পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

এলভিস প্রিসলি: কিংবদন্তী এক সংগীত শিল্পীর জীবনের গল্প

সময়টা ১৯৫৪ সাল। তখনো একজন নন-পারফরমারের খাতায় নাম ছিল জনপ্রিয় আমেরিকান সঙ্গীতশিল্পী এলভিস প্রিসলির। সে সময় কান্ট্রি মিউজিক স্টেজ গ্র্যান্ড ওলে অপ্রেতে সঙ্গীত পরিবেশনের সুযোগ পান এলভিস। কিন্তু প্রথম স্টেজ শোর পর সেখানকার ম্যানেজার জিমি ড্যানি চাকরিচ্যুত করেন এলভিসকে। ড্যানি নাকি এলভিসকে বলেছিলেন, ‘তুমি একজন নন-পারফরমার, গানের বদলে তুমি বরং ট্রাক চালানো শিখে নাও। ভালো করতে পারবে!’ সেই এলভিস প্রিসলিই পরবর্তী জীবনে জয় করেছেন পুরো বিশ্বের সংগীত জগত। এলভিস প্রিসলির জীবনের বিভিন্ন খুঁটিনাটি তথ্য এই পেজটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

 

জন্ম ও পরিবার

এলভিস প্রিসলি কে বলা হয় মিসিসিপির গর্ব। কেননা ১৯৩৫ সালের ৮ জানুয়ারি এই মিসিসিপির টুপেলোতেই জন্মগ্রহণ করেন ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশি বিক্রিত অ্যালবামের সংগীত শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মার্কিন সংগীত শিল্পী এলভিস প্রিসলি। তার পুরো নাম এলভিস অ্যারন প্রিসলি। এলভিস প্রিসলির এক জমজ ভাই রয়েছে। যে প্রিসলির জন্মের ৩৮ মিনিট আগে জন্মেছিলেন। প্রিসলির বাবার নাম ভ্যারন এলভিস এবং মায়ের নাম লাভ প্রিসলি। প্রিসলি যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন তার বাবার বয়স ছিল ১৮ বছর এবং মায়ের বয়স ২২ বছর। 

 

শৈশব ও কৈশোর

জন্মগতভাবেই প্রিসলির গানের প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষণ। কিন্তু গরীব পরিবারে জন্মগ্রহণ করা প্রিসলির ভাগ্যে সংগীত চর্চার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি জোটে নি। তারপরও ছেলের প্রতিভা দেখে তার বাবা খুবই নিম্নমানের একটি খেলনা গিটার কিনে দেন প্রিসলিকে। একে তো কাজের সন্ধানে প্রিসলিদের পরিবার খুব বেশিদিন এক জায়গায় থাকতে পারতো না। তার উপর তার বাবা-মা অনুভব করেন মিসিসিপিতে থাকলে প্রিসলি খুব বেশিদুর যেতে পারবে না। সেই ভাবনা থেকেই প্রিসলির বয়স যখন ১৩ বছর তখন তারা সপরিবারে চলে যান টেনেসী রাজ্যের মেমফিস শহরে। সেখানে যাওয়ার পর প্রিসলিকে তার বাবা-মা স্কুলে ভর্তি করে দেয়। এই স্কুলেই মিউজিকের উপর কোর্স শুরু করেন প্রিসলি। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি গানের চর্চাও চলতে থাকে। এভাবেই একসময় স্কুলে, চার্চে ও পাড়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সুযোগ হয় এলভিস প্রিসলির।

 

কর্মজীবন

স্কুল থেকে পাশ করে বের হওয়ার পর জীবিকার যুদ্ধে অংশ নিতে হয় প্রিসলিকে। সে সময় গান গেয়ে তা সম্ভব ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে নিজের সাথে মানানসই না এমনও কিছু কাজ তাকে করতে হয়েছিল। কেননা সে সময় স্কুল পাশ একটি ছেলের জন্য খুব ভালো কোনো কাজ ছিল না। তাই তাকে কিছুদিন তিনি সিনেমা হলে কাজ করেন। এরপর কাজ একটি ইলেকট্রিক কোম্পানির ট্রাক ড্রাইভারের কাজও তিনি করেছিলেন। তবে সংগীত সবসময় তার সাথেই ছিল।

 

সংগীত জীবন

১৯ বছর বয়সে ১৯৫৪ সালে পেশাদার সংগীত জীবনের শুরু হয় এলভিস প্রিসলির। ‘সান রেকডিং’ নামের একটি স্টুডিওর সাথে তিনি চুক্তিবদ্ধ হন। প্রথমে ‘কান্ট্রি', পরে রিদম অ্যান্ড ব্লুস' ইত্যাদি চেষ্টা করলেও, দু-বছর পর - অর্থাৎ ১৯৫৬ সালে একেবারে ভিন্ন মাত্রার সুরে ডুব দেন তিনি৷ ভেসে যান ‘রক এন রোল'-এর ছন্দে, তার মূর্ছনায়৷ গান ‘লাভ মি টেন্ডার'... রক এন্ড রোল সঙ্গীতকে বিশ্ব দরবারে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন এলভিস প্রেসলি। ১৯৬৫ সালে মুক্তি পায় এলভিস প্রিসলির প্রথম একক গান ‘হার্ট ব্রেক হোটেল’। মুক্তির পরপরই বদলে যায় তার জীবন। গানটি আমেরিকার টপচার্টের শীর্ষ স্থানটি দখল করে নেয়। এরপর শুরু করেন টেলিভিশনে গান গাওয়া। এখানেও শীর্ষে পৌঁছাতে খুব বেশিদিন সময় লাগেনি তার। তার গাওয়া গান দখল করে নেয় সেরা গানের প্রথম স্থানটি। একইসাথে সে সময়ের সেরা গায়কের তকমাটিও নিজের করে নেন প্রিসলি। এলভিস প্রিসলির নিজস্ব একটি ব্যান্ড দলও ছিল। দলটির নাম ছিল ‘দ্যা ব্লু মুন বয়েজ’। প্রিসলি সহ আরও দুজন ছিলেন তার এই দলে। তারা হলেন - স্কটি মুরে ও বিল ব্ল্যাক। তার গানের শ্রোতাদের মধ্যে নানা বয়েসীরা থাকলেও, টিন এজ ছেলেমেয়েরা ছিল প্রেসলীর গানের অন্ধ ভক্ত। বিশেষ করে মেয়েরা প্রেসলির কোমড় দুলিয়ে নাচ করাকে খুবই পছন্দ করতো। যদিও ঐ সময় টিভিতে প্রিসলির কোমড়ের নীচে থেকে দেখানো হতো না, তারপরেও কোমড় দুলানোর জন্যই প্রিসলীর ‘নিকনেম’ হয়েছিল ‘ এলভিস দ্য পেলভিস’। এত বেশী গান তিনি করেছিলেন যে মৃত্যুর আগেই তাঁর গাওয়া ‘সলো’ এবং অ্যালবাম গানের বিক্রীত সংখ্যা ছিল ৬০০ মিলিয়নের উপরে।

 

অভিনেতা প্রিসলি

গানের পাশাপাশি অভিনয় অঙ্গনে পদচারণা রয়েছে এলভিস প্রিসলির। প্রিসলি অভিনীত ১ম মুভিটি ছিল ‘লাভ মি টেন্ডার’। এটি মুক্তি পায় ১৯৬৫ সালের নভেম্বরে। সবমিলিয়ে ৩৩টি মুভিতে অভিনয় করেন তিনি। সমালোচকরা নাক সিটকালেও তার অভিনীত প্রতিটি মুভিই বক্স অফিসে সাড়া জাগিয়েছিল। ১৫০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেছিল তার মুভিগুলো। সে সময়ে সব বিখ্যাত অভিনেতাদের সাথেই অভিনয় করার সুযোগ হয়েছিল প্রিসলির।

 

সংগীত ও অভিনয় জীবনের বাইরে

সংগীত ও অভিনয় জীবনের বাইরেও প্রিসলির আরও অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে। কারাটে তে ব্ল্যাক বেল্ট পেয়েছিলেন ১৯৬০ সালে। জীবনের কিছুটা সময় সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবেও কাজ করতে হয়েছিল প্রিসলিকে। তবে সেটা স্বেচ্ছায় নয়। বাধ্যতামূলকভাবে ১৯৫৮ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২ বছর সেনাবাহিনীতে কাজ করার পর নাড়ির টানে আবার ফিরে আসেন সংগীতে। কিছুদিন মঞ্চে গান গাওয়ার পর ১৯৬০ সালে তিনি হলিউডে মুভি নির্মাণের কাজে হাত দেন। পাশাপাশি সংগীত পরিচালনার কাজও করেন।

 

আবার সংগীত জীবনে ফিরে আসা

গান গেয়ে তিনি যতটা প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তার বিপরীত ঘটেছিল মুভি নির্মাণ ও সংগীত পরিচালনার ক্ষেত্রে। সমালোচকদের দুয়োধ্বনি জুটেছিল তার ভাগ্যে। এভাবে দীর্ঘ ৭ বছর তিনি এই লাইনে ছিলেন। এরপর তিনি ১৯৬৮ সালে আবার ফিরে আসেন মঞ্চ সংগীতের জগতে। ১৯৭৩ সালে প্রিসলির একটি স্টেজ শো প্রথমবারের মতো স্যাটেলাইট থেকে দেখানো হয় এবং প্রায় দেড় বিলিয়ন দর্শক তা উপভোগ করে পুরো বিশ্বব্যাপী।

   

প্রেম ও বিয়ে

সেনাবাহিনীতে যোগদান প্রিসলির অনিচ্ছাকৃত হলেও এই সেনাবাহিনীতে যোগদানের ফলেই দেখা পান জীবনের পরম বন্ধুর। সেনাবাহিনীর সৈন্য হিসেবে জার্মানীতে অবস্থানের সময় চৌদ্দ বছর বয়সী ওয়াগনারের প্রেমে পড়েন প্রিসলি। দীর্ঘদিন প্রেম পর্ব শেষে ১৯৬৭ সালের ১ মে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৬৭ সালের ১ লা ফেব্রুয়ারী প্রিসলি-ওয়াগনারের সংসারে আগমন ঘটে নতুন অতিথি একমাত্র কন্যা লিস্যা ম্যারী প্রিসলির।

এরপর শুধু স্টেজ প্রোগ্রাম দিয়েই মাতিয়েছেন পুরো বিশ্ব

১৯৭০ সাল থেকে লাইভ কনসার্টে মেতে ওঠেন প্রিসলি। তার কনসার্টগুলোর সব টিকেটই অগ্রিম বিক্রি হয়ে যেতো। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পাঁচ শতাধিকেরও বেশি স্টেজ শোতে অংগ্রহণ করেন প্রিসলি। এর বেশিরভাগ কনসার্টের টিকেটই অগ্রিম বিক্রি হয়ে যেতো। জীবনে প্রচুর এওয়ার্ড পেয়েছেন, শুধুমাত্র গসপেল মিউজিকের জন্যই তিনবার গ্র্যামী এওয়ার্ড জিতেছিলেন।

 

বিবাহ বিচ্ছেদ ও জীবনের পট পরিবর্তন

খুব বেশিদিন স্থায়ী হয় নি প্রিসলি-ওয়াগনারের সংসার। মাত্র ৬ বছরের মাথায় ১৯৭৩ সালের অক্টোবর মাসে ডিভোর্স হয়ে যায় তাদের। এসময় সারা আমেরিকাময় ছিল এলভিস প্রিসলির চাহিদা। স্টেজ প্রোগ্রাম করার জন্য তাকে বিভিন্ন শহরে ছুটে বেড়াতে হতো। তাই একদিকে বিবাহ বিচ্ছেদ ও অন্যদিকে ছোটাছুটি এবং শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া সব মিলিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেন প্রিসলি। এই সময়েই হয়তোবা ড্রাগের প্রতি আসক্ত হয়ে পরেন এলভিস প্রিসলি।

 

এলভিস প্রিসলির কিছু টুকরো তথ্য

  • ছয় ফিট উচ্চতার প্রিসলী দেখতে ছিলেন সুদর্শন, ছেলেবেলায় ব্লন্ডেড হেয়ার থাকলেও বড় হতে হতে মাথার চুলগুলো কালো হয়ে যায়।
  • কাকতালীয়ভাবেই তারিখ ভিন্ন হলেও প্রেসলীর জন্ম এবং মৃত্যু হয়েছে মঙ্গলবার।
  • আমেরিকায় সবার বাড়ীতেই পোষা প্রাণী আছে, বেশীর ভাগ আমেরিকানের পছন্দ কুকুর অথবা বেড়াল। এলভিসের পোষা প্রাণীটি ছিল ‘স্ক্যাটার’ নামে এক শিম্পাঞ্জী।
  • ১৯৬৫ সালে বিটলস এসেছিল আমেরিকাতে, তারা একজন মাত্র ব্যক্তির সাথে দেখা করতে এসেছিলেন, সে এলভিস প্রেসলী। প্রেসলী এবং বিটলস একসাথে একটি পুরো দিন কাটিয়েছে ক্যালিফোর্ণিয়ায় নিজের বাড়ীতে।
  • তার বেশ কিছু গানের এলবাম মাল্টিপ্ল্যাটিনাম সেল হয়েছে, বারোটি এলবামের দুইশ কপি বের হয়েছে।. হার্টব্রেক হোটেল, আই ওয়ান্ট ইউ আই নিড ইউ আই লাভ ইউ, হাউন্ড ডগ, ডোন্ট বী ক্রুয়েল, লাভ মী, আই বেগ অফ ইউ, জেইলহাউজ রক সহ প্রচুর এলবাম বিলবোর্ডের এক নাম্বার চার্টে সপ্তাহের পর সপ্তাহ শোভা পেতো।

 

মৃত্যু

১৯৭৭ সালের ১৬ ই আগস্ট ৪২ বছর বয়সে পুরো বিশ্বের সংগীত ভক্তদের কাঁদিয়ে পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় নেন এলভিস প্রিসলি। বাথরুমে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাঁকে। তার মৃত্যুর জন্য সে সময় দায়ী করা হয় তার অতিরিক্ত মাদক গ্রহণকে। পরে অবশ্য জানা যায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান এলভিস প্রিসলি। তবে শেষ পর্যন্ত জানা যায় তার চিকিৎসকের দেয়া ওষুধের কারণে তার মৃত্যু হয়।

 

এলভিস প্রিসলির জীবনী নিয়ে নির্মিত হবে মুভি

বিশ্বজুড়ে এলভিস প্রিসলির কত অনুরাগী ছিল, তার কোন হিসেব নেই। সেই সব অনুরাগীদের জন্য প্রিসলির জীবনী নিয়ে নির্মাণ করা হবে মুভি। ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত পপ কিং এলভিস প্রিসলির জীবনীভিত্তিক বেস্ট সেলার গ্রন্থ লাস্ট ট্রেন টু মেম্ফিস অবলম্বনে তৈরী হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। এতে আমেরিকান এই পপ কিংয়ের সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র জীবনের শুরুর দিককার উত্থানকালীন নানা কাহিনী চলচ্চিত্রে স্থান পাবে।

 

সর্বকালের সেরা ১০ ভালোবাসার গান

সর্বকালের সেরা ১০ ভালোবাগার গানের তালিকায় এলভিস প্রিসলির গাওয়া ‘লাভ মি টেন্ডার’ গানটি রয়েছে ২য় অবস্থানে। ১৯৫৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ‘দ্য এড সুলিভ্যান শো’ অনুষ্ঠানে পরিবেশন করেন। আর তাতেই আরসিএ রেকর্ডস ১০ লাখ কপি অগ্রিম সরবরাহের অনুরোধ পায়।

 

মৃত্যুর পরেও রয়ে গেছে প্রিসলি

কিছু কিছু মানুষ আছে যাদের অবদান মানুষ কখনোই ভুলতে পারেন না। যেমনটি ঘটেছে প্রিসলির ক্ষেত্রে। মৃত্যুর পরেও তার জনপ্রিয়তা কমেনি এতটুকুও। এখনো তার বিখ্যাত এলবামগুলোর চাহিদা আগের মতই, তাই কপিও প্রকাশিত হচ্ছে প্রতিবছর। প্রতি বছর তার মৃত্যুবার্ষিকীর এক সপ্তাহ আগে থেকেই তার শহর মেম্ফিসে তার প্রাক্তন স্ত্রী প্রিসিলা ও মেয়ে লিসা প্রিসলির উদ্যোগে আয়োজিত হয় প্রিসলি উইক। আর তাতে ভীড় জমান হাজারো ভক্ত। মিসিসিপির সেই বাড়িটি যেখানে তিনি জন্মগ্রহন করেছিলেন, সেখানে তার নামে করা হয়েছে মিউজিয়াম ও পার্ক।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি