পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

কেট মিডলটন: ডাচেস অব কেমব্রিজ হয়ে ওঠার গল্প

২০০১ সালের আগ পর্যন্ত নিতান্ত সাধারণ একজন মানুষই ছিলেন ডাচেস অব কেমব্রিজ ‘কেট মিডলটন’। এর পর থেকেই বদলে যেতে থাকে তার জীবন। সাধারণ থেকে হয়ে ওঠেন অসাধারণ। তবে তার এই সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠার পথচলায় অনেক চড়াই-উৎরাই তাকে পার হতে হয়েছে। কেট মিডলটনের সেই জীবনের গল্পই এই পেজটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

 

জন্ম পরিচয়:

বাবা মাইকেল ফ্রান্সিস মিডলটন ও মা ক্যারল এলিজাবেথ মিডলটন এর ঘর আলোকিত করে ১৯৮২ সালের ৯ জানুয়ারি বার্কশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন কেট। তার পুরো নাম ক্যাথরিন এলিজাবেথ মিডলটন। কেট মিডলটনের ছোট এক বোন ও এক ভাই রয়েছেন। তারা হলেন - ফিলিপা এবং জেমস উইলিয়াম মিডলটন।

 

জীবনের মোড় ঘোরা সেই মূহুর্ত:

কেট মিডলটনের সাথে প্রিন্স উইলিয়ামের পরিচয় হয় ২০০১ সালে। সে সময় ব্রিটিশ রাজ পরিবারের এই উত্তরসূরী স্কটল্যান্ডের সেন্ট এন্ড্রুস ইউনিভার্সিটিতে আর্ট হিস্ট্রিতে ভর্তি হন। ঠিক একই সাবজেক্টে ভর্তি হন কেট মিডলটন। মাঝেমধ্যে দুজনের চোখাচোখি হলেও কখনো আলাপ হয়নি। প্রকৃতি তাদের দুজনকে খুব বেশিদিন আলাদা করে রাখতে পারেননি। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা একটি দাতব্য সংস্থার জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে একটি ফ্যাশন শো এর আয়োজন করে। এই ফ্যাশন শো’র মডেলরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। প্রিন্স উইলিয়ামও ছিলেন দর্শকসারিতে। মডেলদের ক্যাটওয়াক পর্ব শুরু হবার পর তাদের একজনের পারদর্শিতায় মুগ্ধ হয় তরুণটি। তার প্রতি জন্ম নেয় অন্যরকম এক ভালোলাগার অনুভূতি।  বুঝতেই পারছেন ব্রিটিশ যুবরাজের হৃদয়ে নাড়া দেওয়া সেই মডেলটি কে ছিলেন। এই ফ্যাশন শো থেকেই তাদের দুজনের মধ্যে ভালো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

২০০২ সালের দিকে প্রিন্স উইলিয়াম, কেট মিডলটন ও তাদের আরও দুই বন্ধু মিলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকেন। একসাথে চলতে ফিরতে একসময় দুজনের মধ্যেই ভালোলাগার বিষয়টি ভালোবাসায় পরিণত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে দেখা হওয়ার আগেই তিনি ছিলেন কেট মিডলটনের স্বপ্নপুরুষ। উইলিয়ামকে নিয়ে ঘর বাঁধবেন-এমন স্বপ্নের কথা ঘনিষ্ঠজনদেরও বলেছেন কেট। ২০০৪ সালে এসে তাদের ভালোবাসার সম্পর্ক প্রকাশ পায়। এ সময় তাদের দুজনকে সুইজারল্যান্ডের একটি রিসোর্টে তাদের দুজনকে দেখা যায়। তারপরই সারা বিশ্বের মিডিয়া নড়েচড়ে বসেন। বিভিন্ন ট্যাবলয়েড পত্রিকার সাংবাদিকরা প্রেমের গুজব হিসেবে সংবাদ উপস্থাপন করলেও স্বয়ং প্রিন্স উইলিয়াম তাদের এই ধারণা বদলে দিয়ে নিজেই তার প্রেমের কথা মিডিয়ার সামনে ঘোষণা করেন। মিডিয়ার বদৌলতে এক সময় রাজ পরিবারে জানাজানি হয় তাদের এই প্রেম-ভালোবাসার কথা।

 

বিচ্ছেদ পর্ব ও পুন: মিলন:

প্রেম-ভালোবাসায় নাকি তৃতীয় পক্ষ না থাকলে সেটি জমে ওঠে না। প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটনের ভালোবাসায়ও তেমন একটি তৃতীয় পক্ষ ছিল। তবে অন্য কেউ নয়, স্বয়ং তারা নিজেরাই নিজেদের ভালোবাসার তৃতীয় পক্ষ হিসেবে কাজ করেছেন। ব্রিটিশ রাজ পরিবারে তাদের প্রেম-ভালোবাসার কথা জানাজানি হওয়ার পর রাজ পরিবার থেকে ভালোভাবেই বিষয়টি গ্রহণ করা হয়। ২০০৫ সালে তাদের দুজনেরই স্নাতক সম্পন্ন হয়। প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন যৌথভাবে তা উদযাপনের জন্য একটি মধ্যাহ্নভোজ এর আয়োজন করে। এই পার্টিতে স্ত্রী ক্যামিলা পার্কারকে সঙ্গে নিয়ে অংশ নেন উইলিয়ামের পিতা প্রিন্স চার্লস। পার্টিতে আসেন মিডলটনের বাবা মাইকেল এবং মা ক্যারোল। এরপর ২০০৬ সালে মিডলটনকে রাজপরিবারের একাধিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা যায়। ওই বছর রয়্যাল মিলিটারি একাডেমি থেকে উইলিয়ামের গ্রাজুয়েশন সমাপ্তির দিনে মিডলটন লাল টুকটুকে পোশাক পরে হাজির হন। সেই অনুষ্ঠানে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথও ছিলেন। ফলে বিয়ে আসন্ন এমন দাবি করে গুজব ডালপালা মেলতে শুরু করে। কিন্তু ঠিক তার পরের বছরই তাদের দুজনের মধ্যে কোনো একটা কারণে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়াতে একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে যান। সে সময় অনেকে ধরে নিয়েছিলেন তাদের বিয়েটা বোধহয় শেষ পর্যন্ত হচ্ছে না। তারপরের গল্প তো সবারই জানা। খুব বেশিদিন তারা দুজন একে-অপরকে ছেড়ে থাকতে পারেননি। কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়।

 

রাজকীয় সেই বিয়ে:

২০০৬ সালের বিরহ পর্ব শেষে ২০০৭ সালের পুরো সময়টা তারা মানিকজোড় হয়ে ওঠেন। প্রায়েই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের দুজনকে একসাথে দেখা যায়। প্রিন্স উইলিয়াম যখন সাংবাদিকদের সামনে তাদের ভালোবাসার ঘোষণা দেন তখনই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন তাদের বয়স ২৮-২৯ না হওয়া পর্যন্ত তারা বিয়ে করবেন না। অবশেষে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ২০১১ সালের ২৯ এপ্রিল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। সে সময় উইলিয়ামের বয়স ছিল ২৮ এবং মিডলটনের বয়স ২৯।

 

সারা বিশ্বের চোখ ছিল ব্রিটিশ এই রাজ পরিবারের বিয়ের দিকে। বিশ্বের ৫০টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ প্রায় ২০০০ অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ের শপথনামা পাঠ করেন এ নবদম্পতি। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশন পর্দায় উপভোগ করেন এ অনুষ্ঠান। ক্যানটারবারির আর্চবিশপ কেট ও উইলিয়ামকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বামী-স্ত্রী ঘোষণা করেন। প্রায় ১০ বছর প্রেমের শেষে পরিণয়ে আবদ্ধ হলেন তারা। উইলিয়াম লাল রঙের পোশাক পরে আর কেট সাদা গাউন পরে অ্যাবিতে পৌঁছান। কনে কেটকে আংটি পরান প্রিন্স চার্লস। একে অপরের প্রতি শপথনামা পাঠ করেন তারা। এক নজড় বিয়ের অনুষ্ঠান দেখার জন্য লন্ডনে ওয়েস্ট মিনস্টার অ্যাবেতে নেমেছিল মানুষের ঢল।

 

ব্রিটিশ রাজ পরিবারের ঐতিহ্য:

বিয়ের পর প্রিন্স উইলিয়াম এর নামের শুরুতে ‘ডিউক অব কেমব্রিজ’ এবং কেট মিডলটন এর নামের শুরুতে ‘ডাচেস অব কেমব্রিজ’ যুক্ত হয়েছে। এটি মূলত ব্রিটিশ রাজ পরিবারের পুরোনো ঐতিহ্য। রাজ পরিবারে বিয়ের দিন নতুন উপাধি দেওয়া দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য। বিয়ে উপলক্ষে উইলিয়ামের দাদীমা রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাঁকে এ উপাধি দিয়েছেন। ব্রিটিশ রাজবংশে ডিউকই সবচেয়ে বড় উপাধি।   

 

স্মরণীয় সেই চুম্বনের দৃশ্য:

বিয়ের পর বাকিংহাম রাজপ্রাসাদের বারান্দায় নবদম্পতি পরস্পরকে চুম্বন দেন। আর এই দৃশ্য এক পলক দেখার জন্য বুলভার্ড থেকে বাকিংহামের পথে কমপক্ষে পাঁচ লাখ লোক এক দৃষ্টে তাকিয়েছিল। বাকিংহামে প্রাসাদের পাঁচ লাখ শুভাকাঙ্খীর সামনে প্রিন্স ও প্রিন্সেসের চুম্বনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দীর্ঘ প্রতিক্ষীত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

 

নতুন প্রজন্মের পৃথিবীতে আগমন:

২০১৩ সালের ২২ জুলাই উইলিয়াম ও কেটের সন্তান জর্জ আলেক্সান্ডার লুইসের জন্ম হয়। ‘প্রিন্স অব কেমব্রিজ’ নামে পরিচিত নতুন এই শিশুর রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে তার অবস্থান হবে তৃতীয়।

 

সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠা:

আগেই বলেছি ২০০১ সালের আগে কেট মিডলটন ছিলেন সাধারণ একজন মানুষ। কিন্তু প্রিন্স উইলিয়াম নামটি তার সাথে জড়িয়ে যাওয়ার পর থেকেই তিনি হয়ে যান অসাধারণ। কেট মিডলটন এর জনপ্রিয়তার মাত্রাও অনেক বেড়ে যায়। একবার শখ করে পোলকা ডটের একটি পোশাক পরেছিলেন ডাচেস অফ কেমব্রিজ। হ্যারি পটার স্টুডিওতে কেটকে ওই পোশাকে দেখা যাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে হাই স্ট্রিটের একটি পাইকারি দোকান থেকে ওই ডিজাইনের সবকটি পোশাক বিক্রি হয়ে যায়। পোশাকটির দাম ছিল ৩৮ পাউন্ড। তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে একটি চ্যারিটি শোয়ে কেটের কালো আর ন্যুড লেস ড্রেসও একইরকম ঝড় তুলেচিল ভক্তদের হৃদয়ে।

 

ডাচেস অব কেমব্রিজ এর কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই:

প্রিন্স উইলিয়াম-এর কেট মিডলটনকে খুঁজতে গিয়ে খোদ ফেসবুক কর্তৃপক্ষই কিন্তু তালগোল পাকিয়েছে৷ বেশ কিছু ভুয়া অ্যাকাউন্ট এর সন্ধান পেলেও আসল অ্যাকাউন্ট এর কোনো সন্ধান পান নি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। পাওয়ারও কোনো কথা নয়। কারণ ফেসবুকে তার কোনো অ্যাকাউন্ট নেই। যে পেজগুলো রয়েছে সবগুলোই ভুয়া।

 

বিউটি অব দ্যা ইয়ার:

২০১২ সালের জানুয়ারী মাসে ৩ হাজার নারীর ভোটে বিউটি অব দ্যা ইয়ার নির্বাচিত হন কেট মিডলটন। সুপারড্রাগ নামের যুক্তরাজ্যের একটি সৌন্দর্যবিষয়ক সাইট এ জরিপটি করেছিলো। সৌন্দর্যের আইকন হিসেবে কেট মিডলটন পেছনে ফেলেছেন বিওন্সি নোলস, ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম, শেরিল কোল-এর মতো তারকাকে। তালিকায় শেরিল কোল তৃতীয় এবং চতুর্থ হয়েছেন রিহানা। এমা ওয়াটসন আছেন ৮-এ, এরপর কেটি পেরি এবং ভিক্টোরিয়ার অবস্থান।

 

বন্ডগার্ল কেট মিডলটন:

২০১২ সালের অক্টোবরে মেনকাইন্ড.কো.ইউকে এর কাল্পনিক এবং উপযুক্ত বন্ডগার্ল খোঁজার পাঠক জরিপে সেরা নির্বাচিত হয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের নতুন সদস্য এবং যুবরাজ উইলিয়াম এর স্ত্রী কেট মিডলটন। বাঘা বাঘা সেলিব্রেটিদের হটিয়ে অন্যরকম এক ভূষণের অধিকারিণী হয়েছিলেন তিনি।  ঐ প্রতিষ্ঠানের উদ্ধৃতি দিয়ে ডেইলিস্টার.কো.ইউকে এক প্রতিবেদনে জানায়, জরিপের ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তী বন্ড সিরিজের মুভিগুলোর জন্য একজন আদর্শ বন্ডগার্ল হতে পারতেন কেট মিডলটন। রিহানা, বেয়ন্স নোয়েলস, কিম কারদাশিয়ান এবং শেরিল কোলকে পেছনে ফেলে তার শীর্ষে অবস্থান করাটা অন্তত তাই ইঙ্গিত করে।

 

 

ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে তুলে ধরা:

মেরি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনের সাউথ আফ্রিকান সংস্করণের জন্য প্রচ্ছদ কন্যা হয়েছিলেন বৃটিশ ডাচেস অব কেমব্রিজ ক্যাথরিন কেট মিডলটন। প্রথমে তিনি একদমই রাজি ছিলেন না। কিন্তু অবশেষে তিনি রাজকীয় গাম্ভির্য দূরে ঠেলে মেরি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনের সাউথ আফ্রিকান সংস্করণের জন্য প্রচ্ছদ কন্যা বেশে লাইটের সামনে দাঁড়ান। ম্যাগাজিনে বিখ্যাত সাউথ আফ্রিকান ডিজাইনার ক্লিভ রান্ডল’য়ের পোশাক প্রদর্শিত হয়েছে। সাউথ আফ্রিকান ঐতিহ্যের সঙ্গে নান্দনিক সব ডিজাইন উঠে এসেছে পোশাকগুলিতে।

 

সবচেয়ে বিনয়ী:

বৃটিশ রাজবধূ ডাচেস অফ ক্যামব্রিজ কেট মিডলটন ২০১১ সালের সবচেয়ে বিনয়ী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাকে 'বেস্ট ম্যানারড পারসন অফ দ্য ইয়ার' হিসেবে ভূষিত করা হয়। 'দ্য ন্যাশনাল লিগ অফ জুনিয়র কটালিয়নস' বিশ্বের ১০ জন বিনয়ী ব্যক্তিত্বের একটি তালিকা তৈরি করে, যা ইউএস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি