পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ও মৃত্যু রহস্য

সুভাষ চন্দ্র বসু ও মৃত্যু রহস্য

 (জন্ম: ২৩ জানুয়ারি, ১৮৯৭ – তথাকথিত মৃত্যু: ১৮ আগস্ট, ১৯৪৫ (যদিও এই মত বিতর্কিত)

যে কয়েকজন ক্ষণজন্মা পুরুষের জন্ম না হলে হয়ত ভারতবর্ষে কোনদিন স্বাধীনতার সূর্য উঠত না তাদের মধ্যে অন্যতম একজন শ্রদ্ধেয় সুভাষ চন্দ্র বসু। তিনি ছিলেন আদর্শবাদী, কট্টরপন্থী, বিপ্লবী নেতা। নীতির প্রশ্নে তিনি কখনও আপোষ করেননি। মহাত্মা গান্ধী সহ অনেক সমসাময়িক নেতাদের সাথে তার আদর্শগত মিল ছিল না। তার মৃত্যু আজো রহস্যাবৃত। কারো কারো  মতে সমসাময়িক নেতারাই ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে হত্যা করেছে, আবার কারো মতে নেতাজী সোভিয়েত রাশিয়ার কাছে বন্দী অবস্থায় সাইবেরিয়াতে মৃত্যুবরণ করেন, আরেকটি মতে নেতাজী নাকি আজও জীবিত।

প্রথম জীবনঃ

সুভাষ চন্দ্র বসু খুব মেধাবী ছাত্র ছিলেন। সকলেই আশা করেন যে প্রবেশিকা পরীক্ষায় তিনি একটি বিশেষ স্থান অধিকার করবেন।কিন্তু পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুদিন আগে থেকে তিনি পড়াশুনায় অমনোযোগী হয়ে পড়েন। পরিবারের সবাই খুব হতাশ হন। ১৯১৩ সালে তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষা দিলেন। কিন্তু সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করলেন।

কর্মজীবন ও রাজনীতিতে প্রবেশঃ

১৯১৫ সালে সুভাষ চন্দ্র বসু আই.এ. পরীক্ষায় মেধাস্থান অর্জন করে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ওই বছরই তিনি দর্শনে অনার্স নিয়ে প্রেসিডেন্সী কলেজে বি.এ. ভর্তি হন। প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ার সময় অধ্যাপক ওটেন বাঙালী ছাত্রদের প্রতি অপমানজনক ব্যবহার করায় তিনি তাঁর ওপর খুব ক্ষিপ্ত হন এবং অধ্যাপক ওটেনকে প্রহার করেন। এই ঘটনার কারণে তাঁকে প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

গান্ধীজীর সাথে সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। কিন্তু গান্ধীজীর অহিংস আন্দোলনের প্রতি তাঁর কোনো আগ্রহ ছিল না। তাই গান্ধীজীকে ছেড়ে তিনি আসেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের নিকট। তাঁর সান্নিধ্যে থেকে তিনি নিজেকে রাজনীতিতে আরো পরিপক্ব করে গড়ে তোলেন। এরপর নেতাজী স্বাধীনতা সংগ্রামী চিত্তরঞ্জন দাসের সাথে রাজনীতি শুরু করেন। ১৯২৪ সালের এপ্রিল মাসে তিনি কলকাতা কর্পোরেশনের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার হিসাবে নিযুক্ত হন। চিত্তরঞ্জন দাস তখন কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন। সুভাষ চন্দ্র বসুর মাসিক বেতন ছিল ৩০০০ টাকা। কিন্তু তিনি সিদ্ধান্ত নেন মাসে ১৫০০ টাকা বেতন নিবেন। ওই বছর অক্টোবর মাসে নেতাজীকে স্বদেশী বিপ্লবীদের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। ব্রিটিশরা তাঁকে বার্মার কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। ১৯২৫-২৭ সাল পর্যন্ত তিনি মান্দালয়সহ বিভিন্ন কারাগারে ছিলে

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধঃ

১৯৩৮ সালে ভারতবাসী তাঁকে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেন। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে সুভাষ চন্দ্র বসু গান্ধীজীর অহিংস নীতির বিরোধিতা করে ইংরেজ সরকারকে ৬ মাসের মধ্যে স্বাধীনতা প্রদানের জন্য এক চরমপত্র পাঠানোর প্রস্তাব করেন। কিন্তু জাতীয় কংগ্রেস সহিংস সংগ্রাম শুরু করার পক্ষে ছিলেন না। গান্ধীজী ওই বিপদের সময় ইংরেজ সরকারকে বিব্রত করতে চাননি।১৯৪১ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় পলায়ন করে আফগানিস্তান হয়ে রাশিয়ার পথে যাত্রা করেন। সেখানে তিনি ভারতের স্বাধীনতার জন্য সোভিয়েত শক্তির সমর্থন চান। কিন্তু স্টালিন সুভাষ চন্দ্র বসুর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।

ভারত থেকে পলায়নঃ

তিনি মৌলভী জিয়াউদ্দীনের মতো দাড়ি রাখেন ও তাঁর মতোই পোশাক পরে গোয়েন্দাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ১৯৪১ সালের ২৮ মার্চ পালিয়ে আফগানিস্তান ও মস্কো হয়ে জার্মানির বার্লিন পৌঁছেন। তিনি জার্মান থেকে সাবমেরিনযোগে জাপান পৌঁছেন। জাপান-অধিকৃত সিঙ্গাপুরে রাসবিহারী বসুর তত্ত্বাবধানে ভারতীয় উপমহাদেশের যুদ্ধবন্দীদের নিয়ে 'আজাদ- হিন্দু ফৌজ' গঠন করেন এবং এর সর্বাধিনায়ক হন।

ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীঃ

তিনি জার্মান থেকে সাবমেরিনযোগে জাপান পৌঁছেন। জাপান-অধিকৃত সিঙ্গাপুরে রাসবিহারী বসুর তত্ত্বাবধানে ভারতীয় উপমহাদেশের যুদ্ধবন্দীদের নিয়ে 'আজাদ- হিন্দু ফৌজ' গঠন করেন এবং এর সর্বাধিনায়ক হন। ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ সরকার 'ফরওয়ার্ড ব্লক' দলকে বেআইনি ঘোষণা করে। সমগ্র ভারত জুড়ে 'ফরওয়ার্ড ব্লক' দলের সব পার্টি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৪৩ সালে নেতাজি জাপানে যান। ১৯৪৩ সালের ৪-৭ জুলাই সিঙ্গাপুরস্থ মহাএশিয়া মিলনায়তনে ভারতীয় স্বাধীনতা লীগের প্রধান নেতৃবৃন্দের মহাসভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট বিপ্লবী রাসবিহারী বসু দাঁড়িয়ে সভায় একজন চমৎকার নতুন অতিথি হিসেবে সুভাষচন্দ্র বসুকে পরিচয় করিয়ে দেন। সেই সঙ্গে লীগের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে সুভাষ বসুকে স্থলাভিষিক্ত করার জন্য নিজের ইচ্ছের কথা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, "ইতিমধ্যে টোকিওতে আমাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তিনি দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত হয়েছেন।" শারীরিক অসুস্থতা এবং বার্ধক্যজনিত কারণে বর্তমান পদ তাঁর পক্ষে ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান রাসবিহারী বসু । এরপর সভার সকল নেতৃবৃন্দ এবং সদস্য প্রাণবন্ত করতালি দিয়ে সুভাষ বসুকে স্বাগত জানান। রাসবিহারী বসু প্রবাসে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সম্মানিত পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার কারণে সুভাষ বসুকে 'নেতাজি' উপাধি ঘোষণা করেন। রাসবিহারী বসুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই মহাসভায় সুভাষ চন্দ্র বসু দু'ঘন্টাব্যাপী এক জ্বালাময়ী বক্তৃতা দেন।

রাজনৈতিক চিন্তাধারাঃ

অহিংসায় নয়, উদারতায় নয়, শক্তি প্রয়োগ করেই ব্রিটিশকে ভারত থেকে তাড়াতে হবে- এই মন্ত্রকে ধারণ করে তিনি ব্রিটিশ শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াই-সংগ্রাম চালিয়েছেন । ভারতের যুব সম্প্রদায়কে নেতাজী বলেছিলেন "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব"। ভারত উপমহাদেশে সশস্ত্র বিপ্লববাদীদের সংগঠক হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যে কারণে বিপ্লবী যোদ্ধারা তাঁকে নেতাজী বলে সম্বোধন করতেন। তিনি এ উপমহাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনেরও অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন।

অন্তর্ধান ও তথাকথিত মৃত্যুঃ

১৯৪৫ সালে ১৫ আগস্ট দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হয়েছে কিন্তু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন তখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু হিন্দ ফৌজকে ভেঙ্গে দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যান । কেউ জানে না কোথায় আছেন তিনি। তন্ন তন্ন করে খুঁজছে তাঁকে ব্রিটিশ সরকার।ধারণা করা হয় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট টোকিও যাবার পথে তাইওয়ানে এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঠিক তারিখ ও স্থান সম্পর্কে এখনো বিতর্ক রয়েছে। তাঁর দেহাবশেষ কোনোদিনও উদ্ধার করা যায়নি।

সম্প্রতিঃ

গত শতকের মাঝামাঝিতে অন্তর্ধানের পর থেকে রহস্যে ঢাকা নেতাজি সংক্রান্ত ৬৪টি গোপন নথি প্রকাশ করা হয়েছে বলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য সচিব সঞ্জয় মিত্র জানিয়েছেন।

নেতাজির ত্রিশের দশকের কর্মকাণ্ড থেকে ১৯৪১ সালে ভারতে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে তার পালিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত তথ্য সংবলিত এসব নথি পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।ভারত স্বাধীন হওয়ার পর নেতাজির পরিবারের উপর ‘গোয়েন্দা নজরদারি’ সংক্রান্ত কিছু নথিও রয়েছে।

  • কলকাতার ১১৩ এপিসি সড়কে কলকাতা পুলিশের ডিসি (উত্তর) অফিসে কলকাতা পুলিশ যাদুঘরে ফাইলগুলো রাখা হয়েছে।
  • কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ সাংবাদিকদের বলেন, “ফাইলগুলো প্রকাশ করার আগে কিছু কাজ করতে হয়েছে। ৬৪টি নথিতে ১২ হাজার ৭৪৪টি পৃষ্ঠা আছে এবং প্রকাশ্যে আনার আগে সেগুলো ডিজিটাইজড করা হয়।”
  • মূল ফাইলগুলো কলকাতা পুলিশ মিউজিয়ামে কাচ দিয়ে ঘেরা একটি কেবিনেটে রাখা হবে বলে জানান তিনি।
  • একটি কমপ্যাক্ট ডিস্ক আকারে ডিজিটাইজড ফাইলগুলো শুক্রবার নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নেতাজির ভাতিজার ছেলে চন্দ্র কুমার বোস এবং তার বড় ভাইয়ের পুত্রবধূ সাবেক এমপি কৃষ্ণা বোস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
  • পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি ছিলেন কৃষ্ণা, তার ছেলে হার্ভার্ড অধ্যাপক সুগত বোস বর্তমানে পার্লামেন্টে তৃণমূলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
  • শুক্রবার যাদুঘরটি শুধু নেতাজির পরিবারের সদস্য ও গণমাধ্যম কর্মীদের উন্মুক্ত করা হয়। সোমবার থেকে নথিগুলো দেখার সুযোগ পাবেন সাধারণ মানুষ।
  • গত ১১ সেপ্টেম্বর এসব গোপন নথি প্রকাশের ঘোষণা দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • নেতাজিকে নিয়ে সেদিন তৃণমূল নেত্রী মমতা বলেন, “ভাবতে অবাক লাগে, আমরা তার জন্মদিন জানি, মৃত্যুদিন জানি না। আদৌ মারা গেছেন কি না, সেটাও জানি না।”
  • সর্বভারতীয় কংগ্রেসে নেতৃত্ব দেওয়ার পর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়ে জাপানের সঙ্গে ভিড়ে ভারতকে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত করতে সশস্ত্র লড়াইয়ে নামা সুভাষ বসুর পরিণতি কী হয়েছে, তা এখনও অজানা। এ নিয়ে রহস্যজাল ছড়িয়েছে গত অর্ধ শতাব্দীজুড়ে।
  • বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে একটি কথা প্রচলিত থাকলেও তার কোনো অকাট্য প্রমাণ হাজির করতে পারেনি কেউ।
  • ইতিহাসবিদ সুগত বোস তার ‘হিজ ম্যাজেস্টিজ অপোনেন্ট’ বইয়ে লিখেছেন, ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যু হয়েছে।
  • নেতাজির মৃত্যুরহস্যের অনুসন্ধানে গঠিত শাহনওয়াজ কমিশন, খোসলা কমিশন এবং মুখোপাধ্যায় কমিশন নিয়ে আলোচনাও ছিল তার বইয়ে।
  • একমাত্র মুখোপাধ্যায় কমিশন বলেছিল, নেতাজির মৃত্যু সনদ (ডেথ সার্টিফিকেট) নেই। তাইওয়ান সরকারের বক্তব্য ছিল, ওই দিনে বিমান দুর্ঘটনার কোনো রেকর্ড তাদের হাতে নেই।
  • সুগত লিখেছেন, ঘটনার দুদিন আগে জাপান আত্মসমর্পণ করে, ফলে তখন তাদের অধীনে থাকা তাইওয়ানও ছিল টালমাটাল। বিমান দুর্ঘটনার নথি না-ই থাকতে পারে।
  • মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে আদর্শিক বিরোধ নিয়েই দুই মেয়াদে কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন বাঙালি সুভাষ বসু। গান্ধীর অহিংসার পরিবর্তে তিনি ছিলেন সশস্ত্র লড়াইয়ের পক্ষপাতী।
  • পরে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে ফরওয়ার্ড ব্লক নামে রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। স্বাধীনতার প্রশ্নে তার আহ্বান ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের আজাদী দেব’ আজও স্মরণ করা হয়।
  • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইঙ্গ-মার্কিন জোটের বিরুদ্ধশক্তি জাপানের সহযোগিতা নিয়ে ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ’ গঠন করে ভারতে স্বাধীন করতে যুদ্ধে নেমেছিলেন সুভাষ বসু। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান-জার্মানের পরাজয়ের পর তার হদিস আর মেলেনি।
 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি