পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনী

১৯৪৭ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটো দেশ ঠাই করে নিয়ে ছিল অথবা ভারতবর্ষ থেকে ব্রিটিশরা শাসনকার্য তুলে নিয়ে ছিল অথবা দেশ বিভাগের নামে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা অথবা ইতিহাসে মানুষের সবচেয়ে বড় স্থানান্তর- যে চিত্রটির দিকেই তাকান হোক না কেন তা ছিল মূলত বিচ্ছেদ, বেদনা আর বিয়োগের চিত্র। কিন্তু সেসময় দুটো  রাষ্ট্রের বিভাগের কারণে দুটো ব্যক্তি হৃদয়ও এরকম বিচ্ছেদের সম্মুখীন হয়েছিল সেই ইতিহাস কজনই বা জানেন। আর ব্যক্তি দুজন ছিলেন দুটো রাষ্ট্রের ক্ষমতার শীর্ষ পদে আসীন। ব্যক্তি দুজন হচ্ছেন তৎকালীন বিভক্ত ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু ও ভারতের শেষ ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেনের সুন্দরি স্ত্রী এডুইনা মাউন্টব্যাটেন। ইতিহাসের সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্তে, ঘটনার কেন্দ্রে ছিলেন এই দুজন চরিত্র – যাদের ভালবাসার গল্প আজও বোধহয় ভারতে সবচেয়ে বিখ্যাত প্রেমকাহিনী হয়ে আছে। তাদের প্রেমকাহিনী নিয়ে যদি কোন উপন্যাস লেখা হয় তাহলে তা কল্পকাহিনী মনে হতে পারে। আসলে তাদের প্রেম কাহিনীই ছিল রূপকথার মত যেন দুই দেশের দুই রাজা-রানীর প্রেম অতঃপর বিচ্ছেদ। যে প্রেমে নেই কোন বয়স, পরিবার অথবা রাষ্ট্রীয় নিয়ম কানুনের শৃঙ্খল। কিন্তু অদ্ভুত হলেও সত্য তাদের মধ্যে অবিশ্বাস্য ভালবাসার সম্পর্ক ছিল। এটি এমনই একটি সম্পর্ক ছিল যেটি অদ্ভুত হলেও অর্থবহ ছিল যার কারণে লর্ড মাউন্টব্যাটেন জেনে বুঝেও অন্ধ হয়ে ছিলেন। এবং মনে হয় তিনি এ সম্পর্ককে উৎসাহিতই করেছেন যাতে করে এই ঐতিহাসিক সময়ে তার স্ত্রীর কাছে থাকা ভারতীয় মনটাকে জানতে ও বুঝতে পেরে লাভবান হতে পারেন। সম্পর্কটার আরেকটা মজার দিক ছিল যে এটি যতটা না ছিল শারীরিক তার থেকে বেশি ছিল আত্মার।

এ সম্পর্কটা বুঝতে হলে সম্পর্কের ব্যক্তি দুজনকে কাছ থেকে বুঝতে হবে।  সম্পর্কের পূর্বে ব্যক্তি দু জন কেমন ছিলেন, তাদের পরিবার, সন্তান, যৌন-জীবন। সে সম্পর্কে একটু চোখ বুলানো যাক।

প্রথমেই জেনে নেই এডুইনা এশলি মাউন্টব্যাটেন সম্পর্কে। এক ইহুদি বিনিয়োগকারী যিনি ব্রিটিশ রাজ পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন তার নাতনি হচ্ছেন এডুইনা মাউন্টব্যাটেন। এডুইনা মাউন্টব্যাটেন সে সময় খুবই ধনী ও সুন্দরি মহিলাদের একজন ছিলেন। প্রসঙ্গত তিনি সে সময় বিশ্বের ছয় জন সুন্দর পোশাক পরিহিত মহিলাদের একজন নির্বাচিত হয়ে ছিলেন।  ১৯২২ সালে তিনি বিয়ে করেন ২১ বছর বয়সী লর্ড লুইস মাউন্টব্যাটেনকে। বস্তুত এটি ছিল সোনায় সোহাগা দম্পতি। লর্ড মাউন্টব্যাটেন তাকে খুব ভালবাসতেন। কিন্তু সমস্যা ছিল লর্ড মাউন্টব্যাটেন যৌনতায় কম দক্ষতা সম্পন্ন ছিলেন। তবে এরকম গুজব ছিল যে লর্ড মাউন্টব্যাটেন সমকামী ছিলেন। সম্পর্কটা আরও স্তিমিত হয়ে যায় যখন তাদের প্রথম সন্তান প্যাট্রিসিয়া জন্মায়। এর ফলে এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের নিজের সন্তান তার জন্য হিংসার কারণ হয়ে দাড়ায়। কারণ তার স্বামীর কাছে তাদের সন্তান মনোযোগের  কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠে  ছিল। তাই সন্তানকে তিনি লালন পালনের জন্য খুব দূরে আয়ার কাছে পাঠিয়ে দেন। এরপর নিজের যৌন জীবন চাঙ্গা করতে প্রেমিকের সন্ধানে নেমে পড়েন। এসময় তার জীবনে অনেক পুরুষ আসে। দ্বিতীয় সন্তান জন্মের আগ পর্যন্ত তার এই অবাধ যৌনতাপূর্ণ সম্পর্ক চলতে থাকে। যে সময় এডুইনা মাউন্টব্যাটেন বিভিন্ন সম্পর্কে জড়াচ্ছিলেন সে সময় জহরলাল নেহেরু দেশের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছিলেন।

জহরলাল নেহেরু জন্ম গ্রহণ করেন ১৮৮৯ সালে। তিনি খুবই ধনী ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান ছিলেন। তার বাব একজন আইনজীবী ছিলেন। জহরলাল নেহরু পড়াশুনো করেছিলেন ব্রিটেনের প্রাইভেট স্কুল ইটনে, আর কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি ১৯১৬ সালে কমলা নামের এক উচ্চ বংশীয় মেয়েকে বিয়ে করেন। একদিকে জহরলাল নেহেরু যেমন মহাত্মা গান্ধির অহিংস দর্শন মেনে কাজ করছিলেন তেমনি তার স্ত্রী নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছিলেন। ১৯৩৬ সালে কমলা টিউবারকুলেসিস রোগে আকস্মিক মৃত্যুবরন করেন। এরপর জহরলাল নেহেরু আর বিয়ে করেননি। ঐ দিকে লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে জাপানের সাথে যুদ্ধে সফলতার জন্য পুরস্কার হিসেবে ভারতে পাঠানো হয় ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া মসৃণভাবে সম্পন্ন করতে। সে সময় মাউন্টব্যাটেনের পাশেই ছিলেন তাঁর স্ত্রী এডুইনা – অত্যন্ত গ্ল্যামারাস, রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের কন্যাসমা আর প্রচুর ধনসম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী। যদিও ভারতে এসে জহরলাল নেহেরুর সাথে এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এটি তাদের প্রথম সাক্ষাৎ ছিলনা। এডুইনা মাউন্টব্যাটেন তার বিয়ের পূর্বে যখন ভারতে এসেছিলেন তখনও জহরলাল নেহেরুর সাথে সাক্ষাৎ করে ছিলেন। এডুইনার ছোট মেয়ে পামেলা হিকসের বয়স তখন আঠারো। তার বিবরণীতে তিনি লেখেন যে তিনি বিশ্বাস করেন সেই সম্পর্কটা প্রচলিত অর্থে পরকীয়া প্রেমের ছিল না, কিন্তু তাঁর মা ও পণ্ডিত নেহরু একে অপরকে অবশ্যই গভীরভাবে ভালবাসতেন। তাঁর কথায়, ‘আমার মা ও পন্ডিতজি পরস্পরকে ভীষণ ভালবাসতেন, পুরনো আমলে যেমন বলা হত না – তারা যেন ছিলেন আত্মার আত্মীয়!’আমার বাবা ছিলেন বহির্মুখী স্বভাবের, যা নিয়েই তিনি চিন্তায় পড়তেন সব আমাদের সঙ্গে খোলাখুলি বলতেন। মা কিন্তু ছিলেন সম্পূর্ণ উল্টো স্বভাবের, ভীষণ অন্তর্মুখী। তারা অবশ্যই একে অপরের দারুণ সঙ্গী ছিলেন, নইলে তাদের বিয়েটা এতদিন টিঁকতো না।’ কিন্তু তিনি যে নি:সঙ্গ ছিলেন, ভীষণ নি:সঙ্গতা আর হতাশায় ভুগতেন তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তিনি তখন মধ্য চল্লিশ, আর তখনই আচমকা এমন একজনের সঙ্গে তাঁর দেখা হল যিনি খুব সংবেদনশীল, মুগ্ধ করার মতো, সংস্কৃতিবান, আর সেই সঙ্গে আকর্ষণীয় – আর মা সঙ্গে সঙ্গে তাঁর প্রেমে পড়ে গেলেন!’ জহরলাল নেহেরু খুবই উচ্চশিক্ষিত, প্রগতিশীল, প্রেমে পড়ার মতোই ব্যক্তিত্ব। ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের মুহূর্তটি যখন এল, ততদিনে তিনি মাউন্টব্যাটেন পরিবারের গভীর বন্ধুতে পরিণত হয়েছেন। লেডি হিকসের কথায়, ‘অসাধারণ চমৎকার কন্ঠস্বর, আর তেমনই বাগ্মিতা। তাঁর সঙ্গ ছিল সবার প্রিয়, আর ক্যারিশমা ছিল সাঙ্ঘাতিক। আমরা মার্চের শেষে ভারতে গেলাম, আর মাত্র মাস পাঁচেকের মধ্যেই আমরা সবাই পন্ডিতজিতে মুগ্ধ !’ ‘অন্যদিকে তিনিও কিন্তু নি:সঙ্গ ছিলেন, তাঁর স্ত্রী মারা গেছেন বহুদিন আগেই, তাঁর মেয়ে ইন্দিরাও নিজের পরিবার-সন্তানদের নিয়ে আর পাশাপাশি কংগ্রেস পার্টির কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত। আর আপনি যখন প্রধানমন্ত্রী বা ওরকম কোনও উঁচু পদে চলে যান, আপনিও কিন্তু নি:সঙ্গ হয়ে পড়েন – বহু বছরের চেনা পুরনো বন্ধুরাও খুব ফর্ম্যাল আচরণ করতে থাকে!’ ‘এরকম

একটা অবস্থাতেই তাঁর দেখা হল অত্যন্ত আকর্ষণীয়া এক মহিলার সঙ্গে, তিনি যাই বলতেন ওই নারীর কাছে সেটা যেন দৈব অনুপ্রেরণার মতো লাগত! তিনি ছিলেন পন্ডিতজির আদর্শ শ্রোতা।’ ‘দুজনের জীবনে ঠিক যে জিনিসগুলোর অভাব ছিল, তারা পরস্পরের ঠিক সেই অভাবগুলোই মিটিয়ে দিলেন। দুটো নি:সঙ্গ মানুষের জীবন কাছাকাছি এল, যেন একটা স্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠল দুজনের মাঝে।’ লেডি হিক্স কিন্তু একটা কথা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, নেহরু আর এডুইনার প্রেম ছিল নিষ্কাম, লালসার কোনও আঁচ ছিল না তাতে। তিনি বলছিলেন, ‘আজকাল তো সব কিছুই তো এসে ঠেকে যৌনতায়! দুটো মানুষ পরস্পরকে ভীষণ আবেগ দিয়ে ভালবাসেন, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনও যৌন সম্পর্ক নেই – আজকের প্রজন্মের কাছে সেটা অদ্ভুত লাগতে পারে।’ লেডি হিক্স আরও বলছিলেন, এডুইনাকে যখন ভারত থেকে বিদায় নিতে হল, নেহরুকে ছেড়ে যাওয়ার সেই যন্ত্রণা ছিল হৃদয়বিদারক। ভারত ছাড়ার ঠিক আগে মা তাঁর একটা খুব সুন্দর পান্নার আংটি নেহরুকে উপহার দিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। মা জানতেন পন্ডিতজি নিজে খুব ধনী পরিবারের ছেলে, কিন্তু রাজনীতি করতে গিয়ে বেশির ভাগ টাকাপয়সাই বিলিয়ে দিয়েছেন।’ ‘তবে আংটিটা যেহেতু নেহরু নিজে নিতে পারবেন না, মা তাই সেটা দিয়ে এলেন তাঁর মেয়ে ইন্দিরাকে। বললেন, ওঁর যদি কোনও দিন অর্থের প্রয়োজন হয়, এটা বেচে টাকাটা ওকে দিও।’ ‘এমন কী, ইংল্যান্ডে আসার জন্য যখন বিমান ছাড়ছে, সেই শেষ মুহূর্তেও গলা থেকে একটা দামী নেকলেস খুলে নিজের পিএ-কে দিয়ে বললেন, কারও হাত দিয়ে এটা এখনই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা কর!’ ‘মা ইংল্যান্ডে ফেরার পরও দুজনে দুজনকে রোজ কয়েক ঘন্টা করে চিঠি লিখতেন – পরে প্রতি সপ্তাহেও অন্তত একটা – এবং মার মৃত্যু পর্যন্ত বারো বছর ধরে সেই অভ্যাস বজায় ছিল।’ ‘মাঝে দুজনের দেখা হয়েছে কমই – বছরে হয়তো একআধবার, লন্ডনে নেহরু প্রধানমন্ত্রীদের সম্মেলনে এলে – কিন্তু চিঠি লেখায় কখনও ভাঁটা পড়েনি।’

এডুইনা মাউন্টব্যাটেন মারা যান বোর্নিওতে এক সফরে গিয়ে, সেটা ছিল ১৯৬০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি। তখন তার বয়স মাত্রই ৫৮ বছর, আর মৃত্যুর পর তাঁর শয্যার পাশে পাওয়া গিয়েছিল নেহরুর লেখা একগুচ্ছ চিঠি! পামেলা হিকস বলছিলেন, ‘সেই চিঠিগুলো আমাদের কাছে ফেরত এল। আর আমার মা তাঁর উইলে এই সব চিঠিগুলো বাবার জন্যই রেখে গিয়েছিলেন। এমন কী জিজ্ঞেসও করেছিলেন, জহরলালের চিঠিগুলো উইলে তোমাকে দিয়ে গেলে অসুবিধে নেই তো?’ ‘সেই অনুযায়ী স্যুটকেসভর্তি এত বছরের চিঠিগুলো বাবার কাছে এল। আমি তখন বাবার সঙ্গেই আছি, উনি আমায় বললেন, ‘আমায় চিঠিগুলো পড়ে শোনাবে? যদিও আমি ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত যে ওতে এমন কিছু নেই যা আমার খারাপ লাগবে – তবুও বাকি ওই ১ শতাংশর জন্য আমি ওগুলো শুনতে চাই।’

‘আমি তারপর চিঠিগুলো সব পড়লাম ... আর দেখলাম, নেহরুর এই চিঠিগুলো আসলে আধুনিক ভারত নির্মাণের এক অনবদ্য ডায়েরি।’ ‘তোমাকে মিস করছি, নি:সঙ্গ লাগছে এই জাতীয় কথাবার্তা দিয়ে হয়তো চিঠিটা শুরু, কিন্তু তারপর ভারতকে গড়ে তোলার কাজে কী তার ভাবনা, কী সমস্যা – এই সব কিছুই বিশদে লিখেছেন পন্ডিতজি। বা হয়তো কী বই পড়েছেন, কোন কবিতার কোন লাইনটা ভাল লেগেছে – এই সব!’ সেই সব চিঠি এখন ভারতে নেহরু-গান্ধী পরিবারের হেফাজতে, কিন্তু তা কখনওই পুরোপুরি জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়নি। কেন, তার একটা ছোট্ট কারণ বলছিলেন লেডি পামেলা হিকস। ‘একটা আপাত-নিরীহ বিষয় ... ১৯৪৮ বা ৪৯-র বড়দিনের সময় নেহরু কানাডা যাচ্ছেন। মা ম্যাক্স ফ্যাক্টর লিপস্টিক ব্যবহার করতেন, কিন্তু যুদ্ধের পর ইংল্যান্ডে তখনও রেশনিং চলছে – সহজে ওটা মেলে না। মা নেহরুকে লিখলেন, কানাডা থেকে একটা ম্যাক্স ফ্যাক্টর আনতে পার? সামান্য ব্যাপার – কিন্তু ভারতে একজন প্রধানমন্ত্রীকে সাবেক ভাইসরয়ের স্ত্রী লিপস্টিক আনার জন্য বলছেন – এই জিনিস বোধহয় ছাপার অক্ষরে বেরোলে মানুষ মেনে নিতে পারবে না!’

এডুইনা মাইন্টব্যাটেনকে তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী সমাহিত করা হয়েছিল সমুদ্রের বুকে। তাঁকে শেষ বিদায় জানাতে নেহরু পাঠিয়েছিলেন ভারতীয় নৌবাহিনীর দুটি রণতরী।

চার বছর বাদে পণ্ডিত নেহরু নিজেও মারা যান – হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে !

 

 

       

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি