পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

বিউটি অ্যান্ড ফেয়ারনেস ক্রিম

“বিউটি অ্যান্ড দা বিস্ট” ছোটবেলায় আমার প্রিয় একটা রূপকথা ছিল। সুন্দরী বেলা যখন পশুমুখোকে বলে ওঠে “আমিই তোমাকে ভালবাসবো” তখন খুশিতে আপ্লুত হয়ে উঠতাম কিন্তু পশুমুখো যখন খোলস ছেড়ে সুন্দর রাজপুত্র হয়ে উঠত তখন মনে হতো, “সুন্দর হওয়াটাই কি সবকিছু?” শিশুমনে যে প্রশ্নটা দোলা দিতো তা আজো দোলা দেয় টিভিতে ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপন দেখলে। মেয়েটির বিয়ে হচ্ছে না। কারণ মেয়েটি কালো। কিন্তু ফেয়ারনেস ক্রিম মাখতেই কয়েক সপ্তাহে সে হয়ে উঠলো টুকটুকে ফর্সা আর সাথে সাথে তার জন্য ছেলেদের লাইন পড়ে গেলো।

পশুমুখোর গল্পের সাথে এই ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনের পার্থক্য হল, সুন্দরী বেলা অসুন্দর পশুমুখোকে ভালোবেসেছিল বলেই পশুমুখোর শাপমোচন হয়েছিল, পরিণত হয়েছিল সে সুন্দর রাজপুত্রে। আর বিজ্ঞাপনের ফেয়ারনেস ক্রিম আমাদের কি বলে? বলে, ক্রিম মাখো, ফর্সা হও, তাহলেই কেবল তোমাকে সবাই ভালবাসবে! কালো হলে কেউ তোমাকে পাত্তা দেবে না! আশ্চর্য! ফাজলামির একটা মাত্রা আছে!

আমার একজন দারুন ফর্সা আপু আছে। সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে তার। ভালো পরিবারে, শিক্ষিত পরিবারে। বিয়ের পর একদিন তার সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম। ভালো বিয়ে হয়েছে, কেমন আছো, তোমাকে তো এরা অনেক ভালোবাসে ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন আমার সেই আপু মৃদু হেসে বলল, ‘এরা আমাকে ভালোবাসে না রে, আমার ফর্সা চামড়াটাকে ভালোবাসে। তোর দুলাভাই আমার চেহারাটা দেখেই আমাকে ভালবেসেছে, তোর “মানুষ” আপুটাকে ভালবাসেনাই।”

সেই আপুর ননদের গায়ের রঙ শ্যামলা। ভাবীর মতো ফর্সা হবার জন্য তার চেষ্টার কমতি নাই। সম্প্রতি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফেয়ারনেস ক্রিম কিনে নিয়ে এসে সকাল বিকাল মুখ মাখছে। আমার সাথে সেদিন দেখা হতেই জিজ্ঞেস করলো, “আপু, আমি আগের চেয়ে অনেক ফর্সা হয়েছি না?” শিক্ষিত মানুষেরা যখন গায়ের রঙ নিয়ে এমন ডেস্পারেট হয়ে যায় তখন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ি দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে। কেবল এ কথাই মনে হয় যে, এতো লেখাপড়া, শিক্ষা-দীক্ষা কি এদের মনমানসিকতার কিছুই উন্নতি করতে পারেনাই? বৃথা, সবই আসলে বৃথা!

আর এই কালো-ফরসার বিভেদকেই ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে সুযোগসন্ধানী ব্যবসায়ীর দল।বাজারে ছাড়ছে তথাকথিত রঙ ফর্সাকারী নানা ধরনের ক্রিম। কি মেয়ে কি ছেলে, চটকদার বিজ্ঞাপনে মজে গিয়ে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে রঙ ফর্সা করার জন্য। কিন্তু আসলেই কি এইসব ফেয়ারনেস ক্রিমে কোনও কাজ হচ্ছে? কোনও কাজ হওয়া সম্ভব? আপনার কি মনে হয়? আপনি কি গায়ের রঙ উজ্জ্বল করবার জন্য ফেয়ারনেস ক্রিম মেখেছেন কোনোদিন? ফর্সা হয়েছেন? চিন্তা করে উত্তরটা বের করুন দেখি! উত্তরটা কিন্তু আমাদের সবারই জানা। আমাদের চামড়ার রঙ সম্পূর্ণরূপে আমাদের জাতি এবং বংশগতি দ্বারা নির্ধারিত হয়। যা আমূল পালটানো এখন পর্যন্ত অর্জিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞান দিয়ে কখনই সম্ভব না।

আরেকটু বিশদে বলি। আমাদের ত্বকের অনেক উপাদানের মধ্যে একটি উপাদান হচ্ছে মেলানিন। গায়ের রং সাদা বা কালো হয় মূলত ত্বকে এই মেলানিনের উপস্থিতির কারণে।যার শরীরে মেলানিন যতো বেশি, তার ত্বক তত কালো।

ভাগ্যের ওপর রেগে যাচ্ছেন নাকি? হয়তো বা ভাবছেন, এই মেলানিনগুলোর কি দরকার ছিল শরীরের মধ্যে আস্তানা গাড়ার! গাড়লিই যখন, একটু কম করে থাকলে কি ক্ষতি হতো?

অবশ্যই ক্ষতি হতো। যারা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী, তারা অতিবেগুনী রশ্মির নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। সূর্যের আলোতে অতিবেগুনী রশ্মির উপস্থিতির কথাও সবার জানা। তাহলে এটাও হয়তো জানবেন, শরীরের ত্বকে অতিবেগুনী রশ্মি তৈরি করে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি। আবার এই অতি বেগুনী রশ্মির পরিমাণ যদি বেশি হয়ে যায়, ত্বকের ক্ষতিও কিন্তু কম হয়না। স্কিন ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ অসুখও হয়ে যেতে পারে অতিমাত্রার অতিবেগুনী রশ্মির কারণে!

ঘাবড়ে যাচ্ছেন? ঘাবড়ানোর কিছু নেই। যে শ্যামবর্ণের উপর রাগ করে এসেছেন এতদিন, সে শ্যামবর্ণের উৎস ‘মেলানিন’ই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে আপনার আর অতিবেগুনী রশ্মির মাঝখানে। রক্ষা করে আপনাকে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে। আর মেলানিনের কি ভাগ্যটাই দেখুন, এ বেচারার উপরই কি না এতোখানি নাখোশ আপনারা! কখনও কি ভেবে দেখেছেন, বরফ অঞ্চলের লোকেরা ফর্সা কেন? আমরাই বা শ্যামবর্ণ কেন? যে সব অঞ্চলে সূর্যের তাপ যতো বেশি পড়ে, সে সব অঞ্চলের লোকজন ততো কালো। সূর্যের তাপ বেশি মানে গায়ে সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মিও পড়বে বেশি। আর সেই বেশি পরিমাণ অতি বেগুনী রশ্মি ঠেকাতে মেলানিনও বেশি-ই প্রয়োজন হয়। বরফ-পড়া দেশগুলোতে তো ঠিক তার উল্টো, তাই ওখানকার মানুষের গায়ের রঙও সাদা। কি ভাবছেন? “ভাগ্যিস আমরা আফ্রিকায় জন্মাইনি, তাহলে আরও কালো হতাম” এই তো? এতে ভাগ্যের কিছু নেই। খুশিরও কিছু নেই। কারণ ত্বকের রঙ সাদা হয়েও লাভ নেই যদি না মনটা সাদা হয়। মানুষের সৌন্দর্য তার ত্বকের রঙে নয়, ওভারঅল পারসোনালিটিতে। মনুষ্যত্বে, চলাফেরাতে, শিক্ষাতে, নীতিতে, আদর্শে আর রুচিশীলতায়। ফর্সা কি কালো হওয়াতে নয়। গায়ের রঙ সাদা বা কালো হওয়া একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, সম্পূর্ণ জেনেটিক ব্যাপার। বরং আমাদের দেশে গায়ের রং বেশি সাদা হলে উল্টো সমস্যা। এ দেশে তো আর কম রোদ পড়ে না!

তবে তার মানে কিন্তু এটাও না যে, গায়ের রং সাদা হওয়া খারাপ। হুম, সেটাই তো কথা। তাহলে যদি ফেয়ারনেস ক্রিম আমাদের ফর্সা করে, মন্দ কি? এটাই ভাবছেন তো? তবে চলুন আপনার এই ভুল ধারনাটাও ভেঙ্গে দেই। আপনি কি সত্যিই মনে করেন, ফেয়ারনেস ক্রিম রঙ ফর্সা করতে পারে? তাহলে জেনে রাখুন, বেশিরভাগ চর্মরোগবিশেষজ্ঞেরই মতে, ত্বকের রঙ সর্বোচ্চ ২০% বাড়ানো যায়, কিন্তু এর চেয়ে বেশি নয়। আর ফেয়ারনেস ক্রিম তো কখনই কারও চামড়ার স্বাভাবিক রঙ পরিবর্তন করে দিতে পারবেনা। এটা একেবারেই অসম্ভব।

তাহলে ফেয়ারনেস ক্রিম কি করে? বেশিরভাগ ফেয়ারনেস ক্রিমেই থাকে “হাইড্রোকুইনল”, যা কি না একটি ব্লিচিং এজেন্ট । এটি ত্বকের মেলানিন নিঃসরণে বাধা দেয়, যে কারণে ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল লাগে। এছাড়াও ক্রিমগুলোতে থাকে বেশ কিছু কেমিক্যাল উপাদান। ক্রিমটিতে যদি এই “হাইড্রোকুইনল” এর পরিমাণ ৩-৪% হয়, তাহলে তেমন দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু খেয়াল করলে দেখবেন বেশিরভাগ ক্রিমের প্যাকেটেই এই শতকরা পরিমাণ উল্লেখ থাকে না। সুতরাং হতে পারে ফর্সা হবার জন্য যে ক্রিমটি মাখছেন তাই হয়তো বহুদিন ব্যবহারের ফলে জন্ম দিতে পারে ক্যান্সার, কিডনি প্রব্লেম, এলারজি, ,ব্রণ থেকে শুরু করে মারাত্মক সব অসুখ। ইতিমধ্যে বেশ কিছু দেশে (যেমন ফ্রান্স) স্কিন প্রোডাক্টে “হাইড্রোকুইনল” ব্যবহার ব্যান করে দেয়া হয়েছে ত্বকের ক্যান্সারের সম্ভবনার কারণে।

বিশ্বাস হচ্ছে না বুঝি? ভাবছেন, অন্য ক্রিম যেমনই হোক, আপনার ক্রিমটি বিপদমুক্ত? ঠিক আছে, কিছুক্ষণের জন্য যদি ভেবেও নিই যে আপনি যে ক্রিমটি মাখছেন তা বিপদমুক্ত, তাহলেও কথা থেকে যায়। আসলেই কি ক্রিমটি পারবে আপনার রঙ ফর্সা করতে? ফেয়ারনেস ক্রিম কেবল সূর্যরশ্মিকে ঠেকিয়ে রাখে আর মেলানিন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। এই কারণে ত্বক অপেক্ষাকৃত উজ্জ্বল লাগে। কিন্তু সেটা কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা নয়। পুরোপুরি অস্থায়ী। যে কারণে প্রতিনিয়ত ব্যবহারে মনে হতে পারে ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল হচ্ছে কিন্তু আসলে তা নয়, আর নিজের অজান্তেই নিজের ত্বকের ক্ষতি করে চলেছেন আপনি।

কি ভাবছেন? তাহলে বাজারে যে আয়ুর্বেদিক ফেয়ারনেস ক্রিম পাওয়া যায় সেগুলো মাখবেন? এখানেও কিন্তু কথা আছে। নিজের একটা অভিজ্ঞতার কথাই বলি। বান্ধবীর জোরাজুরিতে একবার একটা আয়ুর্বেদিক ফেয়ারনেস ক্রিম কিনেছিলাম। নামীদামী ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট। বাসায় এসে প্যাকেট উল্টে-পাল্টে দেখতে লাগলাম। যে উপাদানগুলোর শতকরা পরিমাণ দেয়া আছে, সেগুলো আয়ুর্বেদিকই, সন্দেহ নেই। কিন্তু শতকরা পরিমাণ গুলো যোগ করে মনে হয় ৫% ও হল না। বাকি ৯৫% এর উপাদানগুলোর নাম কিন্তু প্যাকেটে উল্লেখ নেই। সেই ৯৫% এর মধ্যে যে কোনও ক্ষতিকর কেমিক্যাল নেই তার গ্যারান্টি কে দিবে? এই প্রশ্নের উত্তর আজো পাইনি।

সুতরাং রঙ উজ্জ্বল করবার জন্য এইসব ক্রিমের ধারেকাছে না যাওয়াই ভালো। কালো বা ফর্সা হওয়া আপনার জন্মগত, একে পরিবর্তন করা সম্ভব না। পরিবর্তন করতে চাওয়া উচিতও না। তবে হ্যাঁ, নিয়মিত যত্ন ও চর্চার মাধ্যমে ত্বককে পরিস্কার, রোগমুক্ত ও স্বাভাবিক উজ্জ্বলতায় সতেজ করে তোলা সম্ভব। ঘরোয়া উপায়ে ত্বক উজ্জ্বল করার অনেক উপায়ই আছে। ত্বকের মরা কোষ দূর করতে নিয়মিত স্ক্রাবিং করতে পারেন। স্ক্রাবিং করলে ত্বকের আর্দ্রতা যেমন বজায় থাকে তেমনি ত্বকও হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। ঘরোয়া সানস্ক্রিন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন অ্যালভেরা। এটা যে কোনো নার্সারি বা কাঁচাবাজারে সহজলভ্য। সংগ্রহের পর এর পাতার ভেতরের থকথকে আঠালো অংশটুকু সঞ্চয় করে কোন রকম বাড়তি কিছু না মিশিয়ে তা ত্বকে লাগাতে হবে। তাৎক্ষনিক ভাবেই অনুভব করবেন, ত্বকের জ্বালাভাব কমে যাচ্ছে। এবং নিয়মিত ব্যবহারে উজ্জ্বল স্বাস্থ্যকর ত্বক ফিরে পাবেন। এটি যে কোনো ধরনের ত্বকের জন্যই উপকারি এবং এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অতি সংবেদনশীল ত্বক কিংবা ব্রণ ওঠার প্রবনতা যাদের বেশী তারা এর থেকে অনেক বেশী উপকার পাবেন।স্কিনটোন ফিরে পেতে দইয়ের সাথে বেসন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। দই কেবল দাগই দূর করে না বরং ত্বকের অভ্যন্তরীণ ক্ষয়-ক্ষতি মিটিয়ে সার্বিক ভাবে নিরাময় করে।

আর সর্বোপরি –নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিন, প্রচুর পানি খান, বার বার করে মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন এবং সবার উপরে নিজের ত্বককে ভালবাসুন।আর হ্যাঁ, নিজেকে শ্রদ্ধা করতে শিখুন। আপনার ব্যক্তিত্ব আর মনটাই গুরুত্বপূর্ণ, ত্বকের রঙ নয়।

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায় জেনে নিন মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায়
এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণজেনে নিন যেভাবে এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করবেন।
বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেনজেনে নিন বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেন
বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারীবিস্তারিত পড়ুন বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারী
লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায় জেনে নিনবিস্তারিত পড়ুন লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায়
মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষকজেনে নিন কিভাবে মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষক
যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )জেনে নিন যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )
ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?জেনে নিন ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?
লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণবিস্তারিত পড়ুন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ
ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায়বিস্তারিত পড়ুন ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায় জেনে রাখুন
আরও ১৪৪৩ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি