পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

বৃদ্ধাশ্রমেই শেষ আশ্রয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের!

দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে। ২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়ালের (৭০)। অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিলো তাঁর। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে। তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াসিন, আমেরিকা প্রবাসী। এরপর বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান। সবার ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী।

 

জীবনে এতো কিছু থাকার পরও আজ তার দু’চোখে অন্ধকার। থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে। ঈদের দিন কেমন কেটেছে প্রবীণদের, খোঁজ নিতে নামাজ পরেই যাওয়া হয় প্রবীণ নিবাসে।

 

আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেছি। এরপর শিক্ষকতা। জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি। ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেওয়ার সময়ও আমার ২ কোটির বেশি টাকা ছিল। সেসব টাকার মধ্যে কিছু একটি এমএলএম কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে ধরা খাই। এরপর আবার অপরিচিত একজনের আশ্বাসে আফ্রিকা যাওয়ার জন্য ৫০ লাখ টাকা দিয়ে ধরা খাই। তারপর জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। ছেলে-মেয়েরা আমার খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।

 

কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের। এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল। তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেনো। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেনো? বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম? অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গালি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাই নি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি।

 

ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে । সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা অথচ আমাকে জানালোও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি। কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

 

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনোদিন ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

 

অধ্যাপক আউয়ালের ক্ষোভটা বড় ছেলের দিকে। তিনি বলেন, আমার অন্য সন্তানদের চাইতে বড়টা একটু বেশি চতুর। ওই সব কল-কাঠি নাড়াচ্ছে। আমার সব টাকা ও-ই বিভিন্ন সময় নিয়েছে। এখনো ওর কাছে ৬০ লাখ টাকা পাই। সেই টাকা দিচ্ছে না। আমি উকিলের মাধ্যমে টাকা চেয়ে পাঠাই, ছেলে বলেছে তার কাছে কোন টাকা নাই। মনের ক্ষোভে বলতে থাকেন, টাকা যদি নাই দেয় তাহলে আমার ছেলেকে আমি ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করবো।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
জাপানি বিজ্ঞানীর জমজমের পানির রহস্য আবিষ্কার করলেন!এখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
অবশেষে ফেঁসে যাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজবিস্তারিত জানুন টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ সম্পর্কে
পোষা সিংহ নিয়ে ব্যস্ত সড়কে, আটক করলো পুলিশএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
রোগ সারানোর নামে মারধরের পর গোবর খাওয়ানো হল তরুণীকে এখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
গোমূত্রে তৈরি সাবান, শ্যাম্পু বিক্রি করবে আরএসএসএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
ফিডারের দুধে বিষ মিশিয়ে সন্তানকে হত্যা, মা আটকএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
মাত্র একঘন্টার জন্য ইফতার করেন ফিনল্যান্ডের মুসলমানরাএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
ট্রাম্পের নামে টয়লেট পেপার!এখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
দাড়ি না কাটায় স্বামীর মুখ ঝলসে দিলেন স্ত্রীএখানে বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে।
আরও ১৩২০ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি