পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

ক্যাটরিনা কাইফ: বলিউডের বার্বি ডল হয়ে ওঠার গল্প

* * * *

* * * *

বলিউডের বার্বি ডল খ্যাত বৃটিশ সুন্দরী ক্যাটরিনা কাইফ এখন বলিউডের পরিচালকদের ট্রাম্পকার্ড। কিন্তু এই ক্যাটরিনা কাইফেরই প্রথম ছবি ফ্লপ হওয়ার পর বলিউডের আর কোনো ছবিতে অভিনয় করবেন না বলে মনস্থির করেছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। তবে ঘটনাচক্রে তিনি আবার ফিরে আসেন বলিউডে। এই পেজটিতে ক্যাটরিনা কাইফের ছোটবেলা থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের জানা-অজানা সকল খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

জন্ম পরিচয় ও পড়াশোনা:

১৯৮৪ সালের ১৬ জুলাই হংকংয়ে জন্মগ্রহণ করা ক্যাটরিনার ছোটবেলা কেটেছে আমেরিকার দ্বীপনগরী হাওয়াইয়ে। লন্ডনে কেটেছে কৈশোর। শিক্ষাজীবন আর বড় হয়ে ওঠা সবই লন্ডনে। তাই ক্যাটের লুকিংসে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের যুগল রূপমাধুরী সবারই দৃষ্টি কেড়ে নেয়। তার পিতার নাম মোহাম্মদ কাইফ এবং মাতার নাম সুজানা টার্কুট। তার বাবা ছিলেন ভারতের কাশ্মিরের অধিবাসী এবং মা ছিলেন ব্রিটিশ নাগরিক। জন্মের সময় ক্যাটরিনার নাম রাখা হয় ক্যাটরিনা টার্কুট। ক্যাটরিনার মোট ভাইবোনের সংখ্যা ৬ বোন ও ১ ভাই। ক্যাটরিনা ছোট থাকতেই তার বাবা-মায়ের মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপর থেকে মায়ের সাথেই থেকে যান ক্যাটরিনা। তার মা ছিলেন একজন এনজিও কর্মী। মায়ের সাথে চীন, জাপান, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, পোলান্ড, জার্মানী, বেলজিয়াম, হাওয়াইতে ঘুরেছেন। পড়ালেখার জন্য স্থির সময় পাননি কোথাও। তবে শেষের দিকে লন্ডনে কিছুদিন ছিলেন। ভর্তি হয়েছিলেন স্থাপত্য পড়তে। কিন্তু ভালো লাগেনি। তখন ক্যাটরিনার বয়স ছিল ১৭ বছর।

ক্যাটরিনা কাইফ এর পরিবার:

আগেই বলেছি ক্যাটরিনা কাইফ এর বাবা একজন ভারতীয় নাগরিক এবং মা একজন ব্রিটিশ নাগরিক। ক্যাটরিনারা মোট মোট ৭ বোন ও ১ ভাই। বোনেরা হলেন – মিলিসা, সারাহ, ইসাবেলা কাইফ, নাতাশা, সোনিয়া এবং ক্রিস্টিনা। আর একমাত্র ভাইয়ের নাম হলে মাইকেল। 

র‌্যাম্প মডেল দিয়ে শুরু:

ক্যাটরিনার বয়স তখন ১৪ বছর। সেসময় তারা হাওয়াইতে থাকতেন। অনেকটা আকস্মিকভাবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বৃটিশ এজেন্সি মডেল ওয়ানের প্রতিনিধি হয়ে 'লন্ডন ফ্যাশন উইক ২০০৩'-এর র‌্যাম্পে অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে শোবিজে পা রেখেছিলেন ক্যাট। এরপরই তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত বৃটিশ চিত্রনির্মাতা কাইজাড গুস্তাদের নজরে আসেন।

 

চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ:

ক্যাটরিনা অভিনীত প্রথম ছবি ছিল কাইজার গুস্তাদ পরিচালিত   ‘বুম’। ২০০৩ সালে বলিউডের এই ছবিতে সাইন করার সময় বলিউড কেন, ভারতই ক্যাটরিনার কাছে ছিল অজানা-অচেনা কোনো গল্পের মতো দেশ। বলিউডের ছবি সম্বন্ধেও ক্যাটরিনার কিছুই জানা ছিল না। তাই সে পরিচালকের নির্দেশে ওই ছবিতে নির্দ্বিধায় কাজ করেছিলেন খোলামেলা দৃশ্যে। এই ছবিটি বলিউড বক্স অফিসে সুপার ফ্লপ করে।

 

প্রথম ছবিতেই হোচট খেয়ে চলচ্চিত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন ক্যাটরিনা কাইফ। শুধুমাত্র মডেলিংটাই চালিয়ে যেতে থাকেন। ২০০৪ সালে ক্যাটরিনা কাইফ লন্ডন থেকে মুম্বাই আসেন। বেশ ক'টি কনজ্যুমার প্রোডাক্টের মডেল হয়ে ছোটপর্দায় ঝড় তোলেন তিনি। এসময় বলিউডের আরেক তারকা সালমান খানের সাথে পরিচয়, পরিচয় থেকে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। সালমান খানের সহযোগিতায় আবারও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সিদ্ধান্ত নেন। এই সময়ের মধ্যে হিন্দি ভাষাটাও ভালো রপ্ত করে নেন ক্যাটরিনা। ২০০৫ সালে চমৎকার অভিনয় উপহার দেন ‘সরকার’ ছবিতে। যা তাকে তারকা খ্যাতি এনে দেয়।

এর ঠিক পরের বছর ২০০৬ সালে আবার হোচট খান ক্যাটরিনা। অক্ষয় কুমারের সাথে ‘হামকো দিওয়ানা কর গায়ে’ চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে সলফতার মুখ দেখতে পারেনি। ২০০৭ সালে এসেই আবার সফলতার মুখ দেখেন ক্যাটরিনা। ‘নমস্তে লন্ডন’ চলচ্চিত্রটিতে ব্রিটিশ ও ভারতীয় দুই ধরনের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন ক্যাটরিনা। এই ছবিতে ক্যাটরিনার বিপরীতে অভিনয় করেন অক্ষয় কুমার। এর পরের ‘আপনে’ ছবিটিও আহামরি সফলতার মুখ দেখে নি। কিন্তু ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পার্টনার’ ও ‘ওয়েলকাম’ চলচ্চিত্র দুটি ব্যবসায়িকভাবে সফলতা লাভ করে এবং ব্লকবাস্টারের মর্যাদা লাভ করে।

 

শুধুমাত্র নায়িকা চরিত্রেই নয়। খলনায়িকা হিসেবেও অভিনয় করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ক্যাটরিনার। ২০০৮ সালে ‘রেস’ চলচ্চিত্রে খলনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন ক্যাটরিনা। একই বছর অক্ষয় কুমারের বিপরীতে অভিনীত ‘সিং ইজ কিং’ চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক সফলতা লাভ করে। কিন্তু এর পরের ছবিতেই আবার অসফল। সুভাষ গাইয়ের ‘যুবরাজ’ চলচ্চিত্রটিতে দর্শকরা ক্যাটরিনাকে ভালোভাবে নেন নি।

২০০৯ সালের ১ম চলচ্চিত্রেই আবার আলোড়ন তোলেন। জন আব্রাহামের বিপরীতে অভিনয় করা ‘নিউইয়র্ক’ চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িক সফলতা লাভ করে। আবারও ফ্লপ, ২০০৯ সালে ক্যাটরিনা অভিনীত ‘ব্লু’ ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে সফলতা অর্জন করতে পারে নি। তবে ছবিটিতে ক্যাটরিনার অভিনয় প্রশংসিত হয়। একই বছর ‘আজব প্রেম কি গজব কাহিনী’ চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে সফলতা অর্জন করে। চলচ্চিত্রটিতে ক্যাটরিনার বিপরীতে অভিনয় করেন রনবীর কাপুর। ২০০৯ সালের শেষ চলচ্চিত্র ‘দে দনা ডন’ চলচ্চিত্রটিও ব্যবসায়িক সফলতা অর্জন করে। এই ছবিতে ক্যাটরিনার বিপরীতে অভিনয় করেন অক্ষয় কুমার।

 

২০১০ সালে আবারও বক্স অফিস হিট। রনবীর কাপুরের বিপরীতে ‘রাজনীতি’ চলচ্চিত্রটি ব্লকবাস্টার খেতাব অর্জন করে। এরপর অক্ষয় কুমারের সাথে ‘টিস মার খান’ ছবিটি তেমন সাফল্য না পেলেও ক্যাটরিনার ‘শীলা কি জাবানী’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

 

২০১১ সালে ক্যাটরিনা অভিনীত ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। এই ছবিতে ক্যাটরিনার বিপরীতে অভিনয় করেন হৃতিক রোশন। সারাবিশ্বে ছবিটি ২৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করে। এরপর ইমরান খানের বিপরীতে ‘মেরে ব্রাদার কি দুলহান’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

 

২০১২ সালের ক্যাটরিনা নিয়ে আসে নাচের ঝড়। ‘অগ্নিপথ’ চলচ্চিত্রটিতে তার ‘চিকনি চামেলী’ গানটি সারা বিশ্বের তরুণ-তরুণীদের হৃদয় মন নাচিয়ে তোলে। ২০১২ সালে ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীতি আরও একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি হচ্ছে ‘এক থা টাইগার’। চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে ব্যাপক সফলতা পায় এবং সারা বিশ্বে চলচ্চিত্রটি ৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করে। ‘জাব তাক হ্যায় জান’ চলচ্চিত্রটিও ২০১২ সালে মুক্তি পায়।

 

২০১৩ সালে ক্যাটরিনা অভিনীত উল্লেখযোগ্য সফল ছবি হচ্ছে ‘ধুম-থ্রি’। চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে ব্যাপক সফলতা পায়। এই চলচ্চিত্রে ক্যাটরিনার বিপরীতে অভিনয় করেন আমির খান।

 

২০১৪ সালে ক্যাটরিনা অভিনীত দুটি চলচ্চিত্র মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। একটি হলো ‘ব্যাঙ ব্যাঙ’ এবং অপরটি হচ্ছে ‘পান্থম’। এখন দেখার অপেক্ষা পরবর্তী চলচ্চিত্রগুলোতে ক্যাটরিনা বলিউড কতটা মাতাতে পারেন।

ক্যাটরিনার অজানা কিছু বিষয়

ক্যাটরিনা কাইফ এর প্রিয় পানীয় হলো ব্ল্যাক কফি। এছাড়া দই ও বিরিয়ানী খেতে ভালোবাসেন। ক্যাটরিনা প্রতিদিন সকাল ৬ টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠেন এবং সকাল ৯ টা পর্যন্ত তার মোবাইল ফোন বন্ধ রাখেন। মোবাইল ফোন ছাড়া একটি দিনও কাটানো সম্ভব নয় ক্যাটরিনার পক্ষে। নিজের স্বাস্থ্যের প্রতিও বেশ সচেতন ক্যাটরিনা। শরীরের ওজন ঠিক রাখার জন্য ডায়েট মেনে চলেন। মার্কেটে গিয়ে পোশাক কেনার চেয়ে ঘরে বসে অনলাইনে পোশাক কিনতে বেশি পছন্দ করেন ক্যাটরিনা। আর কিছুকে ভয় পাক বা না পাক অন্ধকার ও পোকামাকড়কে ভীষণ ভয় পায় ক্যাটরিনা। প্রতিটি ছবি মুক্তির আগে শিদ্ধিভিনায়ক মন্দির, মাউন্ট মেরি চার্চ ও আজমির শরিফের দরগাহে যান ক্যাটরিনা কাইফ।

 

এশিয়ার সেরা আবেদনময়ী:

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যের একটি সাময়িকী এশিয়া অঞ্চলের নারীদের মধ্যে সবচেয়ে আবেদনময়ী নারী নির্বাচনের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় এশিয়ার শ্রেষ্ঠ আবেদনময়ী নির্বাচিত হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী এশীয় নারী হিসেবে তাকে নির্বাচিত করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘ইস্টার্ন আই’।

ক্যাটরিনার যোগ্য স্বামী কে?

২০১২ সালের ডিসেম্বরে সালমানের খানের যোগ্য স্ত্রী কে হতে পারেন এ নিয়ে একটি জরিপ চালানো হয়। জরিপে দেখা যায় বলিউডের হার্টথ্রব আলোচিত নায়ক সালমান খানের জন্য যোগ্য স্ত্রী হচ্ছেন ক্যাটরিনা কাইফ। এই খবর জানিয়ে বিয়ে সংক্রান্ত একটি ওয়েবসাইটের জরিপে এ তথ্য জানা যায়।  প্রকাশিত জরিপে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, জনসাধারনের জরিপ অনূযায়ী একমাত্র ক্যাটরিনাই সালমানের যোগ্য স্ত্রী হতে পারেন। জরিপে অংশ নেয়া ২১ হাজার মানুষের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ ক্যাটরিনা সালমানের ব্যাপারে এমন মতামত তুলে ধরেন।

 

ক্যাটরিনার প্রেম-ভালোবাসা

বলিউডে পা দিয়েই সালমান খানের সাথে জড়িয়ে পড়েন ক্যাটরিনা। বলা চলে, রূপালী জগতে আর্বিভাবের সাথেই ‘শীলা গার্ল’-এর নামের পাশে দাবাং তারকা সালমানের নামটি যুক্ত হয়। সালমান-ক্যাটরিনার প্রেম রোমান্স নিয়ে আলোচনা সমালোচনায় সবসময় সরব ছিলো শোবিজ অঙ্গন। তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরও আলোচনা থামেনি। নানা কারণেই বারবার আলোচনায় এসেছে এই দুজনের নাম। তবে প্রেম ভাঙার পর ক্যাটরিনা একেবারেই চুপ ছিলেন সালমান খানের বিষয়ে। কোথাও কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি তাদের সম্পর্ক নিয়ে। এবার নিজের কথা বলতে গিয়ে ক্যাট মুখ খুললেন। জানালেন তাদের সম্পর্কের কথাও। ক্যাটরিনা বলেন, “সালমান আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন বলিউডে কাজ করার ক্ষেত্রে। অনেক কিছু শিখেছি তার কাছ থেকে। আমাদের সম্পর্ক অনেক গভীর ছিল। কিন্তু এখন সে সম্পর্ক নেই। আমাদের সম্পর্ক জোড়া লাগার কোন সম্ভাবনাও নেই। আর আমি এখন শুধু ক্যারিয়ার নিয়েই ভাবছি। অন্য কোন কিছু নিয়ে নয়। প্রেম-বিয়ের বিষয়গুলো বিধাতাই লিখে রাখেন। আর সালমান এখন আমার খুব ভালো বন্ধু। এর বাইরে কিছু নন।”

 

এরপর আরও অনেকের সাথে ক্যাটরিনা কাইফ এর প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বলিউডে গুঞ্জন শোনা যায়। তবে সালমান পরবর্তী সময়ে রনবীর কাপুরের সাথে ক্যাটরিনার প্রেম কাহিনী নিয়ে বলিউড সরগরম। হঠাৎ তাদের দেখা যায় নির্জন দ্বীপে একান্তে সময় কাটাচ্ছেন। আবার হঠাৎ করেই ক্যাটরিনা ঘোষণা দিয়ে বসেন রনবীরের বিয়েতে আমি ‘বেশরম’ গানে নাচবো। আবার শোনা যাচ্ছে তাদের ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগতে যাচ্ছে। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে তাদের দুজনকে একসাথে আমির খানের এক পার্টিতে দেখা গেছে। এখন দেখা যাক তাদের এই প্রেম-ভালোবাসা সাত পাকে বাঁধা পড়ে কিনা।     

ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো:

সাল

চলচ্চিত্রের নাম

সাল

চলচ্চিত্রের নাম

২০০৩

বুম

২০১০

রাজনীতি

২০০৫

সরকার

তিস মার খান

ম্যায়নে পেয়ার কিউন কিয়া?

২০১১

জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা

২০০৬

হামকো দিওয়ানা কার গায়ে

বডিগার্ড

২০০৭

নামাস্তে লন্ডন

মেরে ব্রাদার কি দুলহান

আপনে

২০১২

এক থা টাইগার

পার্টনার

অগ্নিপথ

ওয়েলকাম

জাব তাক হ্যায় জান

২০০৮

রেস

২০১৩

ম্যায় কৃষ্ণা হু

সিং ইজ কিং

বোম্বে টকিজ

২০০৯

নিউইয়র্ক

ধুম-থ্রি

ব্লু

২০১৪

ব্যাঙ ব্যাঙ

আজব প্রেম কি গজব কাহিনী

পান্থম

দে দানা দান

২০১৫

জাগ্গা জাসুস

 

পুরস্কার ও সম্মাননা

সাল

পুরস্কার

২০০৬

স্টারডাস্ট ব্রেকথ্রো পারফরম্যান্স এ্যাওয়ার্ড (মহিলা) {ম্যায়নে পেয়ার কিও কিয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় স্বরূপ}

আইডিয়া জি এফ এ্যাওয়ার্ডস: ফ্যাশন ডিবা অব দি ইয়ার

২০০৮

জি সিনে এ্যাওয়ার্ডস্‌: ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান এ্যাক্টর এ্যাওয়ার্ড

আইআইএফএ এ্যাওয়ার্ডস্‌: স্টাইল ডিবা অব দি ইয়ার

সবসে ফেভারিট কৌন এ্যাওয়ার্ডস্‌: সবসে জনপ্রিয় নায়িকা সিং ইজ কিং

অপ্সরা ফিল্ম প্রোডিওসার গিল্ড অব ইন্ডিয়া এ্যাওয়ার্ডস্‌: স্টাইল ডিবা অব দি ইয়ার

২০০৯

রাজীব গান্ধী এ্যাওয়ার্ড

স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ডস্‌: বছরের সেরা বিনোদনকারী

২০১০

স্টারডাস্ট এ্যাওয়ার্ড: সেরা অভিনেত্রী (পপুলার এ্যাওয়ার্ড) {নিউইয়র্ক ও আজব প্রেম কি গজব কাহানী}

২০১১

স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ড: সেরা অভিনেত্রী (পপুলার চয়েজ)

অপ্সরা এ্যাওয়ার্ডস্‌: হিন্দুস্তান টাইমসের পাঠকদের দৃষ্টি বছরের সেরা (অভিনেত্রী)

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
মিষ্টি জান্নাততার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
মারজান জেনিফাতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
তিশা-ফারুকীর প্রেমকাহিনীপ্রথম পরিচয়, প্রেম, বিয়ে সহ সকল তথ্য রয়েছে
আমব্রিনতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
সানিতাতার সম্পর্কে খুঁটিনাটি কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
সোনিয়া হোসেনতার সম্পর্কে খুঁটিনাটি কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
মারিয়া চৌধুরীতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
পিয়া বিপাশাতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
বিপাশা কবিরতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
সাফা কবিরতার সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
আরও ১১১ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি