পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

মারিয়া শারাপোভা: রাশান স্বর্ণকেশীর জীবনের গল্প

মারিয়া শারাপোভা নামটি শুনলেই সবাই একটু নড়েচড়ে বসে। টেনিস কোর্ট দাপিয়ে বেড়ানো এই স্বর্ণকেশীর টেনিসের শুরুর দিকটা মোটেও ভালো ছিল না। তাকে টেনিস শেখানোর অর্থ যোগাড় করার জন্য তার বাবাকে রেষ্টুরেন্টের থালা-বাসন পরিষ্কার করার কাজ করতে হয়েছিল। বাবার সেই কষ্টের প্রতিদান অবশ্যই তিনি দিয়েছেন চারবার গ্র‌্যান্ডস্লাম জিতে।   

 

 

 

জন্ম পরিচয়:

১৯৮৭ সালের ১৯ এপ্রিল রাশিয়ার ন্যাগান এ জন্মগ্রহণ করেন মারিয়া শারাপোভা। বিশ্বজুড়ে তিনি মারিয়া শারাপোভা নামে পরিচিত হলেও তার পূর্ণ নাম মারিয়া ইয়ুরেভনা শারাপোভা। আর ডাক নাম ‘পাশা’। তার পিতার নাম ইউরি শারাপোভ এবং মায়ের নাম ইয়েলিনা শারাপোভ।  

 

টেনিসের শুরু:

মারিয়া শারাপোভার বয়স তখন মাত্র ৪ বছর। এসময় তিনি তার বাবার এক বন্ধুর কাছ থেকে ১টি টেনিস খেলার ব্যাট উপহার পান। তার বাবার বন্ধুটি ছিলেন আলেকজান্ডার কাফেলনিকভ। তিনি হলেন সাবেক বিশ্বের নাম্বার ১ টেনিস খেলোয়াড় ‘ইয়েভগেনি কাফেলনিকভ’ এর পিতা। বাবার বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া ব্যাট দিয়ে স্থানীয় কোর্টেই বাবার সাথে প্র‌্যাকটিস করা শুরু করেন। এরপর রাশিয়ার নামকরা টেনিস কোচ ইউরি ইউতকিনের কাছ থেকে টেনিসের পাঠ গ্রহণ করেন। তিনিই শারাপোভার মধ্যে জ্বলন্ত প্রতিভা আবিষ্কার করেন।  

 

শারাপোভার বয়স যখন ৬ বছর, তখন তিনি মস্কোর একটি টেনিস ক্লিনিকে যান। এখান থেকে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিক বালেত্তেইরি টেনিস একাডেমি’তে পাঠানোর সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করা হয়। এই টেনিস ক্লিনিকটি পরিচালনা করতেন ‘মার্টিনা নাভ্রাতিলোভার’।

 

মারিয়া শারাপোভার বাবা ইউরি শারাপোভ এর ওর কাছ থেকে ধার করে ১৯৯৪ সালে মেয়েকে নিয়ে ফ্লোরিডায় পৌঁছেন। তারা যখন ফ্লোরিডায় পৌঁছেন তখন তার বাবার কাছে মাত্র ৭০০ ইউএস ডলার ছিল। অর্থের অভাবে মেয়ের টেনিস প্রশিক্ষণে যাতে কোনো বাঁধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য তিনি থালা-বাসন ধোয়া থেকে শুরু করে স্বল্পবেতনের আরও অনেক কাজ করেন। যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পর থেকে আমেরিকাতেই বসবাস করলেও টেনিস কোর্টে তিনি রাশিয়ার হয়েই প্রতিনিধিত্ব করেন।    

 

সাফল্যের শুরু:

২০০০ সালে এসে প্রথম সাফল্যের মুখ দেখেন মারিয়া শারাপোভা। সে সময় তার বয়স হয়েছিল ১৩ বছর। Eddie Herr ইন্টারন্যাশনাল জুনিয়র টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার সুবাধে সে বছর তিনি সেরা উঠতি তারকা হিসেবে বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত হন। ২০০১ সালের ১৯ এপ্রিল প্রথম ডব্লিউটিএ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করেন মারিয়া শারাপোভা।

 

সাফল্যের শীর্ষে আরোহন:

টেনিস খেলোয়াড়দের স্বপ্ন হলো গ্র‌্যান্ডস্ল্যাম জেতা। ২০০৪ সালে ১৭ বছর বয়সে প্রথম পেশাদার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নশীপ এ ২ বারের চ্যাম্পিয়ন নাম্বার ১ সেরেনা ইউলিয়ামসকে হারিয়ে প্রথম গ্র‌্যান্ডস্ল্যাম সিঙ্গেল জিতেন মারিয়া শারাপোভা। এর পরের বছর ২০০৫ সালের ২২ আগষ্ট ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং এ ১ নম্বর স্থানটি নিজের করে নেন মারিয়া শারাপোভা। এরপর ২০০৬ সালে জয় করেন ইউএস ওপেন এর গ্ল্যান্ডস্ল্যাম। ২০০৮ সালে জয় করেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের গ্ল্যান্ডস্ল্যাম।

 

ইনজুরির হানা:

২০০৬ সালে ইউএস ওপেনের গ্ল্যান্ডস্ল্যাম জয়ের পর ২০০৭ সালে এসে কাঁধের ইনজুরির কারণে সেরা ৫ থেকে ছিটকে পড়েন মারিয়া শারাপোভা। ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের পর আবার হানা দেয় কাঁধের ইনজুরি। ২০০৮ সালে কাঁধে সার্জারি করানোর পর প্রায় ১ বছর টেনিস কোর্টের বাইরে ছিলেন মারিয়া শারাপোভা। এই সময়ে র‌্যাংকিং –এ অনেক পিছিয়ে যান তিনি। এ সময় তার র‌্যাংকিং দাঁড়ায় ১২৬। যে পরিমাণ অর্থ, যশ, খ্যাতি পেয়েছেন তাতে কাঁধের ব্যাথা সহ্য না করে টেনিসটাই ছেড়ে দিতে পারতেন তিনি। কিন্তু রক্তের সাথে মিশে থাকা টেনিসটাকে তার পক্ষে ছাড়া খুব সহজ কাজ নয়।

  

 

 

 

হারানো মুকুট পুনরুদ্ধার:

২০১০ সালে ইনজুরি থেকে কোর্টে ফিরে আসেন মারিয়া শারাপোভা। কিন্তু আগের সেই মারিয়া শারাপোভা কোর্টে সেভাবে নিজেকে চেনাতেই পারছিলেন না। সবাই ভেবেছিলেন আগের মারিয়া শারাপোভা হয়তো হারিয়ে গেছে। কিন্তু অদম্য শারাপোভা সকলের ধারণাকে ‍ভুল প্রমাণিত করে ২০১১ সালে এসে ১২৬ র‌্যাংকিং থেকে সেরা ১০ এ চলে আসেন। আর সর্বশেষ ২০১২ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের গ্ল্যান্ডস্ল্যাম জয় করেন। ২২ আগস্ট ২০০৫ থেকে সর্বশেষ ১১ জুলাই ২০১২ পর্যন্ত মোট ২১ সপ্তাহ শারাপোভা ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং এর ১ নম্বরে ছিলেন। বর্তমানে (এপ্রিল, ২০১৪) মারিয়া শারাপোভা ওয়ার্ল্ড টেনিস র‌্যাংকিং এ ৯ নম্বরে অবস্থান করছেন। টেনিস ক্যারিয়ারে মারিয়া শারাপোভা ২৭ বার ডব্লিউটিএ সিঙ্গেল চ্যাম্পিয়ন যার  মধ্যে  চার বার গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গেলস চ্যাম্পিয়ন ও তিনবার রানার  আপ।   

 

প্রিয় শখ:

স্বর্ণকেশী মারিয়া শারাপোভার প্রিয় শখ ফ্যাশন ডিজাইনিং। এছাড়া ছোটবেলা থেকেই স্ট্যাম্প সংগ্রহ করেন মারিয়া শারাপোভা।

 

প্রেম-ভালোবাসা:

২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত স্লোভেনিয়ান বাস্কেটবল খেলোয়ার সাশা ভুজাসিচ এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন মারিয়া শারাপোভা। ২০১২ সালে এসে তাদের মধ্যে ব্রেকআপ হয়ে যায়। এর আগে অবশ্য তাদের বিয়ে ও শারাপোভা সন্তান সম্ভবা এমন খবরও বেরিয়েছিল।

 

চকলেট ব্যবসায়ী শারাপোভা:

নিজের নামের সাথে মিল রেখে ‘সুগারপোভা’ নামে নিউইয়র্কে একটি চকলেটের দোকান দিয়েছেন শারাপোভা। তার দোকানের চকলেটগুলো টেনিস বলের মতো। মারিয়া শারাপোভা ক্যান্ডির ব্যবসা করতে নেমে অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ব্রিটেনের জাতীয় স্থূল (মোটা) ফোরাম শারাপোভাকে দায়িত্বহীন বলে আখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, শারাপোভা অস্বাস্থ্যকর খাদ্য সামগ্রী বাজারজাত করেছেন।

 

 

 

সবচেয়ে ধনী মহিলা ক্রীড়াবিদ:

টানা সাত বছর যাবৎ ফোর্বস ম্যাগাজিনের বার্ষিক তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছেন রুশ এই তারকা খেলোয়াড়। শারাপোভার আয় প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। যার বেশির ভাগই তিনি কোর্টের বাইরে থেকে আয় করে থাকেন। (মার্চ, ২০১৪); শারাপোভার বার্ষিক আয় ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ২৩ মিলিয়ন হচ্ছে স্পন্সর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তির অর্থ এবং বাকি ৬ মিলিয়ন বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ায় পুরস্কার হিসেবে পাওয়া অর্থ। শারাপোভার ক্যারিয়ারে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকেই প্রায় ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন।

 

টেনিস সুন্দরীদের মধ্যে এক নম্বরে:

রাশিয়ান স্বর্ণকেশী মারিয়া শারাপোভার আবেদনময়ী দেহশৈলী, মুগ্ধকর ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’, ফ্যাশনেবল লাইফ স্টাইল এবং একই সাথে দুরন্ত টেনিস দক্ষতাই শারাপোভাকে নিয়ে এসেছে ভক্তকুলের পছন্দের শীর্ষে। ২০০৫ ও ২০০৭ সালে বিশ্বখ্যাত সার্চইঞ্জিন ইয়াহুতে সবচেয়ে বেশিবার খোঁজ করা হয়েছিলো শারাপোভাকে।

 

মারিয়া শারাপোভার একান্ত একটি সাক্ষাৎকার:

আপনি তো টেনিস খেলছেন ২২ বছর ধরে...
মারিয়া শারাপোভা: আমি জানি। মাত্র চার বছর বয়সেই আমার খেলা শুরু। তবে ওই বয়সে কারও পক্ষেই প্রতিদিন খেলা সম্ভব নয়। সাত বছর বয়স পর্যন্ত ওইভাবে চলার পর রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাই। সেখানেই টেনিসটাকে নিই গুরুত্বসহকারে এবং অনুশীলনে কাটাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

এখনো খেলতে ভালোবাসেন?
শারাপোভা: খেলাধুলার প্রতি সব সময়ই আকর্ষণ ছিল আমার। এখানে যে ব্যক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ব্যাপারটা আছে, সেটা সব সময়ই ভালো লাগে আমার। কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা উপভোগ করি আর জয়ের জন্য সর্বস্ব উজাড় করে খেলি।

চিৎকার করা ছাড়া একটা বলও কি খেলতে পারেন না আপনি?
শারাপোভা: সম্ভবত না। ছোটবেলা থেকেই এমনটা করে আসছি আমি। এখন এটা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। খেলার সময় এ নিয়ে আমি একটুও ভাবি না।

খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ মেনে চলেন?
শারাপোভা: ময়দা দিয়ে তৈরি নয় এমন খাবারই আমার পছন্দ। খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে আমি রক্ষণশীল নই। তবে যখন একটা সীমারেখা আপনি মেনে চলেন, তাতে এই সচেতনতাটা থাকে—কী খাচ্ছি আমি।

যখন খেলাধুলা থাকে না, কী করেন?
শারাপোভা: ভ্রমণ আমার খুব পছন্দ। নতুন নতুন শহর খুঁজে বেড়াই। খেলা থাকলে নানা দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার সুযোগ হয় না। কারণ, দুই ম্যাচের মধ্যে যে ফাঁকা সময়টা পাই, সে সময়ে নির্ভার থাকার চেষ্টা করি। তাই হোটেলেই থাকি। রুমেই খাওয়া-দাওয়া সারি, ছবি দেখি এবং নিজের জার্নালের জন্য লেখালেখি করি।

ইংলিশ না রুশ, কোন ভাষায় লেখেন?
শারাপোভা: ইংরেজিতে। যখন লিখি আমার মনে হয় এটা অনেক মানুষই পড়বে, তাই ইংরেজিতেই লেখা উচিত। একদিন বই লিখব বলে ইচ্ছা আছে আমার। প্রায় সময়ই একটা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় আমাকে—কীভাবে আমি এতদূর উঠে এসেছি। নতুন প্রজন্মকে আমার গল্পটা জানাতে চাই।

 

একদিন নিশ্চয়ই সন্তানের মা হবেন। আপনি কি চাইবেন আপনার সন্তান টেনিস খেলোয়াড় হোক?
শারাপোভা: বাধ্যবাধকতা থাকবে না। টেনিস খেলাটা বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু তারা যদি টেনিসে আসতে চায়, অবশ্যই আমি আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে তাদের পথ দেখাব।
 

বাচ্চাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
শারাপোভা: সাফল্য খুঁজে নিতে হবে তোমাকেই, অন্য কেউ খুঁজে দেবে না। উঠতি বয়সে অবশ্যই কিছু খেলোয়াড়ের ভক্ত ছিলাম আমি। কিন্তু আমি নির্দিষ্ট কারও মতো হতে চাইনি। তাই যখনই বাচ্চারা বলে, তারা আমার মতো হতে চায়, আমি তাদের বলি, ‘না, তোমাকে আমার চেয়েও ভালো হতে হবে।’

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি