পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

১৯৯৬: মাউন্ট এভারেস্ট বিপর্যয়

এ বছরের মৌশুমের শুরুতেই (এপ্রিল ২০১৪) একদল এভারেস্ট অভিযাত্রী তুষারধ্বসে মারা গিয়েছেন। এর আগে এরকম বিপর্যয় ঘটেছিল ১৯৯৬ এর মে মাসে। সেবার এভারেস্টের চূড়োয় উঠে ঝড়ের মুখে পড়েন পর্বতারোহীরা। ১০ই মে’র ঐ ঝড়ে অভিযাত্রীদের আটজন মারা যান। ঐ ঝড়টির ফলে সৃষ্ট মৃত্যুর বিষয়টি আলোড়ন তুলেছিল সারা বিশ্বে। 

সাংবাদিক জন ক্রাকুর ছিলেন অভিযাত্রীদের একটি টিমে। ওখান থেকে ফিরে তিনি বেস্ট সেলার “Into Thin Air” বইটি  লিখেন। বইয়ে তিনি সমালোচনা করেন অন্য টিমের গাইডদের। সেই অন্য টিমের একজন গাইড আনাতলী বুক্রীভও সমালোচনার জবাব দিয়ে লিখেন “The Climb: Tragic Ambitions on Everest”.  মরতে মরতে বেঁচে আসা অন্যরাও লিখেছেন বই এসব নিয়ে। সারা পৃথিবীতে সাড়া জাগিয়েছিল বইগুলো। এভারেস্টে  অভিযাত্রার বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে হৈ চৈ কম হয় নি তখন।

কি ঘঠেছিলো সে দিন?

তিনটি টিম সেদিন সামিট করার অভিযানে অংশ নিয়েছিল। “অ্যাডভেঞ্চার কনসালটেন্ট”,  “মাউন্টেন ম্যাডনেস” এবং তাইওয়ানের  একটি গ্রুপ যারা সরকারের সহায়তায় এসেছিল। অ্যাডভেঞ্চার কনসালটেন্ট আর মাউন্টেন ম্যাডনেস গাইড কোম্পানী দুটোর মধ্যে আবার ব্যবসায়ীক প্রতিদ্বন্দিতাও ছিল। ৩৪ জন ক্লাইম্বার সেদিন সামিটের পরিকল্পনা করেছিলেন। ১০ই মে’র মাঝরাতের পরই এই তিন গ্রুপ ক্যাম্প ফোর থেকে রওনা দিয়েছিল এভারেস্টের চূড়োর দিকে। নিরাপদ ভাবে ফিরে আসার জন্য ক্যাম্প ফোর থেকে অভিযান শুরুর সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুরু করতে দেরী হলে সামিটে পৌঁছতে দেরী হয়। তার মানে ফিরতেও দেরী হয়। সে সময় ‘সেফ রিটার্ন টাইম’ ছিল দুপুর দুটা অর্থাৎ দুপুর দুটোর মধ্যে চূড়ায় না পৌঁছলে সামিট না করেই ফিরে আসতে হবে।

গ্রুপগুলো সময়মতই ক্যাম্প ফোর ছেড়ে ছিলো, কিন্তু ব্যালকনিতে (৮৩৫০ মিটার) পৌঁছে তারা সবাই আটকা পড়ে। এখানে আগে থেকেই শেরপা ও গাইডদের ‘ফিক্সড রোপ’ বেঁধে রাখার কথা, কিন্তু প্রায় একঘন্টা দেরী হয়ে যায় এ কাজটি তখন করতে গিয়ে। এরপর তারা যখন পরের ধাপে অর্থাৎ ‘হিলারী স্টেপে’ (৮৭৬০ মিটার)-এ পৌঁছান তখনো আরোহীরা একই সমস্যায় পড়েন। এখানেও ‘ফিক্সড্ রোপ’ ছিল না। এখানেও ‘ফিক্সড্ রোপ’ লাগাতে প্রায় একটি ঘন্টা নষ্ট হয়। প্রতিটি মূহুর্তই এভারেস্টের শেষ ধাপগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে ঐ দু’ঘন্টাই কাল হয়ে দাড়ায় অভিযাত্রীদের জন্য। পৌঁছতে দেরী হলে নামতেও দেরী হয়। আর ডেথ জোনে বেশীক্ষণ থাকা মানেই মৃত্যুর দিকে পা বাড়ানো। উপরন্তু সেদিন বিকালে প্রচন্ড এক ঝড় যেন অপেক্ষা করছিল অভিযাত্রীদের জন্য। মাউন্টেইন ম্যাডনেসের গাইড আনাতলী বুক্রীভ পৌঁছান চূড়ায় সর্বপ্রথম। তখন দুপুর ১.০৭ বাজে। দুপুর দুটো ছিল কাট অফ টাইম নেমে আসার জন্য। কিন্তু বেশীরভাগ আরোহীই দুপুর দুটো পর্যন্ত চূড়োয়ই পৌঁছতে পারেনি। বুক্রীভ চূড়োয় অন্যদের সাহায্য করে ঘন্টা দেড়েক ধরে। এরপর যখন নামতে শুরু করেন তখনও মাউন্টেন ম্যাডনেসের (বুক্রীভ যে কোম্পানীর গাইড) অনেক ক্লায়েন্ট  চূড়োয় উঠতে পারেনি।

 

আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করলো

জন ক্রাকুর, সাংবাদিক, যিনি ছিলেন অ্যাডভেঞ্চার কনসালটেন্ট গাইড টিমে, বলেছেন যে, তিনটার একটু পর থেকে তুষার পরা শুরু হল। অ্যাডভেঞ্চার টিমের হেড রব হল আর তাদের শেরপারা তিনটা পর্যন্ত সামিটে ছিলো। এবার তারা নামতে শুরু করলো। অনেকেই তখনো উঠছে। কাউকে কাউকে বাধা দিয়েও থামানো যায়নি। হ্যানসেন উঠছিলো, নামতে থাকা শেরপারা বাধা দিলেও সে শুনতে চায়নি। রব হল নামার সময় শেরপাদের থামিয়ে নীচে অন্যদের সাহায্য করতে পাঠায়। নিজে হ্যানসেনকে নিয়ে পুনরায় উঠতে থাকে। মাউন্টেন ম্যাডনেস টিমের হেড স্কট ফিশার ৩.৪৫-এরও পরে সামিটে পৌঁছায়। সে ইতোমধ্যে উচ্চতাজনিত ও অক্সিজেন জনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছিলো। অন্য টিমের রব হল আর ডো হ্যানসেন এরও পরে সামিটে পৌঁছায়।

 

নামতে গিয়ে বিপর্যয়

 

একজনই শুধুমাত্র বিনা ঝামেলায় ক্যাম্প ফোর এ পৌঁছতে পেরেছিল। তিনি হলেন আনাতলী বুক্রীভ। বুক্রীভ বিকাল ৫ টায়ই নীচের ক্যাম্পে পৌঁছে যায়। অ্যাডভেঞ্চার কনসালটেন্ট টিমের সাথে আসা সাংবাদিক জন ক্রাকুর তার লেখায় “Into thin air” – এ মাউন্টেন ম্যাডনেস টিমের গাইড বুক্রীভের বিস্তর সমালোচনা করেছেন সে ক্লায়েন্টদের রেখে নীচে নেমে আসায়।

 

বুক্রীভ ছিলেন পর্বতারোহীদের মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে দক্ষ। সে অক্সিজেন ছাড়াই সামিটে পৌঁছেছিল। সে পরে দাবী করেছিল সে আগে নেমে গিয়ে ক্লায়েন্টদের জন্য গরম চা ও অক্সিজেনের ব্যবস্হা রাখছিল। দুই টিমেরই অধিনায়কই কিন্তু সবার দেখভাল করতে গিয়ে সামিটে রয়ে যান অনেক বেলা পর্যন্ত। সামিট থেকে নামতে গিয়ে বিপদে পড়েন তারা দুজনই। রব হল হ্যানসেনের জেদের কারণে পুনরায় সামিটে যান, কিন্তু নেমে আসার সময় ঝড় শুরু হয়ে যায়। হল রেডিওতে সাহায্য চাইলে সাড়ে পাঁচটায় এ্যান্ডি হারিস (ঐ টিমেরই গাইড) উপরে উঠতে শুরু করে। রব হল পরে জানিয়েছিলেন হ্যানসেন জ্ঞান হারিয়েছে কিন্তু বেঁচে আছে। ছয়টার সময় ৭০ মাইল বেগে ঝড় মুখে ঝাপটা মারতে শুরু করে আর তুষারের কারণে ভিজিবিলিটি প্রায় শুন্য হয়ে দাঁড়ায়। ‘ফিক্সড্ রোপ’ গুলো তুষারে ঢেকে যায়, উঠানামার ট্রেইলটাও তখন নষ্ট হয়ে যায়।

 

সারারাত ধরে দুই টিমের ক্লাইম্বাররা পথ খুঁজে বেড়ান ক্যাম্প ফোরে ফিরবার জন্য। এক সময় তারা ক্লান্ত, মরণাপন্ন হয়ে থেমে পড়েন, আর অপেক্ষা করেন মৃত্যুর। এ সময় বুক্রীভ ক্লান্ত এই ক্লাইম্বারদের খুঁজে বের করেন। বুক্রীভ এক এক করে এদের ক্যাম্প ফোর-এ নিয়ে যায়। দুজন অভিযাত্রীকে বুক্রীভ আনতে পারেননি। এদের একজন বেক ওয়েদারকে বুক্রীভ খুঁজে পাননি। আরেকজন ইয়াসুক নামবা মৃতপ্রায় ছিলেন। তাকে রেখেই আসতে হয়। (পাশের ছবিতে ১৯৯৬ এভারেষ্ট ট্রাজেডীর হিরো আনাতলী বুক্রীভ )।

পরদিন ভোরে রব হল জানায় সে এখনো সামিটে, হ্যানসেন মারা গেছে আর হ্যারিস, যে তাদের সাহায্য করার জন্য এসেছিলো, তাকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হল পরে জানায় যে সে ফ্রস্ট বাইটে আক্রান্ত হয়েছেন, রোপ ধরে নামতে পারবেন না। হল আরো পরে বেস ক্যাম্পের লোকদের স্যাটেলাইট ফোনে তার স্ত্রী জেন আনর্ল্ডকে লাগাতে বলেন। জেনকে তার শেষ কথাগুলো ছিল যে হল ‘Reasonably comfortable’ আছেন, ‘Please don’t worry too much"। পরে তার মৃতদেহ পাওয়া যায় ২৩শে মে। ডো হ্যানসেন এবং এ্যান্ডি হ্যারিস এর মৃতদেহ কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি।

 

 

স্কট ফিশার অসুস্থ হয়ে পড়লেন

অন্য কোম্পানী মাউন্টেন ম্যাডনেস এর প্রধান গাইড স্কট ফিশার সামিটে পৌঁছেছিল ২.৪৫-এ। কিন্তু সবার দেখভাল করে দেরীতে পৌঁছানোর কারণে স্কট ও বিপদে পড়ে। সে সামিটে উঠার সময়ই অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঝড়ের মধ্যে সামিট (৮৮৪৮ মিটার) থেকে ব্যালকনী (৮৩৫০ মিটার) পর্যন্ত নামতে তাকে সাহায্য করে লপসাং শেরপা। এখানে অন্যান্য শেরপারা মাকালু গাউ (তাইওয়ানীজ টীমের মেম্বার), স্কট ও লপসাং কে ৮২৩০ মিটার পর্যন্ত নামতে সাহায্য করে। এরপর শেরপারা নীচে নেমে যেতে বাধ্য হয়। মাকালু এবং স্কট একদমই ক্লান্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্কট লপসাংকে বুঝিয়ে নীচে নামিয়ে দেন। পরদিন ১১ই মে ঝড় কমলে শেরপারা উপরে উঠে ফিশার এবং মাকালুকে পান। কিন্তু স্কটকে নিয়ে নামার মত অবস্থা ছিল না, তারা মাকালুকে নিয়ে নীচে নেমে আসেন। বুক্রীভ পরে আরেকবার চেষ্টা করেছিলেন সেদিন সন্ধ্যা ৭টায়। কিন্তু ততক্ষণে স্কট ফিশার মারা গেছেন।

 

 

ওয়েদারস এবং নামবা

প্রথম দিন ঝড়ের রাতেই হলের টিমের একজন ক্লায়েন্ট নিজেই উপরে উঠে এসেছিলেন ওয়েদারস ও নামবার খোঁজে। সে দুজনকে উপরে খুঁজে পায় কিন্তু দুজনেই মৃতপ্রায় অব্স্থায় ছিল এবং তাদের নামিয়ে আনা হাচিসনের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাদের ফ্রষ্টবাইট এত মারাত্মক ছিল যে তারা বাঁচবে এমন সম্ভাবনাও ছিল না। হাচিসন তাদের দুজনকেই রেখে চলে আসেন যা নীচের ক্যম্পেরও সবাই একমত হন। কিন্তু পরদিন সকালে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ওয়েদারস হেটে চলে আসেন ক্যাম্প ফোরে। তাকে অক্সিজেন দিয়ে এবং নানাভাবে সুস্থ্য করার চেষ্টা চলে। সেদিন (১১ই মে)  রাতে  ঝড়ে ক্যাম্প ভেঙ্গে গেলে, ঠাণ্ডা ও অন্যান্য কারণে ওয়েদারস এর আশা ছেড়ে দেন অন্যরা। কিন্তু আবারও ওয়েদারস বেঁচে উঠেন। এবার ক্যাম্প টু থেকে একদল স্বাস্থ্যবান শেরপা এসে তাকে নীচে নিয়ে যায়, পরে তাকে হেলিকপ্টারে করে সমতলে নিয়ে যাওয়া হয়। নামবা, জাপানী মহিলা যিনি এর আগে অনেক পর্বত জয় করেছেন, এবার পরাজিত  হন এভারেষ্টের কাছে। তাকে আর বাচানো যায়নি। ওয়েদারস কিন্তু এখনো বেঁচে আছেন, তবে তাকে ফ্রষ্টবাইটের কারনে হারাতে হয় তার নাক, বাহাতের আঙ্গুলগুলো এবং ডান হাত। নিচের ছবিতে ঐ দিনের অ্যাডভেঞ্চার কনসালটেন্ট অভিযাত্রীরা। যারা মারা গেছেন -মধ্যের দুজন রব হল (দাড়িওলা) এবং হ্যারিস, আর দুপ্রান্তে জাপানি মহিলা নামবা এবং ডো হ্যানসেন।

 

উত্তর দিক দিয়ে সামিট

ঐ ঝড়ের দিনেই উত্তর দিক দিয়ে সামিট করছিলেন একদল জাপানী এবং একদল ভারতীয় অভিযাত্রী দল। ভারতীয় দলটি ছিল ইন্দো-তিব্বতীয়ান বর্ডার পুলিশের সদস্যরা। ভারতীয় দলটিতে কোন শেরপা বা গাইড ছিল না। তারা নিজেরাই ‘ফিক্সড্ রোপ’ বসিয়ে নিচ্ছিলেন এবং  রুটও  তৈরী করছিলেন। ৬ জনের টিমটি ক্যাম্প ফোর পার হবার পরই ঝড়ের কবলে পড়েন। তারা আরো উপরে উঠবেন নাকি ক্যাম্প ফোরে ফিরে যাবে তা নিয়ে অনেক বিতর্কের পর তিন জন ফিরে যান নীচে, অন্য তিন জন ঝড়ের মধ্যেই উঠতে থাকেন উপরে। বিকাল ৩.৪৫-এ তারা নীচে রেডিও করে জানান যে তারা চূড়োয় পৌঁছেছেন। নীচের ক্যাম্পে সকলেই খুশীতে উৎসবে মেতে উঠেন। উত্তর দিক দিয়ে উঠা ঐটাই ছিল প্রথম ভারতীয় দল। কিন্তু কেউ কেউ আশংকা প্রকাশ করেন যে দেরী হয়ে গেছে অনেক, ওরা নামতে পারবেন তো। তিনদলের টিমের লিডার সামানলা তার  ধর্মীয় কিছু আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে থাকে এভারেস্টের চূড়োয়। তিনি অন্যদের নীচে নেমে যেতে বলেন। নীচের ক্যাম্পে যারা উৎকণ্ঠিত ছিলেন, তারা দেখতে পান দুটো হেডল্যাম্প নেমে আসছে চূড়া থেকে। পরে ওদের আর রেডিওতে যোগাযোগ করা যায়নি। ঝড় থেমে গেলেও তারা কেউই ফেরত আসেননি। এদেরই একজনের মৃতদেহ এখনও পড়ে আছে পথের ধারে যা পর্বতারোহীদের কাছে গ্রীনবুট নামে পরিচিত।

সব মিলিয়ে সেদিন উত্তর ও দক্ষিণ সামিট মিলিয়ে ঝড়েই মারা যায় ৮ জন। এই ঝড়টিকে এখন সবাই ‘1996 Mount Everest Disaster’  নামে অভিহিত করে থাকে।

 

মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের ইতিহাস ও মাউন্ট এভারেস্টের জানা-অজানা বিভিন্ন তথ্য জানতে

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি