকানা দলিল এবং বরাদ্দকারী কর্তৃপক্ষের অফিসের নামজারীর কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
৫। কর্পোরেশনের নিকট জমি বন্ধকের জন্য বন্ধক অনুমতিপত্র/ অনাপত্তি পত্র (এন.ও.সি ) ইত্যাদি কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। এছাড়াও ৯ অনুচ্ছেদের ৭ হতে ১৬ নম্বর ক্রমিক উল্লেখিত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

১১.০ গ্রুপ ঋণের ক্ষেত্রে আরও যে সমস্ত দলিল দাখিল করতে হবেঃ
১। একাধিক মালিকের ক্ষেত্রে কর্পোরেশনের নমুনা মোতাবেক গ্রুপ ঋণের রেজিষ্টার্ড এগ্রিমেন্ট দলিল দাখিল করতে হবে। উক্ত দলিল এর একটি ফটোকপি ১ম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে।
২। মুল এগ্রিমেন্ট দলিল রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে পাওয়া না গেলে মুল দলিল তোলার রশিদ এবং দলিল উঠানোর জন্য ২০০/- টাকা জমা ও দলিলের জাবেদা নকল দাখিল করতে হবে।

১২.০ ঋণ আবেদনকারীগণ ব্যবসায়ী (শিল্পপতি/ মালিক/ অংশীদার/ পরিচালক হিসেবে) হলে সেক্ষেত্রে অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক হতে ইতিপুর্বে কোন প্রকার ঋণ গ্রহণ করেছেন কিনা এ ব্যাপারে নির্ধারিত নমুনা মোতাবেক আবেদনকারীগণকে ঘোষনাপত্র ( ডিকেরেশন) দাখিল করতে হবে। যদি আবেদনকারী নিজ নামে বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে অন্য কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে কোন প্রকার ঋণ গ্রহণ করে থাকেন তবে উক্ত ব্যাংক/ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে এ মর্মে ছাড়পত্র এনে দাখিল করতে হবে যে, উক্ত ব্যাংক/ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তিনি/ তার সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর / প্রতিষ্ঠানের নামে কোন খেলাপী ঋণ নেই। আবেদনকারী ঋণ খেলাপী হলে কর্পোরেশন থেকে ঋণের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

১৩.০ ঋণের আবেদন দাখিলের সময় আবেদনকারীগণকে এ মর্মে ঘোষনাপত্র দাখিল করতে হবে যে, ঋণের জন্য প্রসতাবিত ( প্রসতাবিত শব্দের স্থলে শহরে নাম লিখতে হবে ) শহরে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন/ অন্য কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণে অথবা আবেদনকারীর নিজস্ব অর্থে নির্মিত কোন বাড়ী নেই।

১৪.০ ঋণ মঞ্জুরী ত্বরান্বিত করার নিমিত্ত ঋণ দরখাসতের সাথে সকল প্রয়োজনীয় দলিলসমুহ দাখিল করা অপরিহার্য। আবেদনকারী প্রয়োজনবোধে কর্পোরেশন ভবনে অবস্থিত ঋণ বিভাগে বা সংশ্লিষ্ট জোন/ রিজিওন এর কাউসিলিং কাউন্টারে পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবেন।

১৫.০ উল্লেখিত ফিস ব্যতীত ঋণ পাওয়ার জন্য আর কোন খরচের প্রয়োজন হয় না।

১৬.০ আবেদনপত্র সঠিক পাওয়া গেলে এবং প্রয়োজনীয় দলিলাদি আবেদনের সময় দাখিল করা হলে সরকার থেকে সরাসরি লিজপ্রাপ্ত জমির ক্ষেত্রে ২০দিন এবং ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমির ( প্রাইভেট ল্যান্ড) এর ক্ষেত্রে ২৫ দিনের মধ্যে ঋণ মঞ্জুরীর ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে।

 

ঋণ মঞ্জুরীর পর করণীয়ঃ
১। নির্মিতব্য ইমারতের প্রাক্কলিত ব্যয়ের কমপক্ষে ২০% বা তার বেশী অথবা নির্মাণ ব্যয় এবং মঞ্জুরীকৃত টাকার পার্থক্যের যা বেশী ঋণ আবেদনকারীকে প্রথম কিস্তি গ্রহণের পুর্বে নির্মাণ কাজে বিনিয়োগ করতে হবে।
২। মঞ্জুরীকৃত টাকার উপর প্রতি হাজারে ৩ (তিন) টাকা (ফ্ল্যাট ঋনের ক্ষেত্রে ৫ টাকা) ঢাকায় কর্পোরেশন এর সদর দফতর ভবনে অবস্থিত জনতা ব্যাংক, পুরানা পল্টন শাখাসহ সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় এবং ন্যাশনাল ব্যাংক, খুলনা ও সংশ্লিষ্ট অফিসে পরিদর্শন ফি জমা দিয়ে জমার রশিদ দাখিল করতে হবে।
৩। রেহেন দলিলের মুল্য বাবদ প্রতি কপি ১০০/- (একশত ) টাকা হিসাবে ঢাকার জন্য জনতা ব্যাংক, পুরানা পল্টন শাখাসহ সংশ্লিষ্ট অফিস হতে সরবরাহ করা হয়।
৪। রেহেন দলিলের রেজিষ্ট্রেশনের যাবতীয় ব্যয় ঋণ গ্রহীতাকে বহন করতে হবে।
৫। আবেদনকারীর ঋণের জামিনদার থেকে থাকলে জামিনদারকে ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ) টাকা/ অথবা সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত মুল্যমানের বিশেষ আঠাযুক্ত ষ্ট্যাম্প (স্পেশাল এডহেসিভ ষ্ট্যাম্প ) যুক্ত করে কর্পোরেশনের নির্ধারিত ফরমে ( জামিননামা ও জামিনদার প্রশ্নপত্র ফরম ১০০/ টাকা মুল্যে ঢাকায় কর্পোরেশন ভবনস্থ জনতা ব্যাংক, পুরানা পল্টন শাখায় এবং অন্যান্য স্থানে কর্পোরেশনের অফিস সমুহে পাওয়া যায় ) প্রথম কিসতি গ্রহণের পুর্বে লেটার অব গ্যারান্টি প্রদান করতে হবে।

ঋণের কিস্তি প্রদানের পদ্ধতিঃ
১। নির্মাণ কাজের সাথে সংগতি রেখে চেকের মাধ্যমে কয়েক কিসতিতে ঋণ প্রদান করা হয়। ঋণের প্রথম কিসতির চেক রেহেন দলিল রেজিষ্ট্রেশনের সময় প্রদান করা হয়। পরবর্তী কিস্তি সমুহের চেক,নির্মাণ কাজে প্রয়োজনীয় ব্যয়করণ সাপেক্ষে পুর্ববর্তী চেক গ্রহণের ২ মাসের মধ্যে গ্রহণ করতে হয়। মঞ্জুরীপত্র ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে মঞ্জুরীপত্রে উল্লেখিত নির্মান কাজ সমাপ্তির পর প্রথম কিসতির চেক গ্রহণ করতে হয়। উক্ত সময়ের মধ্যে ১ম কিস্তি গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে মঞ্জুরী বাতিল হয়ে যেতে পারে।
২। সকল কিস্তির চেক সংশ্লিষ্ট জোনাল ও রিজিওনাল অফিস থেকে ইস্যু করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে চেক প্রদান করা হয়।

হিসাব সংরক্ষণ
প্রত্যেক ঋণের হিসাব সংশ্লিষ্ট রিজিওনাল ও জোনাল অফিসে সংরক্ষন করা হয়। ঋণ আদায়ের নোটিশ জারী, মামলা দায়ের এবং অন্য যে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের যাবতীয় খরচাদি ঋণ গ্রহীতাকে বহন করতে হয়।

নক্সা/ বাড়ীর কাঠামো রদবদলঃ
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে নক্সায় কোন রদবদল এবং কর্পোরেশনের পুর্বানুমতি ব্যতিরেকে ঋণে নির্মিত বাড়ীর আকার, আয়তন ও কাঠামোর পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজন, অপসারন ইত্যাদি করা অবৈধ। ঋণ গ্রহিতাকে নিজ ব্যয়ে বাড়ীর নিয়মিত ও যথাযথ মেরামত এবং সংরন করতে হয় এবং ভূমি উন্নয়ন কর, পৌরকরসহ যাবতীয় কর পরিশোধ করতে হয়।

ঋণ মুক্তি ( রিডেমপশান )
ঋণ পরিশোধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পুর্বেও কর্পোরেশনের সমুদয় ঋণ পরিশোধ করা যায়। যে তারিখে সমপুর্ণ ঋণ পরিশোধ করা হবে তার পুর্ব দিন পর্যনত সুদ দিতে হয়। সমপুর্ণ ঋণ পরিশোধের পর জমাকৃত দলিলাদি গ্রহিতাকে ফেরত দেয়া হয়। ঋণ মুক্তি ( রিডেমপশান ) রেজিষ্ট্রি দলিলের মাধ্যমে করতে হলে এর ব্যয় ঋণ গ্রহিতাকে বহন করতে হয়।

 

কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিক্রয়যোগ্য ফরমের মূল্য তালিকা এবং ব্যাংক মেমো বই সংগ্রহের নিয়ম

ক্রমিক নং

বিবরণ

মূল্য / ফি / চার্জ

১।

রেহের দলিল

১০০/-

২।

ঋণ  আবেদন ফরম

৫০০/-

৩।

এপার্টমেন্ট / ফ্ল্যাট ঋণের আবেদন ফরম (ফরমাল)

১০০০/-

৪।

জামিনদারের প্রশ্নপত্র ফরম (জামিননামা ফরম সহ)

১০০/-

৫।

সাধারন ঋণের আবেদন ফি ( প্রতি হাজারে )

৩/-

৬।

সাধারন ঋণের পরিদর্শন ফি ( প্রতি হাজারে )

৩/-

৭।

ফ্যাট ঋণের আবেদন ফি ( প্রতি হাজারে )

৫/-

৮।

ফ্যাট ঋণের পরিদর্শন ফি ( প্রতি হাজারে )

৫/-

৯।

হস্তান্তর ফি

৭,৫০০/-

১০।

ঋণ  বিভাজন ফি (প্রতিজনের জন্য)

৩,০০০/-

১১।

হস্তান্তর ফরম

২০০/-

১২।

২য় রেহেনের অনুমতি

২,৫০০/-

১৩।

বন্ধকী সম্পত্তির আংশিক অবমুক্তির আবেদন ফরম

৫০০/-

১৪।

রেহেনাবন্ধ বাড়ী/ এপার্টমেন্ট বিক্রয়ের ত্রিপক্ষীয় দলিল

৫০/-

 

 

ঋণের কিস্তি পরিশোধঃ

১)

মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হয়।

২)

কর্পোরেশন কতৃক নির্ধারিত কতগুলো ব্যাংকের নির্ধারিত শাখার ঋণ পরিশোধের কিস্তির টাকা জমা করতে হয়। ব্যাংকগুলোর শাকা হলো-
সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা, জনতা ব্যাংক পুরানা পুরানা পল্টন শাখা, ঢাকা ন্যাশনাল ব্যাংক কে. ডি. এ. এভিনিউ শাখা, খুলনা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা।


নির্মাণকালীন সুদ আদায়ঃ

১)

সাধারণতঃ ঋণের প্রথম কিস্তির চেক গ্রহণের পর ১৩ তম মাস হতে ঋণ পরিশোধের কিস্তি শুরু হয়। তবে চেক গ্রহণ বিলম্বিত হলে শেষ চেক গ্রহণের ১ মাস পর হতে ঋণ পরিশোধ কিস্তি শুরু হয়।

২)

বাড়ি  নির্মাণকালীন সময়ে উত্তোলিত ঋণের উপর চার্জকৃত সুদ ( আই. ডি. সি. পি.) এককালীন পরিশোধ করা যায়। তবে গ্রহীতা ইচ্ছা করলে ঋণ পরিশোধের সমগ্র মেয়াদেও মাসিক কিস্তির সাথে আই. ডি. সি. পি পরিশোধ করতে পারেন।

৩)

বাড়ি নির্মানকালীন সুদ বা আই. ডি. সি. পির সমগ্র ঋণ পরিশোধকালীণ সময়ে সুদ চার্জ করা হয়। প্রদত্ত ঋণের উপর সার্ভিস বা অন্য কোন চার্জ গ্রহণ করা হয় না। অর্থাত্‍ আই.ডি.সি.পিকে আসলে রুপান্তর করা হয় না (পরিবর্তনযোগ্য)।


ঋণ গ্রহন ও সুদ চার্জঃ

১)

বাড়ীর কাজের অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে ৪/৫ টি কিস্তিতে চেক / ঋন প্রদান করা হয়।

২)

শুধু উত্তোলিত ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। কখনই খেলাপী ঋণের সুদের কিস্তির উপর সুদ চার্জ করা হয় না। এ ছাড়াও চার্জকৃত কিস্তি অপরিশোধিত (পরবর্তীতে পরিশোধ্য) সুদের উপরো সুদ চার্জ করা হয় না । অর্থাত্‍ কর্পোরেশন প্রদত্ত ঋণের উপর সরল সুদ চার্জ করে, কখনই সুদের উপর সুদ চার্জ করে না।

৩)

ঋণের রিডিউসিং ব্যালান্স বা অবশিষ্ট ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। প্রদত্ত ঋণের উপর সার্ভিস বা অন্য কোন চার্জ গ্রহন করা হয় না।


কিস্তি পরিশোধ ও ইনসেনটিভঃ

১)

প্রতি মাসের কিস্তি প্রতি মাসে নিয়মিত পরিশোধ করার অংগীকারের মাধ্যমই ঋণ প্রদান করা হয়। এ অংগীকার ভংগ করলে নানারকম ঝামেলায় পড়তে হয় এবং নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ সম্ভবপর হয় না।

২)

বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন হারে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইনসেনটিভ প্রদান করে আসছে এ কর্পোরেশন। ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে শুধুমাত্র কিস্তি শুরুর পূর্বে নির্মাণকালীন সম্পূর্ণ সুদ পরিশোধ করলে উক্ত সুদের ৫% ইনসেনটিভ প্রদান করার বিধান রয়েছে।


খেলাপী ঋণ নিয়মিতকারণঃ

১)

বাস্তবিক কিছু সমস্যার কারণে গ্রহীতা যদি নিয়মিত ঋণ পরিশোধ ব্যর্থ হন এবং খেলাপী হয়ে পড়েন তবে খেলাপী হওয়ার যথাযথ কারণ থাকলেই স্বাভাবিক ঋণ কেইসে (মামলাধীন নয় এরূপ বার রিসিডিউল প্রদান করা হয়।

২)

ঋণ পরিশোধের আচরণ, অবশিষ্ট মেয়াদ এবং কর্পোরেশনের গ্রাহক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে ৩য় বারও বকেয়া পাওনার মাত্র ১৫% (বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) খেলাপী ঋণ নিয়মিত করা যায়।

৩)

রিসিডিউল জন্য জামার টাকা কিস্তিতেও জমা করা যায়। প্রথম জমার ৬০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট জমাতব্য টাকা জমা করা যায় (পরিবর্তনযোগ্য)।

৪)

নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না করা হলে এবং খেলাপীর পরিমান ১২ কিস্তির উপর হলে খেলাপী কিস্তির আসল টাকার উপর ৩% অতিরিক্ত সুদ চার্জ করা হয়।

৫)

রিসিডিউলকৃত কেইসে ১২ কিস্তি খেলাপী হলে মামলা দায়ের করা হয়।


ঋণ গ্রহন ও সুদ চার্জঃ

১)

বাড়ীর কাজের অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে ৪/৫ টি কিস্তিতে চেক / ঋন প্রদান করা হয়।

২)

শুধু উত্তোলিত ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। কখনই খেলাপী ঋণের সুদের কিস্তির উপর সুদ চার্জ করা হয় না। এ ছাড়াও চার্জকৃত কিস্তি অপরিশোধিত (পরবর্তীতে পরিশোধ্য) সুদের উপরে সুদ চার্জ করা হয় না । অর্থাত্‍ কর্পোরেশন প্রদত্ত ঋণের উপর সরল সুদ চার্জ করে, কখনই সুদের উপর সুদ চার্জ করে না।

৩)

ঋণের রিডিউসিং ব্যালান্স বা অবশিষ্ট ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। প্রদত্ত ঋণের উপর সার্ভিস বা অন্য কোন চার্জ গ্রহন করা হয় না।


কিস্তি পরিশোধ ও ইনসেনটিভঃ

১)

প্রতি মাসের কিস্তি প্রতি মাসে নিয়মিত পরিশোধে করার অংগীকারের মাধ্যমই ঋণ প্রদান করা হয়। এ অংগীকার ভংগ করলে নানারকম ঝামেলায় পড়তে হয় এবং নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ সম্ভবপর হয় না।

২)

বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন হারে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইনসেনটিভ প্রদান করে আসছে এ কর্পোরেশন। ২০০৩-২০০৪ অর্থবছরে শুধুমাত্র কিস্তি শুরুর পূর্বে নির্মাণকালীন সম্পূর্ণ সুদ পরিশোধ করলে উক্ত সুদের ৫% ইনসেনটিভ প্রদান করার বিধান রয়েছে।


খেলাপী ঋণ নিয়মিতকারণঃ

১)

বাস্তবিক কিছু সমস্যার কারণে গ্রহীতা যদি নিয়মিত ঋণ পরিশোধ ব্যর্থ হন এবং খেলাপী হয়ে পড়েন তবে খেলাপী হওয়ার যথাযথ কারণ থাকলেই স্বাভাবিক ঋণ কেইসে (মামলাধীন নয় এরূপ কেইস বকেয়া পাওনার মাএ ১০% (বর্তমানে ১০% পরিবর্তনযোগ্য ) জমা দিয়ে গ্রহীতা ২ বার রিসডিউল গ্রহন করে ঋণ হিসাব নিয়মিত করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে  ঋণ পরিশোধের অবশিষ্ট মেয়াদ বিবেচনা করে রিসিডিউল প্রদান করা হয়।

২)

ঋণ পরিশোধের আচরণ, অবশিষ্ট মেয়াদ এবং কর্পোরেশনের গ্রাহক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে ৩য় বারও বকেয়া পাওনার মাত্র ১৫% (বর্তমানে ১৫% পরিবর্তনযোগ্য) খেলাপী ঋণ নিয়মিত করা যায়।

৩)

রিসিডিউলের জন্য জমার টাকা কিস্তিতেও জমা করা যায়। প্রথম জমার ৬০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট জমাতব্য টাকা জমা করা যায় (পরিবর্তনযোগ্য)।

৪)

নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না করা হলে এবং খেলাপীর পরিমান ১২ কিস্তির উপর হলে খেলাপী কিস্তির আসল টাকার উপর ৩% অতিরিক্ত সুদ চার্জ করা হয়।

৫)

রিসিডিউলকৃত কেইসে ১২ কিস্তি খেলাপী হলে মামলা দায়ের করা হয়।


মামলা দায়ের ও ঋণ আদায়ঃ

১)

খেলাপী কিস্তির সংখ্যা ও পরিমান সহনযোগ্য মাত্রা অতিক্রম করলে সংশ্লিষ্ট ঋণ কেইসে বকেয়া/ সমূদয় পাওনা আদায়ের জন্য কর্পোরেশন মামলা দায়ের করে থাকে।

 

ন্যাশনাল ব্যাংক

শুরুতে

ফ্ল্যাট বা বাড়ি নির্মাণ বা মেরামতের জন্য ৭০% পর্যন্ত লোন দেয়া হয়। অবশ্য ৭৫ লাখ টাকার বেশি গৃহঋণ দেয়া হয় না। ফ্ল্যাট বা বাড়ি কেনার ৯ থেকে ১২ মাস পর থেকে ঋণের কিস্তি শোধ শুরু হয়। দরখাস্ত প্রক্রিয়াকরণের জন্য কোন ফি নেয়া হয় না। যেকোন বাংলাদেশী বা প্রবাসী বাংলাদেশী ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য ন্যাশনাল ব্যাংকের যেকোন শাখা বা প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।

 

প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা

১৮, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন- ০২- ৯৫৬-৩০৮১, ৯৬৬-৬৫৮৪

ফ্যাক্স- ৮৮-০২- ৯৫৬-৩৯৫৩, ৯৬৬৯৪০৪

ই-মেইল- [email protected]

ওয়েবসাইট: http://www.nblbd.com

ন্যাশনাল ব্যাংকের বিস্তারিত   http://www.online-dhaka.com/129_997_4493_0-national-bank-dhaka.html

 

ট্রাস্ট ব্যাংক

শুরুতে

দু’ধরনের গৃঋণ ব্যবস্থা চালু আছে এখানে; আপন নিবাস এবং ট্রাস্ট ঠিকানা। স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণ বা মেরামাতের মাধ্যমে নতুন রুপ দিতে আপন নিবাস ব্যবস্থা আর তুলনামূলকভাবে সীমিত আয়ের ব্যক্তিদের জন্য ঋণ ব্যবস্থা হচ্ছে ট্রাস্ট ঠিকানা। আধা পাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য এ ঋণ নেয়া যেতে পারে। বীমা সুবিধাও থাকছে ফলে ঋণ গ্রহীতার আকস্মিক মৃত্যুতে সমস্যায় পড়তে হয় না।

 

আপন নিবাস

  • বাড়ি নির্মাণ বা মেরামাতের মাধ্যমে নতুন রুপ দিতে এ ঋণ নেয়া যেতে পারে। ঋণের মেয়াদ ১ থেকে ২৫ বছর হতে পারে। কেনার ক্ষেত্রে ৩০% এবং নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে ৪০% ডাউন পেমেন্ট প্রয়োজন হয়।

 

চাকুরীজীবি, নিজস্ব ব্যভসা পরিচালনা পরিচালনা করছেন এমন ব্যক্তি, জমির মালিক ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন। বয়স ২৫ থেকে ৬৫ হতে হবে।

ঋণের জন্য যোগাযোগ

ফোন::  01755563998, 01755540562, 01755538313, 01755540564, 01755540565, 01730326093

 

ট্রাস্ট ঠিকানা:

আধা পাকা বাড়ি বা ভবন নির্মাণের জন্য এ ঋণ নেয়া যেতে পারে। ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়া হয় এ ব্যবস্থার আওতায় এবং ঋণের মেয়াদ ১ থেকে ৮ বছর পর্যন্ত। ন্যূনতম ডাউন পেমেন্ট ৫০%। ঋণ গ্রহীতার বয়স সর্বোচ্চ ৬০ বছর হতে পারবে।

 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • আবেদনপত্র
  • আবেদনকারীর ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ড্রাইভিং লাইসেন্স/পাসপোর্ট
  • আবেদনকারীর ছবি
  • চাকুরীজীবিদের বেতনের প্রমাণপত্র,
  • ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স
  • ব্যবসায় এক বছরের হিসাব বিবরণী
  • টিআইএন সার্টিফিকেট
  • জমি বা এপার্টমেন্টের মালিকানার দলিল,
  • আবেদনকারী অন্য কোথাও ঋণ নিয়ে থাকলে তার বিবরণ

 

ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইট

শুরুতে

গৃহঋণের আরও তথ্য পতে ঢুঁ মারতে পারেন বিভিন্ন ব্যাংকের ওয়েবসাইটে-

 

প্রতিষ্ঠানের নাম

ওয়েবসাইট

এবি ব্যাংক লি.

www.abbank.com.bd

অগ্রণী ব্যাংক লি.

www.agranibank.org

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লি.

www.al-arafahbank.com/

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লি.

www.bcbl-bd.com

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লি.

www.bdbl.com.bd

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক লি.

www.krishibank.org.bd

ব্যাংক আল ফালাহ লি.

www.bankalfalah.com

ব্যাংক এশিয়া লি.

www.bankasia-bd.com

বেসিক ব্যাংক লি.

www.basicbanklimited.com

ব্র্যাক ব্যাংক লি.

www.bracbank.com

সিটি ব্যাংক এনএ

www.citi.com/domain/index.htm

কমার্শিয়াল ব্যাংক অব শিলন লি.

www.combankbd.com

ঢাকা ব্যাংক লি.

www.dhakabank.com.bd

ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লি.

www.dutchbanglabank.com

ইস্টার্ণ ব্যাংক লি.

www.ebl-bd.com

ইক্সিম ব্যাংক লি.

www.eximbankbd.com

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লি.

www.fsblbd.com

হাবিব ব্যাংক লি.

www.habibbankltd.com

আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লি.

www.icbislamic-bd.com/

আইএফআইসি ব্যাংক লি.

www.ificbankbd.com

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি.

www.islamibankbd.com

যমুনা ব্যাংক লি.

www.jamunabankbd.com

জনতা ব্যাংক লি.

www.janatabank-bd.com

মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি.

www.mblbd.com

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লি.

www.mutualtrustbank.com

ন্যাশনাল ব্যাংক লি.

www.nblbd.com

ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান লি.

www.nbp.com.pk

ন্যাশনাল ক্রেডিট এন্ড কমার্স ব্যাংক লি.

www.nccbank.com.bd

ওয়ান ব্যাংক লি.

www.onebankbd.com

প্রিমিয়ার ব্যাংক লি.

www.premierbankltd.com

প্রাইম ব্যাংক লি.

www.prime-bank.com

পূবালী ব্যাংক লি.

www.pubalibangla.com

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক

www.rakub.org.bd

রূপালী ব্যাংক লি.

www.rupali-bank.com

শাহজালাল ব্যাংক লি.

www.shahjalalbank.com.bd

সোশাল ইসলামী ব্যাংক লি.

www.siblbd.com

সোনালী ব্যাংক লি.

www.sonalibank.com.bd

সাউথ ইস্ট ব্যাংক লি.

www.sebankbd.com

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লি.

www.standardbankbd.com

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার ব্যাংক

www.standardchartered.com/bd

স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া

www.statebankofindia.com

দি সিটি ব্যাংক লি.

www.thecitybank.com

দি হং কং এন্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লি.

www.hsbc.com.bd

ট্রাস্ট ব্যাংক লি.

www.trustbank.com.bd

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লি.

www.ucbl.com

উত্তরা ব্যাংক লি.

www.uttarabank-bd.com

ওরি ব্যাংক

www.wooribank.com

 


২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি