পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

অপরাহ উইনফে: বিশ্বজয়ী এক কৃষ্ণাঙ্গ নারীর গল্প

আপনাকে যদি বলি বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটনের চেয়ে অপরাহ উইনফ্রে বেশি প্রভাবশালী তাহলে কি বিশ্বাস করবেন? অনেকে বলবেন কিসের সাথে কিসের তুলনা। তবে আপনি বিশ্বাস করুন বা নাই করুন বাস্তবিক ভাবে বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটনের চেয়ে অপরাহ উইনফে বেশি প্রভাবশালী। টাইম ম্যাগাজিনের পরিসংখ্যান তাই বলছে। টাইম ম্যাগাজিনের পরিসংখ্যানে বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটন সর্বমোট পাঁচবার বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ জনের তালিকায় স্থান পান। আর অপরাহ উইনফে টানা আটবার বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ জনের তালিকায় ছিলেন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি টানা আটবার নির্বাচিত হয়েছেন। অনেকের মনে অবশ্যই খটকা লাগতে পারে যে, সামান্য একজন টিভি উপস্থাপক কি করে এতোবার বিশ্বের প্রভাবশালী নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের উদ্দেশ্যেই বলছি, এই সামান্য পেশাটিকেই অসামান্য করে তোলার পাশাপাশি নিজেকেও নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।

 

মাত্র নয় বছর বয়সে যে কিশোরী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং এই নির্যাতন সইতে না পেরে একপযার্য়ে বস্তি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন, কে জানত এই কিশোরীই একদিন সারা বিশ্বে সফল নারীর দৃষ্টান্তে পরিণত হবেন! অপরাহ উইনফ্রে নিজেও কি জানতেন সে কথা?

 

কে এই অপরাহ উইনফে?

এত ক্ষমতা আর এত প্রভাব কিসের জোরে? কী আছে এই নারীর মাঝে? আছে তার নাম এবং সেই নামেই তৈরি একটি টক শো। বুঝতেই পারছেন, দি অপরাহ উইনফ্রে শো-র কথাই বলছি যা আমেরিকার টেলিভিশনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রচারিত শো হিসেবে গণ্য।

 

২২ বছর বয়সে এখনকার টিভি মোগল অপরাহ রিপোর্টার হতে চেয়েছিলেন একটি টিভিতে। তখন তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছিল তার যোগ্যতা নেই বলে। একটি টিভির নিউজ পাঠিকার চাকরি থেকে তিনি বরখাস্তও হয়েছিলেন। তিনিই কিনা এখন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপস্থাপিকা।

 

জন্মটা এক কুমারী মায়ের গর্ভে:

“কুমারী মা” সম্পর্কে আমাদের সকলেরই কম বেশি ধারণা রয়েছে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এরকম কোনো ঘটনা ঘটলে সেই মা ও সন্তানের সমাজে টিকে থাকা অনেক কষ্টকর। অপরাহ উইনফে এর ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয় নি। ১৯৫৪ সালের ২৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার কথিত বাবা পেশায় ছিলেন একজন নরসুন্দর। তার বাবা-মায়ের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ছিল না। জীবিকার তাগিদে তার মা তাকে তার নানীর কাছে রেখে উত্তরে কাজের সন্ধানে যান। অপরাহ নানীর সঙ্গে জীবন শুরু করেন মিসিসিপি'র একটি ফার্মে। এখানে তার জীবনটা সাদামাটা হলেও তার নানী তাকে খুব অল্প বয়সেই পড়তে শেখান। মাত্র তিন বছর বয়সেই তিনি কবিতা আবৃত্তি করতে পারতেন। এমনকি স্থানীয় একটি গির্জায় ছোট্ট অপরাহ বাইবেল থেকে পড়ে শোনাতেন। তার নানীর ভাষায়, কথা বলতে শেখার পর থেকেই অপরাহ মঞ্চে। চারপাশের কষ্টকর পরিবেশ সত্ত্বেও তার নানী আর চার্চে লোকজনের ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হয়েছে তার ছোট্ট হৃদয়।

 

মায়ের মতো সন্তানের ভাগ্যও ঘটলো একই ঘটনা:

ছয় বছর বয়সে পাল্টে যায় তার জীবন। তার মা তাকে মিলওয়াউকিতে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। মায়ের কাছে তার দিনগুলো মোটেও সুখের ছিল না। মা যখন কাজের জন্য বাইরে, তখন ছোট্ট অপরাহ তার মায়ের পুরুষ আত্মীয় ও বন্ধুদের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন অনেকবার। বয়স যখন মাত্র ৯, তখন প্রথমবারের মতো যৌন নির্যাতনের শিকার হন তিনি। ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত চলে এভাবেই। এসব ঘটনা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। ১৪ বছর বয়সে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পড়েন কিশোরী অপরাহ। ওই বয়সেই প্রথম সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু বাচ্চাটি জন্মের পরপরই মারা যায়।

 

জীবনের পালা পরিবর্তন:

এরপর অপরাহ চলে যান টেনেসি'র নাসভিভিরেত তার বাবার কাছে। বাবা ভেরনন উইনফ্রে ছিলেন কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মানুষ। কিন্তু বাবার কাছে অপরাহ পান একটি নিরাপদ বাসস্থান। অপরাহ জানান, তার বাবা সবসময় তার জন্য সবচেয়ে ভালো জিনিসটাই চাইত। অপরাহ'র কল্যাণের জন্য কোনো কিছুর সঙ্গেই আপস করতেন না তিনি। বাবার কাছে কড়া নিয়মশৃঙ্খলার মধ্যে তিনি হন সমৃদ্ধ। পরিচিতি পান ভালো ছাত্রী হিসেবে। বাগিমতা ও আবৃত্তির জন্য অর্জন করেন বহু পুরস্কার।


মিডিয়ায় যাত্রা:

১৭ বছর বয়সে অপরাহ টেনেসি'র সেরা কালো সুন্দরী নির্বাচিত হন। সুযোগ পান নাশভিলি'র ডব্লিউভিওএল রেডিওতে। পাশাপাশি তিনি টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ পান। সেখানে তা মেজর বিষয় ছিল স্পিস কমিউনিকেশনস অ্যান্ড পারফরমিং আর্টস। কলেজের প্রথম বছর পর্যন্ত ডব্লিউভিওএল রেডিওতে কাজ করেন। যোগ দেন স্থানীয় টেলিভিশনে রিপোর্টার ও উপস্থাপক হিসেবে।


এরপর ১৯৭৬ সালে ডব্লিউজেজেড-টিভি নিউজে উপস্থাপক হিসেবে যোগ দিতে চলে যান বাল্টিমোর। সেখানে তিনি প্রথমবারের মতো 'পিপল আর টকিং' নামে একটি টক শো উপস্থাপনার কাজ শুরু করেন। তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে অন্য শহরেও। ১৯৮৪ সালের জানুয়রিতে শিকাগোর ডব্লিউএস-টিভিতে আমন্ত্রণ পান। জনপ্রিয়তায় ধস নামা আধ ঘণ্টার সকালের একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা শুরু করেন তিনি। মাত্র এক বছরে তার মর্নিং শো শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে পরিণত হয়। পরে ১৯৮৫ সালে অনুষ্ঠানটির সময় বাড়িয়ে এক ঘণ্টা করা হয়। প্রচার শুরু হয় 'অপরাহ উইনফ্রে শো' নামে।

এর এক বছর পর অনুষ্ঠানটি জাতীয়ভাবে সম্প্রচার শুরু হয়। শিগগিরই উঠে আসে এক নম্বরে। প্রথম বছরের সম্প্রচারের জন্য অনুষ্ঠানটি 'আউস্ট্যান্ডিং উপস্থাপনা, কথা বলা ও পরিচালনা' ক্যাটাগরিতে তিনটি ডে-টাইম অ্যামি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। একই বছর অপরাহ নিজে অর্জন করেন ইন্টারন্যাশনাল রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন সোসাইটি'র 'ব্রডকাস্টার অব দ্য ইয়ার' পুরস্কার। এখন পর্যন্ত অপরাহ-ই সবচেয়ে কম বয়সে ওই পুরস্কারবিজয়ী। ১৯৯৩ সালে পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের সাক্ষাৎকার নেন অপরাহ। বিশ্বব্যাপী রেকর্ডসংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।


তার টক শো'তে পরিবর্তন:

প্রথমদিকে অন্যান্য টক শো'র মতোই চাঞ্চল্যকর গল্প ও জনপ্রিয় অতিথিদের নিয়ে অনুষ্ঠান তৈরি করতেন উইনফ্রে। কিন্তু ১৯৯০ সালে তার অনুষ্ঠানের ধরণ পাল্টে যায়। তিনি তার অনুষ্ঠানে জোর দেন আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়বস্ত্তর ওপর। তার অনুষ্ঠানের জনপ্রিয়তা উঠে আসে তুঙ্গে।

 


প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অভিনয়:

এই সময়টায় পুরো আমেরিকাই যেন তার প্রেমে পড়ে যায়। এ সময় তিনি অভিনয় করেন সোফিয়া ইন স্পিলবার্গ, দি কালার পার্পল-এ। কালার পার্পলে তার অনবদ্য অভিনয়ের জন্য অস্কার মনোনয়ন পান। নেটিভ সন ছবিতে তার অভিনয়ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়।


অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা এবং মানসম্মত বিনোদন অনুষ্ঠানের নির্মাণের ইচ্ছা থেকে ১৯৮৬ সালে গড়ে তোলেন নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হার্পো প্রোডাকশনস। হার্পো বর্তমানে সিনেমা ও টেলিভিশনে প্রযোজনার জগতে অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে। ১৯৮৮ সালে তার হার্পো প্রোডাকশনস 'অপরাহ উইনফ্রে শো'র পূর্ণ মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ইতিহাসে তিনিই প্রথম নারী, যিনি নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজের টক শো উপস্থাপনা করেছেন। তার প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরি করা হয় টেলিভিশন মিনি সিরিজ 'দ্য ওমেন অব ব্রেস্টার প্লেস', টেলিভিশন মুভি 'দেয়ার আর নো চিলড্রেন হিয়ার' ও 'বিফোর ওমেন হ্যাড উইংস'। দু'টোতেই তিনি অভিনয় ও প্রযোজনা করেন।


জনসেবা:

কষ্টকর ও ভয়ংকর এক শৈশব পার করেছেন তিনি। আর কোনো শিশুকে যেন তার মতো নির্যাতনের শিকার না হতে হয়, সেজন্য কাজ শুরু করেন তিনি। শিশু নির্যাতনের ওপর একটি তালিকা তৈরি ও ঘটনার যাচাই করতে শুরু করেন। তার একান্ত প্রচেষ্টায় জাতীয় শিশু রক্ষা আইনের অধীনে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন 'অপরাহ বিলে' স্বাক্ষর করেন। যা বর্তমানে দেশটির আইন প্রয়োগকারী সব সংস্থাই মেনে চলে। অন্যদের জীবনমানের উন্নয়নে যারা জীবন বাজি রেখে কাজ করেন তাদের প্রতি সম্মান দেখাতে তার 'অ্যাঞ্জেল নেটওয়ার্ক' এক লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের 'ইউজ ইউর লাইফ অ্যাওয়ার্ড' দেয়া শুরু করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের জনসেবামূলক কাজে নিজেকে জড়িত রেখেছেন অপরাহ।

 

ম্যাগাজিন বুক ক্লাব:

১৯৯৬ সালে অপরাহ প্রতিষ্ঠা করেন অন-এয়ার বুক ক্লাব 'অপরাহ বুক ক্লাব'। তখন থেকে তার বাছাই করা বইগুলো বেস্ট সেলার হতে থাকে। এ কাজের মূল্যায়ন হিসেবে ১৯৯৯ সালে ন্যাশনাল বুক ফাউন্ডেশনের ৫০তম বার্ষিকীতে স্বর্ণপদক পান অপরাহ উইনফ্রে। তিনি নিজেও পাঁচটি বই লিখেছেন। তার ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকের সঙ্গে যৌথভাবে শুরু করা একটি বই প্রকাশকদের কাছ থেকে আগাম সর্বোচ্চ অর্থ পাওয়ার রেকর্ড গড়ে।


ব্রডকাস্টিং জগত ছাড়াও তার আগ্রহ দেখা দেয় ম্যাগাজিন প্রকাশে। সেই আগ্রহেই 'ও, দ্য অপরাহ' ম্যাগাজিন এবং 'ও অ্যাট হোম' নামে দু'টি ম্যাগাজিন প্রকাশ করেন। সফল হন এ কাজেও।

 

প্রেম-ভালোবাসা:

মাত্র ১৪ বছর বয়সে সন্তানের মা হন অপরাহ উইনফ্রে। যদিও জন্মের পরপরই ছেলেটি মারা যায়। তিনি যখন তাই স্কুলের ছাত্রী, তখন এথোনি এটে নামে এক তরুণের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে সম্পর্কটা অনেকদিন টিকে থাকলেও তা পরিণয়ে গড়ায়নি। এরপর তার পরিচয় হয় টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটির উইলিয়াম বুবা টেইলরের সঙ্গে। সম্পর্কটা বেশ গভীর ছিল। অপরাহ তার প্রেমিক টেইলর ডব্লিউভিওএল রেডিওতে চাকরি পেতে সাহায্য করেন। সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন অপরাহ। কিন্তু অপরাহ যখন ডব্লিউজেজেড-টিভি নিউজে কাজ পান, তখন টেইলর টেনেসি ছেড়ে তার সাথে নাসভিলি যেতে রাজি না হওয়ায় এ সম্পর্কটাও ভেঙে যায়। এরপর আরো কয়েকজনরে সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একসময় তিনি এক বিবাহিত লোকের প্রেমে পাগলপারা হন। লোকটা যতই তাকে অগ্রাহ্য করত, তার প্রতি অপরাহ'র আকর্ষণ আরো বাড়ত। শেষমেশ এতটাই হতাশ হয়ে পড়েন যে, আত্মহত্যার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তিনি। উইনফ্রে আর তার অংশীদার স্টেডম্যান গ্রাহাম একসাথে আছেন সেই ১৯৮৬ সাল থেকে। ১৯৯২ সালে তাদের বাগদানও হয়। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠান আজো হয়নি। কিন্তু সম্প্রতী (জানুয়ারি, ২০১৪) এক সংবাদে জানা যায় স্টেডম্যান গ্রাহাম ও অপরাহ উইনফে বিয়ে করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

সম্পদ:

দারিদ্রের মধ্যে জন্ম। কিন্তু সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় মাত্র ৩২ বছর বয়সে বিলিয়নিয়ারে পরিণত হন। ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা বিশ্বের ধনীদের তালিকায় ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনিই ছিলেন একমাত্র আফ্রো-আমেরিকান। সেইসঙ্গে বিশ্বের ইতিহাসে তিনিই প্রথম বিলিয়নিয়ার কালো নারী। এছাড়াও তিনি টেলিভিশনে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া পারফর্মার, নিজের প্রচেষ্টায় আমেরিকান নারীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী, এমনকি আফ্রো-আমেরিকানদের মধ্যে ২০ শতকের সবেচেয়ে সম্পদশালী মানুষ। ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪২ একর জমির ওপর একটি ওসেন ভিউ বাড়ির মালিক অপরাহ। আরো ছয়টি রাজ্য ও এন্টিগুয়া দ্বীপে তিনি বাড়ি কিনেছেন।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি