পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

হালুয়া - রুটি

পুরান ঢাকায় ঐতিহ্যগতভাবে টিকে আছে পবিত্র শবে বরাত উদযাপনের নানা আনুষ্ঠানিকতা। এ ক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়া, উপহার আর দান-খয়রাতে ঢাকাবাসীর নিজস্বতা বেশি ধরা দেয়। তবে শবে বরাত উদযাপনের আমেজ পুরো নগরেই থাকে। মহান আল্লাহ তায়ালার ইবাদতের পাশাপাশি প্রত্যেক বাড়িতে চলে হালুয়া-রুটি বানানোর ধুম। এছাড়া পাড়ার বেকারী, হোটেল ও মিষ্টির দোকানগুলোতেও এই দিনে দোকানের সামনে প্যান্ডেল টানিয়ে হালুয়া-রুটি বিক্রি করতে দেখা যায়। তবে দোকানের এসব হালুয়া-রুটির চেয়ে বাড়িতে একটু কষ্ট করে হালুয়া-রুটি তৈরী করাই শ্রেয়। আসুন জেনে নিই বিভিন্ন ধরনের হালুয়া-রুটি তৈরীর উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালী সম্পর্কে।

 

ছোলার ডালের হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

ছোলার ডাল

আধা কেজি

ছোলার ডাল ও কোরানো নারকেল, দুধ দিয়ে সেদ্ধ করে শুকিয়ে যাওয়ার পর গরম থাকা অবস্থায় কেটে নিতে হয়।

কড়াইতে ঘি, ডাল বাটা দিয়ে কিছুক্ষন নেড়ে চিনি দিতে হয়। চিনি দিয়ে আরো নাড়তে হয়। এরপর এলাচ, দারুচিনি গুড়া দিতে হয়। হালুয়া তাল বাঁধলে কিসমিস, গোলাপ পানি দিয়ে কিছুক্ষন নাড়তে হয়। এরপর পেস্তা বাদাম কুচি ছিটিয়ে দিতে হয়। গরম হালুয়া ঢেলে সমান করতে হয়।

এরপর ছাঁচে বসিয়ে বিভিন্ন নকশা করে পরিবেশন করা যেতে পারে।

দুধ

এক লিটার

চিনি

এক কেজি

ঘি

চার ভাগের এক ভাগ

এলাচ গুড়া

হাফ কাপ

দারুচিনি গুড়া

সোয়া কাপ

গোলাপ পানি

এক টেবিল চামচ

কিসমিস

ছয় টেবিল চামচ

পেস্তা বাদাম কুচি

তিন টেবিল চামচ

পেঁপের হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

কাঁচা পেঁপে

আধা কেজি

পেঁপের খোসা ফেলে পেঁপে দিয়ে কুচিয়ে নিতে হয়। কুচানো পেঁপে কিছুটা ভাপ দিয়ে নিতে হয়। কুচানো পেঁপে কড়াইতে ঘি দিয়ে ভেজে নিতে হয়। চিনি, মাওয়া, রং, এলাচ গুড়া দিয়ে কিছু্ সময় ভাজতে হবে। হালুয়া ঘন ও ঘি হালুয়ার উপরে উঠে এলে হালুয়া নামিয়ে নিতে হয়। এরপর কিসমিস ও বাদাম দিয়ে পরিবেশন করা যেতে পারে।

ঘি

আধা কাপ

মাওয়া গুড়া

চার টেবিল চামচ

চিনি

২৫০গ্রাম

এলাচ গুঁড়া

এক চা চামচ

কিসমিস

এক টেবিল চামচ

আমন্ড বাদাম কুচি

এক টেবিল চামচ

সবুজ রং

সামান্য

পাউরুটির হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

গুড়া দুধ

এক কাপ

পাউরুটি কিউব করে কেটে বাটার অয়েলে ভেজে নিতে হয়।

আলাদা একটি পাত্রে দুই কাপ পানি ও চিনি দিয়ে জ্বাল দিতে হয়। এর সাথে স্টাভারি রেড কালার দিতে হয়।

তৈরী করা চিনির সিরায় বাটার অয়েলে ভাজা রুটিগুলো দিতে হয়। রুটি সিরায় দিয়ে অনবরত নাড়তে হয়।

ঘন হয়ে আসলে ডিসে ঢালতে হয়। ডিসে ঢালার পর তবক দেওয়ার পর পেস্তা বাদাম দিয়ে পরিবেশন করা যায়।   

বাটার ওয়েল

আধা কাপ

পানি

এক কাপ

পেস্তা বাদাম

এক টেবিল চামচ

পাউরুটি কিউব করে বাটা

দুই কাপ

চিনি

এক কাপ

স্টাভারি রেড

এক চা চামচ

তবক

দুই পিস

গোলাপজল

এক চা চামচ

এলাচ গুড়া

আধা চা চামচ

বাদাম কুচি

এক টেবিল চামচ

ডিমের হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

ডিম

চারটি

প্রথমে ডিম ভালোভাবে ফেটে নিতে হয়। সবগুলো উপকরন দিয়ে আবার ভালো করে ফেটে নিতে হয়। মিশ্রন সসপ্যানে দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে দিতে হয় এবং মিশ্রনটিকে দ্রুত নাড়তে হয়। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হয় তলায় যেন লেগে না যায়। এর কিছুক্ষন পর ডিম জমাট বেধে যায় পানি শুকিয়ে গেলে হালুয়া নামানো যায়। তৈরী হয়ে যাওয়া ডিমের হালুয়ার উপরে পেস্তা বাদাম ও কিসমিস দিয়ে পরিবেশন করা যায়।  

চিনি

এক কাপ

ঘন দুধ

এক কাপ

ঘি

আধা কাপ

দারুচিনি

তিন টুকরা

এলাচ

২/৩ টি

পেস্তা বাদাম

এক টেবিল চামচ

কিসমিস

এক টেবিল চামচ

কাজু বাদামের হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

কাজু বাদাম

এক কাপ

কাজু বাদাম হালকা ভেজে ৩/৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর ভেজানো কাজু বাদাম ব্লেন্ডার মেশিন দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হয়।

চুলায় বসানো কড়াইয়ে ঘি দিয়ে কাজু বাদাম ও ছানা ভাজতে হয় এবং চিনি দিয়ে দ্রুত নাড়তে হয়।

এরপর ময়দা এলাচ গুঁড়া দিতে হয়। হালুয়া তৈরী হয়ে গেলে কিসমিস কাজু বাদাম ও পেস্তা বাদাম দিয়ে পরিবেশন করা যেতে পারে।

ছানা

এক কাপ

চিনি

এক কাপ

এলাচ

পৌনে এক চা চামচ

ঘি

আধা কাপ

ময়দা

এক টেবিল চামচ

কিসমিস

এক টেবিল চামচ

কাজু বাদাম

প্রয়োজনমত

পেস্তা বাদাম

প্রয়োজনমত

গাজরের হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

গাজর

আধা কেজি

গাজরের খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে নিতে হয়। চুলায় বসানো কড়াইয়ে ঘি নারকেল বাটা ভাজতে হয়। নারকেল বাটা কিছুক্ষন ভাজা হলে তাতে কুচানো গাজর দিয়ে ভাজতে হয়। এরপর চিনি, এলাচ, দুধ ও দারুচিনি দিয়ে নাড়তে হয়। নাড়তে নাড়তে কড়াই থেকে হালুয়ার গা ছেড়ে এলে হালুয়া পরিবেশন করার উপযুক্ত হয়ে যায়। পরিবেশনের আগে বাদাম ও কিসমিস দিয়ে গোল গোল (লাড্ডুর মত)করা যেতে পারে।

নারকেল বাটা

এক কাপ

ঘি

এক কাপ

গুঁড়া দুধ

আধা কাপ

এলাচ গুঁড়া

পৌনে এক চা চামচ

দারুচিনি গুঁড়া

পৌনে এক চা চামচ

কিসমিস

এক টেবিল চামচ

আমন্ড বাদাম কুচি

এক টেবিল চামচ

চিনি

তিন কাপ

শুকনো খেজুরের হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

শুকনো খেঁজুর

২৫০ গ্রাম

খোরমা খেজুরের হালুয়া তৈরী করতে হলে খোরমা খেজুর এক দিন (২৪ ঘন্টা) ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর খোরমার ভেতরের আটি ফেলে দিতে হয়। এরপর খোরমা, দুই কাপ পানি, গুড়া দুধ, কাঠ বাদাম একসাথে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে দিতে হয়। এরপর আলাদা একটি পাত্রে দুই টেবিল চামচ ঘি দিয়ে খোরমার মিশ্রন ঢেলে দিতে হয়। কিছুটা পানি শুকিয়ে গেলে চিনি দিতে হয়। কিছুক্ষন ভুনা হওয়ার পর ৬ টেবিল চামচ ঘি দিতে হয়। এরপর নামিয়ে হালুয়া ঠান্ডা হয়ে এলে পেস্তা কুচি দিয়ে পরিবেশন করা যেতে পারে।

চিনি

এক কাপ

গুড়া দুধ

এক কাপ

পেস্তা কুঁচি

পৌনে এক কাপ

পানি

দুই কাপ

কাঠ বাদাম কুচি

তিন টেবিল চামচ

ঘি

তিন+ছয় টেবিল চামচ

ছানার শুভ্র হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

ছানা

দুই কাপ

পাশের ছকের উপকরনগুলো একসাথে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হয়। চুলায় মিশ্রনটিকে জ্বাল দিতে হয় যতক্ষন না পর্যন্ত উপকরনগুলো গোল হয়ে আসে। উপকরনগুলো গোল হয়ে আসলে পরিবেশন করার জন্য তৈরী হয়ে যায়।  

এলাচ দানা গুড়া

পৌনে এক চা চামচ

চিনি

পৌনে এক কাপ

ঘি

আধা কাপ

গুড়া দুধ

পৌনে এক কাপ

সুজি

দুই টেবিল চামচ

পেস্তা বাদাম ও কিসমিস

প্রয়োজন মত

চাল কুমড়ার হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

গাজরের গ্রেট করা

দুই কাপ

গাজর ও চাল কুমড়া সেদ্ধ করে নিতে হয়। এরপর সেদ্ধ করা গাজর ও চাল কুমড়ার সাথে ঘি, পেস্তা বাদাম ও কিসমিস বাদে অন্য সব গুলো উপকরন দিয়ে একসাথে মাখিয়ে ৬০ মিনিট রাখতে হয়। কড়াইয়ের ঘি গরম হয়ে এলে মাখানো উপকরনগুলো কড়াইয়ে দিয়ে নাড়তে হয়। হালুয়া কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে ঘি (দুই টেবিল চামচ), কিসমিস ও অল্প পরিমান পেস্তা কুচি দিয়ে হালুয়া চুলা থেকে নামাতে হয়।

চাল কুমড়া

এক কাপ

নারকেল কোড়ানো

পৌনে এক কাপ

ডিম

দুইটি

ছানা

এক কাপ

চিনি

দুই কাপ

চালের গুড়া

এক কাপ

এলাচ গুড়া

আধা চামচ

দারুচিনি গুড়া

আধা চা চামচ

ঘি

আধা কাপ

ঘন দুধ

আধা কাপ

পেস্তা বাদাম কুচি

চার চা চামচ

কিসমিস

দুই চা চামচ

ঘি

দুই চা চামচ

জাফরান

এক চা চামচ

চকলেট হালুয়া

যা যা লাগবে

যেভাবে তৈরী করতে হয়

সুজি

আধা কাপ

ডিম, কোকো পাউডার, চকলেট সিরাপ, চিনি ও পানি এক সাথে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করতে হয়। কড়াইয়ে ঘি দিয়ে সুজি ভেজে নিতে হয়।

সুজি ভাজা হয়ে গেলে বেসন দিয়ে নাড়তে হয়। কিছুক্ষন নাড়ার পর ব্লেন্ড করা মিশ্রন কড়াইয়ে ঢেলে দিতে হয়। পানি শুকিয়ে তেল উপরে ভেসে উঠলে জয়ফল, দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে দিতে হয়। এরপর হালুয়া চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হয়।

হালুয়া ঠান্ডা হলে পরিবেশন করা যেতে পারে।

বেসন

আধা কাপ

চিনি

এক কাপ

ঘি

আধা কাপ

কোকো পাউডার

দুই টেবিল চামচ

চকলেট সিরাপ

এক টেবিল চামচ

জয়ফল, দারুচিনি গুড়া

সামান্য

ডিম

তিনটি

পানি

দুই কাপ

 

 

দই পরাটা

যা যা লাগবে: ময়দা দুই কাপ, চিনি এক চা চামচ, ঘি এক টেবিল চামচ, টক দই এক কাপ, লবন আধা চা চামচ, তেল/ঘি এক টেবিল চামচ (প্রত্যেক পরোটার জন্য)

যেভাবে তৈরী করতে হয়:

পাত্রে ময়দা, চিনি, লবন ও ঘি একত্রে মিশিয়ে নিতে হয়। ময়দা সরানোর ফলে তৈরী হওয়া গর্তে টক দই ফেটে মসৃন করার পর ময়ান দিয়ে খামির তৈরী করতে হয়। ছয় সাতটি গোলায় ভাগ করে গোলাগুলো ভেজা সুতি কাপড় দিয়ে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখতে হয়। এরপর রুটি বেলার পিড়িতে ময়দা ছিটিয়ে নিতে হয়। এবার একটি গোলা গোল করে বড় করে বেলতে হয়। এরপর সেটা হাত দিয়ে চারপাশে টেনে আগের চেয়ে আরো বড় করতে হয়। বড় করার পর সেটি পিড়িতে রেখে সামান্য তেল মেখে ও ময়দা ছিটিয়ে চিকন রোল তৈরী করতে হয়। চিকন রোলের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পেঁচিয়ে শেষ মাথা পেঁচানো রোলের ওপর চেপে দিতে হয়।

 

এরপর সবগুলো গোলা এভাবে পেঁচানো রোল তৈরী করে এগুলোকে আরো ৩০ মিনিট একইভাবে ভেজা সুতি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়।

 

আধঘন্টা পর পেঁচানো রোলগুলো রুটির মত বেলতে হয়। তৈরী হওয়া পরোটার দুই পিঠ ফ্রাইপ্যানে সেঁকে নিয়ে এর চারপাশে এক টেবিল চামচ করে ঘি/তেল দিয়ে দুই পিঠ ভাজতে হয়।

শিরমাল জাফরানি রুটি

যা যা লাগবে: ময়দা ১ কেজি, তরল দুধ (গরুর) ৪০০ গ্রাম (খামিরের জন্য), গুড়ো দুধ ২০০ গ্রাম (রুটিতে ছিটানোর জন্য, চিনি ১০০ গ্রাম, লবণ ১ টেবিল চামচের সামান্য কম, ইষ্ট ১ টেবিল চামচ, জাফরান ১ চা চামচ, ডিম ২টি, ঘি ১২০ গ্রাম (খামিরের জন্য), ৫০ গ্রাম (রুটির জন্য), কিশমিশ পরিমাণমতো, বাদাম বা পেস্তা পরিমাণমতো।

যেভাবে তৈরী করতে হয়

পাত্রে ইস্ট ছিটিয়ে তারপর দুই/তিন টেবিল চামচ হালকা গরম পানি দিয়ে নাড়তে হয়। ইস্ট নরম হয়ে মিশে যাওয়ার পর ডিম, ঘি, গরুর তরল দুধ ও চিনি মিশিয়ে খুব ভালোভাবে ফেটে নিতে হয়।

 

অন্য একটি পাত্রে ময়দা, লবন, জাফরান ও গুড়ো দুধ মিশিয়ে নিতে হয়। এই মিশ্রন চার দিকে গোল করে সরানোর পর মাঝখানের খালি জায়গায় ইস্ট, ডিম, চিনি, ঘি ও ফোটানো দুধের মিশ্রন দিতে হয়। এগুলোকে ময়দায় ভালো করে ময়ান দিয়ে খামির তৈরী করতে হয়। খামির মসৃন হতে হয়। মসৃন খামিরের দু’পাশে ঘি মাখিয়ে গরম স্থানে ঢেকে আড়াই ঘন্টা থেকে তিন ঘন্টা রাখতে হয়। এই সময়ের পর খামির ফুলে উঠে। ফুলে উঠা খামির দশ ভাগ করতে হয়।

 

এরপর বেকিং ট্রেতে ঘি মাখাতে হয়। একটু মোটা করে বেলা রুটিগুলো বেকিং ট্রেতে ৫ সেমি দূরে দূরে রাখতে হয়। রুটির ওপরে পেস্তা বাদাম ও কিসমিস ছিটিয়ে দিতে হয়। এরপর আগেই গরম হওয়া ওভেনের ২৫০ তে ১২-১৫ মিনিট বেক করতে হয়। ওভেন থেকে বের করার সাথে সাথে গরম রুটি উভয় পিঠেই তরল দুধ ছিটিয়ে দিতে হয়। সবশেষে রুটির ওপরে ঘি দিয়ে ব্রাশ করতে হয়।  

বাটার নান

যা যা লাগবে

ময়দা এক কেজি, ডিম একটি, মাখন ১০০ গ্রাম, ইস্ট এক টেবিল চামচ, গুড়ো দুধ ২০ গ্রাম, লবণ এক টেবিল চামচ, চিনি ১০০ গ্রাম, হালকা গরম পানি ২ কাপ অথবা পরিমানমত।

যেভাবে তৈরী করতে হয়

বাটিতে ময়দা, গুড়ো দুধ, চিনি, লবন চিনি ও ইস্ট একসাথে মিশিয়ে নিতে হয়। আলাদা আরেকটি পাত্রে মাখন ও ডিম কুসুম গরম পানির মধ্যে ফেটে নিতে হয়। এরপর ময়দার সাথে মিশিয়ে খামির তৈরী করতে হয়। খামির ৯০ মিনিট গরম জায়গায় ঢেকে রাখতে হয়। এই সময়ের পর খামির ফুলে ওঠে। ফুলে উঠা খামির দিয়ে ১৬/১৭ টি গোলা তৈরী করা যায়। রুটি বেলার আগে পিঁরিতে ময়দা ছিটিয়ে নিতে হয়। রুটিগুলো একটু পুরু করে বেলতে হয়। ফ্রাইপ্যান/তাওয়ায় চুলার মাঝারি আঁচে রুটির দুইপিঠ সেঁকে নেওয়া যায়। ওভেনে করতে চাইলে ২২০ সেলসিয়াসে ৮/১০ মিনিট বেক করা যায়।  

খেজুরকুচি আটা রুটি

যা যা লাগবে: আটা এক কাপ, নারকেল কোরানো এক কাপ, গরুর দুধ দিয়ে বেটে নেওয়া কাজুবাদাম এক টেবিল চামচ, লবন, গরম পানি দেড় কাপ, তেল আধা চা চামচ, পাকা নরম কালো খেজুর কুচি চারটি।  

যেভাবে তৈরী করতে হয়:

কোরানো নারকেল (এক কাপ বেটে সোয়া কাপ গরম পানিতে ত্রিশ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর ভেজানো বাটা নারকেল থেকে দুধ বের করে নিতে হয়। এই নারকেল দুধের সাথে কাজু বাটা মিশ্রন করে হাড়িতে করে চুলায় দিতে হয় এগুলোর সাথে আরো দিতে হয় তেল ও লবন।এই মিশ্রন ফুটে উঠার পর আটা দিয়ে সাথে সাথে চামচ দিতে ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা বন্ধ করে দিয়ে হয়। অন্য একটি পাত্রে এই মিশ্রনের মধ্যে খেজুরকুচি দিয়ে ছেনে নিতে হয়। মাখানোর আগে হাতের তালুতে তেল মেখে নিতে হয়। এরপর ১০/১২ টি গোলা ভাগ করা যায়। গোলাগুলো বেলে তাওয়া গরম করে ছেঁকে নিয়ে ঠান্ডা হলে পরিবেশন করা যায়।    

 

আপলোডের তারিখ: ০৫/০৭/২০১২ ইং

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
কলাবাগানের ঐতিহ্যবাহী মামা হালিমমামা হালিমের বিস্তারিত তথ্য আছে
লাবাংপুরনো ঢাকায় একটি পরিচিত পানীয়
বাকরখানি রুটিবাকরখানি রুটি সম্পর্কে তথ্য রয়েছে
কাবাবপুরনো ঢাকায় জনপ্রিয় বিভিন্ন ধরনের কাবাব
ঢাকার পানীয়পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কিছু পানীয়গুলো
মাঠাপুরনো ঢাকাবাসীর প্রিয় একধরনের দুগ্ধজাত পানীয়
নেহারিঐতিহ্যবাহী ঢাকাই নেহারী তৈরী প্রনালী
কাচ্চি বিরিয়ানিকাচ্চি বিরিয়ানী এবং খাসির তেহারী সম্পর্কে বলা হয়েছে
তেহারীপুরনো ঢাকার তেহারী সম্পর্কে তথ্য রয়েছে
শাহী মোরগ পোলাওঐতিহ্যবাহী নান্না বিরিয়ানী সম্পর্কে তথ্য রয়েছে
আরও ১৭ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি