পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

আজকের জোকস : ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪@

 
 

জোকস - ০১  চাকরির অভাবে ব্যতিক্রমধর্মী চাকরি!!!

বি.এ পাস করেও এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে না। মামা খালুর জোর না থাকলে কি আর আজকাল চাকরি হয়?
হঠাৎ একদিন চিড়িয়াখানায় তার একটা চাকরি হয়ে গেল। চিড়িয়াখানার বাঘটা হঠাৎ করে মারা যাওয়ায় খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে। কর্তৃপক্ষ বললঃ তুমি যদি খাঁচার ভেতর একটা বাঘের পোষাক পরে বাঘের মত তর্জন গর্জন দিতে পারো তাহলে মাসে ৮হাজার টাকা পাবে। অগাত্যা বেকার ছেলেটা তাতেই রাজি। রোজ চিড়িয়াখানা খোলার আগে সে বাঘের পোষাক পরে খাঁচায় ঢুকে পড়ে। দর্শক এলে তাদেরকে তর্জন-গর্জন ও আরো নানা কায়দা-কুসরত দেখিয়ে ভীষণ আনন্দ দেয়।
দেখতে দেখতে চিড়িয়াখানার দর্শক বেড়ে গেল। বাঘের খাঁচার সামনে বিরাট ভিড়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও খুশি হয়ে বেতন বাড়িয়ে দিল। ভালোই চলছিল দিন....... হঠাৎ একদিন হলো বিপত্তি...!!! বাঘের খাঁচার পাশেই ছিল সিংহের খাঁচা। দুই খাঁচার মাঝে একটা লোহার জালের বেঁড়া। একদিন সেই বেঁড়া ধরে লাফিয়ে নেচে-কুদে মজা দেখাতে গিয়ে পুরনো বেঁড়া ভেঙ্গে সে গিয়ে পড়লো সিংহের খাঁচার ভেতর। এখন কী হবে? পৈতৃক প্রাণটা বুঝি আজ সিংহের হাতেই গেল...! ভয়ে জবু থবু হয়ে খাঁচার এক কোনে বসে দোয়া-দুরুদ পড়তে লাগলো বেচারা। এদিকে সিংহটাও কিছুক্ষণ চুপকরে বসে থেকে ধিরে ধিরে উঠে দাঁড়ালো। তারপর আস্তে আস্তে এগিয়ে আসতে লাগলো তার দিকে। ভয়ে তো তার প্রায় হার্ট এটাক হবার যোগার। এদিকে সিংহটা এক্কেবারে কাছে চলে এসেছে। প্রাণের মায়া ছেড়ে দিয়ে ছেলেটা যখন কালেমা পড়তে শুরু করলো ঠিক তখন সিংহটা বলে উঠলো,
.
.
.
.
.
.
.
ভাই, এতো ভয় পাবেন না, আমিও বাংলায় অনার্স.....।।

 
 
জোকস - ০২ : ২০৫০ সাল!!!
সময় ২০২৫ সালঃ
মেয়ের বাবাঃ আমার মেয়ে আপনার ছেলে'কে পছন্দ করে, বিয়ে করতে চায়।

ছেলের বাবাঃ অসম্ভব ঐ বখাটে মেয়ের হাতে আমার ছেলে কিছুতেই তুলে দিতে পারি না। রাত দিন আড্ডা মারবে রাস্তা ঘাটে আর পাড়ার ছেলেদের টিজ করে বেড়াবে। পাড়ার ছেলেরা তার জন্যে ঘর থেকে বের হতে চাই না। আর আমার ছেলে বোরখা ছাড়া ঘরের বাইরে যাই না। সেই সহজ সরল লজ্জাবতী ছেলেটাকে ঐ মেয়ের হাতে আমি বাবা হয়ে কিছুতেই তুলে দিতে পারব না।

মেয়ের বাবাঃ বুঝেছি সহজ কথাই কাজ হবে না। তাহলে আপনার ছেলের সাথে আমার মেয়ের সেই রুম ভিডিও টা নেটে ছেড়ে দিবো। দরকার হলে আপনার ছেলের মুখে এসিড মারবো।

ছেলের বাবাঃ ইয়ে আচ্ছা আপনি যা বলবেন তাই হবে দয়া করে আমার ছেলের এত্তবড় সর্বনাশ করবেন না।
 
 
জোকস - ০৩ : ফেজবুক চ্যাটিং!!!!

মেয়ে: (SEEN no reply)
ছেলে: কেমন আছেন?
মেয়ে: (SEEN no reply)
ছেলে: আপনি খুব সুন্দর!!
মেয়ে: তাই নাকি?
ছেলে: হুম তাই। মন থেকেই বলছি। আপনার চোখ দুটো খুব মায়াবী। যে কেউ প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে যাবে!!
মেয়ে: ওমা তাই নাকি? আর কী সুন্দর?
ছেলে: আপনার চুলগুলো বেশ সুন্দর। চুলগুলো পুরোপুরি কালো হওয়ায় আরো বেশি সুন্দর দেখাচ্ছে!!
মেয়ে: আপনি সব বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলতেছেন।
ছেলে: না সত্য কথাই বলছি। তবে কপালে টিপ দিলে আপনাকে আরো বেশি সুন্দর দেখাতে।
মেয়ে: টিপ দেয়ার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। টিপ দিয়ে ছবি তুলতে যাব তার আগেই ক্যামেরার ব্যাটারি শেষ!!
ছেলে: মন খারাপ করার কিছু নেই। এতেই যা লাগছে....পাগল করে দেয়ার মত।
মেয়ে: আমার আরেকটা জিনিস সুন্দর দেখবেন?
ছেলে: অবশ্যই।
মেয়ে: তাহলে চোখ দুটো ১৫ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ করুন। সত্যি করে বন্ধ করুন।
ছেলে: হুম করছি!!
.....................
.........................
মেয়ে: হারামজাদা প্রোফাইলে দিছি বিলাইয়ের ছবি আর তুই সুনাম করছ আমার। জিরো ডট ফেসবুক চালাইয়া আমার সাথে ফ্লার্ট করতে আইছস! নেয় সুন্দর জিনিস "বলক" খা এবার। ছেলে ১৫ সেকেন্ড পর চোখ খুলে দেখছে সুন্দর করে লেখা "You can not reply to this conversation"

 
জোকস - ০৪ : কি বোর্ডের বাটনগুলো সাজিয়ে লাগালাম!!!

মন্টু নামিদামী প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি পাইছে। তো প্রথম দিন ডিউটিতে গিয়াই বাজিমাত কইরা ফালাইছে, সকাল ৯ টা থেইকা ৫ টা পর্যন্ত ডিউটি করছে। বস তো মন্টুর উপর পুরাই খুশি। মন্টুরে তার চেম্বারে ডাইকা বলতেছে, "ওয়েল ডান মাই বয়, তোমার পারফরমেন্স দেখে আমি খুবই খুশি। তা মন্টু, সারাদিনে কি কাজ করলা?"

মন্টুঃ স্যার, আমার টেবিলে বইসা প্রথমেই দেহি কি-বোর্ডের ABCD গুলা উল্টাপাল্টা দেওয়া। কেমনটা লাগে বলেন!
তাই সারাদিন বইসা কি-বোর্ডের বাটনগুলা খুইলা, আবার ABCD সাজায়া লাগায়া দিসি।

 
 
 জোকস - ০৫ অংক প্রাইভেট পড়ার কথা বলছি!!!

পিন্টু ক্লাস থ্রি-তে পড়ে। তো সে তার গণিত ম্যাডামকে বলতেছে, "ম্যাডাম,আমার সম্পর্কে আপনার কি ধারনা?"

ম্যাডামঃ পিন্টু তুমি খুউউউউউব সুইট, কিন্তু অঙ্কে একটু কাঁচা।

পিন্টুঃ হুম, আমারো তাই মনেহয়। আপনাকেও আমার খুব পছন্দ। ম্যাডাম, আপনার বাড়ির ঠিকানাটা একটু বলা যাবে?

ম্যাডামঃ কেন?

পিন্টুঃ না......মানে......আব্বা-আম্মাকে পাঠাইতাম।

ম্যাডামঃ (ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে) ওমা, তোমার বাবা-মা আমার বাসায় যাবে কেন?

পিন্টুঃ না...মানে...কথা-বার্তা বলার জন্য।

ম্যাডামঃ কি বলছো এইসব! তুমি কোথায়, আর আমি কোথায়। স্কুলে এসে কি এইসব শিখেছো? তুমি একদম নষ্ট হয়ে গেছ। অসভ্য কোথাকার!

পিন্টুঃ ফইন্নির ঘরে ফইন্নি, তরে কেডা কইসে আমি তোরে বিয়া করমু.....! আমিতো অঙ্ক প্রাইভেট পড়ার কথা কইতাছিলাম।

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
আজকের জোকস : ৩০ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ২১ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ১৫ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ১৩ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ০১ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ২২ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ১৭ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ১৫ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ০৮ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ০৬ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আরও ৬৩৯ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি