পূর্ববর্তী লেখা    পরবর্তী লেখা
পুরো লিস্ট দেখুন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

শুরুর ইতিহাস

ভূমি জরীপ কাজে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৮৭৬ খ্রীষ্টাব্দে ঢাকা সার্ভে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯০৫ সালে ঢাকার নওয়াব আহসানউল্লাহ এ বিদ্যালয়টির প্রতি আকৃষ্ট হন এবং মুসলমানদের শিক্ষা-দীক্ষার অগ্রগতি, উন্নয়ন ও প্রসারের জন্য ১.১২ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে ১৮০৮ খ‌্রীষ্টাব্দে এর নামকরণ করা হয় আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল। শুরুতে এর অবস্থান ভাড়াকৃত ভবনে হলেও ১৯০৬ সালে সরকারী উদ্যোগে বর্তমান শহীদুল্লাহ হলের নিকটবর্তী স্থানে এর নিজস্ব ভবন নির্মিত হয়। ১৯২০ সালে এটি বর্তমান স্থানে স্থানান্তরিত হয়। শুরুতে এই বিদ্যালয়টি ঢাকা কলেজের সাথে সংযুক্ত ছিল। পরে এটি সরাসরি জনশিক্ষা পরিচালকের অধীনে ন্যাস্ত হয়। মি: এন্ডারসন এর প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। এর পরে ১৯৩২ সালে শ্রী বি.সি. গুপ্ত এবং ১৯৩৮ সালে জনাব হাকিম আলী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ১৯৪৭ সালের মে মাসে বাংলার সরকার ঢাকায় একটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলটি আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে উন্নীত হয়। জনাব হাকিম আলী এর অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার এই কলেজটিকে অনুমোদন দেন। এ সময় কলেজটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। ১৯৫৬ সালে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সেমিষ্টার প্রথা এবং নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদিত হয়। ১৯৫৭ সালে ডিগ্রী কোর্সে আসন সংখ্যা ১২০ থেকে বৃদ্ধি করে ২৪০ এ উন্নীত করা হয়। ১৯৫৮ সালে ডিপ্লোমা কোর্স বন্ধ করে দেয়া হয়। বর্তমান ড.এম. এ. রশীদ ভবন (মেইন হোস্টেল) এবং বর্তমান নজরুল ইসলাম হল (সাউথ হোস্টেল) ছাত্রদের আবাসিক হল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৫৮ সালে আহসানউল্লাহ হল নির্মিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে ড. এম. এ. রশীদ কারিগরী শিক্ষা পরিচালকের পদে যোগ দেন এবং ডা. ওয়াকার আহমেদ অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

স্বাধীনতা পূর্ব সময়ে উচ্চতর প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালের ১ জুন আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পূর্ব পাকিস্তান প্রকৌশল ও কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়। কারিগরী শিক্ষা পরিচালক ডা. এম. এ. রশীদ প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর পদে অধিষ্ঠিত হন।

 

কায়েদ-ই-আজম হল (বর্তমান তিতুমীর হল), শেরে বাংলা হল ও লিয়াকত হল (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী হল) নামে তিনটি নতুন হল ছাত্রদের জন্য তৈরী করা হয়। প্রফেসর কবির উদ্দিন আহমেদ প্রথম ছাত্র কল্যাণ পরিচালক নিযুক্ত হন। ১৯৬২ সালেই স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদে স্থাপত্য বিভাগ খোলা হয় এবং নতুন বিভাগের জন্য টেক্সাস এ এন্ড এস কলেজের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ শিক্ষক এই বিভাগে যোগ দেন। এভাবেই প্রকৌশল ও স্থাপত্য এই দুটি অনুষদ ও স্থাপত্য বিভাগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত এবং মানবিক বিভাগ আগে থেকেই চালু ছিল।

১৯৭৩ সালে প্রথম এবং ১৯৭৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তমন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন চ্যান্সেলর এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী এবং বিচারপতি আবু সাদাত মো: সায়েম যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় সমাবর্তনে সনদপত্র বিতরণ করেন।

শুরুতে

তথ্য ও যোগাযোগ

ঠিকানা:

ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা – ১০০০।

ফোন:

৯৬৬৫৬২৩

বিশ্ববিদ্যালয় পি.এ.বি.এক্স:

৯৬৬৫৬৫০-৮০

৮৬১৪৬৪০-৪৪

৮৬১৬৮৩৩-৩৮

৮৬১৮৩৪৪-৪৯

এক্স: ৭১৪৩, ৭১৪০ ও ৭৪৫২

ই-মেইল:

[email protected]

[email protected]

ওয়েবসাইট:

www.buet.ac.bd

শুরুতে

অনুষদ ও বিভাগসমূহ

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি অনুষদ এবং ১৬টি বিভাগ রয়েছে। অনুষদগুলির বিভাগসহ নাম দেয়া হলো –

অনুষদের নাম

ক্র. নং

বিভাগ

 

 

 

প্রকৌশল অনুষদ

১.

কেমিকৌশল বিভাগ

২.

বস্ত্র ও ধাতব কৌশল বিভাগ

৩.

গণিত বিভাগ

৪.

পদার্থবিদ্যা বিভাগ

৫.

রসায়ন বিভাগ

৬.

পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ বিভাগ

 

 

যন্ত্রকৌশল অনুষদ

১.

যন্ত্রকৌশল বিভাগ

২.

নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগ

৩.

ইন্ড্রাস্টিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

পুরকৌশল অনুষদ

১.

পুরকৌশল বিভাগ

২.

পানি সম্পদ কৌশল বিভাগ

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদ

১.

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ

২.

কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদ

১.

স্থাপত্য বিভাগ

২.

নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ

৩.

মানবিক বিভাগ

শুরুতে

স্নাতক শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা

(ক) প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল/সমমানের পরীক্ষায় পাশ, অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে।

প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন প্রতিটিতে জিপি ৫.০০ পেতে হবে এবং ইংরেজিতে ন্যূনতম জিপি ৪.০০ পেয়ে  উচ্চ মাধ্যমিক/আলীম/সমমানের পরীক্ষায় পাশ, অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে।

সকল সঠিক আবেদনকারীর মধ্য হতে বাছাই করে সর্বাধিক ৮,০০০ আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে। এই বাছাইয়ের জন্য আবেদনকারীর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজিতে প্রাপ্ত জিপি সমূহের যোগফলের ভিত্তিতে একটি মেধাতালিকা তৈরী করা হবে। একই যোগফল হওয়া একাধিক আবেদনকারীদের মধ্যে আপেক্ষিক মেধাস্থান নির্ণয়ের জন্য যথাক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।

 

(খ) GCE “O” লেভেল এবং GCE “A” লেভেল পাশ করা প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCO “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয়ে (গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজি সহ) গড়ে বি গ্রেড এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিনটি বিষয়ের প্রতিটিতে এ গ্রেড পেয়ে পাশ হতে হবে।

ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে GCE “O” লেভেল এবং GCE “A” লেভেল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে।

 

(গ) ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সকল ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী প্রার্থীকে ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

বাছাইকৃত আবেদনকারীদের তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েবসাইট www.buet.ac.bd –এ প্রকাশ করা হবে।

শুরুতে

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও পাঠ্যসূচী

(ক) বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের জন্য নিম্নলিখিত দুইটি গ্রুপে একই দিনে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গ্রুপ “ক”: ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ

গ্রুপ “খ”: ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগ

 

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও পাঠ্যসূচী নিম্নরূপ:

বিভাগ

বিষয়

পাঠ্যসূচী

গ্রুপ “ক”

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ

গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যসূচী

ইংরেজি

Comprehension এবং Functional English

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যসূচী

গ্রুপ “খ”

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগ

গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যসূচী

ইংরেজি

Comprehension এবং Functional English

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যসূচী

মুক্তহস্ত অংকন (Free-hand Drawing)

 

(খ) “ক” গ্রুপের জন্য মোট ৬০০ নম্বরের এবং “খ” গ্রুপের জন্য মোট ১০০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক গ্রুপের পরীক্ষার বিষয় এবং বিষয়সমূহের পূর্ণমান নীচের ছকে দেয়া হলো।

মডিউল

গ্রুপ “ক”

গ্রুপ “খ”

পূর্ণমান

A

গণিত

গণিত

১৮০

পদার্থ বিজ্ঞান

পদার্থ বিজ্ঞান

১৮০

রসায়ন

রসায়ন

১৮০

ইংরেজি

ইংরেজি

৬০

B

---

মুক্তহস্ত অংকন

৪০০

 

বিশেষ দ্রষ্টব্য

গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্নমানের শতকরা ৫০ ভাগ Objective Type হবে যার মূল্যায়ন OMR দ্বারা ভাগ হবে। উল্লেখ্য যে, এই অংশের প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য অন্য একটি সঠিক উত্তরের এক চতুর্থাংশ নম্বর কর্তন করা হবে। বাকী অংশের প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়ন প্রচলিত পদ্ধতিতে করা হবে। মুক্তহস্ত অংকন পরীক্ষার প্রশ্ন ও প্রণয়ন ও মূল্যায়ন সম্পূর্ণভাবে প্রচলিত পদ্ধতিতে করা হবে।

  • ভর্তি পরীক্ষার সময় কেবলমাত্র কলম, পেন্সিল, ইরেজার, পেন্সিল শার্পনার ও পরিশিষ্ট-ক অনুসারে অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।
  • মোবাইল ফোন সহ যেকোন প্রকার ইলেকট্রিক যন্ত্র, জ্যামিতি বক্স, স্কেল, সেট-স্কয়ার, কম্পাস ও কোন প্রকার ব্যাগ পরীক্ষা কক্ষে নিয়ে আসা যাবে না।
  • উত্তরপত্রের OMR ফরম – এ উত্তর দেয়ার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই 2B পেন্সিল, পেন্সিল শার্পনার এবং ইরেজার সাথে আনতে হবে।

শুরুতে

ভর্তির সর্বনিম্ন যোগ্যতা

কেবলমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের মেধা তালিকা তৈরী করা হবে। প্রার্থীদের মেধাস্থান অনুসারে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের বিভিন্ন বিভাগ এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য অভিন্ন একটি তালিকা এবং স্থাপত্য বিভাগের জন্য পৃথক একটি তালিকা প্রকাশ করা হবে। একাধিক প্রার্থী ভর্তি পরীক্ষায় একই মোট নম্বর পেলে সেক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল বিভাগের জন্য ভর্তি পরীক্ষায় ক্রমানুসারে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থীদের মেধাস্থান নির্ধারণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, স্থাপত্য বিভাগে ভর্তির যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রার্থীকে মুক্তহস্ত অংকনে ন্যূনতম ৪০% নম্বর পেতে হবে।

শুরুতে

আসন সংখ্যা

প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদসমূহে ৪ বছর মেয়াদী ইঞ্জিনিয়ারিং – এ স্নাতক ডিগ্রী, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রী এবং স্থাপত্য বিভাগে ৫ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রীর জন্য সর্বমোট আসন সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ টি। সর্বমোট ১০০০ টি আসন নিম্নের তালিকা অনুযায়ী বিভক্ত হবে:

অনুষদ/বিভাগ

বর্তমান আসন সংখ্যা

প্রকৌশল অনুষদ

(১) কেমিকৌশল বিভাগ (Department of Chemical Engineering)

৬০

(২) বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগ (Department of Materials and Metallurgical Engineering)

৫০

পুরকৌশল অনুষদ

(১) পুরকৌশল বিভাগ (Department of Civil Engineering)

১৯৫

(২) পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ (Department of Water Resource Engineering)

৩০

যন্ত্রকৌশল অনুষদ

(১) যন্ত্রকৌশল বিভাগ (Department of Naval Architecture and Marine Engineering)

১৮০

(২) নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগ (Department of Naval Architecture and Marine Engineering)

৫৫

(৩) ইন্ডাষ্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (Department of Industrial and Production Engineering)

৩০

তড়িৎ ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদ

(১) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ (Department of Electrical and Electronic Engineering)

১৯৫

(২) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (Department of Computer Science and Engineering)

১২০

স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদ

(১) স্থাপত্য বিভাগ (Department of Architecture)

৫৫

(২) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ (Department of Urban and Regional Planning)

৩০

মোট

১০০০

 

ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসন

পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী প্রার্থীদের জন্য উপরোক্ত ১০০০ টি আসনের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট ৩টি এবং স্থাপত্য বিভাগে ১টি সহ সর্বমোট ৪টি আসন সংরক্ষিত থাকবে।

শুরুতে

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনের নিয়মাবলী

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদনের ফরম কেবলমাত্র অনলাইনে পূরণ করা যাবে এবং আবেদন ফি টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল দিয়ে SMS – এর মাধ্যমে প্রদানযোগ্য হবে। কোন ছাপানো ফরম বিক্রয় করা হবে না এবং SMS ব্যতিত অন্য কোন মাধ্যমে আবেদন ফি গ্রহণযোগ্য হবে না।

 

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদনের জন্য নিম্নলিখিত Step সমূহ অনুসরণ করতে হবে:

 

Step 1: অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.buet.ac.bd) – এর মাধ্যমে প্রথমে আবেদনের ফরম যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে এবং আবেদনকারীর সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (আনুমানিক 300×350 pixel ও সর্বোচ্চ 75 KB সাইজের) এবং স্বাক্ষর (স্ক্যানকৃত বা ছবি নেয়া, আনুমানিক 300×80 pixel ও সর্বোচ্চ 20 KB সাইজের) আপলোড করতে হবে। ছবি ও স্বাক্ষর উভয়টিই JPG format  - এ হলে ভালো হয়। এই ছবিটির উপর কোন প্রকার লেখা বা সত্যায়ন করা যাবে না। ছবি ও স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে কোন ধরনের অস্পষ্টতা বা বিকৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। উল্লেখ্য যে, আবেদনকারীর ছবি ও স্বাক্ষর ভর্তি পরীক্ষার হলে মিলিয়ে দেখা হবে।

  • আবদেন ফরমের সকল প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে “Preview” button –এ ক্লিক করলে ছবি ও স্বাক্ষরসহ পূরণকৃত ফরমটি “Preview of Application” page – এ দেখা যাবে। এ অবস্থায় কোন তথ্য সংশোধন করার প্রয়োজন হলে “Update” button – এ ক্লিক করে edit  করা যাবে।
  • উপরোক্ত “Preview of Application” page – এ সকল তথ্য, ছবি ও স্বাক্ষর সঠিক হলে “Submit” button ক্লিক করে আবেদনটি চূড়ান্তভাবে submit করতে হবে।
  • আবেদনটি সঠিকভাবে submission  হলে একটি Confirmation Page পাওয়া যাবে যাতে একটি ৫ ডিজিটের Application Serial No. সহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে। এই page –এর নীচে অবস্থিত “Download Receipt of Application” button – টি ক্লিক করলে অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনের “Receipt of Application” – এর PDF version টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরী হয়ে যাবে যা প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • কোন কোন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে ভর্তির আবেদনপত্রে ও “Receipt of Application” – এ নিম্নলিখিত কারণে E, T, S বা R চিহ্ন প্রদান করা হবে।

 

E: GCE “O” লেভেল / GCE “A” লেভেল উত্তীর্ণ এবং বিদেশী শিক্ষাবোর্ড হতে উত্তীর্ণ আবেদনকারী।

T: ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী আবেদনকারী।

S: আবেদনকারী কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য ও বোর্ড হতে প্রাপ্ত তথ্য-এর অমিল হলে অথবা আবেদনকারীর তথ্য বোর্ড হতে প্রাপ্ত না হলে।

R: ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারী কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য ও বোর্ড হতে প্রাপ্ত তথ্য – এর অমিল হলে অথবা আবেদনকারীর তথ্য বোর্ড হতে প্রাপ্ত না হলে।

 

উপরোক্ত E, T, S  বা R চিহ্নযুক্ত “Receipt of Application”  -এর সাথে পূরণকৃত আবেদনের ফরমটির একটি PDF version – ও তৈরী হয়ে যাবে যা প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে। এ সংক্রান্ত পরবর্তী করণীয় Step 4 –এ বর্ণনা করা হয়েছে।

 

Step 2: SMS – এর মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান

নিম্নের ছকে বর্ণিত গ্রুপ অনুযায়ী আবেদন ফি টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল দিয়ে SMS - এর মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।

গ্রুপ

বিভাগ

আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষা বাবদ প্রদেয় ফি

“ক”

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ

৭০০/-

(সাতশত টাকা মাত্র)

“খ”

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগ

৮০০/-

(আটশত টাকা মাত্র)

 

SMS করার জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে:

টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলে SMS অপশনে গিয়ে BUET<Space>Application Serial No. টাইপ করে 16222 নম্বরে SMS করতে হবে। উদাহরণ: BUET 99999

এখানে 99999 – এর জায়গায় আবেদনকারীর ৫ ডিজিটের Application Serial No. টি প্রদান করতে হবে।

উপরের SMS টি সঠিকভাবে প্রেরণ করা হলে ফিরতি SMS – এ আবেদনকারীর নাম, আবেদন ফি ও একটি ৬ ডিজিটের PIN জানিয়ে আবেদন ফি প্রদান করার সম্মতি চাওয়া হবে। ফিরতি SMS টি একই সাথে টেলিটকের সংশ্লিষ্ট মোবাইল এবং আবেদন ফরমে উল্লেখিত আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরেও পাঠানো হবে।

 

সম্মতি জানানোর জন্য BUET<space>YES<Space>PIN টাইপ করে 16222 নম্বরে আরো একটি SMS করতে হবে। উদাহরণ: BUET YES 888888

এখানে 888888 – এর জায়গায় আবেদনকারীর PIN টি প্রদান করতে হবে।

আবেদনকারীর মোবাইলে প্রয়োজনীয় টাকা থাকলে তা থেকে নির্দিষ্ট আবেদন ফি কেটে নিয়ে একটি Confirmation SMS – এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয়া হবে।

 

Step 3: Money Receipt সংগ্রহ

একজন আবেদনকারী সঠিকভাবে আবেদন ফি SMS – এর মাধ্যমে প্রদান করলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হতে “Download Money Receipt” লিংকে ক্লিক করে টাকা গ্রহণের রশিদের PDF Version ডাউনলোড করে প্রিন্ট নিতে পারবে।

 

Step 4: শুধুমাত্র E, T, S বা R চিহ্নিত আবেদনকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি জমা প্রদান

উপরের Step 1  - এ বর্ণিত যে সকল আবেদনকারীর “Receipt of Application” –এ E, T, S বা R চিহ্ন থাকবে তাদেরকে অবশ্যই অনলাইনে পূরণকৃত ফরমের PDF version টি ডাউনলোড করে A4 সাইজের ৮০ গ্রাম (gsm) সাদা অফসেট কাগজের এক পিঠে প্রিন (তিন পৃষ্ঠা) নিতে হবে। এই তিন পৃষ্ঠার দুই পৃষ্ঠা হলো অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন পত্র ও তৃতীয় পৃষ্ঠাটি হলো “Receipt of Application”।

 

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়শাহবাগ, শাহবাগ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়লালবাগ, পলাশী
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়শাহবাগ, শাহবাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কোতোয়ালী, সদরঘাট
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সাভার, সাভার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়N\A, N\A
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়উত্তরা, সেক্টর ৯
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়তেজগাঁও, তেজগাঁও
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়শেরে বাংলা নগর, শেরে বাংলা নগর
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গাজীপুর, গাজীপুর
আরও ৪ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি