| নাম | থানা | এলাকা |
|---|---|---|
|
পল্টন |
গুলিস্তান |
|
|
উত্তরা |
সেক্টর ০৭ |
|
|
উত্তরা |
উত্তরা |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
ধানমন্ডি |
ধানমন্ডি |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
নিউমার্কেট |
নিউমার্কেট |
|
|
মিরপুর |
মিরপুর ১০ ... |
|
|
শেরে বাংলা নগর |
শেরে বাংলা ... |
|
ফিচার
![]() শুরু হতে যাচ্ছে প্রাণ-প্রথম আলো জাতীয় আচার প্রতিযোগিতা ২০১৩। ১৪তম এই আচার প্রতিযোগিতায় আচার পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিন এখনই। দেশ ও দেশের বাইরের নারীরা টক, ঝাল, মিষ্টি ও অন্যান্য এই চারটি বিভাগে আচার পাঠাতে পারবেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (বিপণন) আদিল খান বলেন, এবারও একজন প্রতিযোগীর একের অধিক আচার পাঠানোর ও পুরস্কার পাওয়ার জন্য... বিস্তারিত |
বই কেনা ● প্রকাশনা সংস্থা ● বই পরিচিতি ● ই-বুক ● অনলাইন অভিধান ● অনলাইন বিশ্বকোষ
স্কুল কলেজের পাঠ্যবই সহজেই পাওয়া যায়। ওগুলো কিনতে কোথায় যেতে হবে সেটা ভাবতে হয় না। কিন্তু যে সব বইয়ের পাঠক কম, সে সব বই কিনতে গিয়ে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয়। জনপ্রিয় লেখকের বই পাওয়া গেলেও সাহিত্য নির্ভর অন্যান্য বইগুলো পাড়ার বইয়ের দোকানে তেমন পাওয়া যায় না। এসব বই পাওয়ার সহজতম উপায় হচ্ছে একুশে বই মেলার জন্য অপেক্ষা করা, যেখানে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সব প্রকাশক আসেন তাদের বইয়ের পসরা নিয়ে। আর প্রায় সব প্রকাশনা সংস্থার অফিস পাওয়া যাবে ঢাকার বাংলাবাজারে।
নীলক্ষেত
ঢাকা শহরের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের কাছে নীলক্ষেত অত্যন্ত পরিচিত এবং কেজো একটি মার্কেট। শিক্ষকদের কাছেও মার্কেটটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা শহরতো বটেই, ঢাকার বাইরে থেকেও এখানে ছাত্ররা আসে বই কেনার জন্য। বইয়ের মার্কেটের ক্ষেত্রে নীলক্ষেত বই মার্কেট তাই একচ্ছত্র আধিপত্য ভোগ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং, ইংরেজী মাধ্যমের পাঠ্য বই, আইনকানুন সংক্রান্ত বই, টোফেল, আইএলটিএস, স্যাট ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের বই পাবেন নীলক্ষেতে। আর সাহিত্য নির্ভর বইতো আছেই। অনগ্রসর রাষ্ট্র হওয়ার কারণে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মানুসারে বাংলাদেশ কিছু বিশেষ সুবিধা পায়। এই সুবিধা নিয়ে নীলক্ষেতে বিদেশী প্রায় সব বইয়ের দেশীয় সুলভ সংস্করণ পাওয়া যায়, বা কেউ চাইলে তাকে তৈরি করে দেয়া হয়। পুরনো বই কিনতে হলে নীলক্ষেত আদর্শ। আবার আপনি যে বই আর সংগ্রহে রাখতে চান না তা বিক্রি করতে নিয়ে আসতে পারেন এই নীলক্ষেতে। তবে এখানে বই কেনা-বেচা করতে হলে আপনাকে দরকষাকষিতে বেশ দক্ষ হতে হবে। তিন-চার গুণ দাম চাইবে আপনার কাছে। আর আপনি বই বিক্রি করতে গলে হয়ত ইয়া মোটা এবং দূর্লভ একটা বইয়ের দাম দশ টাকা বলে বসবে। আবার আপনার বন্ধুর কাছে হয়ত কোন একটা দূর্লভ বই আছে, যেটা আপনি কোন ভাবেই মার্কেটে খুঁজে পাচ্ছেন না। কিন্তু বইটা আপনার সংগ্রহে রাখা চাই। নীলক্ষেতে গিয়ে কম খরচে বইটার ফটোকপি করিয়ে আনতে পারেন, শুধু তাই নয় অল্প কিছু টাকা দিলে ফটোকপি শীটগুলো একদম বইয়ের মত করে বাঁধাই করে দেবে আপনাকে। দেশী-বিদেশী বিভিন্ন পত্রিকার পুরনো সংখ্যাও সংগ্রহ করতে পারেন নীলক্ষেত থেকে। এখানে কেবল বই আর ফটোকপি নয়, কম খরচে ছবি প্রিন্ট করা, খাতা, কাগজ, কলমসহ বিভিন্ন স্টেশনারী সামগ্রী কেনা, কম্পিউটার কম্পোজ করা, অটো ক্যাড প্রিন্টিং ইত্যাদির জন্য নীলক্ষেত মার্কেটটি আদর্শ। এছাড়া এখানে ছবি তোলার জন্য স্টুডিও, সাইবার ক্যাফে, খাবারের দোকান, দর্জির দোকান, কাপড়ের দোকান এসবও আছে। এখানে বইয়ের দোকান ছাড়াও মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতেও অনেক বিচিত্র বই এবং ম্যাগাজিন পাওয়া যায়। মোট পাঁচটি বইয়ের মার্কেট আছে এখানে যা একত্রে নীলক্ষেত মার্কেট নামে পরিচিত।
গাউসুল আজম মার্কেট: নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সাথে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ২০০ এর অধিক দোকান। এখানে যে সব সুবিধা আছে: ক) ফটোকপি। খ) সাইবার ক্যাফে। গ) মুদ্রণ ও প্রিন্টিং। ঘ) টেইলার্স। ঙ) ছবি বাঁধাইয়ের দোকান। চ) কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ।
সিটি কর্পোরেশন মার্কেট: রাস্তার সামনের অংশটি সিটি কর্পোরেশন মার্কেট হিসেবে পরিচিত। এখানে রয়েছে খাবার দোকান, ফটোকপির দোকান A3, A4 অটো ক্যাড প্রিন্টিং এর দোকান। এর ভেতরে হযরত বাক্কুশাহ মার্কেটে রয়েছে ২৫০ টির বেশি দোকান। যেমন- ক) ফটোকপি। খ) বাঁধাই। গ) টেইলারিং শপ। ঘ) কম্পিউটার।
হযরত শাহজালাল মার্কেট এখানে মেডিক্যাল, ও লেভেল, এ-লেভেল, বিবিএ, এমবিএ, জিম্যাট (GMAT), স্যাট, (SAT), টোফেল (TOEFL), জিআরই (GRE), আইইএলটিএস (IELTS) এর প্রয়োজনীয় বই পাওয়া যায়।
বাবুপুরা ক্ষুদ্র সমবায় মার্কেট বিবিএ, এমবিএ, ইঞ্জিনিয়ারিং এর বই পাওয়া যায় এই মার্কেটে।
ইসলামিয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, ইংরেজী মাধ্যম স্কুল, বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগতামূলক পরীক্ষার নতুন ও পুরাতন বই পাওয়া যায়।
রাফিন প্লাজা এই মার্কেটের তৃতীয় তলায় দু’টি দোকান রয়েছে ফ্রেন্ডস বুক কর্নার এবং আলবার্তো প্রকাশনী, সকল প্রকার ইংরেজী সাহিত্যের বই এখানে পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া যায় স্যাট, টোফেল, আইইএলটিএস এর বই। নীলক্ষেত বইয়ের মার্কেটে পুরাতন বইও পাওয়া যায়।
নিউমার্কেট নিউমার্কেট এর ১ এবং ২ নম্বর গেট সংলগ্ন পত্রিকা স্টলগুলোয় দেশী বিদেশী বিভিন্ন পত্রিকা পাবেন। আর নিউমর্কেটের ভেতরের বইয়ের দোকানগুলোয় নীলক্ষেতের মতই বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বই পাওয়া যায়। তবে তফাত হল এখানে বিদেশ থেকে আমদানী করা মূল বই বিক্রি হয়। যারা বিদেশী বইয়ের দেশীয় সংস্করণের ছাপায় সন্তুষ্ট নন তারা আসেন এখানে। আবার সব বইয়ের দেশীয় সংস্করণও থাকে না। কাজেই এসব ক্ষেত্রে নিউমার্কেটই ভরসা।
নিউমার্কেটের বইয়ের দোকানগুলো:
রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স বই মার্কেট উত্তরার রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সেও বেশ কয়েকটি বইয়ের দোকান আছে। এখানে মূলত পাঠ্য বই এবং স্টেশনারী সামগ্রীই বেশি বিক্রী হয়। বুধবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকে এটি। ঠিকানা: প্লট# ৬৯, সেক্টর# ৭, আজমপুর, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। অবস্থান: আজমপুর বাস স্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে।
মার্কেটটির কয়েকটি বইয়ের দোকান: ব্রাদার্স বুকস এন্ড ষ্টেশনারী: ১২/১৩, রাজউক কমার্শিয়াল কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, আজমপুর, ঢাকা। ফোন: ৮৯২০০৪০, মোবাইল ফোন: -০১৭১৫১০৮৩৮৭ সবুজ বুকস এন্ড ষ্টেশনারী: রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, দোকান নং- ৬২/এ, ৬৩/এ, (গ্রাউন্ড ফ্লোর), সেক্টর নং-৭, আজমপুর, ঢাকা-১২৩০, মোবা: ০১৭১৯৯৮৫৪৩১ বুক ফেয়ার এন্ড ষ্টেশনারী: রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, দোকান নং- ৫৫ (নীচতলা) উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। মোবাইল ফোন: ০১১৯৫৩৭১৭২৫ বেবি বুকস এন্ড ষ্টেশনারী: দোকান নম্বর-৬১, রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, নীচ তলা, উত্তরা ঢাকা-১২৩০। মোবাইল ফোন- ০১৮১৮৮৩৪৭৮৭
আজিজ সুপার মার্কেট: ঢাকায় বই কেনার আরেকটি জায়গা হল শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট। দিন দিন পাঠকের সংখ্যা কমতে থাকায় এখানে বইয়ের দোকানের সংখ্যাও কমছে। এখানকার বইয়ের দোকানগুলোর মধ্যে পাঠশালা, পাঠক সমাবেশ, সন্দেশ, প্রথমা ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য।
বাংলাবাজার ঢাকার পুরাতনতম বইয়ের দোকানগুলো বাংলাবাজারে। এখানে বাংলাদেশের প্রধান প্রকাশনা সংস্থাগুলোর প্রায় সবার বিক্রয় কেন্দ্র আছে। প্রকাশনা সংস্থা ছাড়াও সাধারণ বইয়ের দোকান আছে। ফুটপাথ আর রাস্তার পাশের স্টলে পুরনো বইও বিক্রি হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পাঠ্য বই কেনার জন্য মার্কেটটিকে খুব একটা উপযুক্ত বলা যায় না।
বায়তুল মোকাররম বায়তুল মোকাররকম মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসলামী বই, হাদিস শরীফ, কোরআন শরীফ ইত্যাদি পাওয়া যায়। তাছাড়া ইসলামী বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে তৈরি সিডি এবং ডিভিডি বিক্রি হয়।
স্টেডিয়াম মার্কেট ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের দোতলায় রয়েছে অনুপম জ্ঞান ভান্ডার। এটি মূলত আইন এবং ইলেকট্রনিকস সংক্রান্ত বইয়ের দোকান। এখানে সৌখিন ইলেকট্রনিকস এর ওপর লেখা বিভিন্ন ধরনের বই পাওয়া যায়। বাংলাদেশের লেখকদের বই পাওয়া গেলেও মূলত বাংলা এবং ইংরেজীতে লেখা ভারতীয় লেখকদের বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। এসব বইয়ে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির মেরামতি ছাড়াও বিভিন্ন সৌখিন প্রোজেক্ট তৈরি নিয়ে আলোচনা থাকে।
হারুন সুপার মার্কেট মোট ২৫ টি বইয়ের দোকান আছে এখানে। রবিবার থেকে সপ্তাহের বাকি ছয়দিন ১০.০০ টা থেকে রাত ১০.০০ টা পর্যন্ত মার্কেটটি খোলা থাকে। দোকানগুলোতে বাংলা ভাষায় রচিত যেসব বই পাওয়া যায়: গল্প, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ, ম্যাপ, কিশোর সাহিত্য, জমি-জমা সংক্রান্ত, শিশু সাহিত্য, গবেষণাধর্মী, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইনের বই, কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়, ধর্মীয়, মাদ্রাসা ও মক্তব, কম্পিউটার সংক্রান্ত, আই.টি সংক্রান্ত, বিসিএস বা প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার গাইড, কৃষি সংক্রান্ত, কারিগরি বই, ভ্রমণ কাহিনী এবং ভ্রমণ গাইড পাওয়া যায়। দোকানগুলোতে ইংরেজী ভাষায় রচিত যেসব বই পাওয়া যায়: গল্প, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কিশোর সাহিত্য, শিশু সাহিত্য, গবেষণাধর্মী, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইনের বই, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের বই, কম্পিউটার সংক্রান্ত, আই. টি সংক্রান্ত, বিসিএস বা প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার গাইড, কারিগরি বই, ভ্রমণ কাহিনী এবং ভ্রমণ গাইড পাওয়া যায়। যেসব বিশিষ্ট লেখকের বই পাওয়া যায়: এখানে বিশিষ্ট লেখকদের মধ্য হুমায়ুন আহমেদ, হুমায়ুন আজাদ, আসাদ চৌধুরী, জাফর ইকবাল, ইমদাদুল হক মিলন, আনিসুল হক, ধ্রুব এষ, সমরেশ মজুমদার, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শংকর, সত্যজিত রায়, জহির রায়হান, মুনীর চৌধুরী, বেগম সুফিয়া কামাল, সৈয়দ শামসুল হক এবং আলাউদ্দিন আল আজাদ এর বইসহ আরো কিছু লেখকের বই পাওয়া যায়। অন্যান্য: ধর্মীয় গ্রন্থ, বিদেশী বই, অনুবাদ গ্রন্থ, বিদেশী কার্টুন, দেশী কার্টুনের বই পাওয়া যায়। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় তৈরীকৃত শিক্ষামূলক সিডি পাওয়া যায়। বই ছাড়াও ষ্টেশনারীর দোকান রয়েছে। থানা, জেলা, দেশের এবং পৃথিবীর ম্যাপ পাওয়া যায়।
বইয়ের দোকান, পিবিএস পাঞ্জেরী পাবলিকেশনস এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পিবিএস। এখানে একই ছাদের নিচে ছোটদের এবং বড়দের সব ধরনের প্রয়োজনীয় বই এমনকি দুষ্প্রাপ্য বইও পাওয়া যায়। আবার বই না থাকলে অর্ডার দিয়ে বইটি আনিয়ে নেয়া যায়। দেশী বই হলে ২৪ ঘন্টা আর বিদেশী বই হলে ৭ দিনের মধ্যে নিয়ে আসা হয়। শিশুদের জন্য কার্টুন, গেমস এর পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলাম, শামসুর রাহমান, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শেক্সপিয়ার, জর্জ বার্নার্ড শ-সহ প্রায় সব জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত লেখকের বই পাওয়া যায় এখানে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে এটি। দেশীয় বইয়ের ক্ষেত্রে ২০% কমিশন দেয়া হয়। দরকষাকষির ঝামেলা পোহাতে হয় না ক্রতাদের। ঠিকানা: শান্তিনগরের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সড়কের ৪৩ নম্বর ভবন।
অন্যান্য ঢাকার অন্যান্য বইয়ের প্রাপ্তিস্থানের মধ্যে আছে বাংলা মোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত বই পাওয়া যায়। আবার বাংলা একাডেমীতে রয়েছে বাংলা একাডেমী বিক্রয় কেন্দ্র, যেটি একুশে বই মেলা ছাড়াও সারা বছর খোলা থাকে। এখানে বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বই পাওয়া যায়। তেমনি রয়েছে এশিয়াটিক সোসাইটি বিক্রয় কেন্দ্র। আবার কিছু বিশেষ জায়গা আছে যেখানে প্রাসঙ্গিক বই পাওয়া যায়। যেমন শেয়ার মার্কেট এলাকায় শেয়ার মার্কেট সংক্রান্ত বই পাওয়া যায়, সুপ্রীম কোর্ট বার ফটকে আইন বই, সংবিধান ইত্যাদি পাওয়া যায়, কাকরাইলের স্বাউট ভবনে স্কাউটিং সংক্রান্ত বিভিন্ন বই পাওয়া যায়, শান্তিনগরের গ্রীন হোমিও হলে হোমিওপ্যাথিক শাস্ত্রের ওপর লেখা বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। আবার পল্টন ওভার ব্রীজ সংলগ্ন এলাকার ফুটপাতে পুরনো বইয়ের বেশ কয়েকটি দোকান আছে। তেজগাঁও কলেজ সংলগ্ন ইন্দিরা রোডেও কয়েকটি বইয়ের দোকানের দেখা মিলবে। এখানকার সবচেয়ে বড় বইয়ের দোকান হচ্ছে তোফাজ্জল বুক হাউজ। আবার তেজগাঁও সরকারী বালক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কেও কয়েকটি বইয়ের দোকান আছে যেখানে মূলত স্কুলের পাঠ্যাবই ও স্টেশনারী সামগ্রী পাওয়া যায়।
বই ওয়েবে: ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি পণ্যের সহজলভ্যতার কারণে ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক অল্পবয়সীদের কাছে এখন বেশ জনপ্রিয়ে হয়ে উঠেছে। কেবল ল্যাপটপ নয়, ই-বুক রিডারও পাওয়া যাচ্ছে এখন। ইন্টাররনেট থেকে এখন জনপ্রিয় অনেক বাংলা বই ডাউনলোড করে নেয়া যাচ্ছে। এধরনের ওয়েবসাইটের কথা বলতে গেলে প্রথমে বলা যায় প্যাঠ্যপুস্তকের সাইট http://www.ebook.gov.bd/ এর কথা। এখানে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রকাশিত প্রথম থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত সকল বই পড়া এবং ডাউনলোড করা যায়। আবার বাংলা একাডেমীর ওয়েববসাইট (http://www.banglaacademy.org.bd/ ) থেকেও বাংলাএকাডেমীর বিভিন্ন প্রকাশনার খোঁজ পাওয়া নেয়া যেতে পারে। এছাড়া বেসরকারী উদ্যোগে বেশ কয়েকটি সাইট তৈরি হয়েছে যেখান থেকে বই ডাউনলোড করার পাশাপাশি জনপ্রিয় লেখকবৃন্দের প্রকাশিত বইয়ের খোঁজ খবর পাওয়ার সুযোগ আছে। এধরনের কয়েকটি সাইট:
ঢাকার ওপর লেখা কয়েকটি বই:
বুকস ফর এশিয়া এশিয়া ফাউন্ডেশন একটি বেসরকারী ও অলাভজনক সংস্থা যা যুক্তরাষ্ট্র, অষ্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, কানাডা এবং এশিয়ার বিভিন্ন ফাউন্ডেশন, কর্পোরেশন এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সরকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে আর্থিক অনুদান পেয়ে থাকে। প্রাপ্ত আর্থিক অনুদান ব্যবহার করে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নেতৃত্ব বিকাশ, নীতিমালার উন্নয়ন এবং মুক্ত চিন্তার চর্চার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা শক্তিশালীকরণে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করার মাধ্যমে দরিদ্রদের জনগোষ্ঠীর শিক্ষালাভে সহায়তা করে। এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন পাঠাগারে বুকস ফর এশিয়া বই অনুদান দিয়ে থাকে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে বাংলাদেশ বিশ লাখেরও বেশী বই সাহায্য হিসাবে দান করেছে এশিয়া ফাউন্ডেশন।
যোগাযোগ বাড়ী- ৩/বি, রোড- ৫০, গুলশান- ২, ঢাকা-১২১২। ফোন নম্বর- ০২-৮৮২৬৯৪১ থেকে ৪৫ পর্যন্ত ফ্যাক্স নম্বর- +৮৮-০২-৮৮২-৬১৩৪ ই-মেইল- bfabg@asiafound.org ওয়েব সাইট- www.asiafoundation.org |
নির্বাচিত প্রতিবেদন
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||







