পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া

tofazzal hossain manik mia is a famous journalist. বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের পথিকৃৎদের একজন তিনি, মানিক মিয়া নামেই তিনি সমধিক পরিচিত। তাঁর জন্ম ১৯১১ সালে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া গ্রামে। গ্রামেরই প্রাইমারী স্কুলে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয়। তারপর ভর্তি হন ভান্ডরিয়া হাই স্কুলে, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সেখানে পড়াশোনা করার পর তিনি ভর্তি হন পিরোজপুর সরকারী হাইস্কুলে এখান থেকেই তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষা দেন। আর বিএ পাশ করেন বরিশাল বজ্রমোহন কলেজ থেকে।  

 

পিরোজপুরের মহকুমা হাকিম আদালতের সহকারী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। কিন্তু স্বাধীনচেতা তোফাজ্জল হোসেন সে চাকরি বেশি দিন করতে পারেন নি। জনৈক মুন্সেফের খারাপ আচরণের প্রতিবাদে তিনি সে চাকরি ছেড়ে দেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে তাঁর পরিচয় আগে থেকেই ছিল, চাকরি ছেড়ে দেবার পর তিনি তদানীন্তন বাংলা সরকারের জনসংযোগ বিভাগে বরিশাল জেলার সংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি কলকাতা প্রাদেশিক মুসলিম লীগের অফিস সেক্রেটারি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৪৬ সালে তিনি আবুল মনসুর আহমেদের ‘দৈনিক ইত্তেহাদে’ পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারি হিসেবে যোগ দেন । ১৯৪৭ সালে তিনি যোগ দেন সোহরাওয়ার্দী প্রতিষ্ঠিত দৈনিক ইত্তেফাকে। পরে তিনি ঢাকা চলে আসেন এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত সে সময়কার সাপ্তাহিক ইত্তেফাকে যোগ দেন। ১৯৫১ সালে তিনি পত্রিকাটির সম্পাদকের দায়িত্ব নেন এবং তাঁর সম্পাদনাতেই ১৯৫৩ সালে পত্রিকাটি দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হতে থাকে।

 

তাঁর সম্পাদনায় দৈনিক ইত্তেফাক সামরিক সরকার বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব কারণে তাঁকে একাধিকবার কারাবরণও করতে হয়েছে। ১৯৬৩ সালে সমরিক সরকারের হস্তক্ষেপে তাঁর সম্পাদিত ইত্তেফাক এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত অপর দু’টি পত্রিকা পূর্বাণী এবং ঢাকা টাইমসের প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ১৯৬৯ সালে ইত্তেফাকের প্রকাশনা আবার শুরু হয় এবং এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হচ্ছে। এমনকি ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাতেও দৈনিক ইত্তেফাক ছাপা হয়েছিল।

 

পূর্ব বাংলার স্বাধিাকারের প্রশ্নে মানিক মিয়া ছিলেন উচ্চকন্ঠ। ‘রাজনৈতিক হালচাল’ ও ‘মঞ্চ নেপথ্যে’ শিরোনামে তাঁর লেখা উপসম্পাদকীয় কলাম এবং ‘মোসাফির’ ছদ্মনামে লেখা রাজনৈতিক নিবন্ধ পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে। ১৯৬৩ সালে আন্তর্জাতিক প্রেস ইনস্টিটিউটের পাকিস্তান শাখার প্রেডিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পাকিস্তানী রাজনীতির বিশ বছর’ এবং ‘নির্বাচিত ভাষণ ও নিবন্ধ’। শেরে বাংলা নগরের মানিক মিয়া এভিনিউ-এর নামকরণ তাঁকে সম্মান জানাতেই করা হয়েছে। ১৯৬৯ সালের ১ জুন পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
আনিসুল হকবর্তমান সময়ের মেধাবী সাংবাদিক
আবেদ খানদীর্ঘ ৪৯ বছর ধরে সাংবাদিকতার জড়িত রয়েছেন
শফিক রেহমানযায়যায় দিন খ্যাত জনপ্রিয় সাংবাদিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব
তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াদৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশে সাংবাদিকতার পথিকৃৎ
এনায়েতউল্লাহ খানএদেশে ইংরেজী সাংবাদিকতায় পথিকৃৎদের একজন
ওয়াহিদুল হকপ্রগতিশীল ঘরনার সাংবাদিক
সেলিনা পারভীনপাকিস্তান আমলে স্বাধীনতার পক্ষে নির্ভিক কলম সৈনিক।
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি