পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

কুমারিত্বের প্রমাণই সুযোগ করে দেবে শিক্ষাবৃত্তির

দক্ষিণ আফ্রিকা পৃথিবীর এমন একটি দেশ যেখানে মেয়েদের মত প্রকাশের বয়স ধরা হয়েছে ১৬ বছর। এরপরেও কোন কোন ক্ষেত্রে এর কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। আর তা হলো বারো বছরের বড় এবং ষোল বছরের ছোটরা একে অপরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে যেতে পারবে। আর এই প্রবণতা দেশটিতে বেড়ে যাওয়ার কারণেই মূলত দেশটির সরকারের এই ব্যবস্থা গ্রহন। সেই সঙ্গে আছে আরো বেশ কিছু কারণ। তবে মেয়েদের বেশ উৎসাহের সঙ্গে এই বৃত্তি গ্রহন করতে দেখা যায়। কুমারী বৃত্তি পেয়েছেন এমন একজন হলো থুবেহলিহ দোলদো তার ভাষ্যমতে-

‘সেদিনটি ছিল আমার জন্য স্মরনীয়। আমি খুব ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলাম পাশের গ্রামে। সেখানে যাবার পর দেখি ১৮ বছরের একজন কিশোরী বৃত্তি পেয়েছে। এই বৃত্তি পাওয়ার জন্য তাকে শুধুমাত্র ছোট একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়েছে। আর তা হলো তাকে তার কুমারীত্ব প্রমাণ করতে হয়েছে। তখন আমি মনে করলাম আমার পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার জন্য এটাই কেবল একটি রাস্তা খোলা। আমার কুমারীত্ব প্রমাণই একমাত্র সুযোগ আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। কারণ আমার বাবা-মার পক্ষে আমার পড়ালেখার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। এই বৃত্তি পাওয়ার জন্য আমাকে নিয়মিত কুমারীত্ব পরীক্ষা করতে হতো। কিন্তু আমার কখনো এ বিষয়টি নিয়ে খারাপ লাগতো না। আমার মতে কুমারীত্ব পরীক্ষা করা আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে অনেকটা মিশে গেছে। আমি এতে দুঃখ প্রকাশ না করে বরং গর্ববোধ করি যে, আমি এখনো পবিত্র আছি’। বর্তমানে তিনি তার কলেজ জীবন পেড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পৌঁছেছে।

এদিক দিয়ে কুমারীত্বকে কেন্দ্র করে মেয়েদের বৃত্তি দেয়ার ব্যাপারটি অনেকেই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছে। অনেকে আবার এর বিরোধীতা করেছেন। তাদেরই অনেকে বলছেন শিক্ষার সুযোগ করে দেয়ার জন্য এমন কাজ মোটেও যুক্তিসঙ্গত নয়। অনেকে আবার বলছেন যদি এমনটাই করা হয় তবে শুধু মেয়রা কেন ছেলেরা কেন এদিক থেকে সুবিধা ভোগ করবে। মেয়েদের নীচু দেখানোর জন্যই মূলত এমনটা করা বলে মনে করছেন দেশটির সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তবে এ ব্যাপারে সরকার পক্ষ বলছেন এটা মোটেও উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নয়। বরং মেয়েদের নিরাপদ রাখতে তাদের এই প্রয়াস। চাইলে তারা পড়ালেখা শেষ করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। তবে পরিশেষে এ কথা বলতেই হয়, সরকারের এমন উদ্যেগ দেশটির তরুণীদের জন্য খুব একটা সুফল বয়ে আনছে তা কিন্তু নয়। বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে, ২০১১ সালে দেশটিতে গর্ভবতী হওয়া তরুণীর সংখ্যা ৬৮ হাজার যা ২০১২ সালে বেড়ে দাড়িয়েছিল ৮১ হাজার এবং ২০১৩ পর্যন্ত তা হয় এক লাখেরও বেশি। এদের মধ্যে প্রতি হাজারে ১৮০ জন শিক্ষার্থী গর্ভবতী হচ্ছেন পাশাপাশি একই সংখ্যক শিক্ষার্থী গর্ভাবস্থার জন্য দায়ীও বটে। আর এরমধ্যে ৩৬ শতাংশ সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় মারা যায়। শুধু এখানেই শেষ নয়, অনেকে আবার এইচআইভি নামক মরণব্যাধিতেও আক্রান্ত হচ্ছে। তবে না বলেলেই নয়, বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্ত দেশে হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকাই সবার শীর্ষে আছে। এখন দেখার বিষয় সরকারের এমন উদ্যেগ সামনের বছরগুলো দেশটির জন্য কেমন সুফল বয়ে আনে।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
জাপানি বিজ্ঞানীর জমজমের পানির রহস্য আবিষ্কার করলেন!এখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
অবশেষে ফেঁসে যাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজবিস্তারিত জানুন টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ সম্পর্কে
পোষা সিংহ নিয়ে ব্যস্ত সড়কে, আটক করলো পুলিশএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
রোগ সারানোর নামে মারধরের পর গোবর খাওয়ানো হল তরুণীকে এখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
গোমূত্রে তৈরি সাবান, শ্যাম্পু বিক্রি করবে আরএসএসএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
ফিডারের দুধে বিষ মিশিয়ে সন্তানকে হত্যা, মা আটকএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
মাত্র একঘন্টার জন্য ইফতার করেন ফিনল্যান্ডের মুসলমানরাএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
ট্রাম্পের নামে টয়লেট পেপার!এখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
দাড়ি না কাটায় স্বামীর মুখ ঝলসে দিলেন স্ত্রীএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
আরও ১৩২০ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি