পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

মোনালিসা: যে রহস্যের কোনো কূল কিনারা নেই

বাঁকা চোখের চাহনি, চাপা হাসি আসি আর রহস্যে ভরা মুখশ্রী যে নারী সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের হৃদয় ছুয়েছে তার নাম অপরূপা মোনালিসা। শুধু আজ নয় কাল নয় পাঁচশ বছর ধরে লাখো কোটি হৃদয় নাড়া দিয়েছে এই নারী। পাশাপাশি সারা বিশ্বের মানুষকে ডুবিয়ে রেখেছেন রহস্যের সাগরে। যুগ যুগ ধরে মানুষ এই রহস্যের পিছনে ছুটে চলেছেন। কিন্তু এই রহস্যের সঠিক কোনো কূল কিনারা কেউ খুঁজে পাননি। গবেষকরা একেক জন একেক রকম তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষের কাছে মোনালিসা রহস্যই রয়ে গেছে। বিভিন্ন সময় মোনালিসা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সে রকম কিছু তথ্য এই পেজটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

 

কে এই মোনালিসা?

এই মোনালিসার- আড়ালে যিনি রয়েছেন তিনি ছিলেন মাদাম লিসা। তিনি ফরাসি রাজকর্মচারী ফ্রানসেকো দেন গিওকোন্দো নামের এক যুবকের স্ত্রী৷ গিওকোন্দো শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চিকে লিসার একটি প্রতিকৃতি আঁকার ফরমাশ দেন৷ তখনই পারিশ্রমিক ধার্য হয়ে যায়৷ ঠিক করা হয় প্রতিকৃতি এঁকে নিয়ে আসার সাথে সাথে শিল্পীর প্রাপ্য মজুরি হাতে হাতে মিটিয়ে দেয়া হবে৷ লিওনার্দো তার নৈপুণ্য, নিষ্ঠা, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের ফলে রূপসী মোনালিসাকে তুলির টানে ক্যানভাসে তুলে ধরলেন৷ অতপর তিনি সদ্য আঁকা প্রতিকৃতিটি নিয়ে ফরমাশদাতা রাজকর্মচারী গিওকোন্দোর বাড়িতে উপস্থিত হলেন৷ ছবি দেখে তো গিত্তকোন্দোর চোখে মুখে বিতৃষ্ণার ছাপ ফুটে ওঠে৷ বারকয়েক ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখলেন চিত্রকর্মটি৷ না, এটি তার মোটেও পছন্দ হয়নি৷ ছবিটি ফিরিয়ে দিলেন শিল্পীর হাতে৷ ছবিতো নিলেনই না, এমনকি-এর মজুরি স্বরূপ কোন কিছু দেয়ার প্রয়োজন বোধ করলেন না৷ চরম লজ্জা-অপমানের গ্লানি নিয়ে, চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি চিত্রকর্মটি বগলদাবা করে ধীর পায়ে ফরমাশদাতার ঘর থেকে বেরিয়ে যান। এরপর দীর্ঘ দশ বছর ‘মোনালিসা’ পরে রয় শিল্পীর স্টুডিওতে৷ পড়ে রইলো অনাদরে-অবহেলায়৷ ছবিটির ভবিষ্যত্‍ খুবই অনিশ্চিত৷ কিন্তু তবুও শিল্পী তার চিত্রকর্মের ওপর আশা-ভালোবাসা কখনো হারাননি৷ অবশেষে দশ বছর পড়ে থাকার পর ‘মোনালিসা’ বেরিয়ে এলো অন্ধকার কুঠুরি থেকে৷ ফ্রান্সের রাজা প্রথম ফ্রান্সিস শিল্পকর্মটি সম্বন্ধে উৎসাহিত হলেন৷ ১৫১৭ সালের শেষদিকে ৪০ হাজার ফ্লোরিনের বিনিময়ে ‘মোনালিসাকে’-কিনে নেন প্রাসাদে৷ মোনালিসা প্রাসাদে স্থান পেল৷ কিন্তু, রাজদরবারে বা রাজার শয়নকক্ষে নয় রাজার গোসলখানায়৷

 

মোনালিসা নাকি ভিঞ্চি আপন মনেই এঁকে ছিলেন:

এটি ছিল শিল্পীর সবচেয়ে প্রিয় ছবি এবং তিনি সবসময় এটিকে সঙ্গেই রাখতেন। ভিঞ্চি তার মডেলদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য অর্থাৎ কে, কবে, কোথায় তার ছবির মডেল হয়েছেন তার নোটবুকে রাখতেন। কিন্তু মোনালিসার মডেলের সম্পর্কে কোন তথ্য তার নোটবুকে পাওয়া যায়নি। কিন্তু কেন? তাহলে কে তার চিত্রকর্মের মডেল হয়েছিল?

 

এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ডঃ লিলিয়ান শোয়ার্টজ। তার এর মতে লিওনার্দো তার ছবিতে নিজেকেই একেঁছেন। তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণও দেখিয়েছেন। তিনি প্রথমে ভিঞ্চির সেলফ পোট্রেট ও মোনালিসার ছবি দু'টিকে ডিজিটালে রূপান্তর করেন। এরপর কম্পিউটার ব্যবহার করে ভিঞ্চির সেলফ পোট্রেটটিকে উল্টোদিকে ঘুরিয়ে দেন এবং ছবি দু'টিকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করেন। ফলাফল অবিশ্বাস্য। তিনি লক্ষ্য করেন ছবি দু'টির মুখাবয়বের বৈশিষ্ট্যগুলো আশ্চর্যভাবে মিলে গেছে।

 

আসলে কে এই লিসা গেরাদিনি?

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির এই  ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম 'মোনালিসা'-এর মোনালিসাকে চিহ্নিত করার জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন ইতালির শিল্প ইতিহাসবিদ সিলভানো ভিনচেটি। ভিনচেটি মনে করেন, লিসা গেরারদিনিই ছিলেন মোনালিসা চিত্রকর্মের মডেল। সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া এক ডেথ সার্টিফিকেট থেকে জানা যায়, গেরারদিনি ফ্লোরেন্সে পড়াশোনা করতেন এবং তিনি সেখানে ১৫৪২ সালে মারা যান। ভিনচেটির ভাষ্যমতে ‘লিসা গেরাদিনি’ ছিলেন একজন সিল্ক ব্যবসায়ীর সহধর্মিণী। উপরে বলা হয়েছে তিনি ফরাসি রাজকর্মচারী ফ্রানসেকো দেন গিওকোন্দো নামের এক যুবকের স্ত্রী৷

 

‘মোনালিসা’ নিয়ে রয়েছে অসংখ্য মতবাদ:

‘মোনালিসা’ চিত্রকর্মটি নিয়ে সর্বাধিক প্রচলিত মতটি হলো, ফোরেন্সের এক সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী তার স্ত্রী লিসা দেল জিওকোন্দের প্রতিকৃতি আঁকার জন্য শিল্পীকে দায়িত্ব দেন। আবার কেউ বলেন ভিঞ্চি নিজের স্ত্রীকে অনুকরণ করেই সৃষ্টি করেছিলেন এই অমর সৃষ্টি। কেউ কেউ আবার এর মধ্যে লিওনার্দোর মাকেও দেখতে পান। অনেক গবেষকের মত এই চিত্রকর্মের পেছনে রয়েছে প্রেমিকা লিজা গোরদিনিউ। কেউ কেউ ছবিটিতে খুঁজে পান দা ভিঞ্চির তরুণ সহকারী ‘সালাই’ অর্থাৎ ‘খুদে শয়তান’, গিয়ান ক্যাপ্রোত্তিকে। কোনো কোনো গবেষক শনাক্ত করেছেন, শিল্পী হয়তো নিজেরই প্রতিকৃতি তুলে ধরেছেন নারী ‘মোনালিসা’ অবয়বের মধ্যে।

 

নতুন মোনালিসার আবির্ভাব:

এমনিতে এক মোনালিসাকে নিয়ে সারা দুনিয়ার গবেষকরা হিমশিম খাচ্ছে তার উপর নতুন আরেক মোনালিসার আবির্ভাব ঘটেছে। সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক মোনালিসা ফাউন্ডেশন প্রকাশ্যে এনেছে মোনালিসারই আরো একটি প্রতিকৃতি ‘ইজেলওয়ার্থ মোনালিসা’। এই সংস্থার দাবি, এই প্রতিকৃতিটিও লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা এবং ল্যুভ মিউজিয়ামে রাখা ‘মোনালিসা’ থেকে অন্তত ১০ বছরের পুরনো। তাদের দাবি, মোনালিসা বলে যে প্রতিকৃতিটি সারা বিশ্ব চেনে, তার আসল রূপ এই পুরনো মোনালিসা। আর তা প্রমাণ করতে, এই প্রতিকৃতি উপস্থাপনা ছাড়াও, প্রায় তিন দশক ধরে গবেষণালব্ধ তথ্য সামনে এনেছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর (২০১২) ‘মোনালিসা : লিওনার্দোজ আর্লিয়ার ভার্সন’ নামক ৩০০ পাতার সচিত্রগ্রন্থ প্রকাশ করেছে এই সংস্থা। এর ফলে মোনালিসা নিয়ে বিতর্কে যোগ হলো নতুন মাত্রা।

স্পেনের পেড্রো জাদুঘরে ডান পাশের ছবিটির মতো আরও একটি মোনালিসার ছবি রয়েছে

১৯১৩ সালে এই ‘ইজেলওয়ার্থ মোনালিসা’কে খুঁজে পেয়েছিলেন ইংরেজ চিত্র সংগ্রাহক হিউ ব্লেকার। তিনি ইংল্যান্ডের সামারসেট এলাকার এক বাসিন্দার কাছ থেকে এই ছবিটি কিনেছিলেন। তারপর প্রতিকৃতিটিকে তার ইজেলওয়ার্থ স্টুডিওতে রেখেছিলেন। সেই কারণেই যমজ মোনালিসার নামের আগে বসে যায় ‘ইজেলওয়ার্থ’ শব্দটি। তারপর কয়েক হাত ঘুরে আসে সুইজারল্যান্ডের এই কনসোর্টিয়ামের কাছে।

 

দুই মোনালিসা ছবির প্রেক্ষাপট, আবেগ, ভার এবং কল্পনা প্রায় একই, যা শুধু ভিঞ্চির পক্ষেই রঙ-তুলি দিয়ে এই মুগ্ধতা, এই সম্মোহনী জাদু সৃষ্টি করা সম্ভব। তবে পার্থক্য বলতে, ল্যুভে রাখা প্রতিকৃতি থেকে এটা খানিকটা বড়। প্রতিকৃতিতে ১০ বছরের পার্থক্য বিদ্যমান, চুলের ঢালেও রয়েছে পার্থক্য। ছবির পশ্চাৎপট আলাদা। সবচেয়ে বড় খটকাটা হলো, দ্বিতীয় এই মোনালিসা আঁকা হয়েছে ক্যানভাসে। দা ভিঞ্চি সাধারণত ছবি আঁকতেন কাঠের ওপর। তা হলে এই ইজেলওয়ার্থে মোনালিসা ক্যানভাসে কেন? ধারণা করা হচ্ছে, দা ভিঞ্চি ল্যুভ মিউজিয়ামে রাখা সেই মোনালিসাকে আঁকার কথা দীর্ঘ দিন ধরেই মনের মধ্যে সংগোপনে রেখেছিলেন। সেই কারণেই কিছুটা হয়তো ‘রিহার্সাল’ হিসেবে প্রথম মোনালিসা এঁকেছিলেন ক্যানভাসে। সেটি তারা পছন্দ হয়নি। তাই ১০ বছর পর অভ্যস্ত কাঠের ওপর সৃষ্টি করলেন অমর মোনালিসাকে।

 

‘মোনালিসা’ নারী নাকি পুরুষ!

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির অমর সৃষ্টি 'মোনালিসা'কে নিয়ে এবার নতুন কথা বলেছেন ইতালির গবেষকরা। তারা বলতে চাইছেন, মোনালিসা শিল্পকর্মটির মডেল আসলে কোনো নারী ছিল না, ছিল পুরুষ। রহস্যময় সেই অজানা হাসির জন্য আজো বিশ্বজুড়ে আলোচিত মোনালিসা। তবে গবেষকরা এবার বলতে চাইছেন, এ ছবির মধ্য দিয়ে ইতালির শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি সরাসরি কোনো নারীকে নয়, বরং কোনো পুরুষের কাল্পনিক নারী অবয়বকে ফুটিয়ে তুলেছেন। শিল্পকর্মের রহস্য উদ্ঘাটনে বিশেষজ্ঞ ইতালির এমন কয়েকজন গবেষক বলেছেন, ভিঞ্চির এ ছবিটির মডেল আসলে কে ছিলেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলে আসছে। 'দি ইটালিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর কালচারাল হেরিটেজ'র সভাপতি সিলভানো ভিনচেটি বলছেন, ফ্লোরেন্স শহরে জন্ম নেয়া এ শিল্পী হয়তো নিজের আদলেই সৃষ্টি করেছিলেন মোনালিসাকে। কিংবা তার 'প্রেমিক' বলে যাকে মনে করা হয়, সেই জান জোকোমো ওরফে 'সালাই' হয়তো ছিলেন এ ছবিটির নেপথ্যে। তবে তার এ মন্তব্যকে সঙ্গে সঙ্গেই নাকচ করে দিয়েছেন প্যারিসের লুভ্র জাদুঘরের বিশেষজ্ঞরা। সেখানেই রয়েছে বিশ্বনন্দিত এ চিত্রকর্মটি।


সালাই ছিলেন একজন তরুণ শিল্পী, যিনি ভিঞ্চির সঙ্গে ২৫ বছর একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। এবং ভিঞ্চির বিভিন্ন ছবির মডেল হিসেবে যাকে চিন্তা করা হয়। ভিনচেটির মতে, তাদের মধ্যে অন্য ধরনের কোনো সম্পর্ক ছিল। সম্ভবত তারা একে অপরকে ভালোবাসতেন। তিনি বলেন, সালাইকে মডেল হিসেবে চিন্তা করে ভিঞ্চি আরো কয়েকটি ছবি এঁকেছিলেন। আর সেইসব ছবিতে নাক, মুখের যে আদল দেখা যাচ্ছে, তার সঙ্গে মোনালিসার যথেষ্ট মিল রয়েছে। তিনি মনে করেন, ভিঞ্চি হয়তো ইচ্ছে করেই তার ছবির মডেলের পরিচয় গোপন করেছিলেন। ইতালির গবেষকরা আরো দাবি করেন, তারা মোনালিসার চোখের মধ্যে অতি ক্ষুদ্র করে লেখা 'এল' এবং 'এস' অক্ষর দুটো খুঁজে পেয়েছেন। ছবিটির উচ্চমানের ডিজিটাল কপি পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, সেখানে এল অক্ষরটি লিওনার্দোর জন্য এবং এস সালাই এর জন্য।

 

এই রহস্যের কূল কিনারা কোনো দিন হবে কিনা তা জানা নেই। রহস্য বা বিতর্ক যা থাকুক না কেন, মোনালিসা হচ্ছে নারীর সৌন্দর্যের প্রতীক, যে সৌন্দর্য যুগ যুফ ধরে দেশে-দেশে পুরুষ চিত্তকে আকর্ষন ও আবিষ্ট করে রেখেছে। এ কারনেই মোনালিসাকে দেখার জন্য পুরুষের মধ্যে এক অধীর আক্ষেপ, এক ব্যাকুল ক্রন্দন জেগে উঠে। আর তাকে দেখে পুরুষ চিত্তের বাসনা ও বেদনা, আবেগ ও অনুভূতি প্রশমিত হয়।

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি