পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

থাইল্যান্ড যেতে ট্যুরিস্ট ভিসা

আরও দেখুন: ঢাকাস্থ থাই দূতাবাসথাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস

 

ভ্রমণ বা অন্য যেকোনো কাজে থাইল্যান্ড যেতে বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা বাধ্যতামূলক। যারা নিয়মিত থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেন অতীতে তাদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে কাগজপত্রের শর্ত শিথিল থাকলেও এখন সবার জন্যই ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে কাগজপত্র বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত কাগজপত্রের বাইরে অতিরিক্ত আরও কাগজপত্র চাওয়া হতে পারে কিংবা সাক্ষাতকারের জন্যও ডাকা হতে পারে। কাগজপত্রে জালিয়াতি ধরা পড়লে, কোন ভুল তথ্য দিলে কিংবা ভুল ক্যাটাগরিতে আবেদন করলে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হতে পারে। কাজেই কোন কাগজ বা ডকুমেন্ট না থাকলে কেন নেই সে ব্যাখ্যা দেয়াই বরং উত্তম। ভিসা আবেদন নিষ্পত্তির সময় বাঁচাতে অবশ্যই আবেদনকারীর নিজের যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেয়া উচিত। এছাড়া ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়টিতে আবেদনকারীর ফোন নম্বরও চালু রাখতে হবে, কারণ সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে যোগাযোগ করা হলে এই নম্বরেই যোগাযোগ করা হবে।  

  •  ভিসা পাওয়াই থাইল্যান্ডে প্রবেশের নিশ্চয়তা নয়। থাইল্যান্ডের অভিবাসন দপ্তর যে কোন ব্যক্তির থাইল্যান্ড প্রবেশে বাধা দিতে পারে। এ সংক্রান্ত কোন প্রয়োজনে হেল্পলাইনে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

ভিসা আবেদন যেভাবে করবেন:

থাই দূতাবাস সরাসরি ভিসা আবেদন গ্রহণ করে না। ভিসা আবেদন করতে হবে ভিএফএস এর থাই ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, এবং সিলেটের ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা পড়া আবেদনগুলো যাচাই বাছাই করে থাই দূতাবাস, এখানে ভিএসএস এর কোন ভূমিকা নেই। অনলাইনে ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করার পর পূরণকৃত ফরমের প্রিন্টেড কপি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। আবার ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করে সেটার প্রিন্ট আউট নিয়ে হাতে পূরণকৃত ফরম প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা দেয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই হাতে পূরণ করে না দিয়ে সময় নিয়ে সাবধানে অনলাইনে ফরম পূরণ করে দিলে ভুল হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। ভিসা আবেদনপত্র পুরোপুরি পূরণ করতে হবে এবং আবেদনকারীর সাক্ষর অবশ্যই থাকতে হবে।

 

অনলাইনে ফরম পূরণ করতে ক্লিক করুন

 

হাতে ভিসা আবেদন ফরম পূরণের জন্য:

 

ভিসা ফরম

পূরণকৃত ফরম (নমুনা)

বড় করে দেখতে ছবির ওপর ক্লিক করুন

বড় করে দেখতে ছবির ওপর ক্লিক করুন

পিডিএফ ভার্সন প্রিন্ট নিতে বা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

পিডিএফ ভার্সন প্রিন্ট নিতে বা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

 

সরাসরি ভিএফএস সাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

 

ভিসা আবেদন ফরম পূরণের সময় যা যা দরকার হবে:

  • পাসপোর্ট,
  • থাইল্যান্ডের গন্তব্যের ঠিকানা,
  • যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আমন্ত্রণ জানিয়েছে তার বৃত্তান্ত,
  • ভ্রমণ পরিকল্পনা,
  • আবেদনকারী যেভাবে পাসপোর্টে সাক্ষর করেছেন সেভাবেই ভিসা আবেদনে সাক্ষর করতে হবে।

 

ভিসা ফি

ফি (টাকায়)

ভিসার মেয়াদ

২৯০০ (সিঙ্গেল এন্ট্রি)

তিন মাস

৫৮০০ (ডবল এন্ট্রি)

ছয় মাস

 

  • ভিসার মেয়াদ যাই হোক না কেন একবার ভিসা নিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাইল্যান্ডে অবস্থান করা যাবে।

 

থাইল্যান্ডের ভিসা আবেদন কেন্দ্র

ওয়েবসাইট: http://www.vfs-thai.com.bd/

 

ঢাকা

ঠিকানা: বাড়ি- ০৩, সড়ক- ৪৪, গুলশান-২, ঢাকা, বাংলাদেশ।

হেল্পলাইন:

  • ফোন:  (+88) 02 9891776 (সকাল ০৮:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা)
  • ই-মেইল: [email protected]

অফিস সময়: সকাল ০৮:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

আবেদনপত্র জমা: সকাল ০৮:৩০টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

পাসপোর্ট ডেলিভারি (সকল আবেদনকারীর জন্য): সকাল ০৯:০০ টা থেকে বিকাল ০৪:০০ টা। আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর তৃতীয় কর্মদিবসে পাসপোর্ট ডেলিভারি করা হয়।

চট্টগ্রাম

ঠিকানা: চেম্বার হাউজ (৫ম তলা), আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, চট্টগ্রাম- ৪১০০।

হেল্পলাইন: +88 031 2511210

  • ফোন: (সকাল ০৮:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা)
  • ই-মেইল: [email protected]

অফিস সময়: সকাল ০৮:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

আবেদনপত্র জমা: সকাল ০৮:৩০টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

পাসপোর্ট ডেলিভারি (সকল আবেদনকারীর জন্য): সকাল ০৯:০০ টা থেকে বিকাল ০৪:০০ টা।

সিলেট

ঠিকানা: ৮ম তলা, নির্বাণ ইন, মির্জা জঙ্গল রোড, রামদীঘির পাড়, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশে।

হেল্পলাইন:

  • ফোন:  (+88) 02 9891776 (সকাল ০৮:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা)
  • ই-মেইল: [email protected]

অফিস সময়: সকাল ০৮:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

আবেদনপত্র জমা: সকাল ০৮:৩০টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

পাসপোর্ট ডেলিভারি (সকল আবেদনকারীর জন্য): সকাল ০৯:০০ টা থেকে বিকাল ০৪:০০ টা।

 

 

পুরোপুরি পূরণ করা ভিসা আবেদনপত্রের সাথে আর যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:

(ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা পাওয়া যাবে ভিএফএস সাইটে)

  • ভিসা আবেদনের সময় পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস ৫ দিন হতে হবে,
  • ছয় মাসের বেশি পুরনো নয় এমন দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে,
  • পাসপোর্টের প্রথম পাঁচটি পৃষ্ঠার ফটোকপি জমা দিতে হবে। এছাড়া পূর্বে থাইল্যান্ড ভ্রমণ করে থাকলে, পাসপোর্টে কোন নবায়ন পৃষ্ঠা থাকলে বা সংশোধনী থাকলে সেগুলোর ফটোকপিও দিতে হবে।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ হিসেবে বিগত ছয় মাসের ব্যাংক হিসাবের বিবরণী দিতে হবে:একজনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে মাসে ৬০ হাজার টাকার লেনদেন থাকতে হবে, পারিবারিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে মাসে ১ লাখ বিশ হাজার টাকার লেনদেন থাকতে হবে। ব্যাংক স্টেটমেন্টের মূলকপি প্রয়োজন হবে। তবে কোন কোম্পানি বা কোম্পানির তরফ থেকে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব বিবরণী এবং ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন হবে।প্রয়োজনবোধে ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব বিবরণীও চাইতে পারে থাই দূতাবাস
  • আবেদনকারী স্পন্সরের মাধ্যমে থাইল্যান্ড ভ্রমণ করতে চাইলে তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন হবে এবং যদি স্পন্সর আবেদনকারীর সাথে থাইল্যান্ড ভ্রমণ না করেন তবে স্পন্সরের পরিচিতিপত্রের সার্টিফাইড কপিও প্রয়োজন হবে।
  • বিমান টিকেটের কপি, বুকিং কনফার্মেশন কপি বা ভ্রমণ পঞ্জী জমা দিতে হবে।
  • আবেদনকারীর তরফে ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার লাগবে এছাড়া চাকুরীরত আবেদনকারীর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকেও ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার প্রয়োজন হবে।
  • শিক্ষা সংক্রান্ত ভ্রমণের ক্ষেত্রে ট্রাভেল লেটার প্রয়োজন হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে আইডি কার্ড বা অন্য কোন ধরনের প্রমাণপত্রের কপি সাথে দিতে হবে।
  • চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড হাসপাতালের এপয়েন্টমেন্ট লেটার এবং স্থানীয় চিকিৎসকের দেয়া চিঠি দিতে হবে।
  • ১৮ বছরের কমবয়সীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের সম্মতিপত্র প্রয়োজন হবে।
  • ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি এবং ইংরেজিতে অনুবাদিত নোটারাইজড মূলকপি।
  • কোন কাগজপত্র বাংলায় থাকলে ইংরেজিতে নোটারাইজড অনুবাদ যুক্ত করতে হবে।
  • কূটনীতিক এবং অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে আবেদনের সপক্ষে অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্র প্রমাণ হিসেবে দাখিল করতে হয়।
  • বাংলাদেশ থেকে কোন বিদেশী পাসপোর্টধারী থাইল্যান্ডের ভিসার জন্য আবেদন করলে তাদেরও সপক্ষে অতিরিক্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হয়।

 

ছবির নিয়ম

  • ছয় মাসের বেশি পুরনো নয় এমন দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের (৩.৫×৪.৫ সেন্টিমিটার) ছবি দিতে হবে।
  • ছবি রঙিন হতে হবে, সাদা বা হালকা রঙের পটভূমিতে (ব্যাকগ্রাউন্ডে) ছবি তুলতে হবে।
  • মুখমণ্ডলের পুরো অংশ দৃশ্যমান হতে হবে। চোখে রোদচশমা, মাথায় হ্যাট বা অন্য কিছু রাখা যাবে না। তবে ধর্মীয় বিশ্বাস বা জাতিগত পরিচয় নির্ধারক কিছু হলে সেটা মাথায় রাখা যাবে।
  • ল্যাব প্রিন্ট প্রয়োজন হবে, স্ক্যান করা ছবি গ্রহণ করা হয় না।
  • ছবি পরিষ্কার হতে হবে, কম্পিউটারের মাধ্যমে সম্পাদনা করে ছবিতে পরিবর্তন আনা যাবে না। স্বাভাবিক ফটোগ্রাফিক পেপারে ছবির প্রিন্ট নিতে হবে। নির্ধারিত শর্তের বাইরে ছবি দিলে ভিসা আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয় না।
  • একটি ছবি আঠা দিয়ে লাগাতে হবে অন্যটি প্রথম ছবির ওপর স্ট্যাপল করে লাগাতে হবে।

 

ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়া

  • ভিসা আবেদন কেন্দ্রে ভিসা আবেদনপত্র ও পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। সেখানে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের কাছ থেকে টোকেন সংগ্রহ করে অপেক্ষা করতে হবে। টোকেন নম্বর ঘোষণা করার পর নির্ধারিত টেবিলে গিয়ে আবেদনপত্রে কোন ত্রুটি আছে কিনা সেটা দেখিয়ে নিতে হবে। এরপর ব্যাংক কাউন্টারে গিয়ে টাকা জমা দিতে হবে এবং সবশেষে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
  • ভিসা আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধিকে ভিএফএস কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদন ফরম পুরোপুরি পূরণ করা না হয়ে থাকলে বা কাগজপত্রে ঘাটতি থাকলে সেগুলোসহ আবার নতুন করে টোকেন সংগ্রহ করতে হবে।
  • ভিসা আবেদনের জন্য ভিসা ফি এবং সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। ভিসা আবেদন কেন্দ্রে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কাউন্টার আছে সেখানে নগদ টাকায় এ ফি দেয়া যাবে। সেখান থেকে সমপরিমাণ টাকার ব্যাংক ড্রাফট তৈরি করে দেয়া হবে তবে ব্যাংকের মাশুল হিসেবে অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে। আবার আবেদনকারী চাইলে বাইরের যেকোনো ব্যাংক থেকে ব্যাংক ড্রাফট করিয়ে আনতে পারবেন। রয়েল থাই এম্বেসী বরাবর ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে।
  • ভিসা ফি এর সাথে সার্ভিস চার্জ হিসেবে অতিরিক্ত ৪০০ টাকা সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হবে। এটা নগদ দিতে হবে, ব্যাংক ড্রাফট করে দেয়া যাবে না।
  • ভিসা আবেদন জমা দেয়ার পর কোন ফি-ই ফেরত পাওয়ার সুযোগ নেই। তবে ভিসা আবেদন প্রত্যাহার করে নিলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে একই কর্মদিবসের মধ্যে টাকা ফেরত পাওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী দিনে আর টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। যেকোনো ধরনের ফি ব্যাংক কাউন্টারে জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় একটি প্রাপ্তিস্বীকারপত্র দেয়া হবে এবং পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় সেটি প্রদর্শন করতে হবে।

 

ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কতদিন লাগতে পারে?

ঢাকায় আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর তৃতীয় কর্মদিবসে পাসপোর্ট ডেলিভারি করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে ভিসা আবেদন জমা দেয়ার পর তৃতীয় কর্মদিবস থেকে পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করতে হবে আর সিলেট কেন্দ্রে ভিসা আবেদন জমা দেয়ার পর সপ্তম কর্ম দিবস থেকে পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করতে হবে। এছাড়া কোন কারণে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে অতিরিক্ত সময়ও লাগতে পারে আবার থাই দূতাবাস যেকোনো ভিসা আবেদন আটকেও রাখতে পারে।

 

পাসপোর্ট নম্বর এবং জন্ম তারিখের মাধ্যমে এই লিংক থেকে ভিসা আবেদনের স্ট্যাটাস জানা যাবে:

https://www.visaservices.org.in/Thailand-Bangladesh-Tracking/TrackingParam.aspx?P=gnIQrsjlG0cuk044KmDPYQ==


হেল্পলাইনে যোগাযোগের মাধ্যমেও এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।

 

পাসপোর্ট সংগ্রহ

  • পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য ভিসা আবেদন কেন্দ্রে গিয়ে সেখানকার  নিরাপত্তারক্ষীদের কাছ থেকে টোকেন সংগ্রহ করে অপেক্ষা করতে হবে।
  • ভিসা আবেদনের সময় যে রশিদ দেয়া হয়েছিল সেটি সাথে রাখতে হবে।
  • আবেদনকারী ছাড়া অন্য কেউ পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য গেলে লেটার অব অথারাইজেশনের পাশাপাশি যিনি পাসপোর্ট আনতে যাচ্ছেন তার যেকোনো একটি আইডি কার্ড প্রয়োজন হবে, এটা নিরাপত্তারক্ষীদের পাশাপাশি কাউন্টারের প্রদর্শন করতে হবে।

 

তথ্য সংগ্রহে শিহাব উদ্দিন আহমেদ

সর্বশেষ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
নন ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, আমেরিকাআমেরিকার নন ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সংক্রান্ত তথ্য
ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, আমেরিকাআমেরিকার ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সংক্রান্ত তথ্য
ফিনল্যান্ডের ভিসাভিসা সংক্রান্ত তথ্য
মিশরের ভ্রমণ ভিসা ভিসা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য
নেদারল্যান্ডের ভিসাযেভাবে নেদারল্যান্ডের ভিসার জন্য আবেদন করবেন
জাপানের ভিসাজাপানের ভিসা প্রসেসিং সংক্রান্ত তথ্য
ব্রিটেনের ভ্রমণ ভিসা ব্রিটেনের ভ্রমণ ভিসা সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ব্রিটেনের দর্শনীয় স্থানগুলোব্রিটেনের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিচিতি
ব্রিটেনের স্টুডেন্ট ভিসাযুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের নিয়ম
কানাডার স্টাডি পারমিটকানাডার স্টাডি পারমিটের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য
আরও ৩৪ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি