পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

শাহরুখ খান

বর্তমানে শাহরুখ খান পৃথিবীর সফল চলচ্চিত্র তারকা। শাহরুখ খান তেরবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। এর মধ্যে আটটিই সেরা অভিনেতার পুরস্কার। তিনি বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা। তাঁর প্রায় কয়েক বিলিয়ন ভক্ত এবং তাঁর মোট অর্থসম্পদের পরিমাণ ২৩০০ কোটি রুপি-এরও বেশি। ২০০৯ সালে নিউজউইক তাঁকে বিশ্বের ৭১তম ক্ষমতাশীল ব্যক্তির খেতাব দেয়। হিন্দি চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০৫ সালে ভারত সরকার শাহরুখ খানকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে।

 

জন্ম

২রা নভেম্বর, ১৯৬৫ সালেভারতের নয়া দিল্লীতে শাহরুখ খান জন্মগ্রহন করেন।

 

শুরুর কাহিনীঃ

১৯৮০ এর শেষের দিকে বেশ কিছু টেলিভিশন সিরিয়ালে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দিওয়ানা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি অসংখ্য বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং খ্যাতি অর্জন করেন।

 

ব্যক্তিগত জীবনঃ

খান ১৯৬৫ সালে একটি মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন পিতা নিউ দিল্লি, ভারতের পাঠান বংশদ্ভুত। তাঁর পিতা তাজ মোহাম্মদ খান তিনি একজন ভারতীয় স্বাধীনতা কর্মী ছিলেন পেশাওয়ার ব্রিটিশ ভারত থাকতে। খানের মতে, তার পৈতৃক দাদা ছিল প্রকৃতভাবে একজন আফগানিস্তান নাগরিক। তাঁর মা, লতিফ ফাতিমা, ছিল মেজর জেনারেল শাহ নওয়াজ খান জানজুয়া রাজপুত জাতি, ভারতীয় আজাদ হিন্দ ফৌজ সুবাস চন্দ্র বোস এর দত্তক মেয়ে। খানের পিতা ভারত বিভাগ হওয়ার আগে কিসা খাওয়ানি বাজার, পেশাওয়ার থেকে নয়া দিল্লি চলে আসেন। যখন তার মায়ের পরিবার রাওয়ালপিন্ডি, ব্রিটিশ ভারত থেকে এসেছিলেন। খানের শেহনাজ নামে একজন বড় বোন আছে। তাঁর জন্ম নাম শাহরুখ (অর্থ "রাজ মুখ") ছিল নির্দিষ্ট, কিন্তু পছন্দ করে তার নাম শাহ রুখ খান লিখিত হয়, এছাড়াও সাধারণত এস.আর.কে হিসাবে উল্লেখ করা হয়। শাহ্‌রুখ বেড়ে উঠেছেন রাজেন্দ্র নগর এলাকায়।

 

কর্ম জীবনঃ

অভিনেতা শাহ্‌রুখঃ

১৯৮৮ সালে ফৌজী টেলিভিশন সিরিয়ালে কমান্ডো অভিমন্যু রাই চরিত্রের মাধ্যমে অভিনেতা হিসেবে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর ১৯৮৯ সালে সার্কাস সিরিয়ালে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেন, যেটি ছিল একজন সাধারণ সার্কাস অভিনেতার জীবন নিয়ে রচিত। একই বছর তিনি অরুন্ধতী রায়ের In Which Annie Gives it Those Ones টেলি-চলচ্চিত্রে গৌণ চরিত্রে অভিনয় করেন। তার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর নতুন জীবন শুরু করার লক্ষ্যে শাহরুখ নয়াদিল্লী ছেড়ে মুম্বাই পাড়ি জমান।

ফৌজীতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হেমা মালিনীর চোখে পড়েন যিনি শাহ রুখ খানকে তার অভিষেক ছবি দিল আশনা হ্যায়তে অভিনয়ের সুযোগ দেন। দিওয়ানা (১৯৯২) ছবির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রের জগতে যাত্রা শুরু করেন। এ ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন দিব্যা ভারতী। ছবিটি ব্যবসাসফল হয় এবং তিনি বলিউডে আসন গাড়তে সক্ষম হন। আসলে তার প্রথম ছবি হওয়ার কথা ছিল দিল আশনা হ্যায় কিন্তু দিওয়ানা প্রথমে মুক্তি পায়। একই বছরে তিনি আরও কিছু ছবি যেমন চমৎকার, বিতর্কিত আর্ট ফিল্ম মায়া মেমসাবে অভিনয় করেন।

১৯৯৩ সালে বাজীগর ও ডর ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিপুল খ্যাতি পান। ডর ছবিতে শাহরুখ একজন অপ্রকৃতস্থ প্রেমিক এর ভূমিকায় অভিনয় করেন, ছবিটি খুব সাফল্য লাভ করে এবং তিনি তারকা খ্যাতি পান। বাজিগর ছবির জন্য তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি কাভি হাঁ কাভি না ছবিতে একজন ব্যর্থ যুবক ও প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেন যার কারনে তিনি সমালোচকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা নির্বাচিত হন।

১৯৯৪ সালে তিনি আঞ্জাম ছবিতে অভিনয় করেন যেটি ব্যবসাসফল হয়নি। তবে সাইকোপ্যাথ হিসেবে তার অভিনয় সমাদৃত হয় এবং তিনি ১৯৯৫ সালে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯৫ ছিল তার জন্য খুব সাফল্যের বছর। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে বক্স অফিস রেকর্ড ভাঙ্গে এবং এর সব কৃতিত্ব পান তিনি। ছবিটি ৫২০ সপ্তাহের বেশি প্রদর্শিত হয়। ভারতের সর্বাধিকবার প্রচারিত ছবি হিসেবে যাকে তুলনা করা যায় শোলের সাথে যা ২৬০ সপ্তাহ চলেছিল। ছবিটি বর্তমানে বারো বছর ধরে প্রদর্শিত হচ্ছে এবং প্রায় ১২ বিলিয়ন রুপির চেয়েও বেশি অর্থ আয় করেছে।

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গের পর তিনি বেশ কটি ছবিতে সাফল্য পান, যার অধিকাংশই ছিল প্রেম-কাহিনী। যশ চোপড়া এবং করন জোহরের সাথে মিলে তিনি বলিউডে সফলতা পেতে থাকেন। এসব চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ পরদেশ, দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭), কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮), মোহাব্বতে (২০০০), কাভি খুশি কাভি গাম... (২০০১), কাল হো না হো (২০০৩) এবং বীর-জারা(২০০৪)। এছাড়া অন্যান্য পরিচালক যেমন, আজিজ মির্জার ইয়েস বস (১৯৯৭), মনসুর খানের জোশ (২০০০) এবং সঞ্জয় লীলা বনসালির দেবদাস (২০০২) ব্যবসা সফল হয়।আঞ্জাম (১৯৯৪), দিল সে (১৯৯৮), স্বদেশ (২০০৪) ও পহেলি (২০০৫) ছবির জন্য শাহ রুখ খান সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

২০০৬ সালে করন জোহরের কভি আলবিদা না কেহনা (২০০৬) ছবিটি ভারতে মোটামুটি ব্যবসা করলেও বিদেশে ব্যবসাসফল হয়। একই বছরে ডন ছবিতে অভিনয় করেন যেটিও ব্যবসাসফল হয়েছিল।

২০০৭ সালে শাহরুখের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল চাক দে! ইন্ডিয়া। বাণিজ্য সফল এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য শাহরুখ সপ্তমবারের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান। তাঁর অন্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ওম শান্তি ওম ২০০৭ সালের সবচেয়ে বাণিজ্য সফল ছবি। ২০০৮ সালে শাহরুখের রব নে বানা দি জোড়ি ছবিটি খুব ভাল ব্যবসা করে ।

বর্তমানে সারা বিশ্বে বলিউডের জনপ্রিয়তম ব্যাক্তিত্বদের মধ্যে শাহরুখ খান অন্যতম। তাঁর অভিনীত হে রাম,দেবদাস এওং পহেলি ভারত থেকে অস্কার এ পাঠানো হয়েছিল। শাহরুখ-কাজল জুটি বলিউডের অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে স্বীকৃত। কাজলের সাথে তাঁর অভিনীত বাজীগর,দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে, করন অর্জুন, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, কাভি খুশি কাভি গাম...। এই ৫টি ছবিই ব্যবসা-সফল হয়। ১৫ বছরের অভিনয়জীবনে তিনি ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয়দের কাতারে অমিতাভ বচ্চন-এর পরবর্তীস্থান এর শক্ত দাবিদার।

 

এক নজরে শাহরুখের কিছু ছবির তালিকাঃ

বছর

চলচ্চিত্রের নাম

চরিত্র

টুকিটাকি

২০১৩

হ্যাপি নিউ ইয়ার

-

-

চেন্নাই এক্সপ্রেস

রাহুল

-

২০১২

যাব তাক হ্যায় জান

স্যামার

-

স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার

বিশেষ অতিথি

-

কুছি কুছি হোতা হ্যায়

রকি(কথা)

-

২০১১

ডন ২

ডন

শাহরুখ খানের ২য় ৩ডি মুভি ।

রা.ওয়ান

জি.ওয়ান ও শেখর সুব্রোমনিউম

-

২০১০

মাই নেম ইজ খান

রিজওয়ান খান

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার, অস্কার প্রতিযোগিতায় ভারতের ছবি

দুলহা মিল গ্যায়া

 

অতিথি চরিত্র

শাহরুখ বোলা "খুবসুরাত হ্যায় তু"

নিজ

অতিথি চরিত্র

২০০৯

লাক বাই চান্স

নিজ়

বিশেষ উপস্থিতি

বিল্লু

শাহির খান

 

২০০৮

রব নে বানা দি জোড়ি

সুরিন্দর সানি/রাজ

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

কিস্মত কানেকশন

ভাষ্য

-

ক্রেজি ৪

বিশেষ উপস্থিতি "ব্রেক ফ্রি" গানে

-

ভুতনাথ

আদিত্য শর্মা

-

২০০৭

চাক দে! ইন্ডিয়া

কবির খান

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতা

হেই বেবি

বিশেষ উপস্থিতি "মস্ত কলন্দর" গানে

-

ওম শান্তি ওম

ওমপ্রকাশ মাখিজা/ওম কাপুর

২০০৭ এর সেরা বাণিজ্য সফল ছবি

২০০৬

আলাগ

বিশেষ উপস্থিতি, সবসে আলগগানে

-

কভি আলবিদা না কেহনা

দেব সারন

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

ডন

ডন/বিজয়

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

আই সি ইউ

বিশেষ উপস্থিতি, সুবাহ সুবাহহানে

-

২০০৫

দ্য ইনার এ্যান্ড আউটার ওয়ার্ল্ড অফ শাহ রুখ খান

নিজ (আত্মজীবনী)

নাসরিন মুন্নি কবির এর পরিচালনায় আত্মজীবন

পহেলি

কিষেণলাল/ভুত

ভারতের অস্কার মনোনয়ন

সিলসিলে

সূত্রধর, বিশেষ উপস্থিতি

-

কাল

বিশেষ উপস্থিতি, কাল ধামালগানে

-

কুছ মিঠা হো যায়ে

নিজ, বিশেষ উপস্থিতি

-

২০০৪

স্বদেশ

মোহন ভার্গভ

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

হাম হ্যায় লাজওয়াব

মি. লাজওয়াব

"The Incredibles" এর হিন্দি ডাবিং

বীর-জারা

বীর প্রতাপ সিং

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

ম্যায় হুঁ না

মেজর রাম প্রসাদ শর্মা

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

ইয়ে লমহে জুদাই কে

দুশন্ত

এই ছবি বানাতে প্রায় ১০ বছর লেগেছে

২০০৩

কাল হো না হো

আমন মাথুর

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

চলতে চলতে

রাজ মাথুর

-

২০০৩

সাথিয়া

যশবন্ত রাও, বিশেষ উপস্থিতি

-

শক্তি: দ্য পাওয়ার

জয় সিং, বিশেষ উপস্থিতি

-

হাম তুমহারে হ্যায় সনম

গোপাল

-

২০০২

দেবদাস

দেবদাস মুখার্জি

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার, অস্কার প্রতিযোগিতায় ভারতের ছবি

২০০১

কাভি খুশি কাভি গাম...

রাহুল রায়চাদ

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

অশোকা

অশোকা

-

ওয়ান টু কা ফোর

অরুন ভার্মা

-

২০০০

গজ গামিনী

শাহরুখ, বিশেষ উপস্থিতি

-

মোহাব্বতে

রাজ আরিয়ান মেলহোত্রা

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সমালোচকের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

হার দিল যো পেয়ার কারেগা

রাহুল, বিশেষ উপস্থিতি

-

জোশ

ম্যাক্স

-

হে রাম

আমজাদ আলি খান

ভারতের অস্কার মনোনয়ন

ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি

অজয় বকশি

শাহরুখের প্রথম প্রযোজনা

১৯৯৯

বাদশা

রাজ 'বাদশা'

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান পুরস্কার

১৯৯৮

কুছ কুছ হোতা হ্যায়

রাহুল খান্না

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

দিল সে

অমরকান্ত ভার্মা

-

আচানক

বিশেষ উপস্থিতি

-

ডুপ্লিকেট

বাবলু চৌধুরি/মনু দাদা

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার

১৯৯৭

দিল তো পাগল হ্যায়

রাহুল

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

পরদেশ

অর্জুন সাগর

 

ইয়েস বস

রাহুল জোসি

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

কয়লা

শঙ্কর

-

গুদগুদি

বিশেষ উপস্থিতি

-

১৯৯৬

দুশমন দুনিয়া কা

বাদ্রু, বিশেষ উপস্থিত

-

আর্মি

অর্জুন, বিশেষ উপস্থিতি

-

চাহত

রূপ রাঠোর

-

ইংলিশ বাবু দেশি মেম

বিক্রম/হ্যারি/গোপাল মায়ুর

-

১৯৯৫

ত্রিমুর্তি

রমি সিং/ভোলে

-

রাম জানে

রাম জানে

-

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে

রাজ মেলহোত্রা

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

ওহ ডার্লিং! ইয়ে হ্যায় ইন্ডিয়া

হিরো

-

গুড্ডু

গুড্ডু বাহাদুর

-

জমানা দিওয়ানা

রাহুল মেলহোত্রা

-

করন অর্জুন

অর্জুন সিং/ভিজয়

-

১৯৯৪

আঞ্জাম

বিজয় অগ্নিহোত্রী

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার

১৯৯৩

কাবি হা কাভি না

সুনীল

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সমালোচকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

ডার

রাহুল মেহরা

মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার

বাজীগর

অজয় শর্মা/ভিকি মেলহোত্রা

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার

কিং আঙ্কেল

অনিল

-

১৯৯২

দিওয়ানা

রাজা সাহাই

বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিষেক পুরস্কার

মায়া মেমসাব

ললিত

-

দিল আশনা হ্যায়

করন

-

রাজু বান গেয়া জেন্টলম্যান

রাজু (রাজ মাথুর)

-

চমৎকার

সুন্দর শ্রীনিবাস্তব

-

১৯৮৮

In Which Annie Gives it Those Ones

 

-

 

প্রযোজকের ভূমিকায় শাহ্‌রুখ খানঃ

শাহ্‌রুখের প্রযোজিত ছবিগুলো হলঃ

১। ওম শান্তি ওম (২০০৭)

২। মাই নেম ইজ অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ (২০০৭)

৩। কাল (২০০৫)

৪। পেহেলি (২০০৫)

৫। ম্যায় হু না (২০০৪)

৬। চলতে চলতে (২০০৩)

৭। আশোকা (২০০১)

৮। ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি (২০০০)

 

শাহরুখ খানের টেলিভিশন অনুষ্ঠানঃ

১। দিল দরিয়া(১৯৮৭)

২। ফৌজী (১৯৮৮) - অভিমন্যু রাই

৩। সার্কাস (১৯৮৯)

৪। In Which Annie Gives It Those Ones (১৯৮৯)

৫। দুসরা কেওয়াল

৬। ইডিয়ট (১৯৯১) - পবন রঘুজান

৭। কারিনা কারিনা (২০০৪) - বিশেষ উপস্থিতি

৮। কৌন বনেগা ক্রোড়পতি (২০০৭) - সঞ্চালক

৯। আন্তাক্ষরী দ্য গ্রেট চ্যালেঞ্জ (২০০৭) - বিশেষ অতিথি

১০। ক্যা আপ পাঁচবী পাস সে তেজ হ্যায়? (২০০৮) – সঞ্চালক

 

শাহরুখের অর্জিত সম্মাননাগুলোঃ

আন্তর্জাতিক সম্মাননাঃ

১। ২০০৭ - ফরাসি সরকার কর্তৃক ‘শিল্পকলা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি’ উপাধি লাভ

২। ২০০৬ - দুবাইয়ের গভর্নর প্রদত্ত সম্মাননা

৩। ২০০৬ - মাদাম তুসোর মোমের জাদুঘরে স্থাপনা মুর্তি

 

ফিল্মফেয়ার পুরস্কারঃ

১। ২০১০ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা -মাই নেম ইজ খান

২। ২০০৮ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - চাক দে! ইন্ডিয়া

৩। ২০০৪ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - স্বদেশ

৪। ২০০২ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - দেবদাস

৫। ২০০০ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, সমালোচকদের রায়ে - মোহাব্বতে

৬। ১৯৯৮ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - কুছ কুছ হোতা হ্যায়

৭। ১৯৯৭ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - দিল তো পাগল হ্যায়

৮। ১৯৯৫ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে

৯। ১৯৯৪ - শ্রেষ্ঠ ভিলেন - আঞ্জাম

১০। ১৯৯৩ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, সমালোচকদের রায়ে - কাভি হাঁ কাভি না

১১। ১৯৯৩ - শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - বাজীগর

১২। ১৯৯২ - শ্রেষ্ঠ উদীয়মান অভিনেতা - দিওয়ানা

 

বিশেষ পুরস্কারঃ

১। ২০০২ - ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার সুইস কনস্যুলেট ট্রফি

২। ২০০৩ - ফিল্মফেয়ার শক্তি পুরস্কার (যৌথভাবে - অমিতাভ বচ্চনের সাথে)

৩। ২০০৪ - ফিল্মফেয়ার শক্তি পুরস্কার

 

অন্যান্য চলচ্চিত্র পুরস্কারঃ

১। স্টার স্ক্রীন অ্যাওয়ার্ডস – ৭ বার

২। ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস - ২ বার

৩। জি সিনে পুরস্কার - ৬ বার

৪। বলিউড মুভি অ্যাওয়ার্ডস - ৪ বার

৫। গ্লোবাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস - ২ বার

৬। রুপা সিনেগোয়ার পুরস্কার - ১০ বার

৭। সানসুই ভিউয়ার'স চয়েস মুভি পুরস্কার - ৬ বার

৮। আফজা পুরস্কার - ২ বার

৯। আশীর্বাদ পুরস্কার - ১ বার

১০। ডিজনি কিডস চ্যানেল পুরস্কার - ১ বার

১১। এম.টি.ভি. পুরস্কার - ১ বার

১২। স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড পুরস্কার - ১ বার

১৩। সাহারা ওয়ান সঙ্গীত পুরস্কার – ১ বার (আপুন বোলা গানের জন্য শ্রেষ্ঠ নায়ক ও গায়ক)

 

জাতীয় সম্মাননাঃ

১। ১৯৯৭ - শ্রেষ্ঠ ভারতীয় নাগরিক

২। ২০০২ - রাজীব গান্ধী পুরস্কার

৩। ২০০৫ - পদ্মশ্রী পুরস্কার, ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ সরকারী সম্মান

৪। ২০০৭ - আওয়াদে আহমেদ ফারাহ

 

অন্যান্যঃ

১। ২০০১ - জেড ম্যাগাজিন (Jade Magazine) পুরস্কার এশিয়ার সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী পুরুষ

২। ২০০৪ - এশিয়ান গিল্ড (Asian Guild) পুরস্কার বলিউডের যুগের শ্রেষ্ঠ তারকা

৩। ২০০৪ - পেপসি সবচেয়ে প্রিয় তারকা পুরস্কার

৪। ২০০৪ - 'এফ-পুরস্কার' ভারতীয় ফ্যাশন তারকা মডেল

৫। ২০০৪ - ছোট কা ফুন্ডা পুরস্কার

৬। ২০০৪ - টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ

৭। ২০০৪ - সবচেয়ে তেজ বছরের শ্রেষ্ঠ পারসোনালিটি

৮। ২০০৪ - এম.এস.এন. বছরের শ্রেষ্ঠ সার্চ পারসোনালিটি পুরস্কার

৯। ২০০৫ - ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ

১০। ২০০৬ - "হামীর-ই-হিন্দ" খেতাব, "দেশভক্ত" সংবাদপত্র থেকে

 

‘আই,পি,এল’ –এ শাহ্‌রুখঃ

শাহরুখ খান, তাঁর ‘রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট’ (তার নিজস্ব প্রোডাকশন হাউজ) এর মাধ্যমে, ‘ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আই,পি,এল)’ এর দল ‘কলকাতা নাইট রাইডার্স (কে,কে,আর)’ -এর অন্যতম মালিক। তিনি এবং তাঁর বন্ধু ও সহ-অভিনেত্রী জুহি চাওলার স্বামী জয় মেহতা এই দলটিকে কিনে নেন। প্রসংগত উল্লেখ্য যে শাহরুখ, কলকাতা ছাড়াও দিল্লী, মুম্বাই, চন্ডীগড় এবং জয়পুর, এই দলগুলোর জন্যও দরপত্র দিয়েছিলেন।

 

আপডেটের তারিখঃ ৩১ মার্চ, ২০১৩

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
মিষ্টি জান্নাততার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
মারজান জেনিফাতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
তিশা-ফারুকীর প্রেমকাহিনীপ্রথম পরিচয়, প্রেম, বিয়ে সহ সকল তথ্য রয়েছে
আমব্রিনতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
সানিতাতার সম্পর্কে খুঁটিনাটি কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
সোনিয়া হোসেনতার সম্পর্কে খুঁটিনাটি কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
মারিয়া চৌধুরীতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
পিয়া বিপাশাতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
বিপাশা কবিরতার জীবনের খুঁটিনাটি কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে
সাফা কবিরতার সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
আরও ১১১ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি