পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

রোনালদো

বিশ্ব ফুটবলের এক সময়ের জনপ্রিয় এক ফুটবলার হচ্ছেন রোনালদো। যার জাদুকরী ফুটবল শৈলী আজও ফুটবল অনুরাগীদের কাছে তাকে অনন্য করে রেখেছেন। রোনালদোর পুরো নাম রোনাল্দো লুইস নাজারিও ডি লিমা। ব্রাজিলিয়ান এই ফুটবলার ২০১১ সালে ফুটবল থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

 

জন্ম ও ব্যক্তিগত জীবন:

রোনালদো ১৯৭৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, বেন্টো রিবেরিও, রিও ডি জেনিরো তে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে রোনাল্দো ব্রাজিলিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী সুসানা ওয়ার্নারের সাথে ব্রাজিলিয়ান টেলিনোভেলা মালহাকাওয়ে তিনটি পর্বে একত্রে অভিনয় করে একে-অপরের সাথে পরিচিত হন। কিন্তু বিয়ে না করেই দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক বজায় রাখেন ও ১৯৯৯ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত মিলানে একত্রে বাস করেন। এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে রোনাল্দো ব্রাজিলিয়ান প্রমিলা ফুটবলার মিলেনে ডোমিনগুয়েজকে বিয়ে করেন ও তাদের প্রথম সন্তান রোনাল্দ জন্ম নেয়। ২০০৫ সালে রোনাল্দো ব্রাজিলিয়ান মডেল এবং এমটিভি ভিজে দানিয়েলা সিকারেলির সাথে সম্পর্ক গড়েন। চাটিও ডি চানটিলিতে অনুষ্ঠিত বিয়েটি মাত্র ৩ মাসে টেকে। অনুষ্ঠানে ৭ লক্ষ ইউরো ব্যয় হয় বলে জানা যায়। এছাড়াও, রোনাল্দো ব্রাজিলিয়ান সুপার মডেল রাইকা অলিভিরার সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন যা ডিসেম্বর, ২০০৬-এ শেষ হয়ে যায়।

 

ফুটবল ক্যারিয়ার:

১৯৯৪ সালে ব্রাজিলের পক্ষে রেকাইফে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে রোনাল্দোর আন্তর্জাতিক খেলায় অভিষেক হয়। ১৯৯৬ ও ১৯৯৭ সালের ফিফার বছরের সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদার অধিকারী রোনালদো ১৯৯৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ৪ গোল করে তিনটি সম্মাননা লাভ করেন। ২০০২ সালের ফিফা বিশ্বকাপে রোনালদো পুণরায় তার দক্ষতা দেখিয়ে রেকর্ডসংখ্যক ৫ম বারের মতো ব্রাজিলকে জয়ী করান এবং তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ৮ গোল করে গোল্ডেন সু জয়ী হন ও গোল্ডেন বলের পুরস্কারে রানার-আপ হয়ে টুর্ণামেন্টের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় মনোনীত হন। ৯০ এর দশক থেকে শুরু করে ২০১১ সালে রোনালদো ফুটবল থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ২০০০ এর দশকে বিশ্বের সেরা গোলদাতা হিসেবে বিবেচিত হন তিনি। রোনালদো ব্রাজিলের পক্ষে ৯৭টি আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করে ৬২টি গোল করেন। তিনি ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে রোনালদো ১৫তম গোল করে জার্মানীর গার্ড মুলারের ১৪ গোলের রেকর্ড ভঙ্গ করে বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। ক্লাব পরযায়ে রোনালদো বেশ কিছু ক্লাবে খেলেছেন। তার মধ্যে রয়েছে – ক্রুজিরো (১৯৯৩), পিএসভিআইন্ডহোভেন (১৯৯৪-১৯৯৬), বার্সালোনা (১৯৯৬-১৯৯৭), ইন্টারমিলান (১৯৯৭ – ২০০২), রিয়াল মাদ্রিদ (২০০২ – ২০০৭), এসি মিলান (২০০৭ – ২০০৮), কারিন্থিয়াস (২০০৯ – ২০১১)।

 

সম্মাননা:

২১ বৎসর বয়সে ১৯৯৭ সালে ইউরোপিয়ান ফুটবলার হিসেবে ফিফা বালোঁ দ’অর এবং ২৬ বৎসর বয়সে ২০০২ সালে পুণরায় এই খেতাব অর্জন করেন। উপরন্তু, তিনি দু’জন ব্যক্তির মধ্যে একজন হিসেবে ফিফা’র বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে তিনবার মনোনিত হন (অন্যজন হলেন ফরাসী ফুটবলার জিনেদিন জিদান)। ২০০৭ সালে রোনালদো ফরাসী ফুটবলে সর্বকালের সেরা একাদশের একজন হিসেবে স্থান পান এবং পেলে’র উত্তরসূরী হিসেবে ফিফা’র ১০০জন সেরা খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে মনোনিত হন। ২০১০ সালে তিনি গোল.কম-এর অনলাইন ভোটের ৪৩.৬৩% ভোট পেয়ে ’প্লেয়ার অব দ্য ডিকেড’সহ সেন্টার ফরোয়ার্ডের ‘টিম অব দ্য ডিকেড’ সম্মাননা পান।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
শচীন টেন্ডুলকারক্রিকেট ইতিহাসের অনেক উঁচুমানের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত
জুনায়েদ সিদ্দিকীজুনায়েদ সিদ্দিকী একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী ক্রিকেটার
মুশফিকুর রহিমমুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার
রবিউল ইসলামউদীয়মান ক্রিকেট খেলোয়াড়
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদবাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সহকারি অধিনায়ক
নাসির হোসেনবর্তমানে বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার
তামিম-আয়েশার ভালোবাসার গল্পপরিচয় পর্ব থেকে বিয়ে পর্যন্ত সকল ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে
কাকা ও সেলিকোর দুর্দান্ত প্রেমকাহিনীতাদের প্রেম-ভালোবাসা এবং বিয়ে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
কাজী সালাউদ্দিন৭০ এর দশকের মাঠ দাবড়ানো ফুটবলার
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোজীবনের নানা অজানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
আরও ২১ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি