হোম » লাইফ স্টাইল »
বিজ্ঞপ্তি: ফ্রি বিজ্ঞপ্তি দিতে চান?   •   ফ্রি আপনার প্রতিষ্ঠানের তথ্য দিতে চান?   •   অনলাইন ঢাকা গাইডে ব্লগ লিখুন
আজকের ফিচার: ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ভর্তি বিজ্ঞপ্তিগুলো  •  বে লিফ রেষ্টুরেন্ট  •  আহসান মঞ্জিল  •  ঢাকা মহানগর পুলিশ  •  কিডনী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
ফিচার

    একান্তে একসঙ্গে
    দুজনই এত ব্যস্ত থাকি যে বেড়ানোর সময় কোথায়? কর্মজীবী দম্পতির মুখে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু ব্যস্ততা তো এখন জীবনেরই অংশ। এরই মধ্যে নিজের জন্য বা সঙ্গীর জন্য খানিকটা সময় বের করে নেওয়াই যায়। তা না হলে একটা সময়ে গিয়ে দেখা যাবে, কোথায় যেন জীবনের ছন্দ হারিয়ে গেছে। এই সুর-ছন্দ ঠিক রাখতে নিজেদের... বিস্তারিত

লাইফ স্টাইল » বুটিক শপ
নাম থানা এলাকা
সালিনাজ
উত্তরা
সেক্টর ০৭
প্রবর্তনা
মোহাম্মদপুর
মোহাম্মদপুর
দর্জি বাড়ি
কোতোয়ালী
ওয়াইজঘাট
বাংলার মেলা
তেজগাঁও
তেজগাঁও
নগর দোলা
ধানমন্ডি
ধানমন্ডি
নিপুন ক্রাফ্টস
শেরে বাংলা নগর
পান্থ পথ
রং বুটিক শপ
নারায়ণগঞ্জ সদর
চাষাঢ়া
কে ক্রাফট
ধানমন্ডি
ধানমন্ডি
অঞ্জনস
রমনা
মালিবাগ
নাম বর্ণনা
কোন তথ্য নেই
বুটিক শপ

 

দেশী পণ্য কিনে হোন ধন্য- এই স্লোগান নিয়ে দেশে বুটিক শপের যাত্রা শুরু। প্রধানত দেশী তাঁতের উপর নির্ভর করে এই শিল্পটি গড়ে উঠেছে। বুটিক পণ্য শুধু দেশের বাজারেই নয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও অষ্ট্রেলিয়ার বাজারেও প্রবেশ করেছে। ব্লক বাটিক, হাতের কাজ এবং এমব্রয়ডারীর মাধ্যমে এই পোষাকগুলো তৈরী হয়ে থাকে।

আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে প্রায় সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে অল্প সময়ে জায়গা করে নিয়েছে এই বুটিক পণ্য সামগ্রী। বিভিন্ন উৎসব যেমন- পহেলা বৈশাখ, ঈদ, পূজা, বড়দিন, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে এসব পোষাক পরিধান করা এখন চল হয়ে দাড়িয়েছে। এসব বুটিক সামগ্রী ব্যবহার করতে মানুষের মাঝে প্রথম আলোড়ন তৈরী করে দেশের অন্যতম বৃহত্তম বুটিক শপ আড়ং। এছাড়াও নিপুন, রং, কে ক্রাফট, অঞ্জনস, বিবিয়ানা, দেশাল, সাদাকালো, নিত্য উপহার, নগরদোলা, দর্জি বাড়ী, বাংলার মেলা, প্রবর্তনা অন্যতম। প্রত্যেক বুটিক শপের গুলশান, বনানী, উত্তরা, ওয়ারী, ধানমন্ডি প্রভৃতি এলাকা ছাড়াও ঢাকা শহরের নামী দামী শপিং মলগুলোতে শো-রুম রয়েছে। পরিধানের পোষাক ছাড়াও গৃহস্থালী সামগ্রী, গহনা ও শো-পিছ সামগ্রী পাওয়া যায় এই বুটিক শপগুলোতে।   

 

যেসব পোষাক পাওয়া যায়

ছেলেদের লং পাঞ্জাবী, শর্ট পাঞ্জাবী, ফতুয়া, পায়জামা, টি-শার্ট, ক্যাপ, কোর্তা ও মেয়েদের শাড়ি, থ্রিপিস, ফতুয়া, টপস, টিশার্ট, ফ্রগ এবং বাচ্চাদের পাঞ্জাবী, ফতুয়া, সালোয়ার কামিজ, ফতুয়া, স্কার্ট, শাড়ি,  প্রভৃতি পাওয়া যায়। এছাড়া মেয়েদের মেটেল বালা, কানের দুল, চুড়ি, মালা, ব্রেসলাইট, পায়েল, নুপুর, মাটির গহনা এবং হাউজ হোল্ড পণ্যের মধ্যে নকশী কাঁথা, বেড কভার, কুশন কভার,  কিডস ব্যাগ, পর্দা, ওয়াল মেট, ফ্লোর ম্যাট, মগ, ক্যান্ডেল, ক্যান্ডেল স্টান্ড, ল্যাপটপ ব্যাগ প্রভৃতি পাওয়া যায়।

 

পণ্যের মূল্য তালিকা

ছেলেদের

পণ্যের নাম

মূল্য

ছেলে পাঞ্জাবী (লং)

১,০০০ – ৩,২০০ টাকা

পাঞ্জাবী (শর্ট)

৭৫০ – ১,৯০০ টাকা

পায়জামা

৪৫০ – ৯৫০ টাকা

টিশার্ট

৩৫০ -৬৫০ টাকা

ফতুয়া

৩৫০ – ৯৫০ টাকা

নামাযের টুপি

১১০ – ৩৫০ টাকা

কোর্তা

৫৫০ – ১,৫৫০ টাকা

ল্যাপটপ ব্যাগ

৫০০ – ৯০০ টাকা

সেন্ডেল

১,০০০ টাকা

 

মেয়েদের

পণ্যের নাম

মূল্য

মেয়ে শাড়ি

৫৫০ – ১৯,০০০ টাকা

কামিজ

১,৭০০ – ৭,৮০০ টাকা

অর্নামেন্টস

৭৫ – ৪,৩০০ টাকা

পার্টি ব্যাগ

১৫০ – ৮০০ টাকা

ফেব্রিকস

১,৪০০- ৮,০০০ টাকা

 

ছোটদের (মেয়ে)

ফ্রগ

৫০০ – ১,৬০০ টাকা

কামিজ

৫০০ – ১,৮০০ টাকা

 

ছোটদের (ছেলে)

পাঞ্জাবী

৩০০ – ৭০০ টাকা

ফতুয়া

৩০০ – ৬০০ টাকা

শার্ট

৩০০ – ৭০০ টাকা

টিশার্ট

২৫০ – ৫৫০ টাকা

 

এছাড়াও

বেডসিট

১,২০০ – ৪,০০০ টাকা

নকশীকাঁথা

৩,৫০০ – ৬,০০০ টাকা

টুপি

৭০ – ২০০ টাকা

লুঙ্গি

২০০ – ৭০০ টাকা

 

বিল পরিশোধ

বুটিক শপগুলোর বেশীর ভাগ শো-রুমে ক্যাশের পাশাপাশি মাষ্টার কার্ড, ভিসা কার্ড এবং সকল ব্যাংকের এটিএম কার্ড মাধ্যমেও বিল পরিশোধের সুবিধা রয়েছে।

 

পণ্য পরিবর্তন

এসব বুটিক শপ থেকে ক্রয়কৃত পণ্যে কোন সমস্যা থাকলে বা সাইজে ছোট বা বড় বা বেমানান হলে ৭ দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে ক্যাশ মেমো ও প্রাইজ ট্যাগ সহ সংশ্লিষ্ট বুটিক শপের যে শো-রুম থেকে পণ্যটি ক্রয় করা হয়েছে সেখানে নিয়ে গেলে একই দামের অন্য পণ্য ফেরত পাওয়া যায়। কোন অবস্থাতে টাকা ফেরত পাওয়া যায় না।

 

বিশেষ বিক্রয়

বছরে এক থেকে দুইবার বিশেষ ছাড়ে পণ্য বিক্রয় করে থাকে বুটিক শপগুলো। এছাড়া কর্পোরেট বা বড় ধরনের পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে বুটিক শপগুলোর বড় শো-রুম বা প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হয়।

 

বিবিধ

বুটিক শপগুলোর প্রত্যেকটি শো-রুমই শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত। তবে বেশীরভাগ শো-রুমে লোডশেডিং এ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ থাকে। এছাড়া বেশীর ভাগ শো-রুমের সামনে পার্কিং ব্যবস্থা নেই।