পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

বাংলাদেশের ইতিহাসের গৌরবময় সাহসী এক অধ্যায় এদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজ উদ দৌলার পরাজয়ের পর ১৭৫৭ – ১৯৭১ দীর্ঘ এই দুই শতকে বহু বীর বহুবার স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে, লড়াই করেছে, শহীদ হয়েছে। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এ জাতি বিজয় ছিনিয়ে আনে, পূরণ হয় দুই শতকের স্বাধীনতার স্বপ্ন। সেই সব সংগ্রামের সাহসী কাহিনী তথ্য চিত্র, আলোকচিত্র এবং ইতিহাসের নানান স্বারকের সমন্বয়ে গড়ে উঠে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। আটজন ট্রাস্ট্রি উদ্যোগে ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ সেগুন বাগিচার একটি সাবেকী ভবনে এর দ্বার উন্মুক্ত করা হয়। এই জাদুঘর জাতির গৌরবদীপ্ত ইতিহাসের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের সম্পৃক্তির মাধ্যমে বিকশিত সমাজ গঠনে প্রেরণা সঞ্চারে সচেষ্ট রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিচালিত হয়।

 

অবস্থান

৫, সেগুন বাগিচা, ঢাকা – ১০০০। শিল্পকলা একাডেমি থেকে দুই-তিন মিনিটের পায়ে হাঁটার দূরত্বে এটি অবস্থিত।

 

পরিদর্শনের সময়সূচি

  • মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শনের সময়সূচি গ্রীষ্মকাল ও শীতকাল এই দুই ভাগে নির্ধারণ করেছেন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।
  • গ্রীষ্মকাল: সোমবার থেকে শনিবার, সকাল ১০.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • শীতকাল: সোমবার থেকে শনিবার, সকাল ১০.০০ টা থেকে বিকাল ৫.০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • রবিবার জাদুঘর বন্ধ থাকে।
  • জাদুঘর পরিদর্শনের জন্য দর্শনার্থীরা সাধারণত শুক্রবার ও শনিবার বেশী ভিড় করে। এছাড়া ১লা বৈশাখ, ২৬ শে মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর, ১৭ই মার্চ, ১৫ই আগষ্ট এসব দিনগুলোতে ভিড় হয়। সাধারণত সকল শ্রেণীর লোকজন জাদুঘর পরিদর্শনে আসে।

 

টিকেট সংক্রান্ত তথ্য

  • জাদুঘরে প্রবেশের জন্য কাউন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়। প্রধান গেইটের বাম পাশে জাদুঘরের কাউন্টারটি অবস্থিত। টিকেট মূল্য ৫ (পাঁচ) টাকা। তবে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা বিনামূল্যে জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবে।
  • জাদুঘরে প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও অন্যান্য জিনিসপত্র কাউন্টারে জমা রাখতে হয়।

 

জাদুঘর প্রাঙ্গণ

জাদুঘর ভবনের প্রবেশ মুখের ছোট প্রাঙ্গণে রয়েছে শহীদ ডা: মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ব্যবহৃত একটি গাড়ি (ঢাকা-গ ৩২২০) এবং ভবনের সামনে শিখা চির অম্লান যেখানে লেখা আছে –

 

“সাক্ষী বাংলার রক্ত ভেজা মাটি

সাক্ষী আকাশের চন্দ্র তারা

ভুলি নাই শহীদের কোন স্মৃতি

ভুলবো না কিছুই আমরা”

 

জাদুঘর

  • জাদুঘর ভবনটি ৩ (তিন) তলা। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় প্রদর্শনী চলে। জাদুঘরের প্রবেশের পথে হাতের ডান পাশে রয়েছে একতলা একটি ভবন যেখানে রয়েছে একটি অডিটোরিয়াম, অফিস এবং একটি বিক্রয় কেন্দ্র যেখানে মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিভিন্ন বই ও স্মারক বিক্রি করা হয়। এছাড়া জাদুঘর ভবনের পেছনে রয়েছে আউটরিচ কক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া। ক্যাফেটেরিয়ার সামনে রয়েছে একটি প্রাঙ্গণ যাকে ক্যাফে থিয়েটার বলা হয়। ক্যাফেটেরিয়ার সামনে রয়েছে ছনের তৈরি চারটি ছাতা এবং প্রতি ছাতার নিচে রয়েছে তিনটি করে চেয়ার। এখানে বসে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন জল খাবার খেতে পারেন।

 

জাদুঘর ভবনের নিচতলার প্রথম কক্ষ

  • এখানে ২টি গ্যালারী রয়েছে।

 

গ্যালারী – ১: “বাংলার সর্ব ধর্মমত সহিষ্ণু সমাজ ও উদার নৈতিক সংস্কৃতি”

  • প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য ও জনপদ সম্পর্কে ধারণা দিতে এখানে প্রদর্শিত হয়েছে – ষাটগম্বুজ মসজিদ, নবরত্নকান্তনগর মন্দির, অতিশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ও পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের চোট কাঁচে ঘেরা রেপ্লিকা, তালপাতার পুথি, প্রাচীন গীর্জা, প্রাচীন বাংলার শিল্প কর্মের নিদর্শন এর কিছু ছবি।

 

গ্যালারী – ২

  • ব্রিটিশ শাসন আমল: স্থানীয় ও জাতীয় সংগ্রাম, ব্রিটিশ শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে এই গ্যালারীতে। এখানে সংরক্ষিত আছে পলাশী যুদ্ধে উভয় পক্ষের সেনাদলের অবস্থানের নকশা, অসহযোগ ও স্বদেশী আন্দোলনের সময় চরকায় কাঁটা সুতি শাড়ি এবং বিদেশী পণ্য বর্জন আন্দোলনের সময়কার কাঁটা সুতি শাড়ি এবং ঢাকার বিখ্যাত মসলিন শাড়ি।

 

জাদুঘর ভবনের নিচতলার ২য় কক্ষ

  • এখানে রয়েছে পাকিস্তান জন্ম ইতিহাসের ছবি এবং প্রাগৌতিহাসিক যুগের নিদর্শন।

 

নিচতলার ছোট ৩য় কক্ষ

  • বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যেসব বীর বাঙ্গালী ফাঁসি কাষ্ঠে জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই সব বীরদের একটি তালিকা রয়েছে এই কক্ষে। এই তালিকায় ক্ষুদিরাম বসুসহ মোট ২৯ জনের নাম রয়েছে।

 

নিচতলার ৪র্থ কক্ষ

  • (১৯৪৮ – ৫২) ৬৮, ৬৯ এবং ৭০ – এ ঘটে যাওয়া আন্দোলন ও কর্মসূচির ছবি প্রদর্শিত হয়েছে এই কক্ষে। এই ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে – গণ আন্দোলনে নারী সমাজ, ভাষা আন্দোলন, মুসলিম লীগের ভরাডুবি ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় এবং সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের ছবি। এছাড়াও রয়েছে তথাকথিত আগরতলা ষড়য্ন্ত্র মামলার সময়কার ছবি এবং জেনারেল ইয়াহিয়া খাঁনের ক্ষমতা গ্রহণ ও সাধারণ নির্বাচনের ছবি।
  • নিচতলার চতুর্থ কক্ষে থেকে পরবর্তী কক্ষে যাওয়ার পথে বারান্দায় রয়েছে একটি টাচ স্ক্রীন মনিটর যেখানে নির্দেশাবলী মেনে টাচ করলে খুব সহজেই ইতিহাসের ছবি ও ভিডিও দেখা যাবে।

 

নিচতলার ৫ম কক্ষ

  • একাত্তরে উত্তাল বাংলার গর্জে ওঠা ও ২৫শে মার্চ এর গণহত্যার চিত্র ফুটে উঠেছে এই কক্ষে সংরক্ষিত ছবিগুলোতে। এখানে দেখতে পাবেন একাত্তরের শরনার্থী শিবিরের মানবেতর জীবন চিত্র।
  • অসহযোগ আন্দোলন, ঢাকায় ভয়াবহ গণহত্যা (১৯৭১, ২৫ মার্চ), ইয়াহিয়া, ভূট্টোর প্রতারণামূলক আলোচনা, সেক্টর কমান্ডারদের নেতৃত্বে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকার গঠনের ছবি ও লিখিত বর্ণনা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও মুজিবনগর মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণের ছবি ও লিখিত বর্ণনা। এছাড়া আরো দেখেত পাবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কিছু যন্ত্রাংশ।
  • জাদুঘর ভবনের ২য় তলায় উঠার সিড়িতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বেশ কিছু ছবি প্রদর্শিত হয়েছে।

 

জাদুঘর ভবনের ২য় তলার প্রথম কক্ষ

  • এখানে সংরক্ষিত আছে ধর্মের বিরুদ্ধে পাক বাহিনীর ছবি, শহীদদের ব্যবহার করা ব্রিফকেস, চশমা, বই, কলম, হাত ঘড়ি, ডাইরী, মানি ব্যাগ ইত্যাদি।
  • দ্বিতীয় তলার প্রথম কক্ষ থেকে ২য় কক্ষে যাওয়ার পথের বারান্দায় রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের ১১টি সেক্টরের ম্যাপ, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিত ও প্রবাসী বাঙ্গালীদের অবদানের ছবি।

 

দ্বিতীয় তলার ২য় কক্ষ

  • এই কক্ষে সংরক্ষিত আছে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র, নৌ কমান্ডারদের ছবি ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র, বাংলাদেশ বেতারের দলিলপত্র সহ আরো অনেক কিছু।

 

দ্বিতীয় তলার ৩য় কক্ষ

  • দৈনিক পত্রিকাগুলোর ছবিসহ সংবাদ, শহীদ বদিউজ্জামান, শহীদ করিমুজ্জামান এবং শহীদ শাহজাহান এর ব্যবহৃত রেডিও, খেলায় জিতে পাওয়া কাপ এবং তাদের মৃত্যু শয্যার ছবি প্রদর্শিত হয়েছে এই কক্ষে।

 

 জাদুঘর ভবনের দ্বিতীয় তলার ৪র্থ কক্ষ

  • ৭১-এর গণহত্যার বাস্তব চিত্র দেখতে পাওয়া যাবে এই কক্ষটি পরিদর্শন করলে। এখানে সংরক্ষিত আছে, বধ্যভূমি থেকে উদ্ধারকৃত শহীদের ব্যবহৃত সামগ্রী, মিরপুরের মুসলিম বাজার ও জল্লাদখানা থেকে উদ্ধারকৃত খুলি, হাড় এবং নারী নির্যাতনের কয়েকটি ছবি।
  • জাদুঘর ভবনের ২য় ও ৩য় তলায় যাতায়াতের জন্য ভবনের ভিতরে এবং বাইরে দুটি সিড়ি রয়েছে। জাদুঘরে গমন এবং নির্গমন একমুখী।

 

ভ্রাম্যমান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

  • ভ্রাম্যমান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নতুন প্রজন্মের ছাত্র/ছাত্রীদের দ্বারা ইতিহাস সংগ্রহের কাজ করে। একটি বৃহৎ আকার বাসের ভেতর প্রদর্শনী সাজিয়ে একে পরিণত করা হয়েছে খুদে জাদুঘরে। ২০০৯ সাল থেকে ভ্রাম্যমান জাদুঘর বাসটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে। ২০০৩ সাল থেকে বিশেষভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনী আয়োজন করছে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের পরিবার পরিজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে যারা একাত্তরের দিনগুলো প্রত্যক্ষ করেছেন তাঁদের কোন একজনের অভিজ্ঞতার বিবরণী শুনে তা নিজ ভাষায় লিখে জাদুঘরে প্রেরণ করতে উদ্ধুদ্ধ করে।

 

লাইব্রেরী

  • জাদুঘর ভবনের তিনতলায় জাদুঘরের নিজস্ব লাইব্রেরী রয়েছে। এখানে প্রায় ৩,০০০ (তিন হাজার) বই রয়েছে। এর সবগুলো বই মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত। প্রতি বছরই মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত নতুন প্রকাশিত বইগুলো এখানে সংগ্রহ করা হয়। এখানে একসাথে ৪-৫ জন লোক বসে বই পড়তে পারে। তবে বই বাসায় নেওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই।

 

অডিটোরিয়াম

  • জাদুঘরে অডিটোরিয়াম রয়েছে ১টি। সেটি বিভিন্ন প্রকার সভা, সেমিনার আয়োজনের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। অডিটোরিয়ামে একসাথে ১০০ জন লোক বসার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা রয়েছে। অডিটোরিয়ামের ভেতর সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা রয়েছে। এর জন্য আলাদা কোন চার্জ দিতে হয় না। অডিটোরিয়াম প্রতিদিন বিকাল ৪.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.০০ টা পর্যন্ত ব্যবহারের জন্য ভাড়া দেয়া হয়। অডিটোরিয়ামের ভাড়া ৪,০০০ টাকা।
  • জাদুঘরের ক্যাফে ও থিয়েটার ভাড়া দেওয়া হয়। এর ভাড়া ৪,০০০ টাকা। বিকাল ৪.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.০০ টা পর্যন্ত জাদুঘরের অডিটোরিয়াম ও ক্যাফে থিয়েটার ভাড়ার জন্য জাদুঘরের ব্যবস্থাপক বরাবর দরখাস্ত করতে হবে এবং জাদুঘর কর্তৃক প্রদত্ত নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হবে।

 

দলগত প্রবেশের সুযোগ

  • স্কুল, কলেজ অথবা অন্যকোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জাদুঘরের মহাব্যবস্থাপক বরাবর আবেদন করে চাহিদা মাফিক তারিখে জাদুঘর ফাঁকা থাকলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে দলগতভাবে জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ পরিদর্শনে আসা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করে এবং বিজয়ী তিনজনকে পুরস্কৃত করে।

 

ফুড কর্ণার

  • জাদুঘর ভবনের পিছনেই ফুড কর্ণারের অবস্থান। এখানে চিপস ১০ টাকা, চা ৮ টাকা, কফি ১৫ টাকা, সিংগারা ৬ টাকা, সমুচা ১৫ টাকা, আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংকস, মিনারেল ওয়াটার ও বিস্কুট পাওয়া যায়।

 

অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিং

  • জাদুঘর ভবনের দেয়ালে রয়েছে অগ্নি নির্বাপনের নানা যন্ত্র যা দিয়ে আগুন নিভানো যাবে। অগ্নি নির্বাপন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য জাদুঘরের ভেতর ৮ জন নিরাপত্তা কর্মী শিফট করে দায়িত্ব পালন করে। এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের কোন সুবিধা নেই।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরদেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা নিদর্শনের প্রদর্শনী
ভাষা আন্দোলন জাদুঘরভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক জিনিস গুলো সংরক্ষিত আছে
আহসান মঞ্জিলঢাকার নবাবদের প্রাসাদ ও দরবার হল
লালবাগ কেল্লামোঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত দূর্গ
শহীদ বরকত জাদুঘরভাষা শহীদ আবুল বরকতের স্মৃতি স্মরণে
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরমহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন নিদর্শন স্থল
সামরিক জাদুঘরএই জাদুঘর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বিমান বাহিনী জাদুঘরঢাকার আগারগাঁওয়ের বিমান বাহিনী জাদুঘর পরিদর্শনে প্রয়োজনীয় তথ্য
টাকা জাদুঘরএই জাদুঘর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মৃতি জাদুঘরস্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতার স্মৃতিচারণ স্বরূপ
আরও ২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি