স্বাবলম্বী

পড়াশোনা শেষ করে চাকুরী নামক সোনার হরিণের পেছনে না ছুটে কিংবা অভাবের তাড়নায় বিপথে না গিয়ে অনেকেই মানুষের পরামর্শ ও নিজের বা অন্যের আর্থিক সহযোগীতায় নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে হয়েছেন স্বাবলম্বী।  সাথে সাথে সৃষ্টি করেছেন আরও মানুষের কর্মসংস্থান। সেসব মানুষের সৃষ্ট উদহারণ দেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন। জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত এসব সাফল্যের কাহিনী গুলোই এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

 

  • ফেলনা কাগজে ভালো আয়

গ্রিটিং কার্ড, গিফট বক্স, গিফট ব্যাগ, ফটোফ্রেম, নোটবুক, পেনহোল্ডার, মিরর, ল্যাম্প স্ট্যান্ড, জুয়েলারি বক্স, নোট প্যাড, স্লিপ প্যাড, স্লিপ বক্স_ এমন অনেক কিছুই তৈরি করা যায় ফেলনা কাগজ দিয়ে। দুই ধরনের কাগজ লাগে এগুলো তৈরি করতে_সিল্ক পেপার ও র‌্যাপিং। এ দুটিই তৈরি হয় পুরনো কাগজ থেকে। যেভাবে শুরু করবেন ফেলনা কাগজের সরবরাহ নিশ্চিত করে নিতে হবে প্রথমেই। এরপর লাগবে একটা ঘর।  বিস্তারিত

 

  • বর্নীর অহংকার শাহ আলম (প্রথম আলো (০৯/০৬/২০১২)

একসময় গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার বংশপরম্পরায় বাঁশ ও বেত দিয়ে কুলা, ধামা ও পলো তৈরি করত। এসব বিক্রি করে পাওয়া টাকা দিয়েই কোনোরকমে চলত সংসার। একপর্যায়ে নানা কারণে এসব কুলা-ধামা বিক্রি করে পাওয়া টাকায় তাঁদের সংসার যেন আর চলছিল না। তাই জীবনের তাগিদে বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা। বিষয়টি ভালো লাগেনি গ্রামের এক তরুণের। তাই সবাইকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। সফলও হন। এই অবস্থা দেখে অনেকে ফিরে আসেন বাপ-দাদার পুরোনো পেশায়। আবারও কর্মতৎপর হয় গ্রামটি।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি দেখতে ক্লিক করুন

 

  • "ধনেপাতায় ধনদৌলত" (প্রথম আলো - ৩১/১২/২০১১)

গ্রামবাংলার অনেক বাড়িতে ধনেপাতার চাষ করে মূলত পরিবারের চাহিদা মেটানো হয়। তবে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার সাড়াই ইউনিয়নের ভেতরকুটি গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয় ধনেপাতার। ১৬ বছর আগে তৈয়ব আলীর (৬০) হাত ধরে সূচনা হয় এ চাষের। তাঁর সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যরাও চাষে লেগে পড়েন। এখন গ্রামের মাঠের পর মাঠ ধনেপাতার চাষ হয়। যাঁদের জমি নেই, তাঁরা বর্গা নিয়ে চাষ করেন। বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .........

  • "সুবর্ণপুরে নতুন সম্ভাবনা" (প্রথম আলো - ২৪/১২/২০১১)

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার এক অভাবী তরুণের নাম সুভাষ চন্দ্র সাহা। অভাবের তাড়নায় শুরু করেন কাঁকড়ার চাষ। এবং বাজিমাত। সেই তরুণের সাফল্য দেখে সুবর্ণচরের অনেকেই শুরু করেন কাঁকড়ার চাষ। এখন সেখানকার হাজারো মানুষ এই বৃত্তিকে ঘিরেই সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন। সুবর্ণচরে কাঁকড়ার চাষকে দেখা হচ্ছে সম্ভাবনার নতুন ক্ষেত্র হিসেবে। বিস্তারিত প্রতিবেনদটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .........

  • "তালখড়িতে অভাবের পরাজয়" (প্রথম আলো - ১০/১২/২০১১)

মাগুরার শালিখা উপজেলার একটি গ্রামের নাম তালখড়ি। বছর খানকে আগে অভাব যেন জেঁকে বসেছিল তালখড়িতে। তবে এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে তালখড়ির মানুষ। আইসক্রিমের কাঠি তৈরি করে নিজেদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে তারা। আর এই নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে গ্রামেরই প্রদীপ সরকার ও তাঁর পরিবারের উদ্যোগে। সত্যি সত্যিই পরাজিত হয়েছে অভাব।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "আতড়ে সমৃদ্ধির সুবাস" (কালের কন্ঠ - ১০/১২/২০১১)

মৌলভীবাজারের সবুজে ঘেরা বড়লেখার সুজানগরের মানুষের সঙ্গে আতরের পরিচিতি আজকের নয়। বহু দিন ধরেই তাঁরা বিশেষ কায়দায় আগরগাছ থেকে আতর সংগ্রহ করে আসছেন। আর তা সমাদৃত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে জাপান, এমনকি ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশেও। আয় হচ্ছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "জয়তু সুবর্ণা আপা" (প্রথম আলো - ০৩/১২/২০১১)

'গ্রামীন মহিলা উন্নয়ন সমিতি' নামে সমবায় সমিতি গড়ে বদলে ফেলেছেন নিজেদের ভাগ্য। আর এই সমিতি গড়তে গ্রামের নারীদের এক সুতোয় গেঁথেছেন একজন - সুবর্ণা আক্তার। সদস্যদের কাছে তিনি কেবলই 'সুবর্ণা আপা'।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন......

  • "বিশ্বম্ভরপুরে সবুজ শিমের জয়গান" (কালের কন্ঠ - ২৬/১১/২০১১)

ধানচাষের অনুপযুক্ত বিস্তীর্ণ বালুভূমিতে অনেকটা নীরবেই শিমচাষের বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছেন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মথুরাকান্দি ইউনিয়নের চাষিরা। শিমচাষে এলাকার পাঁচ শতাধিক কৃষক পরিবার এখন স্বাবলম্বী। সবুজ শিমের জয়গান তাই এ অঞ্চলের ঘরে ঘরে।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ........

  • বেগুনে অভাব জয়ের স্বাদ" (প্রথম আলো - ২২/১১/২০১১)

আজ আমরা এক গল্প শোনাব। যে গল্পের পরতে পরতে রয়েছে বেগুন চাষে একটি জনপদের অভাব জয়ের কথা। অথচ একটা সময় ওই জনপদের মানুষগুলো ছিল খুবই দরিদ্র। দিনমজুরি, মুটের কাজসহ নানা রকম উঞ্ছবৃত্তি করে দিন কাটত তাদের। আজ মুচমুচে সুখে দিন কাটছে ওদের। বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "দুধের ধারায় অভাব দূর" (প্রথম আলো - ১৯/১১/২০১১)

জামালপুর মাদারগঞ্জ পৌরসভার বালিজুড়ি ঘোষপাড়ার প্রায় দেড় শ পরিবার গরু পালন আর দুধ বিক্রি করে অভাব জয় করেছে। পরিবর্তন করেছে নিজের ভাগ্য।   বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .....

  • "জমি বিক্রি করে শিক্ষার আলো ছড়ান বোরহান উদ্দিন" (কালের কন্ঠ - ১৯/১১/২০১১)

শিক্ষাই ধ্যান-জ্ঞান বোরহান উদ্দিনের। অনেক দিন আগেই নিজের ধানিজমি দান করে দুটি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছেন। ৮৫ বছর বয়সে এসে আবারও তিনি জমি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষা তহবিল ও মরণোত্তর সামাজিক ট্রাস্ট। রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের পাঁচখাইন মাঝিপাড়া এলাকার বাসিন্দা বোরহান উদ্দিন ভবিষ্যতে আরো কিছু জমি বেচে আরো কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। -   বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "মঙ্গা তাড়িয়ে আগাম নবান্ন" (কালের কন্ঠ - ১৫/১১/২০১১)

উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে কয়েক বছর আগেও চিরায়ত পদ্ধতিতে বোনা আমন ধান কার্তিকের মঙ্গা আর দীর্ঘ উপবাস শেষে কৃষকের ঘরে উঠত। সে সময় কাজের খোঁজে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়তেন লাখ লাখ কৃষি শ্রমিক। এখন সেই কষ্টের দিন শেষ হয়েছে। আগাম জাতের বিনা-৭ ও ব্রি-৩৩ ধান বদলে দিয়েছে উত্তরাঞ্চলের চিরচেনা মঙ্গা আর দুর্ভিক্ষের চিত্র।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ......

  • "রঙিন শিমে রাঙা জীবন" (প্রথম আলো - ১২/১১/২০১১)

বাণিজ্যিক শিম চাষের একটি গ্রাম হলো চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুকিয়া চাঁদপুর। এই গ্রামে শিমের বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয় বছর পনেরো আগে আশরাফুল হকের হাত ধরে। এরপর তা পুরো গ্রাম হয়ে আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "জেলে পাড়ায় প্রগতির আলো" (কালের কন্ঠ - ১২/১১/২০১১)

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের কচুবাড়িয়া জেলেপাড়ায় কোন শিশু জন্ম নেওয়ার পরই তাদের নদীতে চলাচলের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। বড়দের মাছ ধরার কাজে সহযোগিতা করার জন্য তাদেরকে গড়ে তোলা হয়। এটাই জেলেপাড়ার শিশুদের বৃত্তাবদ্ধ জীবন। বিদ্যালয়ের চৌকাঠে কখনো ওদের পা পড়ে না। শিক্ষা যেন ওদের জন্য নয়। বংশপরম্পরায় এই বঞ্চিত জীবনেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলেপাড়ার মানুষ। বৈরী প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করা_জীবনে এটাই যেন সত্য। এভাবেই বেঁচে থাকা ওদের।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ........

  • "আলোর পরশ দিল বিহঙ্গ" (কালের কন্ঠ - ৫/১১/২০১১)

সমাজের তথাকথিত 'অস্পৃশ্য' দলিত হরিজন সম্প্রদায়ের শিশু-কিশোর ওরা। অথচ ওরাই এখন বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ গান, কবিতা আর নৃত্যের মাধ্যমে সবাইকে মনেপ্রাণে সত্যিকারের বাঙালি হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। নিজেদের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি সমাজ পরিবর্তনেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের এই হরিজন শিশু-কিশোর অনেকটাই পাল্টে ফেলেছে তাদের চৌদ্দ পুরুষের ক্ষয়িষ্ণু জীবনাচার ও সংস্কৃতি। এই ব্যতিক্রমী ধারায় যুক্ত শিশু-কিশোরদের বসবাস রংপুর সদর হাসপাতাল হরিজন পল্লীতে। বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "ধূমপান ছেড়ে স্বপ্নের দেশ গড়ার সংগ্রামে ১৩ বন্ধু" (কালের কন্ঠ - ২৯/১০/২০১১)

সামান্য সহযোগিতায় প্রায়ই বদলে যেতে দেখা যায় বহু মানুষের ভাগ্য। সেই রকম লক্ষ্য নিয়েই সুদূরপ্রসারী এক স্বপ্ন পূরণের লড়াইয়ে নিবেদিত রৌমারীর প্রত্যন্ত গ্রামের ১৩ বন্ধুর একটি দল। চারপাশের যত ক্লেদ, যত গ্লানি_সব মুছে দিয়ে অন্য রকম এক দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তাঁরা সতত নিয়োজিত কল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ........

  • "রক্ষাগোলায় স্বনির্ভর ২২ সাঁওতাল গ্রাম" (কালের কন্ঠ - ২২/১০/২০১১)

অভাবের তাড়নায় মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিত ভূমিহীন সাঁওয়াল ক্ষেতমজুররা। কিন্তু এখন রক্ষাগোলা তৈরি করে ভালো আছে সবাই। পরিবার-পরিজন নিয়ে দুই বেলা পেট ভরে খেতে পারছে। ছেলেমেয়েরাও লেখাপড়া করতে পারছে। সবাই এখন ঋণের ছোবল থেকে মুক্ত। বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ......

  • "চাইয়ে কাপড় চাইয়ে ভাত" (প্রথম আলো - ১৫/১০/২০১১)

একটা সময় ছিল, যখন বর্ষা এলেই খেয়ে না-খেয়ে দিন কাটছিল তাদের। তবে এখন আর সেই কষ্ট নেই। মাছ ধরার ফাঁদ (চাঁই) তৈরি করে অভাব ঘুচিয়েছে ধারাবরিষার প্রায় চার হাজার পরিবার। বাঁশ আর তালের ডাগুরের আঁশকে পুঁজি করে বদলে ফেলেছে নিজেদের ভাগ্য।  বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "তেতো করলায় জীবনের জয়গান" (প্রথম আলো - ৮/১০/২০১১)

এক বেলা খাবার জুটলেও আরেক বেলা জুটত না। ৩০ বছর আগে শাহজাহানের অবস্থা ছিল এ রকম। আর আজ?
আজ তিনি একজন সফল চাষি। করলা চাষে তাঁর সাফল্যের পথ ধরে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ঘটে গেছে এক নীরব বিপ্লব। শাহজাহান আলী (৬০) আজ শত শত কৃষকের পথপ্রদর্শকও। তাঁর গ্রাম থেকে শুরু হয়ে করলার চাষ ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের দশ গ্রামে। মিঠাপুকুরের করলার সুনাম দূরদূরান্তেও ছড়িয়ে পড়েছে। -   বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ........

  • "নিভৃত চরের দেবদূত" (কালের কন্ঠ - ০৮/১০/২০১১)

ওরা সবাই অতি দরিদ্র পরিবারের বাকপ্রতিবন্ধী সন্তান। পিরোজপুরের কাউখালীর সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ের আমড়াজুড়ি চরে সবার বাস। সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শুক্রবারে চরের একটি বিশালাকৃতির রেইনট্রি গাছের তলায় এই ১০ জন বাকপ্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর মাদুর বিছিয়ে বসে। এটাই ওদের পাঠশালা। ইশারা আর ইঙ্গিতে চলে ওদের অভিব্যক্তি বিনিময়। প্রায় এক বছর ধরে অনানুষ্ঠানিক পাঠশালায় ওদের বর্ণমালা লেখা শেখাচ্ছেন কাউখালী শহরের প্রবীণ বিদ্যোৎসাহী আবদুল লতিফ খসরু।   বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন -----

  • "স্বপ্ন পূরণের সারথি" (প্রথম আলো - ১/১০/২০১১)

সারাদেশে অন্তত ৪০০ শিক্ষার্থী ‘বঞ্চিতদের জন্য শিক্ষা’র সহায়তায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন। তাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সারথি একজন হাফিজুর রহমান। তিনিই গড়ে তুলেছেন বিনা পয়সার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘বঞ্চিতদের জন্য শিক্ষা’। নরওয়ে প্রবাসী হাফিজুরের বাড়ি খুলনা মহানগরের ফুলবাড়ী গেটে। নগরের যোগীপোল এলাকায় চলছে তাঁর এ শিক্ষা কার্যক্রম।   বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ......

  • "শখের পায়রায় সুখের দিশা" (কালের কন্ঠ - ১/১০/২০১১)

পায়রা বা কবুতর পোষা অনেকেরই প্রিয় শখ। খোদ শখের বশে নয় বর্তমানে পায়রা পোষার মাধ্যমে অনেকে জীবিকা নির্বাহও করছেন। এমনই একজন হলেন - পাবনার শৌখিন পায়রা খামারের পথপ্রদর্শক শহরের কৃষ্ণপুর মহল্লার মঞ্জিল হোসেনকে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে পায়রা পোষা তার নেশায় পরিণত হয়। শুরুতে তার সংগ্রহে ছিল দেশি প্রজাতির কবুতর। ২০০০ সালের শেষ দিকে তিনি ফ্যান্সি পিজিয়ন বা শৌখিন পায়রার কথা জানতে পারেন। এরপর ২০১১ সালে ঢাকা থেকে প্রথম তিনি হাঙ্গেরিয়ান, রেড ডাউন ফেস, ইয়োলো ডাউন ফেস, হোয়াইট বিউটি হোমার, ব্ল্যাক বিউটি হেমারসহ বিভিন্ন জাতের ১০ জোড়া ফ্যান্সি পিজিয়ন পাবনায় এনে গড়ে তোলেন খামার। মঞ্জিল হোসেনের এখন ধ্যান, জ্ঞান ও সাধনা বলতে শুধুই ফ্যান্সি পিজিয়ন। বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ......

  • "রিকশা চালিয়ে হাসপাতাল" (প্রথম আলো - ২/৭/২০১১)

একজন জয়নাল শুধু রিকশা চালিয়ে নিজ গ্রামে একটি হাসপাতাল করেছেন। গড়েছেন একটি বিদ্যালয়। চালাচ্ছেন মক্তব। ছোট তাঁর সেই হাসপাতালে ছয়টি শয্যা আছে। আছেন একজন পল্লি চিকিৎসক, সার্বক্ষণিক। সপ্তাহে এক দিন সরকারি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক এসে রোগী দেখেন। ঢাকায় জয়নাল যখন কষ্টে কাতর, ময়মনসিংহে তখন তাঁর গড়া হাসপাতালে গরিব রোগীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......

  • "একদল তরুণের স্বপ্নযাত্রা" (প্রথম আলো - ২২/০১/২০১১)

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ ডিগ্রিধারী এই তরুণ দলের গড় বয়স ৩০-এর কিছু বেশি। তাঁরা রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্সের কর্মকর্তা ও ভূকম্পন জরিপ দলের সদস্য। মৌলভীবাজারের রশীদপুর গ্যাসক্ষেত্রে ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা করছেন তাঁরা। বিস্তারিত প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন .......
 


২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি