পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

প্রেম মানুষকে অনেকটা বদলে দেয়

আমাদের পরিবার, সমাজ কোনটিই প্রেম ভালোবাসাকে সমর্থন করে না। যদিও বা কোনো এক সময় এসে সেই প্রেম ভালোবাসাকে তারা স্বীকৃতি দেয়, নতুন জামাই কিংবা বউ এর প্রতি তাদের ভালোবাসার কোনো সীমা থাকে না। অথচ এই পরিবার ও সমাজের কারণেই এই জুটিটিকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে তাদের এই সম্পর্কটিকে টিকিয়ে রাখতে। সমাজ ও পরিবারের সাথে তাদের যদি এই যুদ্ধ করতে না হতো তাহলে তারা আরও ভালোভাবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারতো।

 

নেপোলিয়ন এর একটি বিখ্যাত উক্তি দিয়ে মূল লেখায় প্রবেশ করছি। নেপোলিয়ন বলেছিলেন “আমাকে তোমরা একজন শিক্ষিত মা দাও আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেবো”। আজকের এই আধুনিক যুগে এসে সেই ধারণা অনেকটা বদলে গেছে। এখনকার ছেলেমেয়েদের অন্যতম ধ্যানজ্ঞান হচ্ছে গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড। বেশিরভাগেরই এই জিনিসটি থাকা চাই ই চাই। তবে বাবা-মারা খুব ভালোভাবে এসব গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ডদের মেনে নেন না। যে করেই হোক এই গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড এর হাত থেকে তার সন্তানকে দূরে রাখতেই হবে। এজন্য এমন কোনো চেষ্টা নেই যা তারা করে না। তবে এটাই স্বাভাবিক। কেননা বর্তমান সময়ে অনেকেই আবেগের বশবর্তী হয়ে ভুল মানুষকে পছন্দ করে ভুল পথে হাঁটতে শুরু করে। যা ভবিষ্যৎ জীবনে চরম অনিশ্চয়তা বয়ে নিয়ে আসে। তবে বাবা-মায়েরাও চাইলে চূড়ান্তভাবে নিষেধ করার আগে একটু যাচাই করে দেখতে পারেন আপনার সন্তান যার সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছে সে কেমন। কথায় আছে সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। কোনো কিছু বিচার বিশ্লেষণ না করে যদি আপনার সন্তানের সৎ সঙ্গটাও বন্ধ করে দেন তাহলে সেটা আপনার সন্তানের জন্যই খারাপ। দাঁড়ান আরও বিস্তারিতভাবে বলছি।

 

ধরুন আপনার সন্তান সিগারেটে আসক্ত। আপনারা শত নিষেধ, শাসন করা সত্ত্বেও তাকে সিগারেটের নেশা থেকে ফেরাতে পারেননি। কিন্তু যে মেয়েটির সাথে তার সম্পর্ক সেই মেয়েটি যদি তাকে বলে “তুমি সিগারেট খাবা না, যদি খাও তাহলে তোমার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই”। মেয়ের এই কঠোর নিষেধাজ্ঞায় অনেক ছেলেই সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেয়। এটা কি আপনার সন্তানের জন্য ভালো নয়?

 

আবার ধরুন আপনার মেয়ে ঠিকমতো খায় না, ঘুমায় না। কিন্তু তার মনের মানুষটি যখন তাকে ফোন করে বলবে “তুমি খেয়েছো? এখনো খায় নি কেনো? এখুনই খেয়ে নেও। তাহলে দেখবেন সেই মেয়েটি তার মনের মানুষের কথা রাখার জন্য অবশ্যই খাবে।

 

আবার অনেক ছেলেদের ক্ষেত্রেই দেখা যায় তারা পড়ার টেবিলের আশে পাশে দিয়ে যায় না। কিন্তু যখনই তার মনের মানুষটি তাকে বলবে ভালোভাবে পড়ালেখা করে প্রতিষ্ঠিত না হতে পারলে কিন্তু তুমি আমাকে পাবে না। মনের মানুষের কাছ থেকে এরকম হুমকি শুনে অনেক ছেলেই পড়ালেখায় মনোযোগী হয়ে ওঠে।

 

আপনার মেয়েটি হয়তোবা একটু খোলামেলাভাবে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে পছন্দ করে। কিন্তু আপনাদের তা একদমই পছন্দ নয়। আপনাদের কথা সে কিছুতেই শোনে না। কিন্তু একজন বন্ধু বা প্রেমিকের কথায় খুব সহজেই সে তার এই বাজে চলাফেরা পরিহার করে।

 

অনেক মেয়ে আছে যারা ঠিকমতো স্কুলে যেতে চায় না। সেই মেয়েরাই যখন কারো সাথে সম্পর্কে জড়ায় তখন নিয়মিত তার সাথে দেখা করার জন্য স্কুলে নিয়মিত হয়ে পড়ে। হয়তোবা স্কুলের ফাঁকে কিছুটা সময় তার মনের মানুষের সাথে কাটায় তারপরও তার তো নিয়মিত স্কুলে যাওয়া হচ্ছে।

 

কিছু কিছু ছেলে আছে যারা সবসময়ই বাসার বাইরে থাকে। এসব ক্ষেত্রে মনের মানুষটি যখন ফোন দিয়ে জানতে পারে ছেলেটি বাসার বাইরে আছে। তখন বেশিরভাগ মেয়েই এই বলে শাসন করে – “যখনই ফোন দেই তখনই শুনি বাইরে, বাইরে তোমার এতো কী কাজ? আর যদি শুনি তুমি বাইরে তাহলে তোমার খবর আছে”। বাবা-মায়ের নিষেধ না মানলেও অনেক ছেলেই মনের মানুষের এই আদেশ পালন করতে বাধ্য হয়।

 

সবদিক বিবেচনা করলে দেখা যায় ভালো মনের কাউকে পছন্দ করলে তা আপনার সন্তানের জন্যই ভালো। তাই বাবা-মায়ের এসব ক্ষেত্রে না জেনে শুনে বাঁধা না দিয়ে একটু খোঁজখবর নিয়ে, সন্তানের সাথে খোলামেলা আলোচনা করে বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনেশুনে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো।

 

তবে ছেলেমেয়েরা এসব ক্ষেত্রে একটু বেখেয়ালী হয়। যেমন – রাত জেগে মোবাইলে কথা বলা, পড়াশোনা ঠিকমতো না করা এসব আর কি। এক্ষেত্রে বাবা-মায়েরা চাইলে তার সন্তানকে বুঝাতে পারেন। তাদেরকে অভয় দিতে পারেন। হয়তোবা সেই মেয়েটিকে বা ছেলেটিকে বলতে পারেন – “তুমি ওকে একটু বুঝাও”, “তোমরা এরকম করো না”, “তোমাদের দুজনকেই জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে”, “তোমরা এভাবে চলাফেরা করো”, তোমরা এটা করো না” এ ধরনের কথাবার্তা। তাহলে দেখবেন দুজনই আপনাদের কথামতো চলবে এবং একে অপরকে এ ব্যাপারে চাপ প্রয়োগ করে স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে।

 

তবে ছেলেমেয়েদের বাবা-মায়ের সদিচ্ছা পেতে হলে অবশ্যই আবেগ নয় বাস্তব দিক বিবেচনা করে সঠিক মানুষটিকে পছন্দ করতে হবে। পরিবার ও সমাজের চোখে খারাপ দেখায় এমন কোনো কাজ করা চলবে না। তবেই না পরিবার, সমাজ সবকিছু একসাথে নিয়ে আপনাদের ভালোবাসার সম্পর্কটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন। 

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায় জেনে নিন মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায়
এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণজেনে নিন যেভাবে এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করবেন।
বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেনজেনে নিন বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেন
বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারীবিস্তারিত পড়ুন বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারী
লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায় জেনে নিনবিস্তারিত পড়ুন লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায়
মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষকজেনে নিন কিভাবে মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষক
যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )জেনে নিন যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )
ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?জেনে নিন ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?
লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণবিস্তারিত পড়ুন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ
ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায়বিস্তারিত পড়ুন ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায় জেনে রাখুন
আরও ১৪৪৩ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি