পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

অরবিন্দ কেজরিওয়াল – দিল্লীর ভিন্নধারার নতুন মুখ্যমন্ত্রী

ভারতীয় বাংলা মুভি ‘ফাটাকেষ্ট’ এর কথা সবার নিশ্চয়ই মনে আছে। সিনেমার সেই ফাটাকেষ্টের দেখা বাস্তবে পেয়েছে দিল্লীবাসী। তিনি আর কেউ নন ‘অরবিন্দ কেজরিওয়াল’। হালের ক্রেজ দিল্লীর নতুন এই মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল দায়িত্ব গ্রহণের পরই সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণ করতে শুরু করেছেন। প্রথমবার: ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩ এ দায়িত্ব গ্রহণ করেই নগরবাসীকে বিনামূল্যে পানি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন। এমনকি ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বিল ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে। দ্বিতীয়বার: ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লীর বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছেন তিনি। ফলে, দিল্লির মসনদ আরও একবার কেজরিওয়ালের দখলে।  এমন নেতা পুরো বিশ্বে হাতে গোনা কয়েকজন রয়েছেন। দল গঠন করেছেন বছর চারেক হয়েছে। এই তিন-চার বছরের মাথায় পরপর দুইবার দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়াটা চাট্টিখানি কথা নয়। কে এই কেজরিওয়াল? আসুন কেজরিওয়ালের জীবন কাহিনীতে একটু ঘুরে আসি।

 

তার আগে কেজরিওয়াল সম্পর্কে আরেকটা বিষয় স্পষ্ট করে নিই। সমগ্র ভারত ২৯টি প্রদেশ ও ৭টি ইউনিয়নে বিভক্ত। প্রতিটি প্রদেশের একজন করে মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন, যিনি সেই প্রদেশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। কেজরিওয়াল হচ্ছেন দিল্লীর প্রাদেশিক সরকারের প্রধান বা মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী সমমানের কেউ নন। তিনি তার মতো করে দিল্লীর শাসন কাজ চালাতে পারবেন। তবে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাকে কিছু কিছু বিষয়ে জবাবদিহিতা করতে হবে। অনেকে ভাবতে পারেন নয়া দিল্লী হচ্ছে ভারতের রাজধানী। অতএব তিনি যখন রাজধানীর প্রধান তাহলে তিনিই বোধহয় সারা ভারতের প্রধান। এরকম আসলে কোনো বিষয় নেই। সম্পূর্ণ ভারতের প্রধান হচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী।  

 

কেজরিওয়ালের জীবন কাহিনী:

দায়িত্ববোধ, ন্যায়নিষ্ঠা, কর্তব্যবোধ, নিয়ম-নীতি, নিরহংকারী, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য প্রভৃতি সকল বিশেষণ যার নামের সাথে যায় তিনি হলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বিশ্বের অন্যসব নেতাদের মতো তারও জন্ম হয়েছে খুব সাদামাটা একটি পরিবারে। যে পরিবারের বসবাস ছিল একটি কলোনিতে, বাড়িটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও গিঞ্জি। কেজরিওয়ালের বাবা ছিলেন একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। তাদের পরিবারের দামী জিনিস বলতে ছিল একটি স্কুটার। কিন্তু পরিণত বয়সে এসে তিনি এখন দিল্লির সবচেয়ে কমবয়সী মূখ্যমন্ত্রী। যা বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত একটি বিষয়। কেজরিওয়ালের জীবনের পেছনের ঘটনাগুলো জানলে এই বিষয়গুলোকে স্বাভাবিকই মনে হবে। আসুন সেদিকে আলোকপাত করা যাক।

 

কেজরিওয়ালের বাবার নাম গোবিন্দ রাম এবং মায়ের নাম গীতা দেবী। ১৯৬৮ সালের ১৬ই আগস্ট তাদের সংসারে আগমন ঘটেছিল কেজরিওয়ালের। কেজরিওয়ালদের বসবাস ছিল হরিয়ানা রাজ্যের হিসার জেলার বারা মহল্লার। এই এলাকার বয়স্ক অধিবাসীদের এখনো স্পষ্ট মনে আছে কেজরিওয়ালের জন্মগ্রহণের দিনটি সম্পর্কে। এর অবশ্য একটি বিশেষ কারণ আছে। তা হলো কেজরিওয়াল যেদিন জন্মগ্রহণ করেছিলেন সেদিনটি ছিলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্মষ্টমী। যে কারণে কেজরিওয়ালের জন্মগ্রহণে পুরো মহল্লাময় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল।

 

শৈশব:

ছোট বয়স থেকেই কেজরিওয়ালের চরিত্রে শান্ত-শিষ্ট ও ভদ্রতার চমৎকার সংমিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়। ছোট্ট বয়সে কেজরিওয়ালের স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো ছিল না। চিকন-চাকন গড়নের কেজরিওয়াল পরিপাটি করে চুল আচড়াতো। ক্লাসেও খুব শান্তভাবে বসে থাকতো। কারো সাথে খুব বেশি মিশতো না। ক্রিকেট কিংবা ফুটবল নিয়ে বন্ধুদের সাথে কখনো মাঠে নামা হয় নি। তার নেশা ছিল দাবা খেলার প্রতি। তবে কেজরিওয়ালের বিশেষ একটি গুণের কারণে স্কুলে সে আলাদাভাবে পরিচিতি ছিল। সেটা হল কেজরিওয়াল পেনসিল দিয়ে খুব সুন্দর সুন্দর স্কেচ করতে পারতেন। তার বয়স যখন দশ বছর তখনই তিনি পেনসিল দিয়ে সুন্দুর সুন্দর বাড়িঘর, গাছপালা, জীবজন্তুর স্কেচ তৈরি করতেন।

স্কুলে পড়াকালীন সময়ে কেজরিওয়ালের ছবি

 

শৈশবেই দায়িত্ব ও কর্তব্যপরায়ণের মূর্ত প্রতীক:

শান্তশিষ্ট স্বভাবের হলেও বিতার্কিক হিসেবেও কেজরিওয়ালের পরিচিতি ছিল। একবার স্কুলের এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ হয় কেজরিওয়ালের। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত যেদিন বিতর্ক ঠিক তার আগের রাতে কেজরিওয়ালের প্রচন্ড জ্বর আসে। এ অবস্থায় যখন বিছানা থেকেই উঠা কষ্টকর, সেখানে কেজরিওয়াল গায়ে কম্বল জড়িয়ে সময়মতো বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। কেজরিওয়ালের শৈশবের আরেকটা ঘটনা বলি। একবার তার ছোটবোন রঞ্জনা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু রাত পোহালেই রঞ্জনার পরীক্ষা। অসুস্থ শরীর নিয়ে রঞ্জনা কিছুতেই পড়তে পারছিল না। বোনের এই অবস্থায় কেজরিওয়াল সারা রাত তার বোনের পড়াগুলো জোরে জোরে রিডিং পড়ে তার বোনকে শুনিয়েছে যাতে তার বোন পড়াগুলো আয়ত্ত্ব করতে পারে। কেজরিওয়ালের সেই বোন রঞ্জনা এখন একজন প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার।

কেজরিওয়ালের বাবা ও মা

বরাবরই শান্তশিষ্ট ও চুপচাপ:

বর্তমান কেজরিওয়াল ও ছোট্ট কেজরিওয়ালের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। স্কুলের পাশাপাশি বাড়িতেও ছিলেন খুবই শান্তশিষ্ট। বাড়িতে ভাইবোনদের খেলার আসরে কেজরিওয়াল ছিলেন নিতান্ত একজন দর্শকমাত্র। সব ভাইবোনেরা যখন নানার বাড়িতে বেড়াতে যেতো তখন সবাই প্রচন্ড হুলস্থুলে মেতো উঠতো। কেজরিওয়ালের মন সায় না দিলেও বাধ্য হয়ে তাদের সাথে অংশগ্রহণ করতে হতো।

 

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য:

ছোট্ট বয়সেই কেজরিওয়ালের মধ্যে এই বিষয়টি বিশেষভাবে ফুটে ওঠে। তাদের বাড়িতেও ছিল ধর্মীয় পরিবেশ। ছোট্ট বয়স থেকেই ধর্মীয় উপাসনালয়ে যাতায়াত ছিল কেজরিওয়ালের। সে প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ও ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা করত।

 

অভিনয়ও করেছেন:

একটা লোক এত কিছু কিভাবে করে? কেজরিওয়াল যখন দশম শ্রেণিতে পড়তেন তখন একটি নাটকে অভিনয় করার সুযোগ হয় কেজরিওয়ালের। শুধু তাই নয় আইআইটি, খরাগপুর – এ পড়ার সময় হিন্দি ড্রামা সোসাইটির পরিচালকও নির্বাচিত হন।

 

রাজনীতির বীজ অঙ্কুরিত হওয়া:

১৯৮৫ সালে খড়গপুরেরি আইআইটিতে পড়াশোনা শুরু করেন। স্থাপত্যবিদ্যায় পড়াশুনা করা কেজরিওয়াল একজন বিতার্কিকও ছিলেন তা আগেই বলেছি। বিতর্ক চর্চার মাধ্যমে একজন সুবক্তা হিসেবেও গড়ে ওঠেন কেজরিওয়াল। যা কিনা পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আইআইটিতে পড়ার সময় কেজরিওয়ালের বন্ধুরা যখন বিদেশে পাড়ি জমিয়ে ভালো কিছু করার চিন্তা করতেন তখন কেজরিওয়াল ভারতকে পাল্টে দেয়ার কথা বলতো। সে সময় কেজরিওয়ালের বন্ধুরা তার কথাকে পাত্তা না দিলেও এখন তারা বুঝতে পারছেন বিদেশে এসে অনেক টাকা উপার্জন করলেও কেজরিওয়াল থেকে তারা অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী পি.সিং এর সততা ও ন্যায়নিষ্ঠা কেজরিওয়ালকে রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত করে। বিজিপির রাম মন্দির আন্দোলনের বিরোধীতাকারীদের মধ্যে কেজরিওয়াল ছিলেন অন্যতম।

 

দানশীলতা:

আইআইটি-তে পড়াশোনা শেষে যখন বাড়ি ফিরে আসার পালা তখন কেজরিওয়াল তার সমস্ত কিছু একটি চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানে দান করে এক কাপড়ে জন্মস্থান হিসারে চলে আসেন। সেসময় তার কাছে ছিল শুধুমাত্র যাতায়াত খরচ।

 

কর্মজীবন:

পড়াশোনা শেষ করে প্রথমে জমশেদপুরে টাটা স্টিলে যোগ দেন ১৯৮৯ সালে। সামাজিকতার প্রতি টান থেকে টাটা কোম্পানির সমাজ কল্যাণ বিভাগে কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তা আর হয়ে উঠে নি। যার মনে প্রাণে সমাজ সেবা করার ইচ্ছা ঘুরপাক খাচ্ছে তার কি আর ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ভালো লাগে। ১৯৯২ সালে দিলেন চাকরি ছেড়ে।

 

মাদার তেরেসার সাথে সমাজ সেবায় যোগদান:

চাকরি ছাড়ার পর মাদার তেরেসার সাথে দেখা করতে যান। মাদার তেরেসার সাথে দেখা হলে তিনি তার সাথে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করে। তখন মাদার তেরেসা তাকে কালিঘাট আশ্রমে কাজ করতে বলে। সেখানে তিনি দুই মাস কাজ করেন।

 

আবার চাকরিতে যোগদান:

মানব সেবা ছেড়ে আবার চাকরিতে যোগদান করার কথা চিন্তা করেন শুধুমাত্র মানব সেবার কথা চিন্তা করেই। তিনি চেয়েছিলেন আইএএস (IAS) অফিসার হয়ে মানুষের সেবা করতে। এজন্য ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু আইএএস – এ নিয়োগ না হয়ে নিয়োগ হয় আইআরএস (IRS) এ। এজন্য তিনি আবার পরীক্ষা দেন যাতে আইএএস (IAS) অফিসার হিসেবে নিয়োগ হয়। কিন্তু এবারও নিয়োগ পান আইআরএস (IRS) অফিসার হিসেবে। ১৯৯৫ সালে অনেকটা বাধ্য হয়ে রাজস্ব অফিসারের এই পদেই তাকে থাকতে হয়।

 

প্রেম ও বিয়ে:

প্রেম ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের জীবনেই আসে। কেজরিওয়ালের জীবনেও প্রেম এসেছিল। ব্যক্তিগত জীবনে শান্তশিষ্ট ও ভদ্র হলেও কেজরিওয়ালই প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। সুনেতা নামের সেই ভদ্রমহিলাও কেজরিওয়ালের সাথে আইআরএস অফিসার হিসেবে কাজ করতেন। ১৯৯৩ সালে বিভাগীয় একটি ট্রেনিংয়ে তাদের তাদের মধ্যে জানাশোনা হয়। এরপর কেজরিওয়াল নিজে যেচে গিয়ে কেজরিওয়াল নিজেই সুনেতাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বছরখানেক প্রেম করার পর ১৯৯৪ সালে সুনেতাকে বিয়ে করেন কেজরিওয়াল।

 

সংসার জীবনে প্রবেশ:

বিয়ের পর তারা সরকারি একটি ফ্ল্যাটে তারা সংসার জীবন শুরু করে। সংসারে তাদের আসবাবপত্র বলতে কিছুই ছিলো না। স্বামী-স্ত্রী ফ্লোরে জাজিম বিছিয়ে ঘুমাতেন। এক বছর পর তাদের সংসারে একটি সোফা আসে। যেটি এখনও রয়েছে এবং ড্রইং রুমে সবচেয়ে দামী ও শোভাবর্ধক আসবাব। এছাড়া তাদের একটি পুরোনো ‘আল্টু’ গাড়ি আছে। তাদের সংসারে রয়েছে দুই সন্তান। ১৭ বছরের মেয়ে হার্শিতা ও ১২ বছরের ছেলে পুলকিত।

আবারও সেই মানব সেবার চিন্তা:

মানব সেবাকে কিছুতেই মন থেকে দূরে ঠেলে দিতে পারেননি। কেজরিওয়াল তার ভাই মনোজ ও মামার কাছ থেকে অল্প কিছু রুপি অনুদান নিয়ে ‘পরিবর্তন’ নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু ইচ্ছেমতো মানুষের সেবায় এগিয়ে যেতে না পারায় কিভাবে বেশি মানুষের সেবায় কাজ করা যায় সেই চিন্তা করতে থাকেন।

 

আসলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন:

২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে দিল্লীর ইনকাম ট্যাক্স জয়েন্ট কমিশনারের চাকরি ছেড়ে দেন। তথ্য অধিকার আইন (আরটিআই) যখন ভারতে আসে তখন এই আইনের দুর্বলতা কেজরিওয়ালকে ভাবিয়ে তোলে। তার মনে ঘুরপাক খেতে থাকে রাজনীতিক গুণগত পরিবর্তনের। সেই চিন্তা থেকেই ২০১১ সালে ‘জন লোকপাল’ আন্দোলন শুরু করেন কেজরিওয়াল এবং আম আদমী পার্টি গঠন করে। ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই দলটি গঠিত হয়। আন্না হাজারের লোকপাল বিল নিয়ে আন্দোলন লাইম লাইটে নিয়ে আসে কেজরিওয়ালকে।   

 

২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (এএপি) দিল্লীতে নতুন সরকার গঠন করে এবং কেজরিওয়াল ভারতের সবচেয়ে কম বয়সী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে। আগেই বলেছি দিল্লী সরকার আর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণ আলাদা। কেজরিওয়াল শুধুমাত্র দিল্লী প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

 

এর আগে দিল্লীর বিধান সভার নির্বাচনে কেজরিওয়ালের সম্পূর্ণ নতুন দল আম-আদমী পার্টি ২৮টি আসনে জয়লাভ করে এবং দিল্লীর বিধান সভার আরেক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ইন্ডিয়ান জাতীয় কংগ্রেসের সাথে এক হয়ে সরকার গঠন করে। দিল্লী’র মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতকে প্রায় ২৬ হাজার ভোটে হারিয়ে রাজনীতির ময়দানে অজ্ঞাতকুলশীল অরবিন্দ কেজরিওয়াল-ই সেরা খেলোয়ার। এরপর তার একের পর এক চমক পুরো বিশ্বের নজড় কাড়তে সক্ষম হয়েছে। কেজরিওয়াল এখন পুরো বিশ্বের উঠতি রাজনৈতিক, সমাজ সেবা ও তরুণ প্রজন্মের আইডল হিসেবে পরিগণিত হয়েছেন।

আম-আদমি পার্টির জন্ম:

আন্না হাজরে ও কেজরিওয়ালের মত বিরোধের মধ্য দিয়েই এই দলটির সৃষ্টি হয়। তারা দুজনই ‘জন লোকপাল বিল’ পাস করানোর দাবিতে আন্দোলন করলেও আন্না হাজারে রাজনীতির বাইরে থেকে সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছেন। কিন্তু কেজরিওয়াল চেয়েছেন একমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতে অংশ নিয়ে আইনসভায় এই বিল পাস করা সম্ভব। ২০১২ সালের  ২ অক্টোবর কেজরিওয়াল নতুন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেন। এই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ নভেম্বর।

 

এক্সক্লুসিভ কিছু ভিডিও:

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
রানী ভিক্টোরিয়া (দ্বিতীয় পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
রানী ভিক্টোরিয়া (প্রথম পর্ব)ব্রিটেনে রাজতন্ত্রের ভূমিকা নতুন করে নির্ধারণ করেছিলেন যিনি
মারগারেট থ্যাচারঃ ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীসমাজের নিম্নস্তরের সাধারন ঘরের মেয়ের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠার বর্ণাঢ্য এক গল্প
মোহাম্মদ আলী দ্যা গ্রেটেস্টবক্সিং জগতের এক জীবন্ত কিংবদন্তী মোহাম্মদ আলী সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন
পন্ডিত জহরলাল নেহেরু ও এডুইনা মাউন্টব্যাটেনের এক অনবদ্য প্রেমকাহিনীদেশ বিভাগের ঐতিহাসিক সময়ের অদ্ভুত এক প্রেম কাহিনী
থমাস এডওয়ার্ড লরেন্সঃ লরেন্স অব অ্যারাবিয়ালরেন্স অব অ্যারাবিয়াঃ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পেছনের নায়ক
কনকর্ড দি জেট হকবিস্তারিত পড়ুন কনকর্ড দি জেট হক একটি সুপারসনিক বিমানের গল্প
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সূত্রপাতের কারণযে বিষয়গুলোর কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
‘নূরজাহান’ মুঘল ইতিহাসের এক শক্তিশালী নারী চরিত্রবিস্তারিত পড়ুন মুঘল ইতিহাসের প্রভাবশালী সম্রাজ্ঞী নূরজাহান সম্পর্কে
উইলিয়াম শেকসপিয়ার:ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নাট্যকার ইংরেজি সাহিত্যের জনক
আরও ১৪২ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি