পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

সের্গেই ব্রিন: চমকপ্রদ জীবনের চমকপ্রদ তথ্য

ছোট বেলায় স্বপ্ন ও ইচ্ছা ছিল বড় হয়ে হবেন একজন “অ্যাস্ট্রোলজার”, কিন্তু বড় হয়ে তিনি হলেন একজন “টেক আইকন”। হ্যা সের্গেই ব্রিন ছোটবেলায় এমনটাই স্বপ্ন দেখেছিলেন। শুধু তার একার নয়, সের্গেই ব্রিন এর পিতারও তাই ইচ্ছে ছিল। তাহলে কি এমন ঘটলো যার কারণে “অ্যাস্ট্রোলজার” থেকে হয়ে গেলেন “টেক আইকন”? এই তথ্য জানতে হলে যেতে হবে আরও গভীরে।

 

আসুন আগে জন্ম ও পরিবার সম্পর্কে জেনে নিই

সের্গেই ব্রিন ১৯৭৩ সালের ২১ শে আগস্ট রাশিয়ার (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন) মস্কোতে এক ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম সের্গেই মিকায়লোভিচ ব্রিন। তার পিতার নাম মাইকেল ব্রিন ও মাতার নাম ইউজেনিয়া ব্রিন। সের্গেই ব্রিনের পিতা মাইকেল ব্রিন ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর গণিতের শিক্ষক এবং মা ইউজেনিয়া ব্রিন ছিলেন একজন গনিতবিধ এবং প্রকৌশলী। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসাতে কর্মরত।

জীবনের টার্নিং পয়েন্ট

সের্গেই ব্রিনের বয়স যখন ৬ বছর তখন পরিবারের সাথে অভিবাসী হয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন। ধারণা করা হয় এটিই তার জীবনের মূল টার্নিং পয়েন্ট। স্বয়ং সের্গেই ব্রিন বলেন – যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসাটা তার জন্য সৌভাগ্যের দরজা খুলে দেয়।  

 

ছোটবেলা থেকেই সের্গেই ব্রিনের কম্পিউটারের প্রতি প্রবল আকর্ষণ ছিল। সের্গেই ব্রিনের বয়স যখন ৮ পেরিয়ে ৯ এ পা দেয়, তখন জন্মদিনের উপহার হিসেবে তার বাবা তাকে কমডোর-৬৪ নামের একটি কম্পিউটার কিনে দেন। এভাবে আস্তে আস্তে ঘুরতে থাকে জীবনের মোড়।

 

আরও বলে রাখি ছোট বেলা থেকে ব্রিনের গণিতের প্রতি প্রচন্ড আগ্রহ ছিল। পরিবার তাকে এই ব্যাপারে যথেষ্ট সহযোগিতা করে। এভাবেই অ্যাস্ট্রোলজার হওয়ার ইচ্ছা ধীরে ধীরে প্রযুক্তির দিকে মোড় নিতে থাকে।

 

শিক্ষা জীবন

সের্গেই ব্রিন ম্যারিল্যান্ডের পেইন্ট মন্টেসুরি স্কুলে তার শিক্ষা জীবন শুরু করেন। ব্রিন ১৯৯০ সালে ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯৯৩ সালে তিনি সম্মান ডিগ্রি অজর্ন করেন। তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এ কম্পিউটার বিজ্ঞানে ভর্তি হন।

 

ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন এর যেভাবে দেখা হলো

ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন এর মধ্যে প্রথম সাক্ষাৎ ১৯৯৬ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ভবিষ্যৎ গ্র্যাজুয়েটদের জন্য সান ফান্সিসকোর এক ভ্রমণ ক্যাস্পে। সেই ভ্রমণ ক্যাম্পেই ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন এর একে অপরের সাথে দেখা হয়।

এখনো অর্জন করা হলো না পিএইচডি ডিগ্রীটি

যে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করতে গিয়ে ল্যারি পেজের সাথে সের্গেই ব্রিনের দেখা হয় এবং পরবর্তীতে   “গুগল” এর মতো কোম্পানির মালিক হয়েছেন সেই ডিগ্রীটি এখনো সম্পন্ন হয় নি। ১৯৯৫ সালের আগস্ট মাসে সের্গেই ব্রিন স্নাতকোত্তর পড়াশুনা শেষ করেন এবং যথারীতি পিএইচডির জন্য ভর্তি হন স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। কিন্তু আজ অবধি তার গবেষণা শেষ না হওয়ায় এবং গুগল কোম্পানিতে তার বিস্তৃত কর্ম পরিধির জন্য ডক্টরেট ডিগ্রী পাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে যাই হোক এম্প্রেশা ইনস্টিটিউট তাকে একটি অনাররি এমবিএ ডিগ্রী সম্মানিত করে। তিনি বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে বিরতি গ্রহন করছেন।

 

সের্গেই ব্রিনের জীবনের অন্যতম মুহূর্ত

সের্গেই ব্রিনের জীবনের একটি অন্যতম মুহূর্ত হলো যথন তার সাথে ল্যারি পেজের দেখা হয়। তাদের দুজনের আগ্রহের মধ্যে ছিল অনেক মিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই “দি এনাটমি অফ এ লার্জ – এক্সেল হাইপার টেক্সুয়াল ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন” নামে একটি পেপার তারা লিখে ফেলেন। এই পেপারটি আজও পর্যন্ত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অন্যতম সেরা একটি প্রকাশনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

সের্গেই ব্রিন ও গুগল

ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি কোর্সের ছাত্র থাকা অবস্থায় তাদের এক সহপাঠীর বাড়ির গ্যারেজে গুগল ডট কম (Google.com) নামে একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরির কাজ শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন তাদের কোম্পানির নাম রাখেন ‘ব্যাকরাব’। পরবর্তীতে এই নাম পরিবর্তন করে রাখেন গুগল। ১৯৯৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর গুগল ডট কম (Google.com) নামে একটি ডোমেইন নিবন্ধন করেন।  তবে এ নিয়ে রয়েছে কিছু মজার ঘটনা। ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে ‘পিসি ম্যাগাজিন’ এ প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী ইনকর্পোরেট হওয়ার মাত্র চার মাসের মধ্যেই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগল পরিচিতি পায়।  শুরুটা গ্যারেজে হলেও দুই বছরের মাথাতেই ল্যারি পেইজ ‍ও সের্গেই ব্রিন তাদের কোম্পানী স্থানান্তর করে নিয়ে যান ১৬৫ ইউনিভার্সিটি এভিনিউ- পালো আল্টো তে।  শুরুতে কোম্পানী গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন এর কাছে ছিলো না।  তখন দুই বন্ধুর পাশে এসে দাঁড়ান সান মাইক্রো সিস্টেমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এন্ডি বেথটোশেইম। কোম্পানি হওয়ার আগেই তিনি পেজ আর ব্রিনকে এক লাখ ডলার দেন। তিন বছরের মাথায় এর প্রতিটি শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় ৭০০ ডলারে! এভাবে ধীরে ধীরে “গুগল” এর জনপ্রিয়তা হিমালয়ের উচ্চতায় পৌঁছে গেল। সেই সাথে সাথে ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিনও হয়ে যান প্রযুক্তি দুনিয়ার আইকন।

 

গুগলে সের্গেই ব্রিন এর শেয়ার কতটুকু?

গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগলের মাত্র ১৬% শেয়ারের মালিক। এই ১৬% শেয়ারের অর্থমূল্য প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ডলার।

 

বিয়ে

সের্গেই ব্রিন ২০০৭ সালে এ্যানি ওজকিকির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। বয়সের দিক থেকে তাদের দুজনের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। স্ত্রী এ্যানি ওজকিকি বায়োটেক কোম্পানি টুয়েন্টি থ্রি এন্ড মি’প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করছেন। এ্যানি ওজকিকির গুগলের অ্যাডভার্টাইজিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুসান ওজকিকির বোন হন।

 

বাহামাস শহরে তাদের বিয়ে হয়। সেটা সের্গেই ব্রিনের জীবনে একটি আলোচিত অধ্যায়। অ্যানি বায়োলজিতে অনার্স পাশ করেন। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী তিনি। তাই তারা দুজনে মিলে 'হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট' তৈরি করেন। সেটার জন্য ডাটাবেজ ও ইন্টারনেট ওয়েবসাইটও বানান।

সের্গেই ব্রিনের বাড়ি
গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিনের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের গ্রিনউইচ স্ট্রিটে। তিন হাজার ৫০০ বর্গফুটের এ বাড়িটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৮৫ লাখ ডলার। চারটি শোবার ঘর, তিনটি স্নানঘর, এক হাজার ২০০ বর্গফুটের ব্যক্তিগত টেরেস রয়েছে এই বাড়িটিতে। খুব বেশি বড় কিংবা আলাদা কিছু না হলেও অন্দরসজ্জার সুনিপুণ কাজ করা হয়েছে বাড়িটিতে। সবুজ ঘাসের তৈরি বাড়ির সামনের লনে রয়েছে গাছের সমারোহ। সুন্দরভাবে বিছানো ঘাস আর চারপাশ সবুজে ঘেরা বাড়িটির বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যই অন্য বাড়ি থেকে আলাদা করে দেয় বাড়িটিকে।

সের্গেই ব্রিনের গাড়ি
গাড়ির ব্যাপারে দারুণ শৌখিন সের্গেই ব্রিন। নিজের পছন্দের গাড়ির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে টয়োটা প্রিয়াস। দারুণ বডির জন্যই গাড়িটি বেশি পছন্দ ব্রিনের। দারুণ গতি গাড়িটির। মাত্র ১১.৭ সেকেন্ডে গতিবেগ ১০০ কিলোমিটারে উঠতে পারে। এ ছাড়া ব্রিনের গাড়ির তালিকায় রয়েছে টেসলা রোডস্টার। এ স্পোর্টস কারটি নিজের খুব পছন্দের গাড়ি হওয়ায় পছন্দসই জায়গায়ই শুধু ব্যবহার করেন তিনি। গাড়ির ব্যাপারে শৌখিন সের্গেই ব্রিন নিজের পছন্দগুলো মিলে যায়, এমন গাড়িকেই বেশি গুরুত্ব দেন।

রয়েছে ব্যক্তিগত বিমানও

ল্যারি পেইজের সাথে মিলে ব্রিন বোয়িং ৭৬৭ বিমান ক্রয় করেন। এটি তাদের ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক দুই কাজেই ব্যবহার করা হয়। বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত এই বিমানটি পঞ্চাশ জন যাত্রী বহনে সক্ষম।

কর্মচারীর সাথে সম্পর্কে জড়ানো

গুগলের এক জুনিয়র সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠায় সের্গেই ব্রিনের সংসার ভেঙে যাওয়ার গুজব শোনা যায়। তাদের মুখপাত্র বলেছেন, সের্গেই ও এ্যানি এখনো ভাল বন্ধু ও ব্যবসায়ী অংশীদার হিসেবে সম্পর্ক রক্ষা করে চলছেন। তাদের মধ্যে এখনো আইনগতভাবে ছাড়াছাড়ি হয়নি। গুগল সের্গেইয়ের স্ত্রী এ্যানির প্রতিষ্ঠান টুয়েন্টি থ্রি এন্ড মি’তে ১০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এ প্রতিষ্ঠানটি ডিএনএ পরীক্ষার যন্ত্রাংশ তৈরি করে।

 

সের্গেই ব্রিন যাঁর সঙ্গে প্রেম করেছেন, ওই কর্মী কিছুদিন আগে হুগো বারবারা নামের গুগলের আরেক কর্মীর সঙ্গে প্রেম করছিলেন এবং মেয়েটি সের্গেই ব্রিন থেকে ১০ বছরের ছোট।

বিশ্বের সেরা ১২ উদ্যোক্তার একজন

উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল ধারণার প্রবর্তন করে ব্যবসা-উদ্যোগের গতানুগতিক ধরন পাল্টে দিয়ে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন এ রকম ১২ জন সেরা উদ্যোক্তার একটি তালিকা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টাইমের প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ফরচুন। অনলাইন সার্চ ইঞ্জিন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন যুগ্মভাবে রয়েছেন ফরচুনের তালিকার পঞ্চম স্থানে।

 

বিশ্বের সেরা ধনীদের তালিকায় সের্গেই ব্রিন

বিশ্বের সেরা ধনীদের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ। ল্যারি পেইজ ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের মালিক।

 

চলচ্চিত্রে সের্গেই ব্রিন

ফেসবুক তৈরির কাহিনি নিয়ে তৈরি ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ চলচ্চিত্রটির কথা অনেকেরই নিশ্চয় মনে আছে। এবারে অনুসন্ধান সেবাদাতা গুগলকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘দ্য ইন্টার্নশিপ’। নানা হাস্যরসাত্মক উপাদান নিয়ে এগিয়ে যায় সিনেমার কাহিনী। একপর্যায়ে প্রকাশ পায় গুগলের মাহাত্ম্য। সিনেমায় তুলে ধরা হয় গুগল দফতরের কর্মীদের নানা সুবিধার বিষয়। প্রতিষ্ঠানটির নানা সেবার তথ্যও দেখানো হয়। দেখা যায়, গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিনের চরিত্রকে।

 

পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা

সের্গেই ব্রিনের মা পারকিনসন রোগে আক্রান্ত। সের্গেই ব্রিনেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‘টুয়েন্টি থ্রি অ্যান্ড মি’ নামের একটি জিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার পর ব্রিন জেনেছেন, তাঁর মধ্যে জিনগত একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার ফলে তাঁর পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে।

 

ব্রিন লিখেছেন, ‘আমার এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আমার জীবনটাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমাকে এ রোগ ধরার আগেই এ নিয়ে গবেষণা চালাতে হবে।’

 

উল্লেখযোগ্য অর্জন

২০০৪ সালে এবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ সারজি ব্রিনকে 'পারসন অফ দি উইক' ঘোষণা করে। ২০০৫ সালে ব্রিন অন্যতম 'ইয়াং গ্লোবাল লিডার' হিসাবে মনোনীত হন। টেসলা মটরের অন্যতম কর্ণধার সারজী ব্রিন ইলেকট্রিক চালিত যানের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি