পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

জে. কে. রাউলিং: জনপ্রিয় এক কাল্পনিক চরিত্রের জননী

জে.কে. রাউলিং নামটি অনেকের কাছে পরিচিত মনে হচ্ছে। কিন্তু পেটে আসছে মুখে আসছে না। আর যদি বলি ‘হ্যারি পটার’ গল্পের লেখক জে.কে. রাউলিং। তাহলে সবাই সমন্বরে ‘ওহ! শিট’। ভাবতে অবাক লাগে একসময় জে.কে. রাউলিং এই হ্যারি পটার গল্পটিকে নিয়েই প্রকাশকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। কেউ তার গল্পটিকে ছাপাতে চায় নি। অথচ সেই ‘হ্যারি পটার’ই জয় করলো পুরো বিশ্ব। এই পেজটিতে ব্রিটিশ লেখক জে.কে. রাউলিং এর জীবনের বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

 

জন্ম ও পরিবার

১৯৬৫ সালের ৩১ জুলাই ইংল্যান্ডের গ্লুসেস্টারশায়ারের ইয়েটে শহরে জন্মগ্রহণ করেন জে.কে. রাউলিং। তার বাবার নাম পিটার এবং মায়ের নাম অ্যানি। তার বাবা ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার এবং মা ছিলেন গবেষণাগারের টেকনিশিয়ান। রাউলিং এর পুরো নাম জোয়ান ক্যাথলিন রাউলিং। রাউলিং এর ছোট আরও এক বোন রয়েছে। ছোটবেলাটা কাটে গ্রাম্য পরিবেশে।

 

লেখালেখির হাতেখড়ি

রাউলিং এর বাবা-মা দুজনই ছিলেন পেশাজীবী। তাই রাউলিং ও তার বোনকে একাকীই সময় কাটাতো হতো। তাই তার বাবা-মা তাদের দুই বোনকে মজার মজার সব গল্পের বই কিনে দিতেন। এরপর সেই সময়  থেকেই মজার মজার গল্প লিখতেন তিনি, আর সেই গল্পগুলো লেখা শুরু করেছিলেন তাঁর বোনকে পড়ে শোনানোর জন্য। এভাবেই তার মনের মধ্যে বাসা বাঁধে নামকরা লেখিকা হওয়ার স্বপ্ন। তার স্বপ্ন ছিল – তার লেখা বই দোকানে আসা মাত্র পাঠকরা লুফে নিবে। এক সময় তার সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে।

 

 

 

এরপরের জীবন

রাউলিং এর বয়স যখন ২৬ বছর, তখন তিনি যুক্তরাজ্য থেকে চলে যান পর্তুগালে। সেখানে তিনি ইংরেজি শিখাতেন। পর্তুগালে যাওয়ার পর সেখানে পরিচয় হয় এক পর্তুগীজ সাংবাদিক জর্জ অ্যারান্টেসের সাথে। এই পরিচয় থেকেই এক সময় তাদের দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রণয় এবং প্রণয়ের পরিণতি হিসেবে তারা দুজন বিয়ে করেন। ১৯৯৩ সালে রাউলিং এর কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান। মেয়েটির নাম রাখা হয় জেসিকা। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ১৯৯৫ সাল নাগাদ স্বামী অ্যারান্টেসের সঙ্গে তার বনিবনা না হওয়ায় ছোট্ট জেসিকাকে নিয়ে রাউলিং চলে আসেন স্কটল্যান্ডের এডিনবরায়। সেখানে থাকতেন তার ছোট বোন ডায়ানা। মেয়ের সকল দায়ভার এসে পড়ে রাউলিং এর উপর। এরপরের জীবন ছিল রাউলিংয়ের জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ একটি সময়। এসময় চরম দারিদ্রতা ভর করে রাউলিং এর জীবনে। প্রথম দিকে নিজের বাচ্চার খরচ সামলানোর সামর্থ্য রাউলিংয়ের ছিল না। এ কারণে তিনি চলে গেলেন সরকারি সাহায্য সংস্থাগুলোর কাছে, আর এরই ফাঁকে চলতে থাকলো লেখা। পরে অবশ্য তিনি একটি স্থানীয় একটি স্কুলে শিক্ষকতার কাজ পান। লেখালেখি কিন্তু তার থেমে থাকেনি। কখনো কখনো ক্যাফের মধ্যে খুব দ্রুত লিখতেন সেসময় হয়তো ছোট্ট মেয়ে জেসিকা ঘুমিয়ে থাকতো তার পাশে। এভাবেই জে কে রাউলিংয়ের হাতে একসময় জন্ম নিলো সাহিত্যের অমর চরিত্র হ্যারি পটার। ২০০১ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিয়ে করেন ডা. নেইল মারিকে।

 

হ্যারি পটার সিরিজের জন্ম এক ট্রেনে

১৯৯০ সালে জে.কে. রাউলিং এর মাথায় আসে ‘হ্যারি পটার’ গল্পের ধারণা। একদিন তিনি ম্যানচেষ্টার থেকে লন্ডনে যাচ্ছিলেন পাতাল ট্রেনে চড়ে। ট্রেনটিতে যাত্রীদের প্রচন্ড ভিড় ছিল। সব মিলিয়ে অস্বস্তিকর এক অবস্থা বিরাজ করছে পুরো ট্রেনজুড়ে। এই ট্রেনেই দীর্ঘ ৪ ঘন্টা অতিবাহিত করতে হয়েছে জে.কে. রাউলিংকে। এই অবস্থাতেই তিনি চিন্তা করছিলেন নতুন কোনো একটি লেখা নিয়ে। হঠাৎই তার স্বপ্নের মনের জানালায় কড়া নাড়ে এক এতিম ছেলে। যেই ছেলেটি পালিত হচ্ছে তার এক ফুফু ও ফুপার কাছে। যারা দুজনই খুব নিচুমনের অধিকারী। ছেলেটি শত অন্যায় অত্যাচার সহ্য করলেও সে জানে না যে, তার মধ্যে রয়েছে এক মায়াবী জাদুকরী ক্ষমতা। একই সাথে তিনি তার মনের ক্যানভাসে একে ফেলেন সেই এতিম ছেলেটির মুখাবয়ব। মোটা ফ্রেমের চশমা পরিচিত কালো চুলের হ্যারিকে নিয়ে ওই সময় থেকেই লেখা শুরু করেন জে.কে. রাউলিং। অবশেষে ১৯৯৫ সালে শেষ করেন হ্যারি পটার সিরিজের ১ম গল্পটি। ২০০৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সাতটি বইয়ের প্রথম ছয়টি বই সারা পৃথিবীতে ৩২৫ মিলিয়ন কপিরও বেশী বিক্রী হয়েছে এবং ৬৪টিরও অধিক ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

 

প্রকাশকদের দ্বারে দ্বারে ঘোরা

জে.কে. রাউলিং এর ছোটবেলাতেই স্বপ্ন ছিল, যখন তার বই বাজারে বের হবে তখন সবাই হটকেক হিসেবে তা গ্রহণ করবে। কিন্তু বাস্তবে প্রথম দিকে ঘটে পুরোই উল্টো। তার হ্যারি পটার সিরিজের ১ম গল্পটি লেখা শেষ করার পর বইটি প্রকাশ করার জন্য প্রকাশকদের কাছে অনেক ঘুরতে হয়েছিল রাউলিংকে। প্রকাশকদের ধারণা ছিল বইটি তাঁদের ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন করবে। আটজন প্রকাশক ফিরিয়ে দেওয়ার পর ব্লুমসবারি নামের একটি প্রকাশনী ১৯৯৭ সালের ২৬ জুন হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম বই 'হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন' প্রকাশ করে। এরপরের ইতিহাস সকলেরই জানা। একেবারে অচেনা-অজানা জে.কে. রাউলিং হয়ে যান বিশ্ববিখ্যাত। যে রাউলিংকে এর আগে তার পরিবার ও পরিচিত জনরা ছাড়া অন্য কেউ চিনতো না। বিশ্বব্যাপী হ্যারি পটার সিরিজের ৩৫ কোটি কপি বিক্রি হয়েছে। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো জে.কে. রাউলিং এর লেখা হ্যারি পটার সিরিজের বই কেনার জন্য প্রকাশিত হওয়ার আগের দিন রাত থেকে মানুষ বইয়ের দোকানের সামনে লাইন দিতো।

ছবি: বই প্রকাশিত হবে সকালে অথচ রাতেই দোকানের সামনে ভিড় জমিয়েছেন পাঠকরা (বায়ে), বই কেনার পর পাঠকদের উল্লাস (ডানে)।

এক নজড়ে হ্যারি পটার

হ্যারি পটার হলো জে কে রাউলিং এর তৈরী একটি কাল্পনিক চরিত্র। এখানে হ্যারি একজন জাদুকর। হ্যারি জেমস পটার লেখিকা হলো জে. কে. রাউলিং এর হ্যারি পটার সিরিজের প্রধান চরিত্র। এখানে হ্যারি একজন যাদুকর। কাহিনীর পটভূমি হচ্ছে হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্র্যাফট এন্ড উইজার্ডরি যেখানে হ্যারি তার কাছের বন্ধু রন ওয়েজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের সাথে বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নেয়। তার চেহারা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে তার কপালে বিদ্যুত চমকের মত কাটা দাগ, যা স্কার নামে পরিচিত। লর্ড ভোলডেমর্ট যখন হ্যারিকে মারতে আভাডা কেডাভ্রা নামক অভিশাপ দিয়েছিল তখন হ্যারির কপালে এই দাগ সৃষ্টি হয়েছে। ভোলডেমর্ট হ্যারির বাবা-মাকে হত্যা করেছে। যা বিশ্বে হ্যারিই একমাত্র ব্যক্তি যে আভাডা কেডাভ্রা নামক মৃত্যু অভিশাপ থেকে বেঁচে গেছে। এর ফলে লর্ড ভোলডেমর্টের পতন হয়েছে। উপন্যাসে হ্যারি জেমস ও লিলি পটারের একমাত্র সন্তান। তার পিতার মত হ্যারির কালো চুল অপরিপাটী ভাবে সাজানো। তার স্বভাব, চরিত্র, ব্যক্তিত্ব সে পেয়েছে তার মায়ের কাছ থেকে। মায়ের সবুজ চোখও সে পেয়েছে। প্রথম উপন্যাসে হ্যারিকে ছোট আকারের ও পাতলা শরীরের বলা হলেও পঞ্চম বইয়ে তাকে লম্বা বলা হয়েছে। সে গোল ফ্রেমের চশমা পরে।

 

ছদ্মবেশী জে.কে. রাউলিং

হ্যারি পটার সিরিজের গল্প লেখার পর সারা বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন রাউলিং। মাঝেমধ্যে ছদ্মনামেও লেখেন তিনি। ‘রবার্ট গালব্রেইথ’ ছদ্মনামে তিনি ‘কুকোস কলিং’ নামের একটি বই লেখেন ২০১৩ সালে। তার এই বইটি যখন প্রকাশিত হয় তখন খুব বেশি কপি বিক্রি হয় নি। কিছুদিনের মধ্যে প্রকাশ পেয়ে যায় যে, এই বইটি রাউলিং এর লেখা। ব্যাস রাতারাতি কয়েক শত থেকে ১.৫ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয় একই বই। বুঝতেই পারছেন জে.কে. রাউলিং মানেই বইয়ের ব্র‌্যান্ড।  

 

‘হ্যারি পটার’ মুভি সিরিজ

জে.কে. রাউলিং এর লেখা ‘হ্যারি পটার’ উপন্যাস অবলম্বনে ৭টি মুভি নির্মাণ করা হয়েছে। বইয়ের মতো রূপালি পর্দায়ও সমানভাবে জনপ্রিয়তা পায় এই মুভি সিরিজের প্রতিটি মুভি।

  • হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন – ২০০১ সালে মুক্তি পায়। 
  • হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস – ২০০২ সালে মুক্তি পায়।
  • হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান – ২০০৪ সালে মুক্তি পায়।
  • হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার – ২০০৫ সালে মুক্তি পায়।
  • হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স – ২০০৬ সালে মুক্তি পায়।
  • হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স – ২০০৯ সালে মুক্তি পায়।
  • হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস – এই দুই পর্বে বিভক্ত। ১ম পর্ব মুক্তি পায় ২০১০ সালে এবং ২য় পর্ব মুক্তি পায় ২০১১ সালে।

 

বড়দের জন্য বই লিখেছেন জে.কে. রাউলিং

‘হ্যারি পটার’ মূলত ছোটদের একটি সিরিজ। তার লেখার মুন্সিয়ানা দেখে বয়োবৃদ্ধদের আফসোসের কোনো শেষ ছিল না। অবশেষে তাদের আফসোস দূর করার জন্য জে.কে. রাউলিং লিখেছেন ‘দ্য ক্যাজুয়াল ভ্যাকেন্সি’ নামের উপন্যাস। এতে রাউলিং তুলে ধরেছেন যৌনতা, মাদক ও গ্রাম্য রাজনীতিকে। হ্যারি পটার সিরিজের বই কিনতে যেমন আগাম বুকিংয়ের হিড়িক পড়তো এ ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি। বুঝতেই পারছেন বইটি কতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

 

নতুনরূপে আসছেন রাউলিং

হ্যারি পটার নয়, এবার ছোটদের জন্য অন্য ধরনের জাদুবিশ্বের গল্প নিয়ে আসছেন ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং। তাতেও অবশ্য জাদু থাকছে। এর প্রথম ছবির নাম 'ফ্যান্টাস্টিক বিস্টস অ্যান্ড হোয়্যার টু ফাইন্ড দেম'। এর মধ্য দিয়েই চিত্রনাট্যকার হিসেবে অভিষেক হচ্ছে তার। 'হ্যারি পটার' সিরিজের আটটি ছবির চিত্রনাট্যকার ছিলেন স্টিভ ক্লোভস। ছবিগুলো ৭.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করায় ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে রাউলিংয়ের। তিনি জানান, নতুন ছবিটি হ্যারি পটার সিরিজের প্রিক্যুয়েল, সিক্যুয়েল কিছুই নয়। এটা জাদুবিশ্বের সম্প্রসারিত একটি কাহিনী। এর গল্প হ্যারি পটারের জাদুর বিদ্যালয় হগওয়ার্টসের টেক্সটবুক 'ফ্যান্টাস্টিক বিস্টস অ্যান্ড হোয়্যার টু ফাইন্ড দেম'-এর লেখক নিউট স্ক্যাম্যান্ডারকে ঘিরে।

 

জে.কে. রাউলিং এর কিছু টুকরো তথ্য

  • ২০০৪ সালে ফোর্বস পত্রিকা তার সম্পত্তির পরিমাণ ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করে। এ বিরল অর্জন রাউলিংকে বই লিখে ধনী হওয়া প্রথম বিলিয়নিয়ার (আমেরিকান ডলারে) হওয়ার মর্যাদা দিয়েছে। 
  • ২০০৬ সালে ফোর্বস পত্রিকা তাকে অপরাহ উইনফ্রের পর বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী নারী বলে অভিহিত করেছে।
  • ২০০৭ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসাবে বিশ্বের ক্ষমতাবান সেলিব্রেটিদের তালিকায় জে কে রাউলিং ছিলেন ৪৮তম।
  • ২০০৭ সালে টাইম ম্যাগাজিন রাউলিংকে ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ রানার-আপ হিসেবে ঘোষণা করে।
  • ২০১১ সালে ব্রিটেনের ন্যাশনাল ম্যাগাজিন রাউলিংকে ব্রিটেনের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী হিসেবে নির্বাচিত করে।

 

পুরস্কার ও সম্মাননা

জে.কে. রাউলিং এবং হ্যারি পটার সিরিজ ফিলোসফার্স স্টোন প্রকাশের পর থেকে অনেক পুরষ্কার পেয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে চারটি হুইটেকার প্লাটিনাম বুক এওয়ার্ডস (সবগুলো ২০০১ সালে), তিনটি নেসলে স্মার্টিস বুক প্রাইজ (১৯৯৭-১৯৯৯), দুটি স্কটিশ আর্টস কাউন্সিল বুক এওয়ার্ডস (১৯৯৯ ও ২০০১), উদ্বোধনী হুইটব্রেড বর্ষসেরা শিশুতোষ গ্রন্থ পুরষ্কার, (১৯৯৯), ডব্লিউ এইচ স্মিথ বর্ষসেরা বই (২০০৬)। ২০০০ সালে হ্যারি পটার এন্ড দ্য প্রজনার অব আজকাবান শ্রেষ্ঠ উপন্যাস বিভাগে হিউগো পুরষ্কারের জন্য মনীত হয় কিন্তু পায়নি। তবে ২০০১ সালে হ্যারি পটার এন্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার বইটি উক্ত পুরষ্কার ছিনিয়ে নেয়। অন্যান্য সম্মাননার মধ্যে রয়েছে কার্নেগি মেডেলের জন্য ১৯৯৭ সালে মনোনয়ন, ১৯৯৮ সালে গার্ডিয়ান চিলড্রেন'স এওয়ার্ড পুরষ্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান, বিভিন্ন স্থানে স্মরনীয় বইয়ের তালিকায় স্থান, আমেরিকান লাইব্রেরী এসোসিয়েশন, নিউ ইয়র্ক টাইমস, শিকাগো পাবলিক লাইব্রেরী ও পাবলিশার্স উইকলি প্রভৃতিতে সম্পাদকের পছন্ধ এবং প্রস্তাবিত শ্রেষ্ঠ বই তালিকায় অবস্থান।

 

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি