পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

কান চলচ্চিত্র উৎসব এর খুঁটিনাটি তথ্য

সারা বিশ্বের চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্র শিল্পীদের মিলনমেলা হিসেবে এই উৎসবটি পরিচিত। সারা বিশ্ব থেকে বাঘা বাঘা সব চলচ্চিত্র পরিচালক, শিল্প ও কলাকুশলীরা ভিড় জমায় ফ্রান্সের কান শহরে। ১৪ ই মে, ২০১৪ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৭ তম আসর। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই চলচ্চিত্র উৎসবটির একটি ইতিহাস রয়েছে। সেই তথ্যই এই পেজটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

 

শুরুর দিকের কথা

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রথম আসর বসে ১৯৩২ সালে। তবে সেটা ফ্রান্সের ‘কান’ শহরে নয়, বসেছিল ইতালির ‘ভেনিস’ শহরে। তখন এই উৎসবটির নাম ‘কান চলচ্চিত্র উৎসব’ ছিল না, এটি পরিচিত ছিল ‘আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ নামে। এরপর ভালোভাবেই চলছিল এই উৎসবটি। ১৯৩৮ সালে এসে সমস্যা সৃষ্টি হয়। ইতালির মুসোলিনী ও জার্মানির এডলফ হিটলারের পুরস্কারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সমস্যা তৈরি হয়। এর পরের বছর থেকেই অর্থাৎ  ১৯৩৯ সালে সর্বপ্রথম ‘কান’ এ চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করা হয়। এরপর শুরু হয়ে যায় ২য় বিশ্বযুদ্ধ। এই কারণে মাঝখানে কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৪৬ সালে আবার শুরু হয় আন্তর্জাতিক এই চলচ্চিত্র উৎসবটি। ১৯৪৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ‘ফেস্টিভাল দ্যু ফিল্ম ডি কান’ নামের উৎসবটি আয়োজনের মধ্যে। ৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই উৎসবই ছিলো আজকের বিখ্যাত কান চলচ্চিত্র উৎসবের প্রথম আসর। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ১৯৪৮ ও ১৯৫০ সালে এই উৎসবটি আয়োজন করা হয় নি। তবে ১৯৫০ সালের মধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত উৎসব হিসেবে এটিকে ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৫৫ সালে ফ্রান্সের ‘কান’ শহরকে স্থায়ীভাবে এই উৎসব আয়োজনের কেন্দ্রস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। তবে এখনো ভেনিসে অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবটি’র প্রচলন রয়েছে। এছাড়া বার্লিনেও অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক একটি চলচ্চিত্র উৎসবের। 

 

বিতর্ক

আগেই বলেছি, ১৯৩২ সালে সর্বপ্রথম ইতালির ভেনিসে গোড়াপত্তন হয়েছিল ‘আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ নামে একটি অনুষ্ঠানের। এরও আগে ১৯৩০ সালে ফরাসি সিনেমা ব্যক্তিত্ব ‘ফিলিপ এরল্যাঙ্গার’ ফরাসি শিক্ষামন্ত্রী জি. জেই এর কাছে এরকম একটি উৎসবের জন্য সুপারিশ করেন। পরে ফরাসি শিক্ষামন্ত্রীর হাত ধরে আমেরিকা ও ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় শুরু হয় এই উৎসবটির। তবে সমলোচকরা মনে করেন ভেনিসে অনুষ্ঠিত ‘আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ এর আধিপত্য ধ্বংস করার উদ্দেশ্যেই এই উৎসবটির আয়োজন করা হয়।        

 

নামকরণ ও আয়োজনের সময়

‘কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ এর অফিসিয়াল নাম হচ্ছে ‘Festival de Cannes’। ২০০২ সালে উৎসবটির নাম অফিশিয়ালি ‘ফেস্টিভাল ডি কানস’ বা কান চলচ্চিত্র উৎসব হয়েছে। পালে দ্য ফেস্টিভালে দ্য কোঁগ্র (Palais des Festival et des Congres) নামক ভবন থেকে এর মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। কেবল এই কান উৎসবের জন্যই নির্মাণ করা হয়েছে এই ভবনটি। আর ভবনটি ১৯৮৩ সালে নতুনভাবে আরো জাঁকালো করে নির্মাণ করা হয়েছে, ফরাসীরা আদর করে যার নাম দিয়েছে ‘দ্যা বাংকার’। পোলিশ পরিচালক কার্জসটফ কিসোলস্কি (Krzyszt of Kieslowski) তাঁর থ্রি কালারস ট্রিলজির (The Three Colors Trilogy) একটি রেড (Red) বানিয়েছিলেন এই কান উৎসবকে উদ্দেশ্য করে। ১৯৫০ সালের পর প্রতিবছর নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হচ্ছে এই উৎসবটির। শুরুর দিকে এই উৎসবটি আয়োজনের কোনো নির্দিষ্ট সময় ছিলো না। ১৯৬৭ সালের পর থেকে প্রতিবছর মে মাসে অর্থাৎ ফরাসি বসন্তে আয়োজন করা হয় এই উৎসবটির। এছাড়া আরও একটি কারণ রয়েছে। আর তা হলো – ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সাথে সময়গতভাবে যাতে কোনো সংঘর্ষ না হয় সেজন্য। ১২ দিন ধরে চলে এই উৎসবটি।  

 

কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব আসলে কী

‘কান চলচ্চিত্র উৎসব’ হচ্ছে বিশ্বের সেরা চলচ্চিত্র, চলচ্চিত্র শিল্প ও চলচ্চিত্র কলাকুশলীদের মিলনমেলা ও একইসাথে সেরাদের পুরষ্কৃত করার একটি উৎসব। কান চলচ্চিত্র উৎসবে যেসব বিষয়ের উপর পুরষ্কৃত করা হয় সেগুলো হলো –

  • পাম ডি অর বা স্বর্ণপাম- সেরা চলচ্চিত্র
  • পাম ডি জুরি- জুরি পুরস্কার
  • পাম ডি অর কোওত মিত্রেজ – সেরা শর্টফিল্ম
  • প্রিঁ দ্যা’ইন্টারপ্রিটেশন ফেমিনিন– সেরা অভিনেত্রী
  • প্রিঁ দ্যা’ইন্টারপ্রিটেশন ম্যাসকিউলিন– সেরা অভিনেতা
  • প্রিঁ দ্যা লা মিস এন সিন – সেরা পরিচালক
  • প্রিঁ দ্যা সিনারিও – সেরা চিত্রনাট্যের জন্য

 

প্রতিযোগিতামূলক বাছাইয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকে স্বর্ণপাম (Palme d’Or) পুরস্কারটি। বিভিন্ন দেশের প্রায় ২০টি চলচ্চিত্র পুরস্কারটির জন্য প্রতিযোগিতা করে। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলো থিয়েটার লুমিয়ের (Théâtre Lumière) এ প্রদর্শন করা হয়। আগেই বলেছি, এটি উৎসবের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। নয়জন বিচারকের একটি প্যানেল সর্বশ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্রের পরিচালককে এর জন্য মনোনীত করেন। পুরস্কারটির বর্তমান যে নকশা, তাতে রয়েছে ২৪ ক্যারেট সোনা। পাশাপাশি সেরা অভিনেতার জন্য রয়েছে প্রিক্স ডি’ইন্টারপ্রিটেশন ম্যাসকুলিন (Prix d’interprétation masculine) I অভিনেত্রীর জন্য প্রিক্স ডি’ইন্টারপ্রিটেশন ফেমিনিন (Prix d’interprétation féminine) পুরস্কার ।কান চলচ্চিত্র উৎসবে দর্শকদের সবচেয়ে আকর্ষণের জায়গা হচ্ছে ‘সিনেমা ডি লা প্লাজ’ (Cinéma de la Plage) বিভাগটি। এ বিভাগটি শুধুই চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর জন্য। উৎসবে যতোগুলো স্বল্পদৈর্ঘ্য, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয় (কান ক্ল্যাসিকের চলচ্চিত্রগুলোসহ) তা এ বিভাগের মাধ্যমে ‘ম্যাস বিচ’-এ (Macé beach) প্রদর্শিত হয়। তবে এর জন্য দর্শককে অবশ্যই টিকিট কিনতে হয়।

 

আর চলচ্চিত্র শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ‘সিনেফাউন্ডেশন’ (La Cinéfondation) নামে একটি বিভাগ। সারা বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র স্কুল থেকে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী তাদের চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য এখানে আবেদন করেন। এর ভিতর থেকে নির্বাচিত ১৫-২০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য, মিডিয়াম দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র সেল বুনুয়েল (Salle Buñuel) প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন হয়। এ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে থেকে শ্রেষ্ঠ তিনটি চলচ্চিত্র সিনেফাউন্ডেশন-এর জুরি বোর্ড নির্বাচন করে এবং তাদের পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া শুধু স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্যেও রয়েছে আরো একটি পুরস্কারের ব্যবস্থা। এখানে সিনেফাউন্ডেশনের জুরি বোর্ড সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ১০টি সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই করে এবং এদের মধ্যে সেরা একটিকে শর্ট ফিল্ম পাম ডি’অর (Short Film Palme d’Or) পুরস্কার দেওয়া হয়। এসব চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয় বুনুয়েল ও ডেবাসি থিয়েটার হলে।

 

এছাড়া কান-এ থাকে উৎসব বহির্ভূত সংগঠনগুলোর আয়োজনে কয়েকটি বিভাগ। এখানেই রয়েছে সেই বিখ্যাত ‘ডিরেক্টরস্‌ ফোর্টনাইট’ (Directors’ Fortnight) ও ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিটিকস্‌ উইক’ (International Critics’ Week) বিভাগ দুটি। এখানে জুরি বোর্ডের নির্বাচিত সাতটি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও সাতটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এদের মধ্যে থেকেই দেওয়া হয় উৎসবের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ গ্র্যান্ড প্রিক্স (Grand Prix) পুরস্কার। এখানে জুরি বোর্ডের সদস্য হিসেবে থাকেন বিশ্বখ্যাত সব চলচ্চিত্র সমালোচক ও সাংবাদিক। প্রতিটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পর তারা ভোট দেন এবং তার ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। এখানকার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো আবার বেস্ট স্ক্রিনপ্লে (Prix du scénario) পুরস্কারের জন্যও প্রতিযোগিতা করে।

 

কয়েক ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়া

১৯৬৮ সালে এসে ২১ তম কান চলচ্চিত্র উৎসব এর সময় সমস্যা সৃষ্টি হয়। আর তা হলো জ্যঁ লুক গদার আর ফ্রাঁসোয়া ত্রুফোর নেতৃত্বে একদল তরুণ নির্মাতা স্টেজের পর্দা ধরে ঝুলে পড়ে মাঝপথে বন্ধ করে দিলেন উৎসব, কারণটা ছিল তৎকালীন ছাত্র-শ্রমিক আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ! ব্যাস উৎসব হয়ে গেল দুই ভাগ । পরের বছর থেকেই শুরু হলো দুটো উৎসব । প্রচলিত উৎসবের পাশাপাশি শুরু হলো  পিয়েরে অঁরি ডিলিউ এর নেতৃত্বে বিশিষ্ট পরিচালকদের উদ্যোগে ‘ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট’, পুরোটাই সিনেমা নির্মাতাদের দখলদারিত্বে। ১৯৬২ সালে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিটিক’স উইক নামে উৎসবের আরেকটি অংশের শুরু হয় ফ্রেঞ্চ ইউনিয়ন অব ফিল্ম ক্রিটিকিস এর হাত দিয়ে। তাঁরা আবার নন কমার্শিয়ালি কোন নবীন পরিচালকের ১ম অথবা ২য় কাজকে পুরস্কার প্রদান করে মূল্যায়ন করেন ! ১৯৬৫ সালে ফরাসী সিনেমা ব্যাক্তিত্ত জিন ককতুকে সাম্মানিক সভাপতি ঘোষণা করা হয় । সত্তররের দশকে কানে আরো বেশ কিছু পরিবর্তন আসে । মরিস বেসি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হয়ে সিনেমা নির্বাচনের নীতিতে আনেন পরিবর্তন । আগে যেখানে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ নিজেরাই ঠিক করতো কোন সিনেমাটি যাবে, বেসি সেখানে নতুন দুইটি  কমিটি তৈরি করেন যারা যাচাই-বাছাই করে ফ্রেঞ্চ ও ভিনদেশী সিনেমা নির্বাচন শুরু করেন। এছাড়া সিনেফন্ডোশন নামে এই উৎসবের আরেকটি উইং তৈরি হয় যা বিশ্বের বিভিন্ন ফিল্ম স্কুল গুলোর কাজসমূহকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । আর এরই মাধ্যমে কান উৎসব মোটামুটি এখনকার এই অবস্থায় দাড়িয়েছে।

 

সবচেয়ে আকর্ষণীয় ‘রেড কার্পেট’

কান চলচ্চিত্র উৎসব সহ বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে ‘রেড কার্পেট’ বিষয়টি। বিশ্বের নামী-দামী সব তারকারা এই রেড কার্পেট মাড়িয়েই উৎসবে যোগ দেন। এই রেড কার্পেটের দুই পাশে সাংবাদিকরা ভিড় করে থাকেন তারকাদের কার্পেটে হাঁটার ছবি তোলার জন্য। এই ‘রেড কার্পেট’ মূলত ২২ গজের লাল রঙের একটি কার্পেট। এই ‘রেড কার্পেট’ বা ‘লাল গালিচা’ দিনে তিনবার পরিবর্তন করা হয়।

 

 

টুকরো কিছু তথ্য

  • কান উৎসবের জন্য প্রতি বছর বাজেট থাকে প্রায় ২০ মিলিয়ন ইউরো।যার অর্ধেকটা আসে বিভিন্ন পাবলিক ফান্ড ও বাকি অর্ধেকটা আসে অফিসিয়াল পার্টনার এবং গ্রুপ কন্ট্রিবিউটারদের কাছ থেকে।
  • প্রতি বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করতে আসা অভিনেতা, অভিনেত্রী, প্রযোজক, পরিচালক, প্রতিনিধি, ভক্তবৃন্দের সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ।
  • গত ২০১১ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবের স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের তালিকায় প্রায় ১,১৮৮ টি চলচ্চিত্র ছিল। যা কিনা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রদর্শিত হয়েছিল।
  • ২০১৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে মোট ৩,৭৬৭ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছিল। যা কিনা অলিম্পিকের পর কান চলচ্চিত্র উৎসবকে সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ করা দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুষ্ঠান হিসেবে পরিচিত করেছিল।
  • কান চলচ্চিত্র উৎসবের সময় কানের হোটেলে প্রধান খাবারের জন্য দৈনিক খরচ গড়ে ৩৫ ইউরো।
  • কান হোটেলগুলোর বার্ষিক আয়ের ১৫% আয় হয় কান চলচ্চিত্র উৎসবের এই ১২দিনে।
  • কান উৎসব যে আন্তর্জাতিক একটি উৎসব তাকে আরো বিশ্বাশযোগ্য করতে কানের ওয়েবসাইটে ২০১৩ সালে নতুন একটি ভাষা সংযোজন করা হয়েছে।
  • দুয়োধ্বনি দেওয়ার বিষয়টি কান চলচ্চিত্রে একটি নিয়মিত ব্যাপার ।যদিও পরিচালকদের জন্য বিষয়টি দুঃস্বপ্নের মত। কিন্তু দুয়োধ্বনি পেলেই যে তা একেবারেই বাজে চলচ্চিত্র তা নয়। মাইকেল অ্যান্টেনিওনির লা’আভেন্তুরা (১৯৬০), ট্রাফাউটের লা পিয়াউ ডউস (১৯৬৪) এবং রবার্ট ব্রেসন্সের লা’আর্জেন্ট চলচ্চিত্রগুলো নানা রকম প্রশ্নের সম্মুখিন হলেও প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রই অনন্য সৃষ্টির খেতাবও পেয়েছিল।
  • ১৯৫৫ সালে প্রবর্তিত পালম ডি’ওর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকে পুরস্কারের নামকরণ করেছেন। যেমন ফ্রান্সের একটি ম্যাগাজিনের তত্ত্বাবধায়নে পাম ডগ নামক একটি পুরস্কার প্রদান করা হয় যেটি দেওয়া হয় কুকুর সম্বন্ধীয় চলচ্চিত্রের জন্য। আবার যেসব চলচ্চিত্র লেসবিয়ান, গে বা লিঙ্গ সম্বন্ধীয় তার জন্য দেওয়া হয় কুয়ার পাম এবং পর্ণগ্রাফী চলচ্চিত্রের জন্য দেওয়া হয় হট পাম পুরস্কার।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি