পুরো লিস্ট দেখুন

ভার্সিটি ভর্তির খুঁটিনাটি

বুয়েটকুয়েটরুয়েটচুয়েটঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ('ক' ইউনিট)

মেরিন ফিশারিজ একাডেমীটেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘খ’ ইউনিট  

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘গ’ ইউনিট  •  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ঘ’ ইউনিট  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

 জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়  •  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়  •  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়            

 

বুয়েট

শুরুতে

বুয়েটে ভর্তির নিয়মাবলী

  • যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে তারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
  • প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫ এর স্কেলের কমপক্ষে জিপিএ ৪.০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট দাখিল/ সমমানের পরীক্ষায় পাস অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।
  • প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা শিক্ষা/ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজিতে উপরোক্ত ৪টি বিষয়ে মোট জিপিএ ন্যূনতম ১৯ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/ আলিম/ সমমানের পরীক্ষায় পাস অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় পাস হতে হয়। সকল সঠিক আবেদনকারীদের মধ্য হতে মেধার ভিত্তিতে বাছাই করে সর্বাধিক ৮,০০০ জন আবেদনকারীদেরকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে দেয়া হয়। এই বাছাইয়ের জন্য আবেদনকারীদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ ও রসায়নে প্রাপ্ত জিপিএসমূহ এবং ইংরেজীতে প্রাপ্ত জিপি-এর ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হয়। একই যোগফল হওয়া একাধিক আবেদনকারীদের মধ্যে আপেক্ষিক মেধাস্থান নির্ণয়ের জন্য যথাক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজিতে প্রাপ্ত জিপি এবং এইচএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপি-একে অগ্রাধীকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়। এই মেধা তালিকার ক্রমানুসারে সর্বাধিক ৮,০০০ আবেদনকারীকে বাছাই করে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
  • GCE “O” লেভেল এবং “A” লেভেল পাস করা প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয়ে (গণিত, পদার্থ, রসায়ন এবং ইংরেজি সহ) গড়ে “B” গ্রেড এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, এই তিনটি বিষয়ে প্রতিটিতে “A” গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।
  • ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে সব উপজাতীয় প্রার্থী ও ন্যূনতম সমমান গ্রেড প্রাপ্ত বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীরাও ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত বিষয়ে বিবেচিত হয়।

 

৪ বৎসর মেয়াদী ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং ৫ বৎসর মেয়াদী স্থাপত্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ:

২০১২ সালে বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসমূহ কর্তৃক পরিচালিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ে যে পাঠ্যসূচি ছিল মূলত: তার  উপর ভিত্তি করে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। স্থাপত্য বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে মুক্ত হস্ত অংকন টেস্টেও অংশগ্রহণ করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের জন্য মূলত: নিম্নলিখিত দুটি- ক) এবং (খ) গ্রুপে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।

ক) ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং (খ) স্থাপত্য বিভাগ। উল্লেখ্য যে, (ক)   গ্রুপের জন্য মোট ৬০০ নম্বর এবং (খ) গ্রুপের জন্য মোট ১০০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক গ্রুপের বিষয় এবং বিষয়সমূহের নম্বর নিচের ছকে দেয়া হলো:

 

মডিউল

গ্রুপ ক

গ্রুপ খ

নম্বর

গণিত

গণিত

১৮০

পদার্থ বিজ্ঞান

পদার্থ বিজ্ঞান

১৮০‌

রসায়ন

রসায়ন

১৮০

বি

-

মুক্ত হস্ত অংকন

৪০০

 

আসন সংখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার উপজাতীয় প্রার্থীদের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহে ৩ টি এবং স্থাপত্য বিভাগে ১টিসহ মোট ৪টি আসন সংরক্ষিত আছে।

 

বুয়েটের সর্বমোট ১০০০টি আসন নিম্নের তালিকা অনুযায়ী বিভক্ত হয়:

 

বিভাগ

আসন সংখ্যা

কেমি কৌশল

৬০

বস্তু ও ধাতব কৌশল

৫০

পুরকৌশল

১৯৫

পানি সম্পদ কৌশল

৩০

যন্ত্রকৌশল

১৮০

নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল

৫৫

ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রডাকশন কৌশল

৩০

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল

১২০

কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

১২০

নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা

৩০

 

বিশেষ দ্রষ্টব্য: পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন শতকরা ৫০ ভাগ অবজেকটিভ টাইপ হয়, যার মূল্যায়ন OMR দ্বারা করা হয়। বাকী শতকরা ৫০ ভাগ পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়ন প্রচলিত পদ্ধতিতে করা হয়। মুক্ত হস্তে অন্কন পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভাবে প্রচলিত পদ্ধতিতে করা হয়।

 

গত বৎসর বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছিল

১৫ অক্টোবর ২০১১ ইং

বুয়েট ওয়েবসাইট- www.buet.ac.bd

 

কুয়েট

শুরুতে

কুয়েটে ভর্তির নিয়মাবলী

১। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা:

ক) প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হয়।

খ) প্রার্থীকে ২০১২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় পাস হতে হয় অথবা ২০১১ সালের নভেম্বরের পরে ‘A’ লেভেল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত হতে হয়।

গ) প্রার্থীকে বাংলাদেশের যেকোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে পাস হতে হয় অথবা সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড বা নম্বর পেয়ে পাস হতে হয়।

ঘ) প্রার্থীকে বাংলাদেশের যেকোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গণিত, পদার্থ বিদ্যা, রসায়ন এবং ইংরেজি এই ৪ বিষয়ে কমপক্ষে মোট জিপিএ ১৭ এবং উল্লেখিত প্রত্যেকটি বিষয়ে আলাদাভাবে কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫০ ও ইংরেজীতে কমপক্ষে জিপিএ ৩.০০ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/ আলিম/ সমমানের পরীক্ষায় পাস অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় উক্ত বিষয়সমূহে কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।

ঙ) প্রার্থী GCE “O” লেভেল এবং “A” লেভেল পাস করে থাকলে তার ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নিচের নিয়মসমূহ প্রযোজ্য হয়: GCE “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি পেপারে পাস হতে হয় এবং গড়ে কমপক্ষে বি গ্রেড পেতে হয় GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় পদার্থ বিদ্যা, রসায়ন ও গণিতে পৃথক পৃথক ভাবে গড়ে B গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।

 

আসন সংখ্যা

সর্বমোট ৬৬৫ টি আসন সংখ্যার বন্টন নিম্নরূপ হবে:

CE

EEE

ME

CSE

ECE

IPE

LE

URP

সংরক্ষিত

মোট

১২০

১২০

১২০

৬০

৬০

৬০

৬০

৬০

০৫

৬৬৫

 

ভর্তি পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর

২০১২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিদ্যা ও রসায়নে যে পাঠ্যসূচি ছিল প্রধানত: তার উপর এবং Functional English-এর উপর ভিত্তি করে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট ব্যাপী সর্বমোট ৫০০ (গণিত ১৫০, পদার্থ ১৫০, রসায়ন ১৫০ এবং ইংরেজি ৫০) নম্বরের MCQ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হয়।

MCQ পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ২৫% নম্বর কাটা হয়।

 

২০১১-২০১২ শিক্ষা বৎসরের ভর্তি পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল

২৯ অক্টোবর, ২০১১ ইং

 

 

রুয়েট

শুরুতে

রুয়েটে ভর্তির নিয়মাবলী

প্রয়োজনীয় তথ্য: যেসকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১২ ইং সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে তারা অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবে।

 

১। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা

ক) প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হয়।

খ) প্রার্থীকে মাধ্যমিক অথবা সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে পাস হতে হয়।

গ) প্রার্থীকে ২০১২ ইং সালের উচ্চ মাধ্যমিক অথবা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ইংরেজী-এ চারটি বিষয়ে মোটি জিপিএ- ১৭.৫ এবং পৃথকভাবে প্রতিটিতে কমপক্ষে গ্রেড পয়েন্ট ৪.০ ও ইংরেজীতে কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫ পেয়ে পাস হতে হয়।

ঘ) প্রার্থী GCE “O” লেভেল এবং “A” লেভেল পাস করে থাকলে তার ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি পেপারে B গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয় এবং নভেম্বর ২০১১ GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও গণিতে গড়ে B গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।

 

২। আসন সংখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার উপজাতীয় প্রার্থীদের জন্য ৪টি এবং বান্দরবান জেলার প্রার্থীদের জন্য ১টি সংরক্ষিত আসনসহ সর্বমোট ৫৭৫ (পাঁচশত পঁচাত্তর) টি আসন সংখ্যার বন্টন নিম্নরূপ:

 

বিভাগ

আসন সংখ্যা

পূরকৌশল

১২০ টি

তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল

১২০ টি

কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

৬০টি

ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং

৬০টি

যন্ত্র কৌশল

১২০টি

ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং

৩০টি

বিভাগ-, গ্লাস এন্ড সিরামিকস্ কৌশল

৩০ টি

আরবান ও রিজিওনাল প্লানিং

৩০টি

সংরক্ষিত আসন

৫টি

সর্ব মোট

৫৭৫ টি

 

ভর্তি পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর

২০১২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ, রসায়ন প্রতিটি বিষয়ের উপর ২০০ এবং ইংরেজি এর উপর ১০০ মোট ৭০০ নম্বরের (এমসিকিউ ৫০% এবং বর্ণনামূলক ৫০%) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

 

২০১১-২০১২ শিক্ষা বৎসরের ভর্তি পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল

২৬ অক্টোবর, ২০১১ ইং

ওয়েবসাইট- www.ruet.ac.bd

 

 

চুয়েট

শুরুতে

চুয়েটে ভর্তির নিয়মাবলী

১। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা

ক) প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হয়।

খ) প্রার্থীকে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫ এর স্কেল কমপক্ষে ৪.০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/ দাখিল সমমানের পরীক্ষায় পাস অথবা বিদেশী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড/ নম্বর পেয়ে পাস হতে হয়।

গ) প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে শুধুমাত্র ২০১২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে কমপক্ষে “B” গ্রেড (জিপিএ-৩) পেয়ে পাস করতে হয় এবং গণিত, পদার্থ ও রসায়নে মোট গ্রেড পয়েন্ট ১৩ পেতে হয়।

  • অথবা বিদেশী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০১২ সালের সমমানের পরীক্ষায় উক্ত বিষয়সমূহে কমপক্ষে সমতূল্য গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হয়। বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ১২ শিক্ষাবর্ষের অধ্যয়নকাল থাকলে দরখাস্ত করতে পারবে। উক্ত ক্ষেত্রে গ্রেড- এর সমতুল্য নিউমেরিকেল ভ্যালু এর মান সম্পর্কে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রত্যায়নকৃত সনদপত্র জমা দিতে হয়।
  • প্রার্থী GCE “O” লেভেল পরীক্ষা কমপক্ষে ৫টি বিষয়ে গড়ে “B” গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হয় এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও গণিত বিষয়ে কমপক্ষে “B” গ্রেড পেয়ে পাস করতে হয়। শুধুমাত্র ২০১২ সালের “A” লেভেল পাশ করা ছাত্র-ছাত্রী আবেদন করতে পারবে।

ঘ) ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে সব উপজাতীয় প্রার্থী ও ন্যূনতম সমমান গ্রেড/ নম্বর প্রাপ্ত বিদেশী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীরাও ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবে।

 

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়বস্তু ও নির্ধারিত নম্বর : যারা ২০১২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন শতকরা ৫০ ভাগ MCQ পদ্ধতিতে OMR দ্বারা মূল্যায়ন করা হবে। অবশিষ্ট শতকরা ৫০ ভাগ পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়ন সম্পূর্ণভাবে প্রচলিত পদ্ধতিতে করা হবে।

MCQ পদ্ধতির প্রশ্নে ভুল উত্তরের জন্য একই বিষয়ে অন্য একই MCQ সঠিক উত্তরের এক চতুর্থাংশ নম্বর কর্তন করা হবে।

 

আসন সংখ্যা

 

বিভাগ

আসন সংখ্যা

চুয়েটে

৬০০ টি

পুরকৌশল

১৩০

কম্পিউটার

১২০

ইলেকট্রিক্যাল

১৩০

যন্ত্রকৌশল

১৩০

পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিঃ

৩০,

নগর অঞ্চল ও পরিকল্পনা

৩০

স্থাপত্য

৩০

রাখাইন ১ ও উপজাতীয়

১০

 

২০১১-২০১২ শিক্ষা বৎসরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল

১৯ নভেম্বর, ২০১১ ইং

ওয়েব সাইট- www.cuet.ac.bd

 

কোর্সের নাম

ক) বি-এসসি, ইন স্পেশালাইজেশন ইন্ ইয়ার্ন

খ) বি-এসসি, ইন ফেব্রিক

গ) বি-এসসি, ইন ওয়েট প্রসিসিং

ঘ)  বি-এসসি, ইন এ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং

ঙ) বি-এসসি,ইন টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট

চ) বি-এসসি, ইন ফ্যাশন ডিজাইন

 

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা

১। প্রার্থীকে অবশ্যই জন্মগতভাবে বা নাগরিকত্ব গ্রহণে বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হয়।

২। প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ (চতুর্থ বিষয় বাদে) পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/ দাখিল সমমানের পরীক্ষায় পাস অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।

৩। ক) ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড হতে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি কিংবা উহার সমমানের পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতিতে ৫ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ (চতুর্থ বিষয় বাদে) সহ গণিত, পদার্থ ও রসায়ন বিষয়ে কমপক্ষে গড় গ্রেড পয়েন্ট ১৩.০০ এবং উপরোক্ত প্রত্যেকটি বিষয়ে আলাদাভাবে যোগ্যতা থাকলে আবেদন করতে পারবে।

৪। GCE ‘O’ লেভেল এবং ‘A’ লেভেল পাশ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে GCE ‘O’ লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি পেপারে গড়ে B’ এবং GCE ‘A’ লেভেল পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন, গণিতে গড়ে ‘B গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে। কোন বিষয়ে ‘D’ গ্রেড গ্রহণযোগ্য হবে না। টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের নিকট ১,০০০ টাকা নগদ প্রদান পূর্বক সমমানের সনদপত্র গ্রহন করে আবেদন পত্রের সাথে দাখিল করতে হবে।

 

লিখিত পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর (সময় ১.৪০ মিনিট)

 

বিষয়

এম.সি.কিউ

বর্ণনামূলক

গণিত

৩০

৩০

পদার্থ

৩০

৩০

রসায়ন

৩০

৩০

ইংরেজী

১০

১০

মোট

১০০

১০০

 

উপরোক্ত পরীক্ষা ২০১২ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসমূহ কর্তৃক পরিচালিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

 

গত বছর টেক্সটাইলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল

১৮/১১/২০১১ ইং

 

 

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ক’ ইউনিট)

শুরুতে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটে ভর্তির নিয়মাবলী

ন্যূনতম যোগ্যতা

২০১১ বা ২০১২ সনে বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষাবোর্ডের বিজ্ঞান/ কৃষিবিজ্ঞান শাখায় মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখায় আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় একত্রে মোট জিপিএ অন্তত ৮.০০ পেতে হবে (৪র্থ বিষয় বাদে)

 

ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

  • সর্ব মোট ১২০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং সময় থাকবে ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট।
  • ভর্তি পরীক্ষা এম.সি.কিউ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে এবং মোট ১২০ টি প্রশ্ন থাকে। প্রতি ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হয়। এই সম্পর্কে ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকে।
  • ভর্তি পরীক্ষা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যসূচী অনুযায়ী হয়। প্রতি বিষয়ের জন্য ৩০ নম্বর এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৪ টি বিষয়ের উত্তর দিতে হয়।
  • ক) সাধারণতভাবে শিক্ষার্থীদের physics, Chemistry, Math-ematics এবং Biology এই চারটি বিষয়ের উত্তর দিতে হয়। যদি কোন পরীক্ষার্থী চারটির মধ্যে কোন একটি বা দুটি বিষয় উচ্চ-মাধ্যমিক বা সমমানের পর্যায়ে অধ্যয়ন না করে থাকে, তাহলে তার পরিবর্তে বাংলা অথবা ইংরেজি বিষয়ে উত্তর দিতে পারে।

 

মেধা তালিকা তৈরীর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষায় নম্বরের প্রয়োজন

এ বছরও মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা তালিকা তৈরি করা হয়। উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে ৬ দিয়ে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে ১০ দিয়ে গুন করা হবে (চতুর্থ বিষয় বাদে)। এই দুইয়ের যোগফল ১২০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করে মোট ২০০ নম্বরের উপর ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর ন্যূনতম ৪৮ হবে।

 

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছিল

১৪ অক্টোবর, ২০১১ ইং

 

 

মেরিন একাডেমী

শুরুতে

র্তি যোগ্যতাসমূহ

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান শাখা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয় পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫০ পেয়ে পাশ করতে হবে এবং গণিত থাকতে হবে। (এইচ.এস.সি গণিত, পদার্থ, ইংরেজিতে আলাদাভাবে জিপিএ এ- ৩.০০ পেতে হবে। এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীরাও মেরিন একাডেমী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে)।

 

শারীরিক যোগ্যতা: পুরুষ- উচ্চতা- ৫'৪" (ন্যূনতম), ওজন- ৫০ (উচ্চতা অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে) কেজি, বুকের মাপ- ৩০‍', বয়স- ২১ বছর (সর্বোচ্চ), দৃষ্টিশক্তি- ৬/৬ (নটিক্যাল), ৬/১২ (ইঞ্জি�

 
আরো পড়ুন
 

নামসংক্ষিপ্ত বিবরণ
অনার্স/মেডিকেল ১ম বর্ষের ভর্তির তথ্যবাংলাদেশের সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ভর্তি বিজ্ঞপ্তি)২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর২০১৩ - ১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
ঢাবি - তে এমফিল ভর্তি আবেদন ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি সম্পর্কে তথ্য রয়েছে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাসবিস্তারিত দিক নির্দেশনা ও আসন বিন্যাস তুলে ধরা হয়েছে
চবির এইচ ও জি ইউনিটের পরীক্ষা স্থগিতএ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
রাবির ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচীভর্তি পরীক্ষার সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে
ইবির ইউনিটভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচীসকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচী রয়েছে
আরও ৩৩ টি লেখা দেখতে ক্লিক করুন
২৫ বছরে ১৮ সন্তানের জননী!
সর্বপ্রথম পোর্টেবল দ্বীপ
বিদেশিনীর বাংলা প্রেম
জুতার গাছ!
exam
নির্বাচিত প্রতিবেদন
exam
সুমাইয়া শিমু
পিয়া বিপাশা
প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল
রোবেনা রেজা জুঁই
বাংলা ফন্ট না দেখা গেলে মোবাইলে দেখতে চাইলে
how-to-lose-your-belly-fat
guide-to-lose-weight
hair-loss-and-treatment
how-to-flatten-stomach
fat-burning-foods-and-workouts
fat-burning-foods-and-workouts
 
সেলিব্রেটি