বাবুদের তাল-পুকুরে হাবুদের ডাল-কুকুরে সে কি বাস্ ক’রলে তাড়া, বলি থাম্, একটু দাঁড়া!... সেই ছোটবেলা থেকে শুরু! স্কুলজীবনজুড়েই কাজী নজরুল ইসলামের ছড়া-কবিতায় চোখ বুলানো। একটু যখন বেড়ে ওঠা, রক্তে কাঁপন তোলে ‘মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত/ আমি সেই দিন হব শান্ত।’ এরপর কোনো এক অলস দুপুরে কাঁপা হাতে প্রিয়জনের উপহারের গায়ে লেখা, ‘আমার আপনার চেয়ে আপন যে... বিস্তারিত
দাঁত মানুষের শরীরের এক বিশেষ ও মূল্যবান অঙ্গ। দাঁতের সমস্যায় এম.বি.বি.এস. এর সমমানের বিডিএস চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়, আর ধরনের চিকিৎসক তৈরির প্রতিষ্ঠান হল ডেন্টাল কলেজ। ঢাকার মিরপুরে সরকারি ডেন্টাল কলেজ ছাড়াও আরও কিছু বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ আছে শহরজুড়ে।
আবেদন অনলাইনে নির্ধারিত ছকে এবং শর্ত সাপেক্ষে আহবান করা হয়।
আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হয়।
যারা ২০০৮ বা ২০০৯ সনে এসএসসি/সমমান এবং ২০১০ সনে এইচএসসি/সমমান (পদার্থ, রসায়ন ও জীববিদ্যাসহ) পরীক্ষায় পাস করেছে তারা আবেদনযোগ্য। (২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির শর্ত)
সকল দেশী-বিদেশী শিক্ষা কার্যক্রম এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ হতে হয়। তবে এককভাবে কোন পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫০ এর কম নয়।
অনলাইনে আবেদন পত্র জমা দেওয়ার পূর্বে নির্দেশাবলী ভাল ভাবে পড়ে বুঝে নির্দেশনা অনুযায়ী অত্যন্ত সতর্কতার সহিত পূরণ করতে হয়। (বিস্তারিত: (www.dghs.gov.bd)
ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা।
অনলাইনে ভর্তির আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শুরুর তারিখ, শেষ তারিখ, ভর্তি পরীক্ষার তারিখ www.dghs.gov.bd হতে জানা যায়।
ভর্তি সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট www.dghs.gov.bd হতে জানা যায়।
প্রার্থী মূল্যায়ন পদ্ধতি ও নম্বর বিভাজন
এসএসসি ও এইচএসসি এর জিপিএ এবং লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থী মূল্যায়ন করা হয়।
এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর ৮ গুন= ৪০ নম্বর
১০০ নম্বর
মৌখিক পরীক্ষা
এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিও-এর ১২ গুন= ৬০ নম্বর
১০০ নম্বর
সর্ব মোট =
২০০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ পদ্ধতি)= ১০০ নম্বর। বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন: পদার্থবিদ্যা- ২০, রসায়ন বিদ্যা- ২৫, জীববিদ্যা- ৩০, ইংরেজী- ১৫, সাধারণ জ্ঞান- ১০ (সিলেবাস-এইচএসসি/সমমান)
লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তর প্রদানের জন্য ০.২৫ নম্বর কর্তন করা হয় এবং এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে ভর্তিরত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৫.০০ কর্তন করা হয়।
ভর্তি পরীক্ষার আবেদনপত্র প্রক্রিয়াকরণ, নিরীক্ষণ এবং ফলাফল চূড়ান্তকরণ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয়। উত্তর পত্র “ওএমআর” (OMR) মেশিনে পরীক্ষা করা হয়।
বিদেশী শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি/এইচএসসি এর সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরিচালক, চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকার বরাবরে ১,০০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট/ পে-অর্ডার সহ আবেদন পূর্বক মার্কস সার্টিফিকেটসহ বাংলাদেশে প্রচলিত জিপিএ-তে কনভার্ট করে ইকুইভেলেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার পর অনলাইনে ফরম পূরণ করা যায়।
আসন
সরকারী ডেন্টাল কলেজ/ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট এর জন্য বিডিএস (BDSBDS) কোর্স এর আসন বিভাজন:
কলেজ কোড
ডেন্টাল কলেজ/ ডেন্টাল ইউনিট
আসন সংখ্যা
৩২
ঢাকা ডেন্টাল কলেজ
১০৫
৩৩
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট
৫৫
৩৪
রাজশাহী মেডিকল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট
৫৫
৩৫
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল ডেন্টাল ইউনিট, ঢাকা
৫০
--
---
মোট-২৬৫
কোটা
বিডিএস কোর্সে সংরক্ষিত আসন
আসন সংখ্যা
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান
১০
উপজাতীয়
৫
প্রাপ্ত মোট নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর জাতীয় মেধা তালিকা (বিশেষ কোটা যদি থাকে উল্লেখ সহ) প্রকাশ করা হয়।
সরকারী ডেন্টাল কলেজে ভর্তির জন্য জাতীয় মেধায় ৮০% ও অবশিষ্ট প্রার্থী থেকে জেলা কোটায় (সংশ্লিষ্ট জেলার প্রার্থীদের মেধানুসারে) ২০% প্রার্থী নির্বাচন করা হয়। একই সাথে যুক্তিযুক্ত সংখ্যক প্রার্থীদের মেধা ভিত্তিক অপেক্ষমান তালিকাও প্রকাশ করা হয়। সংরক্ষিত আসন সমূহেও নিজ নিজ শ্রেণীর দাবীদারদের মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়। এ ক্ষেত্রেও যুক্তিযুক্ত সংখ্যক মেধাভিক্তিক অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হয়। নির্বাচিত প্রার্থীর অর্জিত মেধাক্রম এবং কলেজ পছন্দের ভিত্তিতে প্রার্থী কোন কলেজে ভর্তি হবেন তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করা হয়।
বেসরকারী ডেন্টাল কলেজে ভর্তি জাতীয়ভাবে গৃহীত বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় যে সকল প্রার্থী বেসরকারী ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হতে চায়, মেধাঅনুযায়ী তাদের মধ্যে থেকে একটা নির্দিষ্ট সংখ্যা পর্যন্ত বেসকারী ডেন্টাল কলেজে ভর্তির উপযুক্ত ঘোষিত হয়। উম্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কলেজ কর্তৃপক্ষ উক্ত তালিকার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য থেকে তাঁর কলেজে ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের দরখাস্ত আহবান করতে পারেন। প্রাপ্ত আবেদন হতে মেধাতালিকা অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রতি দফায় ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্নাঙ্গ তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (পরিচালক, চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) এর বরাবরে প্রেরণ করেন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আবেদনপত্রে যে সমস্ত তথ্য ও সনদপত্রের উল্লেখ আছে তার মূল কপি ভর্তির সময় প্রদান করতে হয়।
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাসের সনদপত্র/ টেষ্টিমোনিয়াল।
জেলা কোটার দাবীর ক্ষেত্রে স্থানীয় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র/ পৌরসভার চেয়ারম্যান/ ইউনিয়মন পরিষদের চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত নাগরিক সনদপত্র।
৪ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত রঙ্গিন ছবি।
পার্বত্য জেলার উপজাতীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে সার্কেল চীফ এবং জেলা প্রশাসকের সনদ ও অ-উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সার্কেল চীফ বা জেলা প্রশাসনিক প্রদত্ত সনদপত্র এবং অন্যান্য জেলার উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে গোত্র প্রধান ও সংশ্লিষ্ট ডেপুটি কমিশনার প্রদত্ত সনদপত্র।
প্রার্থীর পিতা-মাতার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের স্বপক্ষে ১৯৯৭ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অধীনে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরনিত সনদ, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রাণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী/ প্রতি-মন্ত্রী ও সচিব স্বাক্ষরিত সনদ।
পরীক্ষায় অবতীর্ন/ নির্বাচিত প্রার্থীদের দেয়া তথ্যে (যাহা ফলাফল নির্ধারণে বিবেচিত হয়েছে) অসম্পূর্ণ ও ভুল তথ্য প্রমানীত হলে, তার পরীক্ষা/ ফলাফল/ ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হয়।
ভর্তি পরীক্ষ কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। যে কোন ডেন্টাল কলেজ হতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন একই কথা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকলে কলেজ ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজ কেন্দ্রে অতিরিক্ত চাপ পরিহার করার জন্য শুধুমাত্র ঢাকা বোর্ড হইতে পাশ করা ছাত্র/ছাত্রীদেরকে ঐ কলেজ সমূহে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেয়া হয়।
ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়।
খরচ (বেসরকারী ডেন্টাল কলেজ)
ফরমের মূল্য
কোর্স ফি
মাসিক বেতন
১ম ও ২য় বর্ষ
৩য় ও ৪র্থ বর্ষ
১,০০০ টাকা
৫ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা
৪,০০০ থেকে ৬,৫০০ টাকা
৫,০০০ থেকে ৭,৫০০ টাকা
ফি পরিশোধ
কোর্স ফি কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা থাকে।
প্রতি চার মাস অন্তর পরীক্ষার পূর্বে সেমিস্টার ফি পরিশোধ করতে হয়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেমিস্টার ফি পরিশোধ না করলে জরিমানা সহ সেমিস্টার ফি পরিশোধ করতে হয়।
মাসের বেতনাদি মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়।
কোন কোন কলেজে ফি সমূহ কলেজের অনূকূলে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়।
আবাসিক ব্যবস্থা
সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের হোস্টেলে মাসিক সিট ভাড়া জনপ্রতি ১,৭০০ টাকা এবং খাবার খরচ ২,০০০ টাকা।
পাইওনিয়র ডেন্টাল কলেজের হোস্টেলে থাকার খরচ ২,৫০০ টাকা। প্রত্যেক বেলা নগদ পরিশোধ করে ইচ্ছামত খাওয়া যায়। সকালের নাস্তা ১৫ টাকায় করা গেলেও দুপুর ও রাতে ৫০ টাকায় ভাত, মাংস ও খাওয়া যায়।
সাফেনা উইনেন্স ডেন্টাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া বাবদ মাসিক ৬,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়।
বইয়ের খরচ
ডেন্টাল কলেজের একাডেমিক সিলেবাসের নতুন, পুরাতন ও ফটোকপি করা বই বাজারে পাওয়া যায়। শুধুমাত্র ডেন্টাল/ মেডিকেলের বই পাওয়া যায় এমন বেশ কয়েকটি বইয়ের দোকান রয়েছে নীলক্ষেত বইয়ের মার্কেটে।
প্রথম বর্ষের একসেট নতুন বইয়ের খরচ পড়ে ৪,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা। কিন্তু নতুন বইয়ের অর্ধেক দামে একসেট পুরাতন বই ক্রয় করা যায়। একসেট পুরাতন বইয়ের দাম পড়বে ২,২০০ টাকা।
৩য় বর্ষের একসেট নতুন বই ক্রয় করতে খরচ পড়ে ২,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা।
৪র্থ বর্ষের নতুন বই খুব একটা পাওয়া যায় না। নতুন বইয়ের ফটোকপি করা বই ক্রয় করতে হয়। ৪র্থ বর্ষের ফটোকপি করা একসেট বইয়ের দাম ৪,৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকায় কিনতে পাওয়া যায়।
সুযোগ-সুবিধা
এই কোর্সে প্রত্যেক বছর শিক্ষার্থীদের প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়।
কোর্স শেষে ১ বছরের ইন্টার্নী করতে হয়। কলেজ ভেদে ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা সম্মানী দিয়ে থাকে। কোন কলেজে আবার সম্মানী দেওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই।
কোর্স শেষে যেকোন ডেন্টাল কলেজে ইন্টার্নী করার সুযোগ রয়েছে।
প্রত্যেক কলেজে শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে জ্ঞান দানের জন্য একাধিক ল্যাব রয়েছে। ল্যাবগুলো হল ফিজিওলজী, প্যাথলজী, বায়োলজী, এনাটমি, প্রনথেটিকস, বায়োলজী এন্ড মাইক্রোবায়োলজি, হিস্ট্রি প্যাথলজী ল্যাব, প্রসটোডিন্টিস ল্যাব, সায়েন্স অব ডেন্টাল ম্যাটেরিয়ালস ল্যাব, ওরাল সার্জারী।
কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের বইয়ের সেবা প্রদানে লাইব্রেরী ব্যবস্থা রয়েছে। লাইব্রেরী সাধারণ ক্লাস চলাকালীন সময়ে খোলা থাকে। লাইব্রেরী সুবিধা পেতে শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরী কার্ড করতে হয়। কার্ড প্রদর্শন করে বই বাসায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। লাইব্রেরীতে বসে পড়ার ব্যবস্থাও থাকে।
এছাড়া কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ডিসেকশন হল, লেকচার রুম, অডিটোরিয়াম, কমনরুম, ক্যান্টিন, ইনডোর খেলাধুলা সুবিধা, সেমিনার ইত্যাদি।
ক্লাস রুম গুলোতে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা ও উন্নত পাঠদানের জন্য মাল্টিমিডিয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
আবাসিক সুবিধা রয়েছে এমন কলেজগুলো হলো- সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল, পাইওনিয়র ডেন্টাল কলেজ, সাফেনা ইউমেন্স ডেন্টাল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ইউনিভার্সিটি অব ডেন্টাল কলেজ।
বিদেশে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য কলেজ থেকে মেধাবী ছাত্রদেরকে সহযোগিতা করা হয়।
কলেজগুলোতে সাধারণত সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাস হয়ে থাকে। প্রত্যেক ক্লাসের ব্যাপ্তিকাল ১ ঘন্টা করে হয়ে থাকে। কলেজগুলোতে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। কলেজগুলোর নির্ধারিত কোন পোষাক না থাকলেও যেকোন মার্জিত পোষাকের সাথে সাদা এপ্রোন পরিধান করতে হয়।
মার্কস ডেন্টাল কলেজ ও বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজ থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা গেলেও ইউনিভার্সিটি অব ডেন্টাল কলেজ থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফারের ব্যবস্থা নেই। ভর্তির অন্তত একবছর পর ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়।
কলেজগুলোতে ছাত্র রাজনীতি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে।