পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

স্টিভ ওজনিয়্যাক: মাদার অব অ্যাপল কম্পিউটার

বিশ্ববিখ্যাত কম্পিউটার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাপল’ বলতে আমরা শুধুমাত্র এর কর্ণধার ‘স্টিভ জবস’ – কেই চিনি। কিন্তু ‘অ্যাপল’ এর শুরুর দিকে চোখ ফেরালে অ্যাপল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনে আরও একজনের অবদান বিশেষভাবে নজড়ে পড়বে। তিনি হলেন ‘স্টিভ ওজনিয়্যাক’। তিনি ছিলেন স্টিভ জবস এর বন্ধু। শুরুর দিকে তারা দুজন মিলেই গড়ে তোলেন বর্তমান সময়ের বিশ্ববিখ্যাত ‘অ্যাপল’ কোম্পানি। স্টিভ ওজনিয়্যাক এর জীবনের খুঁটিনাটি কিছু তথ্য এই পেজটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

 

জন্ম:

স্টিভ ওজনিয়্যাক ১৯৫০ সালের ১১ ই আগস্ট ক্যালিফোর্নিয়ার সানজোসে শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম স্টিফেন গ্যারে ওজনিয়্যাক। স্টিভ ওজনিয়্যাকের ডাকনাম ‘‘ওজ”।

 

 

 

কে এই স্টিভ ওজনিয়্যাক?

অসাধারণ প্রতিভাধর কম্পিউটার বিজ্ঞানী হিসেবে স্টিভ ওজনিয়্যাক এর পরিচিতি রয়েছে। নতুন কিছু উদ্ভাবনের প্রতি সবসময়ই তার ঝোঁক ছিল। তবে সেসব উদ্ভাবনের নির্দিষ্ট কোনো ভবিষ্যৎ ছিল না। তার বেশিরভাগ আবিষ্কারের উদ্দেশ্যই ছিল সেই সময়ের পাউলো-আলতোর হোম-ব্রিউ কম্পিউটার ক্লাবের সদস্যদের একটুখানি মুগ্ধ করা।

 

স্কুল-কলেজের গন্ডি পেরিয়ে ১৯৭৫ সালে স্টিভ ওজনিয়্যাক আমেরিকার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় পড়তে যান। স্টিভ ওজনিয়্যাক ছিলেন অনেকটা ‘মনের বাদশা’ অর্থাৎ তার মন যখন যা চাইতো তিনি তাই করতেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় কিছুদিন পড়াশোনা করার পর তার কাছে পড়াশোনা আর ভালো লাগে নি। তাই বাদ দিয়ে দেন পড়াশোনা।

 

স্টিভ জবস এর সাথে অ্যাপল প্রতিষ্ঠা করা:

আগেই বলেছি স্টিভ ওজনিয়্যাক ছিলেন স্টিভ জবস এর বন্ধু। এও জানিয়েছি যে, স্টিভ ওজনিয়্যাক এর ছিল আবিষ্কারের নেশা। পড়াশোনায় ইস্তফা দেওয়ার পর বন্ধুকে নিয়ে ঠিক করলেন বাজারে বিক্রি করার জন্য কম্পিউটার তৈরী করবেন। তবে দুই বন্ধুর কারোরই পুঁজি ছিল না। তাই স্টিভ ওজনিয়্যাক নিজের এইচপি সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ও স্টিভ জবস তার ভক্স ওয়াগনটি বিক্রি করে ১৩০০ ডলার জোগাড় করেন। দুই বন্ধু মিলে স্টিভ জবস এর বাড়ির গ্যারেজে দিনরাত খেতে তৈরী করেন তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত কম্পিউটারের নমুনা বা প্রটোটাইপ বা ‘অ্যাপল-১’। তাদের তৈরী করা কম্পিউটারটি সে সময়ের বাজারে পাওয়া কম্পিউটার থেকে অনেকটা এগিয়ে ছিল। কেননা বাজারে সে সময় যে কম্পিউটার পাওয়া যেত সেগুলোতে ডিসপ্লে কিংবা স্টোরেজ সুবিধা ছিল না এবং আউটপুট আসতো লাইট ফ্লাশিং এর মাধ্যমে। অপরদিকে তাদের তৈরী করা ‘‘অ্যাপল-১’’ ছিল সবদিক থেকেই দারুন স্বয়ং সম্পূর্ণ। এতেছিল ২৫ ডলারের একটি মাইক্রোপ্রসেসর যার নাম মস ৬৫০২ এবং স্থায়ী মেমরী বা রম (ROM)।

 

এর আগে স্টিভ ওজনিয়্যাক ‘এইচপি’তে চাকরী করতেন। ‘অ্যাপল-১’ এর উন্নয়নে পুরোটা সময় ও মেধা ব্যয় করার জন্য ‘এইচপি’র চাকরী ছেড়ে দেন স্টিভ ওজনিয়্যাক। ১৯৭৬ সোলের এপ্রিল মাসে প্রতিষ্ঠা করেন ‘অ্যাপল কোম্পানী’। স্টিভ ওজনিয়্যাক ‘অ্যাপল’ এর গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

এরপরের গল্প:

এরপরের গল্প শুধু এগিয়ে যাওয়ার। ‘অ্যাপল-১’ এর উন্নত সংস্করণ হিসেবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তৈরী করেন ‘অ্যাপল-২’। ‘অ্যাপল-২’ তে তিনি যুক্ত করেন হাই রেজুলেশনের ছবি দেখার ব্যবস্থা এবং এতে তিনি যুক্ত করেন ফ্লপি ডিস্ক কন্ট্রোলার। একই সময়ে তিনি অ্যাপল এর প্রথম কর্মী রাল্ডি উইগিংটনকে নিয়ে একটি আদর্শ ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম লেখেন। রাল্ডি উইগিংটন হলেন ম্যাকরাইট সফটওয়্যারের জনক। এরপরের সময়গুলোতে স্টিভ ওজনিয়্যাক বিভিন্ন হার্ডওয়্যার তৈরীর পাশাপাশি বেশকিছু সফটওয়্যার তৈরী করেন। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে - ক্যালভিন নামের একটি উন্নত প্রোগ্রামিং ভাষার ইন্টাপ্রেটর, সুইট-১৬ নামের ১৬-বিট প্রসেসরের ইন্সট্রাকসন সেট, ব্রেকআইট নামের একটি কম্পিউটার গেম ইত্যাদি। এই গেমটি তৈরী করতে গিয়েই তিনি বুঝতে পারলেন এখন সময় এসেছে কম্পিউটারের সাথে স্পিকার যুক্ত করার, যাতে এটি শব্দও করতে পারে। 

 

মিলিয়নিয়ার বনে যাওয়া এবং জীবনের ছন্দপতন:

১৯৭৬ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যেই মিলিয়নিয়ারদের দলে নাম লেখান স্টিভ ওজনিয়্যাক। সে সময় অনেকক্ষেত্রে স্টিভ জবস কে ছাপিয়ে অ্যাপল কম্পিউটারের গডফাদার হিসেবে তার নামই উচ্চারিত হতো। কিন্তু হঠাৎ করেই তার জীবনের ছন্দপতন হয়। ‘অ্যাপল-১’ এবং ‘অ্যাপল-২’ এর মাধ্যমে বাজার দখল করতে পারলেও ‘অ্যাপল-৩’ বাজারে তেমন সাড়া ফেলতে পারে নি। একই সময়ে তাদের ‘লিসা’ নামের আরও একটি প্রজেক্ট ছিল। সেই প্রজেক্টটিও আশানুরূপ ফলাফল অর্জন করতে পারেনি। সবমিলিয়ে ব্যবসায়িক দিক দিয়ে অনেকটা খেই হাড়িয়ে ফেলেন। এরই মধ্যে ১৯৮১ সালে জীবনের উপর নেমে আসে এক দুর্ঘটনা। স্টিভ ওজনিয়্যাক সামত্মাক্রুজ স্কাই পার্কে একটি বিমান দূর্ঘটনায় শিকাড় হন। এতে কিছুদিনের জন্য তার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যায়। এই অবস্থায় তার পাশে এসে দাঁড়ান তার বান্ধবী ‘সিন্ডি’। সিন্ডি-ই আস্তে আস্তে স্টিভ ওজনিয়্যাক-কে তার অতীতের বিভিন্ন কথা স্মরণ করাতে থাকেন। এভাবে একসময় তার স্মৃতিশক্তি ফিরে আসতে থাকে। তবে বান্ধবী ‘সিন্ডি’র পাশাপাশি কম্পিউটার গেমস-এর অবদানও রয়েছে তার স্মৃতিশক্তি ফেরার ক্ষেত্রে। কেননা স্মৃতিভ্রষ্ট অবস্থায়ও তার কম্পিউটার গেমস এর প্রতি আসক্তি ছিল এবং এই গেমস থেকেই তার অতীতের বিভিন্ন কথা মনে পড়ে যায়। একসময় পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন স্টিভ ওজনিয়্যাক।

 

সুস্থ্য হওয়ার পরের জীবন:

সুস্থ্য হওয়ার পর সবাই ভেবেছিলেন তিনি অ্যাপলে ফিরে যাবেন। কিন্তু তিনি তা করলেন না। বরং শিক্ষাজীবনের যে অসম্পূর্ণতাটুকু রয়েছে সেটুকু পূর্ণ করার যান আবার ফিরে যান ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিতে। ১৯৮৭ সালে তিনি তার স্নাতক সম্পন্ন করেন। তবে নিজের নামে নয়, ‘রিকি ক্লার্ক’ নামে ছদ্মনামে। রকি ছিল তাঁর কুকুরের নাম আর ক্লার্ক হলো বউ এর শেষ নাম।

 

বিয়ে ও সংসার:

স্টিভ ওজনিয়্যাক ১ম বিয়ে করেন ১৯৭৬ সালে, এলিস রবার্টস্টোন নামের তার সেই স্ত্রীর সাথে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত সংসার করার পর তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। বিমান দুর্ঘটনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর ১৯৮১ সালে বিয়ে করেন সিন্ডি ক্লার্ককে। ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত সংসার করার পর তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। স্টিভ ওজনিয়্যাক ১৯৯০ সালে ৩য় বিয়ে করেন। ২০০৪ সালে এসে ৩য় স্ত্রী সুজানে মুলকারেন এর সাথে তার ডিভোর্স হয়ে যায়। সর্বশেষ ২০০৮ সালে বিয়ে করেন জানেট হিল নামের ভদ্র মহিলাকে। স্টিভ ওজনিয়্যাক তিন সন্তানের জনক।  

(বি.দ্র: ছবিতে ৪র্থ স্ত্রীর সাথে স্টিভ ওজনিয়্যাক)

 

মনের বাদশা:

আগেই বলেছি স্টিভ ওজনিয়্যাক ছিলেন ‘মনের বাদশা’। তার বেশিরভাগ কাজেরই নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ছিল না। যখন যা মনে ধরতো তাই করতো। তেমনই কিছু ঘটনার মধ্যে রয়েছে – ১৯৮৭ সালে তার পুণরায় অ্যাপলে ফিরে আসা এবং বড় কেনো পদ আকড়ে ধরে না রেখে সামান্য এক ইঞ্জিনিয়ারের পদ বেছে নেওয়া। একই সাথে ১৯৮৭ সালে তিনি তৈরী করেন আরেক কোম্পানী। কোম্পানীটির নাম ‘ক্লাউড-৯’। এই কোম্পানীর কাজ ছিল ইউনিভার্সাল রিমোট তৈরী করা। একসময় অ্যাপল, ক্লাউড-৯, প্রকৌশলী কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে পুরোদস্তুর শিক্ষক হয়ে গেলেন তিনি। তবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়। ক্লাস ফাইভের বাচ্চাদের পড়াতেন তিনি।  

 

আবার প্রযুক্তি জগতে ফিরে আসা:

২০০২ সালে তিনি আবার তথৎ প্রযুক্তির মাঝে ফিরে এলে এবং হুইলস অব জিউস বা সংক্ষেপে ওজ (Woz) প্রকল্পের শুরু করলেন তারবিহীন গ্লোবাল পজিসনিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করা। একই বছর তিনি ডেনগার ইনকোর্পোরেটের বোর্ড অব ডিরেক্টরদের একজন হিসেবে যোগ দিলেন এবং টি-মোবাইলেন জন্য হিপটপ নামের একটি প্রযুক্তি তৈরী করতে লাগলেন। ২০০৫ সালে তার হুইলস অব জিউস প্রকল্প বন্ধ করে দিয়ে নতুন এক প্রকল্পের শুরু করলেন যার নাম অ্যাকুইয়ার টেকনোলজি। এর কাজ ছিল বিভিন্ন প্রযুক্তির কোম্পানী হতে টেকনোলজি অধিগ্রহণ এবং সেই টেকনালজির উন্নয়ন সাধন করা।

 

দানবীর:

স্টিভ ওজনিয়্যাক শিক্ষকতা শুরু করার পর তার সমস্ত অর্থ তার ছোটবেলার স্কুলে দান করে দেন। এর পাশাপাশি তৈরী করলেন ইউনুসন (Unuson-Unite us In Song) নামের একটি দাতব্য সংস্থা যার মাধ্যমে আমেরিকার বড় বড় দুটি উৎসব আয়োজন করলেন। সানজোসের বাচ্চাদের একটি জাদুঘরেও তিনি বহু অর্থ দান করলেন এবং এর উন্নয়নে কাজ করে সকলের মন জয় করে নিলেন, বিশেষ করে বাচ্চাদের। সেই জাদুঘরের সামনের রাস্তাটির নামকরণ করা হলো তাঁরই নামানুসারে ওজ ওয়ে (Woz Way)।

 

সম্মাননা:

স্টিভ ওজনিয়্যাক এর মত ব্যক্তিদের সম্মাননার পেছনে ছুটতে হয় না। বরং বিখ্যাত সব সম্মাননা সবসময় এনাদের পেছনে ছুটে বেড়ায়। প্রযুক্তিতে অবদান রাখার জন্য আমেরিকার সে সময়ের প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান তাকে ‘ন্যাশনাল মেডল অব টেকনোলজি’ সম্মাননা প্রদান করেন। ১৯৯৭ তে কম্পিউটার ইতিহাসের জাদুঘর তাঁকে ফেলো হিসেবে অন্তর্ভূক্ত নিল। ২০০০ সালে আমেরিকার জাতীয় উদ্ভাবকদের লিস্টিতে যুক্ত করা হলো। ২০০৪ সালে ড. টম মিলারের উদ্যোগে স্টিভ ওজনিয়্যাককে নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে কম্পিউটার জগতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য। ২০০৫ সালে স্টিভ ওজনিয়্যাক আরো দুটি ডক্টরেট ডিগ্রি পান মিশিগান ও ফ্লোরিডার দুটি নামী বিশ্ববিদ্যালয় হতে।

 

মজার মানুষ:

প্রযুক্তি জগতের এই মানুষটি ব্যক্তিগত জীবনে অনেক মজার মানুষ ছিলেন। সেই সময় তিনি তাঁর বাসা হতে ডায়াল-এ-জোক নামের মজার এক ফোন সার্ভিস চালু করেন।

 

আত্মজীবনী:

স্টিভ ওজনিয়্যাক এর আত্মজীবনী প্রকাশ করা হয় ২০০৬ সালে। তার আত্মজীবনী বইয়ের নাম ছিল ‘‘আইওজ: ফ্রম কম্পিউটার গিক টু কাল্ট আইকন-হাউ সাই ইনভেন্টেড পার্সনাল কম্পিউটার, কো-ফাউন্ডেড অ্যাপল এন্ড হ্যাড ফান ডুইং ইট (iWoz: From Computer Geek to Cult Icon: How I Invented the Personal Computer, Co-Founded Apple, and Had Fun Doing It.)’’

 

স্টিভ ওজনিয়্যাক এর কিছু টুকরো তথ্য:

  • ক্যাসিনোর ছেড়া স্লিপ সংগ্রহ করে সেগুলো দিয়ে বই বানিয়ে আবার বই স্লিপ কেটে দর্শনার্থীর কাছে বিক্রি করা ছিল তাঁর প্রিয় কাজের মধ্যে একটি। এরকম করতে গিয়ে লাস ভেগাসের এক ক্যাসিনোতে একবার ধরাও পড়তে হয় তাঁকে। তিনি খুব ভাল গিটারও বাজাতে পারেন।
  • তার প্রিয় একটি উক্তি হলো ‘‘এমন কম্পিউটারকে কখনও বিশ্বাস করো না, যা তুমি জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলতে পারো না।’’ তার এই বিখ্যাত উক্তি পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয় সিভিলাইজেশন-৪ নামের একটি কম্পিউটার গেমে।
  • ওজকে নিয়েও বিভিন্ন সময়ে নির্মিত হয়েছে ডকুড্রামা ও কার্টুন চিত্র। এদের মধ্যে ‘‘ক্যাম্প নাওহয়্যার’’ চরিত্রে দেখা যায় ওজের নাম নিয়ে এক ব্যক্তি বাচ্চাদের ক্যাম্পে নিয়ে পালায়। ‘‘ইউরেকা-৭’’ কার্টুন চিত্রে দেখা যায় এক হ্যাকারের নাম ওজ। এমনকি লার্স নামের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীর গান ‘‘আহাব’’ এ ওজের কথা শুনতে পাওয়া যায়। এছাড়া ‘‘পাইরেটস অব সিলিকন ভ্যালী’’ ও ‘‘ট্রিয়াম্পফ অব নেরডস’’ ডকুড্রামাতেও ওজের ছদ্ম উপস্থিতি দেখা যায়।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি