পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

আজকের জোকস: ২৮ নভেম্বর, ২০১৩

জোকস - ০১ : সহ্যের পেয়ালা – আন্তোন নেভস্কি

ফালেয়েভ তার মানিব্যাগ হারিয়ে ফেলল। আলমারি থেকে নীরবে একটা মানিব্যাগ বের করে আনল স্ত্রী। উৎফুল্ল ফালেয়েভ তার বোনাসের টাকা ভরল নতুন সেই মানিব্যাগে। কিন্তু বোনাসের টাকা হারিয়ে ফেলতে সক্ষম হলো সে। আলমারি থেকে নীরবে বোনাসের টাকা বের করে আনল স্ত্রী। উৎফুল্ল ফালেয়েভ ছুটল ডিপার্টমেন্ট স্টোরে। স্ত্রীর জন্য উপহার কিনল। কিন্তু ফেরার পথে হারিয়ে ফেলল সেটা। আলমারি থেকে নীরবে উপহার বের করে আনল স্ত্রী। নিজেই নিজেকে দিল। এক সপ্তাহ পরে ফালেয়েভ মাইনের পুরো টাকা ভুল করে বাসে রেখে নেমে পড়ল। বাড়ি যেতে যেতে তার মনে হতে লাগল, স্ত্রীর ধৈর্যে ফাটল ধরবে নিশ্চয়ই। ‘যথেষ্ট হয়েছে!’ বলল তার স্ত্রী। ‘আমার ধৈর্যের পেয়ালা পূর্ণ হয়ে উপচে পড়ছে।’ ডিভোর্স? না…আলমারি থেকে নতুন পেয়ালা বের করে আনল স্ত্রী। আকারে আগেরটার চেয়ে বড়। ফালেয়েভ নিজেকে শুধরে নেবে স্থির করল। নইলে তার স্ত্রী যে কখন আলমারি থেকে নতুন স্বামী বের করে আনবে, কে জানে!

 

জোকস - ০২ : গোপালের ঘটকালি

গোপাল একবার একটি বিয়ের ঘটকালি করে ছিল। মেয়েটি খোঁড়া, ছেলেটি কানা। কনেপক্ষ পাত্র পক্ষ গোপালের মুখের কথায় উপর নির্ভর করেই বিয়ে পাকাপাকি করে ফেলেছিল। কনেপক্ষ জানে না যে বর কানা, আবার পাত্রীপক্ষ জানে না যে মেয়ে খোঁড়া। গোপারের ভীষণ নাম ডাকের জন্য কেউ কাউকে অবিশ্বাস করতে পারে নি। সবকাজ গোপালের উপরই ছেড়ে দিয়েছে। নির্বিঘ্নে বিয়ে হয়ে যাবার পর পাত্রকক্ষের কর্তা গোপালকে ডেকে বললেন, কনেপক্ষের লোকেরা জানতেই পারেনি যে, বর কানা। বরকে কানা দেখলে কোন বাপ মেয়েই দিত না। এর জন্য আপনার কাছে বেশ কৃতজ্ঞ আমরা। এই বলে পাত্রপক্ষের লোকেরা কিছু পুরষ্কার বাবদ টাকা দিল। গোপাল তা মুখটি চেপে নির্বিবঘ্নে তাদেরকে কিছু না বলে নিয়ে নিল। এদিকে কন্যাপক্ষের লোক এল। মেয়েটি যে খোঁড়া পাত্রপক্ষের লোকেরা জানিতেই পারেনি, কি বল গোপাল! এই বলে কন্যাপক্ষের লোকেরা গোপালকে কিছু পুরষ্কার দিল। দুপক্ষের কাছে মোটা বকসিস পেয়ে পুলকে গোপাল মনে মনে হাসতে হাসলে বলল, আপনারা মহাশয় ব্যক্তি। তাহলে সব কথা খুলে বলি শুনুন, আপনার মেয়েটি খোঁড়া আর বরও কানা। এতে অবশ্য দুপক্ষের চিন্তা ভাবনা করার কোনও কারণই নেই। গোপালের কথা শুনে বর পক্ষের আক্কেল গুডুম। বললেন, অ্যাঁ, বলো কি। পাত্রী খোঁড়া? আগে এ কথা আমাদের বলেননি কেন? গোপাল বললে, নইলে মানাবে কেন দাদা? না মানালে আমরাই যে বদনাম। আমি তো কারও কাছে বদনাম শুনতে রাজি নই। এখন, আপনাদের আর কারোর কিছু বলার থাকলো না।

 

জোকস - ০৩ : গোপালের চিঠি লেখা

গোপাল লেখাপড়া বিশেষ কিছু জানত না। যদি বা লেখাপাড় কিছু জানত কিন্তু হাতের লেখা ছিল খুব খারাপ। কিন্তু রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভাঁড় হিসাবে তার খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। পাড়া পড়শীরা তাই তাকে সমীহ করে চলত- কেউ কেউ বা বিভিন্ন প্রয়োজনে গোপালের সঙ্গে এসে দেখা করত পরামর্শ নিত, গোপালের বুদ্ধি নিয়ে প্রায় সকলে চলত । একদিন এক বুড়ি এসে বলল, গোপাল ভাই, আমার একখানা চিঠি লিখে দাও না। আমার নছেলে পুরী থেকে দশক্রোশ দূরে নাগেশ্বরপুর গেছে। কোনও খবর পাচ্ছিনে বেশ কয়েকদিন হল। টাকা পয়সাও নাই যে কাউবে পাঠাব। বুড়ির কথা শুনে গোপাল বললে, আজ তো আমি চিঠি লিখতে পারব না ‍ঠাকমা। কেন ভাই, আজ কি যে, তুমি চিঠি লিখতে পারবে না। অনেকদিন হয়ে গেছে আজ না লিখলেও নয়। আর তোমার দেখা সব সময়পাই না যে তোমাকে চিঠি লিখতে বলি। আজ দেখা পেয়েছি, একখানা চিঠি লিখে দাও না ভাই? আমি বুড়ো মানুষ কার কাছে যাব চিঠি লিখতে ভাই, তুমিই একমাত্র ভরসা। আমার যে পায়ে ব্যাথ্যা গো ঠাকমা। পায়ে ব্যথা তাতে কি হয়েছে? চিঠি লিখবে তো হাত দিয়ে? পায়ে কি তুমি চিঠি লিখবে নাকি। তোমার কথা শুনলে হাসি পায়। তোমার মত এমন কথা কোথাও শুনিনি। গোপাল হেসে বলল, চিঠি তো লিখব হাত দিয়েই। কিন্তু আমার চিঠি অন্য কেউ যে পড়তে পারবে না। আমার লেকা চিঠি আমাকে নিজে গিয়ে পড়েদিয়ে আসতে হবে। আমার যে এখন পায়ে ব্যথা। এখান থেকে পুরী আবার পুরী থেকে দশ ক্রোশ দূরে নাগেশ্বরপুরে চিঠিটা তো আমি পুড়ে দিয়ে আসতে পারব না। তুমি অন্য কাউকে দিয়ে চিঠিখানা এবারকার মতো লিখিয়ে নাও, ঠাকমা। আমার পা ভাল হলে চিঠি লিখে দেব এবং নিজে দিয়ে পড়ে আসব। বুড়ি মা এর পর আর কি বলবে। বাধ্য হয়ে চিঠি না লিখিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হল গোপালের বাড়ি থেকে।

 

জোকস - ০৪ : কোলাকুলি

বিজয়ার পরদিন পথের মাঝে ‍গোপাল অপরজনের সঙ্গে কোলাকুলি করল। কোলাকুলি করার সময় গোপাল অপরের ট্যাক থেকে একটি টাকা, আর অপরজন গোপালের ট্যাক থেকে কিছু খুচরো পয়সা বাগিয়ে নিল। সে খুচরো পয়সা গুনে দেখলে…. এক টাকারই খুচরা রয়েছে। গোপালের পকেটে মাত্র একটাকাই ছিল জেনে মনে মনে বেশ একটু ক্ষুন্ন হল, তখন গোপাল অপরজনকে বললে, এসো ভাই, আবার আমরা কোলাকুলি করি। যার ট্যাকে যা ছিল তাই ফিরিয়ে দিই। আমাদের উভয়ের যে একই পেশা, এই কোলাকুলির দ্বারা তো বেশ ভালই বোঝা গেল। এখন থেকে আমরা দুজন দুজনের বন্ধু।

 

জোকস - ০৫ : ছাতায় ফুটো কেন

মন্টুর ছাতায় একটা বড় ফুটো দেখে সবাই জিজ্ঞেস করল, কী হে মন্টু, ছাতায় ফুটো কেন?
মন্টু বলল, আরে বোকা, বৃষ্টি থেমে গেলে বুঝব কী করে?

 

 

 

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
আজকের জোকস : ৩০ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ২১ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ১৫ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ১৩ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ০১ জুলাই, ২০১৬প্রতিদিন নতুন ৫ টি পেটে খিল লাগানো জোকস
আজকের জোকস : ২২ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ১৭ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ১৫ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ০৮ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আজকের জোকস : ০৬ মে, ২০১৬দমফাটানো হাসির ৫টি জোকস রয়েছে
আরও ৬৩৯ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি