পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

ফেসবুক সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারণা

খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। মাত্র বছর নয়েক আগে, ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুক নামের সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। অথচ এরই মধ্যে ফেসবুক অর্জন করেছে ভীষণ জনপ্রিয়তা। হয়ে গিয়েছে প্রায় সকল বয়সের, সকল ধরনের, সকল পেশার মানুষের অন্যতম সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। ফেসবুকের মাধ্যমে পুরনো বন্ধুকে খুঁজে পাওয়া, মুহূর্তের মধ্যে প্রবাসী আপনজনদের সাথে যোগাযোগ করা/ কথা বলতে পারা,তাদের সদ্য তোলা ছবিটি দেখতে পাওয়া কিংবা তাদের নিত্যদিনের ভাল-মন্দের খোঁজখবর পাওয়া-আমাদের জীবনে ফেসবুকের অবদান বেশী বৈ কম নেই। কিন্তু সব ভালোরই তো কিছু মন্দ দিক থাকে। ফেসবুকের মাধ্যমে সহিংসতা, মিথ্যে প্রোপ্যাগান্ডা, অশ্লীলতা, গুজব ছড়ানো, মেয়েদের নামে ফেইক আইডি খুলে নাজেহাল করা, পর্ণগ্রাফিক ছবি-ভিডিও প্রচারসহ হাজাররকম সাইবার ক্রাইমের ঘটনা অভিভাবকদের করে তুলছে চিন্তিত। বিশেষ করে পুরনো ধ্যানধারণার মানুষদের মধ্যে ফেসবুক সম্পর্কে তৈরি হয়েছে নানান নেতিবাচক এবং ভ্রান্ত ধারণা। এর ফলশ্রুতি হিসেবে দেখতে পাই সন্তানের, বিশেষ করে মেয়েসন্তানের ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যাপারে বাবা-মা’র কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ। কিছু গোঁড়া রক্ষণশীল পরিবার তো আবার ফেসবুকে আইডি থাকা মানেই মেয়েটিকে অসভ্য বলে মনে করেন যা কিনা একদম ঠিক নয়।

ফেসবুক আর কিছুই নয়, এটি কেবল একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। এর সুফল কিংবা কুফল নির্ভর করবে এটিকে কে কিভাবে ব্যবহার করবে সেটার ওপর। রাস্তায় চলতে গেলে দুর্ঘটনার ভয় তো থাকবেই। তাই বলে কি আমরা রাস্তায় বেরোনো বন্ধ করে দেব? রাস্তায় চলাচল না বন্ধ করে বরং একটু সতর্ক হব যাতে যতটুকু সম্ভব দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।।ঠিক একই কথা কিন্তু ফেসবুকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

সুতরাং আসুন, পাল্টে ফেলি ফেসবুক সম্পর্কে মানুষের অহেতুক কিছু ভ্রান্ত ধারণাঃ

১. অনেকেরই ধারণা ফেসবুকে কোনও মেয়ের নামে ফেইক আইডি তৈরির কারণ ফেসবুকে মেয়েটির নিজের কোনও আইডি থাকা। এইজন্য অনেক মেয়েই ফেসবুকে আইডি খোলে না, আর এইটা ভেবে নিশ্চিত থাকে যে তার নামে কোনোদিন কোনও ফেইক আইডি খোলা হবে না!

আপনাদের ভড়কে দিয়ে বলতে চাই এটি পুরোই একটি ভুল ধারণা।আপনার নামে ফেইক আইডি আপনার যে কোনও শত্রুই খুলতে পারে। এর জন্য আপনার নিজের কোনও আইডি থাকতে হবে না।আপনার সম্পর্কে সাধারণ কিছু তথ্য, কিংবা কোনভাবে আপনার কম্পিউটার কিংবা মোবাইল থেকে ছবি চুরি করে ফটোশপে কিছু কারসাজি করে সহজেই সে খুলে ফেলতে পারে নকল একটি অ্যাকাউন্ট, নাজেহাল করতে পারে আপনাকে। সীমা(ছদ্মনাম)নামে একটি মেয়ের কথাই বলি। তার জীবনে কোনোদিন কোনও ফেসবুক আইডি ছিল না। এমনকি মেয়েটি কম্পিউটারও চালাতে জানত না। কিন্তু তার ডিপার্টমেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুরস্কার নেবার সময় তোলা ছবি ডিপার্টমেন্টের কম্পিউটার থেকে চুরি করে শুধুমাত্র মেয়েটিকে নাজেহাল করার উদ্দেশে তার নামে ফেইক আইডি খুলেছিল একটা ছেলে। পরে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ জানালে ছেলেটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়।

ফেসবুকে আপনার নিজের অথবা কোনও পরিচিত মানুষের নামে ফেইক আইডি দেখতে পেলে প্রথমেই আপনার উচিত হবে ভিকটিমকে জানানো, এবং ফেসবুকের “রিপোর্ট” অপশন ব্যবহার করে আইডিটির নামে ফেসবুক সিকিউরিটি টিমের কাছে অভিযোগ পাঠানো।

২. অনেকের ধারণা ফেসবুকে দেয়া ছবি দেখতে পারলেও আপনি ছাড়া অন্য কেউ ডাউনলোড করতে পারবেনা। এমনটি কখনই নয়। বরং আপনার ছবিটি যারা যারা দেখতে পারবেন তারা সেগুলো ডাউনলোডও করতে পারবেন! এমনকি প্রোফাইল ফটোতে “ওনলি মি” প্রাইভেসি দেয়া থাকলেও সেটা ছোট্ট সাইজ হিসেবে (যে সাইজটা আপনার প্রোফাইলে গেলে দেখা যায়) ডাউনলোড করা সম্ভব, যদিও সেক্ষেত্রে ছবিটির রেজুলেশন হবে খারাপ। এজন্য খুব ক্লোজ তোলা ছবি প্রোফাইল পিক হিসেবে দেবেন না, তাহলে এই ছোট্ট সাইজের ছবিটি দিয়েই ফটোশপ-কারসাজি করে ফেক ছবি বানিয়ে ফেলতে পারে অনেকে।

ফেসবুকে কোনও ছবি দেবার আগে অবশ্যই সেটার প্রাইভেসি সেটিংস ঠিক করে নেবেন। অপরিচিত মানুষদের নিজের ছবি এক্সেস করবার অনুমতি না দেয়াই ভালো। ফেসবুকের নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করলে নতুন ছবিটি অটোম্যাটিক “পাবলিক” (অর্থাৎ সবাই দেখতে পাবে এমন) হয়ে যায়। সুতরাং নতুন প্রোফাইল পিক দেবার সঙ্গে সঙ্গে সেটার প্রাইভেসি পরিবর্তন করে দেবেন। কভার পিকচার সবসময়ই পাবলিক থাকবে, এটার প্রাইভেসি পরিবর্তন করা যাবে না। তাই কভার ফটো হিসেবে নিজের ছবি না দেয়াই ভালো। কিংবা দিলেও এমন ছবি দিবেন যেটাতে আপনার চেহারা খুব বেশি স্পষ্ট না যাতে করে ছবি ক্রপ করে ফটোশপে কারসাজি করে আপনার নামে কেউ ফেইক ছবি তৈরি করতে না পারে।

৩. অনেকের ধারণা ফেইসবুকে কারও নামে কোনও পোস্ট আসা মানেই সেটা সে নিজে লিখেছে। ব্যাপারটা সবসময় তা নাও হতে পারে। যদি আপনার বন্ধুর ট্যাগ রিভিউ অপশন অফ থাকে তাহলে তাকে যে কেউ কোনও ছবি/পোস্টে ট্যাগ করলে সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার নিউজফিডে চলে আসবে। সুতরাং আপনার বন্ধুকে যদি কেউ কোনও অশ্লীল ছবিতে ট্যাগ করে দেয় আপনার উচিত হবে তখনই তার চরিত্র সম্পর্কে কোনও চরম সিদ্ধান্তে উপনীত না হয়ে বন্ধুটিকে জানানো।
কারণ একই ঘটনা আপনার সাথেও ঘটতে পারে।

এরকম সমস্যা এড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রোফাইলের ট্যাগ রিভিউ অপশন চালু রাখা। তাহলে আপনাকে কেউ কোনও নোট/স্ট্যাটাস/ছবিতে ট্যাগ করলে সেটা আপনার টাইমলাইনে আসবার আগে আপনার রিভিউ এর অপেক্ষায় থাকবে। অবশ্য তখনও সেই ব্যক্তির প্রোফাইলে ট্যাগড পারসন হিসেবে আপনার নাম দেখা যাবে, আপনি যদি চান তাহলে সেক্ষেত্রে ওই পোস্টে গিয়ে ট্যাগ রিমুভ করতে হবে। প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড পুনরায় চেঞ্জ করে ফেলতেও হবে।

৪. ফেসবুকে অনেক রকমের এপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা আছে, যার মধ্যে গেমস এবং বিভিন্ন রকম কুইজ সবচেয়ে জনপ্রিয়। এইসব কুইজের রেজাল্ট সাধারণত ছবি আকারে আসে এবং স্বয়ংক্রিয় ভাবে পোস্ট হয়ে যায়। অনেকসময় এইসব কুইজের শুরুতে সিকিউরিটি অপশন সিলেক্ট করবার যে সব ডায়ালগ বক্স আসে অনেকেই তা খেয়ালবশে “অ্যালাউ” করে যান। তখন দেখা যায় তিনি যে কুইজটা খেলেছেন তার নিউজ চলে যাচ্ছে বন্ধুদের নিউজফিডে এবং অনেক সময় লজ্জাকর কোনও রেজাল্ট আসে, যা অটোমেটিক আপনার নামে পোস্ট হয়ে যায় এবং এটা যে আপনি নিজে দেননি অনেকেই সেটা বুঝেন না এবং আপনার সম্পর্কে একটা খারাপ ধারণা করে বসেন।

এই কারণে কোনও কুইজ খেলবার আগে আপনার প্রোফাইল/ছবি/ফ্রেন্ড লিস্ট এক্সেস করবার এবং আপনার পক্ষে পোস্ট করবার অনুমতি চেয়ে যে ডায়ালগবক্সটি আসে, সেখানে ভেবে চিন্তে “অ্যালাউ” বা “স্কিপ” করবেন। “অ্যালাউ” করতে না চাইলে অনেক অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যায়না, সেক্ষেত্রে “অ্যালাউ” করবার সময় প্রাইভেসি সেটিং এ “ওনলি মি” দিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে ওই অ্যাপ্লিকেশান আপনার নামে যে পোস্টগুলো দিবে সেগুলো শুধু আপনিই দেখতে পাবেন। আবার অনেকক্ষেত্রেই অ্যাপ্লিকেশান ব্যবহার করতে গিয়ে হ্যাকিং বা ভাইরাসে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা থাকে। তাই ভালভাবে না জেনে কোনও অ্যাপ্লিকেশান ব্যবহার না করাই ভালো। আর বাই চান্স এরকম কোনও অ্যাপ্লিকেশান ভুল করে ব্যবহার করে ফেললে অ্যাপ্লিকেশানটি থেকে করা পোস্টটি ডিলিট করে দিয়ে অ্যাপ্লিকেশানটিও আপনার "অ্যাপ্স" লিস্ট থেকে ডিলিট করে দিতে হবে।

৫. অনেকেই ভাবেন ফেসবুকের ফ্রেন্ড মানে আক্ষরিক অর্থেই “বন্ধু”! যে কারণে মেয়ের ফেসবুকে তার বাবা/চাচা/ মামা/খালু/ফুপা/ বা শিক্ষক থাকাটাকে অনেকেই খারাপ দৃষ্টিতে দেখেন। এখানে বুঝা দরকার যে ফেসবুকে “ফ্রেন্ড” এর মানে যে কেবল “বন্ধু”ই হতে হবে তা না। যখন ফেসবুক, হাই ফাইভ, ফ্রেন্ডসটার বা অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট প্রথম যাত্রা শুরু করেছিল তখন মূলত ইয়াং জেনারেশনই এই সাইটগুলো ব্যবহার করত এবং চেনা বন্ধুদের “অ্যাড” করত, দেশবিদেশের অচেনা মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব করত। এই কারণেই “ফ্রেন্ডস” কথাটা চালু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সময়পরিক্রমায় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো কেবল টিনএজারদের মধ্যে, বন্ধুত্ব কিংবা প্রেম-ভালবাসার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি।এখন ফেসবুক যেন একটা ভারচুয়াল সমাজ।

আমার এই কথা শুনে ভ্রূ কুঁচকাচ্ছেন যারা, তাদের বলছি- আপনার প্রতিদিনের রুটিনের দিকেই তাকিয়ে দেখুন একবার। আপনি কি সমাজে বাস করেন না? বাড়িতে কি সব সময় চুপচাপ বসে থাকেন? কখনও হয়তো ফোনে কথা বলেন বাবা-মা ভাইবোনদের সাথে,কিংবা বেড়াতে যান তাঁদের বা অন্য কোনও বন্ধুবান্ধব- আত্মীয়ের বাড়িতে। টিপিক্যাল গৃহবধূরা কাজের ফাঁকে হয়তো পাশে বাড়ির ভাবীর সাথে শাড়ি-গয়না-হিন্দি সিরিয়ালের গল্প জুড়ে দেন। অফিসফেরত ভদ্রলোকেরা হয়তো বিকেল বা সন্ধ্যাবেলায় মোড়ের দোকানে চা খেতে খেতে দেশ-কাল-জাতি নিয়ে আড্ডা দেন পাড়া প্রতিবেশীর সাথে। অফিসে কাজে-অকাজে কলিগদের সাথে চলে নানারকম আলাপআলোচনা। রাস্তায় পুরনো বন্ধুর সাথে দেখা হলে নস্টালজিক হয়ে পড়েন বড্ড, দুজন মিলে করেন কত স্মৃতিচারণ! এইতো সমাজ, এইতো আমাদের সামাজিকতা- নাকি? ফেসবুকও অনেকটা এইরকমই।

ফেসবুকের ফ্রেন্ড মানে কেবল বন্ধু-বান্ধব নয়, ফেসবুকের ফ্রেন্ড মানেই আপনার “পরিচিত” মানুষ। চেনাজানা মানুষ। হতে পারে সে আপনার আত্মীয়, কলিগ, বন্ধু কিংবা প্রতিবেশী। হতে পারে অচেনাও। সমাজে বাস করতে গিয়ে আপনাকে কি নিত্যনতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে হয় না? নিশ্চয়ই হয়। সেরকমই হয়তো কোনও প্রয়োজনের খাতিরে কিংবা মন-মানসিকতা-আদর্শগত মিল দেখে ফেসবুকেও হতে পারে নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচয়।

ফেসবুকে অচেনা কাউকে অ্যাড করা মানেই যে খারাপ, তাও কিন্তু নয়। একটু সতর্ক থাকতে হবে কেবল, এই যা।কাউকে অ্যাড করার আগে তার প্রোফাইল, ফ্রেন্ড লিস্ট কিংবা লাইক লিস্ট, এসব দেখে একটু ধারণা নিতে হবে মানুষটার। তারপর যদি মনে হয়, নাহ, মানুষটার কাছ থেকে কোনও বিপদের আশঙ্কা নেই তাহলে অ্যাড তো করতেই পারেন। আর অ্যাড করার পর যদি মনে হয় অ্যাড করে ভুল হয়ে গেছে তাহলে তো লাইক বা ব্লক অপশন আছেই!

তবে হ্যাঁ, কোনওকিছুই অত্যধিক ভালো নয়। ফেসবুকের নেশা একবার পেয়ে বসলে অনেকেই দেখা যায় খুব বেশি কম্পিউটার ওরিয়েন্টেড হয়ে যাচ্ছেন। বাস্তব সামাজিকতার চাইতে ভারচুয়াল সামাজিকতাতেই হয়ে পড়ছেন অভ্যস্ত। সেটাও কিন্তু ভালো নয়। সবচেয়ে বড় কথা ফেসবুককে কিভাবে ব্যবহার করবেন সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনার ওপর। একটু সতর্ক থাকলেই হল, কোনও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে না আপনার, এটুকু আশা করাই যায়!

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায় জেনে নিন মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায়
এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণজেনে নিন যেভাবে এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করবেন।
বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেনজেনে নিন বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেন
বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারীবিস্তারিত পড়ুন বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারী
লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায় জেনে নিনবিস্তারিত পড়ুন লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায়
মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষকজেনে নিন কিভাবে মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষক
যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )জেনে নিন যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )
ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?জেনে নিন ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?
লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণবিস্তারিত পড়ুন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ
ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায়বিস্তারিত পড়ুন ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায় জেনে রাখুন
আরও ১৪৪৩ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি