পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

বিভিন্ন ধরনের জামাই!

আজকাল রেডিও টেলিভিশনে বিভিন্ন ধরনের জামাইদের নিয়ে নাটক বানানোর ধুম পড়ে গেছে। জামাই এর আবার ধরন হয় নাকি? জামাই এর কোনো ধরন হয় না। তবে তাদের স্বভাবের কিছু ধরন হয়। এখানে সেই ধরনগুলোই তুলে ধরা হয়েছে।

 

গাধা জামাই:

ব্যাচেলর জীবনে বিয়ে করার জন্য অস্থির হয়ে যাওয়া জামাইরাই বিয়ের পর গাধা হয়ে যায়। তখন তারা ভাবে ব্যাচেলর জীবনই ভালো ছিল। কেনো যে বিয়ে করলাম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জীবনে চলার পথে হিমশিম খেয়েই এ ধরনের চিন্তাভাবনা মাথায় চলে আসে। যারা ভবিষ্যৎ জীবনের চলার পথ সুন্দরভাবে না সাজিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন একমাত্র সে ধরনের গাধারাই এরকমটি চিন্তাভাবনা করেন। অতএব বিয়ে করার পর গাধা হতে না চাইলে ভবিষ্যৎ জীবনটাকে আগে থেকেই সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।    

 

ভেড়া জামাই:

বউ পূর্ব দিকে যেতে বললে জামাই পূর্ব দিকে যায়, পশ্চিম দিকে যেতে বললে পশ্চিম দিকে যায়। ভালো-মন্দ কোনো কিছু বাছ-বিচার করে না। এ ধরনের জামাইদের বলা হয় ভেড়া জামাই। এতে নিজের দুর্বল চিত্তের প্রকাশ পায় এবং নিজের ব্যক্তিত্ব হীনতা ফুটে ওঠে। তবে বিশেষ কিছু কারণে জামাইদের ভেড়া সাজতে বাধ্য হতে হয়। কারণ – যদি তার বউ তার চেয়ে বেশি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হয়, নিজে দুর্বলচিত্তের অধিকারী হয়, বউয়ের পরিবার বেশি অবস্থাসম্পন্ন হয়। তাই বিয়ে করার আগে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখাই ভালো।

 

বউয়ের আঁচলে বাঁধা জামাই:

আমাদের সমাজে বর্তমানে এটি একটি বিশেষ ধরনের গালিতে পরিণত হয়েছে। বিবাহিত বন্ধুদের অবিবাহিত বন্ধুরা এই বাক্যটি দিয়ে ঠাট্টা করে থাকে। কিন্তু পরিবারের লোকজন অনেক সময় ব্যঙ্গ করেই এই কথাটি বলে থাকে। তাই এই অপবাদ ঘুচাতে হলে সারাক্ষণ বউয়ের আশেপাশে ঘুরঘুর না করে যতটা সম্ভব সময় অন্যদেরও দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। বিয়ে করা মানে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া নয়।

 

রোমান্টিক জামাই:

প্রতিটি মানুষের মধ্যেই রোমান্স নামক বিষয়টি রয়েছে। বিয়ের পর এরা বউয়ের কাছে আরও বেশি রোমান্টিক হয়ে ওঠার চেষ্টা করে। যেমন – সুযোগ পেলেই বউয়ের দিকে রোমান্টিক দৃষ্টিতে তাকানো, অন্যের চোখে ধুলো দিয়ে বউকে টুক করে আদর করে দেওয়া, সবসময় মুখে মৃদু হাসি রাখা প্রভৃতি। তবে বিশেষ কিছু কারণে বিয়ের পর জামাইদের মধ্যে এ ধরনের রোমান্টিকতা দেখা দেয়। তা হলো – বিয়েটা যদি প্রেম করে হয়। বউ যদি অসম্ভব সুন্দরী ও স্মার্ট হয় প্রভৃতি। আর বউ যদি মনের মত না হয় তাহলে অনেক জন্মগত রোমান্টিকরাও চুপসে যায়।

 

মা ভক্ত জামাই:

বউ-শাশুড়ির দ্বন্ধ অনেক পরিবারেই দেখা দেয়। এসব ক্ষেত্রে মা ভক্ত জামাইরা অনেকটা দায়ী। বাস্তবক্ষেত্রে বউ যদি অন্যায় নাও করে থাকে তারপরও বউ অপরাধী। মা যা বলে তাই ঠিক। এ ধরনের একপক্ষীয় অন্ধ আচরণের কারণে সংসারে সবসময় অশান্তি লেগেই থাকে। তাই জন্মদাতা মা কেও কষ্ট দেওয়া যাবে না। অপরপক্ষে যে মেয়েটি পরিবার পরিজন ছেড়ে আপনার সংসারে এসেছে তাকেও বিনা কারণে কষ্ট দেওয়া যাবে। সংসারের ছোট খাটো এ ধরনের বিষয়গুলো স্বজ্ঞানে, বিচক্ষণতার সাথে সমাধান করতে হবে। তাহলেই সংসারে সুখ শান্তি বিরাজ করবে।

 

শাশুড়িভক্ত জামাই:

মায়ের চাইতে মাসির প্রতি দরদ কিছুতেই বেশি হতে পারে না। তবে আজকাল এই বিষয়টি সমাজের অন্যতম একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিয়ের পর ছেলেরা একই বাড়িতে অবস্থান করা মায়ের খোঁজখবর না রাখলেও কয়েক মাইল দূরে অবস্থান করা শাশুড়ির খোঁজখবর ঠিকই রাখেন। যা মোটেও ঠিক নয়। শাশুড়ি যতই মজার মজার খাবার রান্না করে খাওয়াক, মায়ের আগে কখনো শাশুড়ি হতে পারে না। তাই বলে শাশুড়ির খোঁজখবর না রাখলেও চলবে না। মা-শাশুড়ি সবাইকেই যার যা প্রাপ্য সেভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।

 

লাটিম জামাই:

এ ধরনের জামাইরা বউয়ের কথামত লাটিমের মত ভনভন করে ঘুরে। জামাই যখন বউয়ের প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত হয়ে যায় তখনই বউরা সুযোগ পেয়ে জামাইদের নিজেদের লাটিম বানিয়ে ফেলে। এ ধরনের জামাইরা নিজেদের ইচ্ছায় কিছু করার স্বাধীনতা পায় না। বউয়ের ইচ্ছাই অঘোষিতভাবে তাদের ইচ্ছা হয়ে যায়। এজন্য অবশ্য নিজস্ব ব্যক্তিসত্ত্বার অভাবও অনেকটা দায়ী। তাই নিজের স্বাধীনতা হারাতে না চাইলে লাটিম জামাই হওয়া থেকে সচেষ্ট থাকুন। 

 

কিপ্টা জামাই:

বিয়ের পর সংসারের ভার নিজের কাঁধে আসার পর জামাইরা কিছুটা হিসেবি হয়ে ওঠে। প্রয়োজনীয় জিনিসটিও খরচের ভয়ে অনেক সময় না হলেও চলে এরকম ভাব দেখায়। এভাবে কিছুদিন চলতে চলতে একসময় নিজের অজান্তেই হয়ে যান কিপ্টা। ফলে সংসারে দেখা দেয় অবধারিত অশান্তি। যার প্রভাব পরবর্তীতে সন্তানদের উপরও পড়ে। তাই বিয়ের পর একটু বুদ্ধি খাঁটিয়ে সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক করলে এ ধরনের অপবাদ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

 

গম্ভীর জামাই:

আমাদের সমাজে নানা ধরনের লোক রয়েছে। তেমনই এক ধরনের মানুষ হচ্ছে গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ। আগে থেকেই এরা সহজে মানুষের সাথে মিশতে পারে না। যার প্রভাব বিয়ের পরও থেকে যায়। এ ধরনের স্বভাবের কারণে বউয়ের সাথে খুব সহজে মিশতে পারে না। ফলে বউয়ের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে না এবং তাদের দুজনের সম্পর্কের মধ্যে একটা দেওয়াল গড়ে ওঠে। এছাড়া শ্বশুর বাড়ির লোকজনও এ ধরনের জামাইদের নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করে থাকে। তাই বিয়ের আগে যাই থাকেন, বিয়ের পর অন্তত গম্ভীর ভাবটাকে পরিহার করুন। 

 

বন্ধু জামাই:

যে কোনো সম্পর্কের মধ্যে বন্ধুত্ব শব্দটি এসে গেলে সেটি হয়ে ওঠে আরও মধুময় ও সুখকর। বিয়ের পর অনেক স্বামীরাই নিজেদেরকে বউয়ের বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলে। এর ফলে সেই সংসারে কোনো অশান্তি প্রবেশ করার মত দু:সাহস দেখায় না। তাই বিয়ের পর বউয়ের সাথে বন্ধুভাবাপন্ন আচরণ করা, বউকে বিভিন্ন বিষয়ে সাহায্য সহযোগিতা করা, বউয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসলেই এ ধরনের সম্পর্ক গড়ে উঠতে বাধ্য। এরকম সম্পর্ক প্রতিটি জামাই ও বউয়ের কাছে অবশ্যই সুখকর।  

 

কুড়ে জামাই:

কিছু কিছু জামাই আছে যারা ৯-৫ টা অফিসের বাইরে অন্য কোনো কাজ করতে চায় না। এমনকি তার সামনে দিয়ে তার বউ বাজার করতে যায়, ইলেকট্রিক বিল দিতে যায় তারপরও সে কোনো ভ্রুক্ষেপ করে না। এতে করে জামাই-বউয়ের সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা ভাবলেশহীন ও উদাসী ভাব চলে আসে। তাছাড়া সমাজে বিভিন্ন ধরনের কানাঘুষাও শুরু হয়ে যায়। তাই এ ধরনের কোনো আচরণ আপনার মধ্যে থাকলে আপনিই ঠিক করুন আপনি কি করবেন।

 

বিশ্বস্ত জামাই:

যেকোনো সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বাস। আর বিয়ের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি প্রযোজ্য। সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য অনেকেই বউয়ের নামে নানা ধরনের খারাপ কথা আপনার কানে দিয়ে থাকে। একমাত্র বিশ্বস্ত জামাইরাই এ ধরনের কথায় স্ত্রীদের অবিশ্বাস করেন না। এর ফলে বউরা খুব সহজেই বিভিন্ন বিষয় জামাইদের সাথে শেয়ার করে এবং জামাইয়ের বিশ্বাসভাজন হয়ে ওঠার জন্য সচেষ্ট থাকে। আবার কথা থাকে, তাই বলে আঁচলে বাঁধা স্বভাবের বিশ্বস্ত হলে হীতে বিপরীত হতে পারে। তাই কারণে অকারণে বউকে অবিশ্বাস না করে একটু বিচার – বিশ্লেষণ করাই সংসারের জন্য মঙ্গল।   

 

বউ পেটানো জামাই:

একই ছাদের নিচে থাকলে গেলে উঁচুনিচু ছোটোখাটো বিষয়ে নিয়ে মতের অমিল হতেই পারে। তাই বউয়ের গায়ে হাত তোলা একমাত্র বর্বরদের কাছ থেকেই আশা করা যায়। এ ধরনের সমস্যা শুধুমাত্র নিম্নশ্রেণির সমাজেই নয়, অনেক উচ্চশ্রেণির সমাজেও বউদের মারধর করার কথা শোনা যায়। নিম্নশ্রেণির সমাজে সাধারণত যৌতুক, সাংসারিক টুকিটাকি বিষয় নিয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। তবে উচ্চশ্রেণির সমাজে সাধারণত জামাইদের উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনে বাঁধা দেওয়ার কারণেই বউদের উপর হাত তোলা হয়। অনেকক্ষেত্রে বউরাও দায়ী থাকে। তবে দায়ী যেই থাক, তাই বলে গায়ে হাত তোলা কোনো সমাজই সমর্থন করে না।

 

ব্যক্তিত্বহীন ও লোভী জামাই:

এ ধরনের জামাইরা বিয়ের আগেই বউয়ের বাড়িতে বিভিন্ন জিনিস যৌতুক দাবি করে। এখানেই শেষ নয়। বিয়ের পরও এটা দেও, ওটা দেও বলে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করে। একমাত্র ব্যক্তিত্বহীন ও নিচু মনমানসিকতার অধিকারীরাই এ ধরনের জামাই হয়। এছাড়া কিছু কিছু জামাই আছে যাদের বউয়ের প্রতি তেমন লোভ না থাকলেও বউয়ের যিনি ছোট তার প্রতি বিশেষ লোভ চোখে পড়ে। এ ধরনের জামাইরা সমাজের চোখে লুচ্চা নামে পরিচিত হয়। লুচ্চা শব্দের মানে কোনো মানুষের সাথে অবশ্যই যায় না। যারা মানুষ তারা অবশ্যই এই বিশেষণটির অধিকারী হবেন না বা হওয়ার চেষ্টা করবেন না।

 

ঘরজামাই:

অনেক মেয়ের বাবা-মা শখ করে বিয়ের পর তার মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে ঘরজামাই করে রেখে দেন। অনেক জামাইরা আবার আছেন নিজের অক্ষমতার কারণে ঘরজামাই থাকেন। ঘরজামাই থাকাটা সুখকর হলেও সমাজের চোখে যা মোটেও ভালোভাবে দেখা হয় না। ঘরজামাই আর মেরুদন্ডহীনের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। ভেবে দেখুন মেরুদন্ড নিয়ে সোজা হয়ে সমাজে দাঁড়াবেন নাকি মেরুদন্ডহীন হয়ে সারাজীবন সমাজের কাছে মাথা নিচু হয়েই থাকবেন।  

 

নির্যাতিত জামাই:

পেপার, টেলিভিশন, রেডিও সব জায়গাতেই আমরা বউ নির্যাতনের কথা শুনি এবং সেই সব জামাইদের গালি দেই। কিন্তু আমাদের আশেপাশেই এমন অনেকে আছেন যারা বউদের দ্বারা নির্যাতিত। শারীরিক ও মানসিক দুইভাবেই তারা নির্যাতিত হচ্ছেন। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকে তা মুখ ফুঁটে বলতে পারে না। এর জন্য অবশ্য জামাইরাই দায়ী। প্রথম প্রথম বউয়ের কথায় না উঠলে বসলে, নিজেকে মেরুদন্ডহীনভাবে উপস্থাপিত না করলে, বউকে বেশি মাথায় না তুললে, বউকে অতিরিক্ত স্বাধীনতা না দিলে আজকে তাদের নির্যাতিত হতে হতো না। এই বিষয়টি বিশেষত ঘরজামাইদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। তাই বলে বউদেরও এরকমটি করা মোটেও শোভনীয় নয়।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায় জেনে নিন মুখ ও গলার কালো দাগ দূর করার ২টি কার্যকরী উপায়
এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণজেনে নিন যেভাবে এক নিমিষে লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করবেন।
বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেনজেনে নিন বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেন
বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারীবিস্তারিত পড়ুন বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে মনোবিদরা জানাচ্ছেন এক বিরল গুণের অধিকারী
লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায় জেনে নিনবিস্তারিত পড়ুন লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায়
মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষকজেনে নিন কিভাবে মরণ খেলা ব্লু হোয়েল’র ফাঁদ থেকে ছাত্রকে প্রাণে বাঁচালেন স্কুল শিক্ষক
যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )জেনে নিন যেই ভিডিও গেম খেললেই নিশ্চিত মৃত্য (ব্লু হোয়েল )
ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?জেনে নিন ব্লু হোয়েল গেমটি কে কীভাবে তৈরি করেন?
লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণবিস্তারিত পড়ুন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ
ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায়বিস্তারিত পড়ুন ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার দারুণ কার্যকরী কিছু উপায় জেনে রাখুন
আরও ১৪৪৩ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি